ঢাকা ০৪:০৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ৭ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
Logo গণপূর্তের ইএম শাখা সার্কেল ৪: তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী তৈমুর আলমের দূর্নীতির কীর্তি! Logo সড়ক পরিবহন মালিক সমিতির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হলেন জাহাঙ্গীর শিকদার Logo প্রকল্প বণ্টনে অনিয়ম ও রাজনৈতিক প্রভাবের অভিযোগে গণপূর্ত সচিব নজরুলকে নিয়ে বিতর্কের ঝড়! Logo শিক্ষা প্রকৌশলে দুর্নীতির অভিযোগ: কোটি টাকার চুক্তিতে তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী শাহজাহান আলী Logo কক্সবাজার উত্তর বন বিভাগে সীমাহীন ঘুষ–দুর্নীতির অভিযোগ Logo বটিয়াঘাটায় বিএনপি প্রার্থীর উঠান বৈঠক: সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের নিরবিচ্ছিন্ন নিরাপত্তার আশ্বাস Logo গণপূর্তের নির্বাহী প্রকৌশলী কায়সার কবির ও ক্যাশিয়ার এনামুল হকের বিরুদ্ধে কোটি টাকার লুটপাটের অভিযোগ|| পর্ব – Logo বহুজাতিক প্রতিষ্ঠানের অর্থ অপব্যবহার: এশিয়াটিক থ্রি সিক্সটি ইস্যুতে হাইকোর্টে যাচ্ছে আইনজীদের সংগঠন  Logo বঙ্গবন্ধু প্রকৌশল পরিষদের জ্যেষ্ঠ নেতার পদোন্নতি সহ পিআরএল: রয়েছে শত কোটি টাকার লুটপাটের অভিযোগ! Logo দৈনিক সবুজ বাংলাদেশের সম্পাদক মোহাম্মদ মাসুদ এর জন্মদিন আজ

করোনার ভয়ে ফিরিয়ে দিল হাসপাতাল, কিডনি রোগীর মৃত্যু”

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৪:৫৩:০৮ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৭ এপ্রিল ২০২০ ১৭৭ বার পড়া হয়েছে

নিজস্ব প্রতিনিধি;  করোনা সন্দেহে ডায়ালাইসিসে রাজি না হওয়ায় যশোর জেনারেল হাসপাতালের কোয়ারেন্টাইনে থাকা ভারত ফেরত এক কিডনি রোগীর মৃত্যু হয়েছে।

বৃহস্পতিবার ভোরে যশোর জেনারেল হাসপাতালের ডা.ওবায়দুল কাদির উজ্জ্বল তাকে মৃত ঘোষণা করেন। ওই রোগীর নাম আলমগীর কবীর (৪৫)। তিনি যশোরের চৌগাছা উপজেলার বাসিন্দা।

হাসপাতাল সূত্রে জানা যায়, গত ১০ এপ্রিল আলমগীর কবীর ভারত থেকে কিডনির চিকিৎসা নিয়ে দেশে ফেরেন। ওইদিনই তাকে যশোর জেনারেল হাসপাতালের কোয়ারেন্টাইনে রাখা হয়। ভর্তির পর পরই ওই রোগীর কিডনি ডায়ালাইসিসের প্রয়োজন হয়। যশোর জেনারেল হাসপাতালে ডায়ালাইসিসের কোনও ব্যবস্থা না থাকায় স্থানীয় বেসরকারি হাসপাতালের সঙ্গে ডাক্তাররা যোগাযোগ করেন।

কিন্তু রোগীর করোনা পরীক্ষার ফলাফল ছাড়া যশোরের কোনও বেসরকারি হাসপাতাল তার ডায়ালাইসিসে করাতে রাজি হয়নি। এরপর ওই রোগীর নমুনা পাঠানো হয় খুলনাতে পরীক্ষার জন্য। ১৫ এপ্রিল রাতে খুলনা থেকে ওই রোগীর করোনা পরীক্ষার রেজাল্ট আসে- নেগেটিভ। ফলাফল নিয়ে ডাক্তাররা বেসরকারি হাসপাতাল ইবনে সিনা কর্তৃপক্ষের সঙ্গে কথা বলেন। তারা আজ (বৃহস্পতিবার) সকালে তার ডায়ালাইসিস করাতে রাজি হয়। কিন্তু ততক্ষণে ওই রোগী মারা যান।

এ বিষয়ে যশোর জেনারেল হাসপাতালের আরএমও ডা. আরিফ আহমেদ জানান, গত ১০ এপ্রিল চৌগাছা উপজেলার এক বাসিন্দা ভারত থেকে কিডনি রোগের চিকিৎসা নিয়ে দেশে ফেরেন। তার শরীরে করোনা ভাইরাসের উপসর্গ না থাকলেও সরকারি নির্দেশনার কারণে তাকে হাসপাতালের প্রাতিষ্ঠানিক কোয়ারেন্টাইনে রাখা হয়। ওই রোগীর ডায়ালাইসিসে প্রয়োজন ছিল। কিন্তু করোনার ভয়ে যশোরের কোনও বেসরকারি হাসপাতাল তার ডায়ালাইসিসে রাজি হয়নি।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :
error: Content is protected !!

করোনার ভয়ে ফিরিয়ে দিল হাসপাতাল, কিডনি রোগীর মৃত্যু”

আপডেট সময় : ০৪:৫৩:০৮ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৭ এপ্রিল ২০২০

নিজস্ব প্রতিনিধি;  করোনা সন্দেহে ডায়ালাইসিসে রাজি না হওয়ায় যশোর জেনারেল হাসপাতালের কোয়ারেন্টাইনে থাকা ভারত ফেরত এক কিডনি রোগীর মৃত্যু হয়েছে।

বৃহস্পতিবার ভোরে যশোর জেনারেল হাসপাতালের ডা.ওবায়দুল কাদির উজ্জ্বল তাকে মৃত ঘোষণা করেন। ওই রোগীর নাম আলমগীর কবীর (৪৫)। তিনি যশোরের চৌগাছা উপজেলার বাসিন্দা।

হাসপাতাল সূত্রে জানা যায়, গত ১০ এপ্রিল আলমগীর কবীর ভারত থেকে কিডনির চিকিৎসা নিয়ে দেশে ফেরেন। ওইদিনই তাকে যশোর জেনারেল হাসপাতালের কোয়ারেন্টাইনে রাখা হয়। ভর্তির পর পরই ওই রোগীর কিডনি ডায়ালাইসিসের প্রয়োজন হয়। যশোর জেনারেল হাসপাতালে ডায়ালাইসিসের কোনও ব্যবস্থা না থাকায় স্থানীয় বেসরকারি হাসপাতালের সঙ্গে ডাক্তাররা যোগাযোগ করেন।

কিন্তু রোগীর করোনা পরীক্ষার ফলাফল ছাড়া যশোরের কোনও বেসরকারি হাসপাতাল তার ডায়ালাইসিসে করাতে রাজি হয়নি। এরপর ওই রোগীর নমুনা পাঠানো হয় খুলনাতে পরীক্ষার জন্য। ১৫ এপ্রিল রাতে খুলনা থেকে ওই রোগীর করোনা পরীক্ষার রেজাল্ট আসে- নেগেটিভ। ফলাফল নিয়ে ডাক্তাররা বেসরকারি হাসপাতাল ইবনে সিনা কর্তৃপক্ষের সঙ্গে কথা বলেন। তারা আজ (বৃহস্পতিবার) সকালে তার ডায়ালাইসিস করাতে রাজি হয়। কিন্তু ততক্ষণে ওই রোগী মারা যান।

এ বিষয়ে যশোর জেনারেল হাসপাতালের আরএমও ডা. আরিফ আহমেদ জানান, গত ১০ এপ্রিল চৌগাছা উপজেলার এক বাসিন্দা ভারত থেকে কিডনি রোগের চিকিৎসা নিয়ে দেশে ফেরেন। তার শরীরে করোনা ভাইরাসের উপসর্গ না থাকলেও সরকারি নির্দেশনার কারণে তাকে হাসপাতালের প্রাতিষ্ঠানিক কোয়ারেন্টাইনে রাখা হয়। ওই রোগীর ডায়ালাইসিসে প্রয়োজন ছিল। কিন্তু করোনার ভয়ে যশোরের কোনও বেসরকারি হাসপাতাল তার ডায়ালাইসিসে রাজি হয়নি।