ঢাকা ১১:৪৩ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৪ জানুয়ারী ২০২৬, ১১ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
Logo বিআরটিসিতে দুর্নীতির বরপুত্র চেয়ারম্যান আব্দুল লতিফ মোল্লা Logo শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তরের প্রধান প্রকৌশলীকে ঘিরে সমালোচনার ঝড় Logo বরিশালে গণপূর্তে ঘুষ–চেক কেলেঙ্কারি! Logo ওয়ার্ল্ড হিউম্যান রাইটস্ ক্রাইম রিপোর্টাস সোসাইটির কম্বল ও খাবার বিতরন Logo বাংলাদেশে ৫৬ জন দীর্ঘমেয়াদি নির্বাচন পর্যবেক্ষক মোতায়েন করল ইউরোপীয় ইউনিয়ন Logo নাগরিক শোকসভা কাল: সঙ্গে আনতে হবে আমন্ত্রণপত্র Logo উত্তরায় হোটেলে চাঁদা চাওয়ায় সাংবাদিককে গণধোলাই Logo ৩০ লক্ষ টাকায় বনানী ক্লাবের সদস্য হওয়া দুর্নীতিবাজ কাস্টমস কমিশনার জাকিরের পুনর্বাসন Logo চমেকে বিনামূল্যে বিশুদ্ধ খাবার পানির প্ল্যান্ট স্থাপন করল দূর্বার তারুণ্য ফাউন্ডেশন Logo তারেক রহমানের সঙ্গে সম্পাদক-সাংবাদিকদের শুভেচ্ছা বিনিময় অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত

বুড়িচংয়ে আইনশৃঙ্খলা কমিটির সভায় সাংবাদিকদের প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা ইউএনও’র!

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৭:৪২:৫৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৮ মার্চ ২০২৪ ৫৭৮ বার পড়া হয়েছে

বুড়িচং প্রতিনিধি:

কুমিল্লার বুড়িচং উপজেলা আইনশৃঙ্খলা কমিটির সভায় বিতর্কিত ও রেজিষ্ট্রেশনহীন স্বঘোষিত প্রেসক্লাবের এক সাংবাদিক ব্যতিত অন্য কোন সাংবাদিক থাকতে পারবে না বলে নতুন ঘোষণা দিলেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সাহিদা আক্তার। ২৮মার্চ (বৃহস্পতিবার) উপজেলা পরিষদের সভাকক্ষে উপস্থিত বিভিন্ন সংস্থা ও দপ্তরের কর্মকর্তা ও জনপ্রতিনিধিগণের সামনেই কঠোর আচরণে এমন ঘোষণার পর মনোক্ষুণ্ণ হয়ে উপস্থিত সাংবাদিকগণ বেরিয়ে যান। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার এমন বক্তব্য ও আচরণে জেলা ও উপজেলার রেজিষ্ট্রেশনভুক্ত প্রেসক্লাবের সাংবাদিকগণ ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া জানিয়ে এর তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানান।

আইনশৃঙ্খলা কমিটির সভায় সাধারণত বিভিন্ন বাহিনী ও দপ্তরের প্রশাসনিক কর্মকর্তা, জনপ্রতিনিধি, বিশিষ্ট নাগরিকগণ, ইমাম, পুরোহিত, সাংবাদিকসহ অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ পদের কর্মকর্তা কর্মচারীদের উপস্থিতিতে উপজেলার আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি, সমস্যা ও সমাধানের চেষ্টাসহ সার্বিক বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়ে থাকে। এ সভার মাধ্যমে সমস্যাগুলো সকলের সম্মুখে উঠে আসে। আইন শৃঙ্খলার অবনতি, উন্নতি এ বিষয়ে পরিকল্পনাসহ সার্বিক বিষয় জানতে পারেন সাংবাদিকগণ। গণমাধ্যম কর্মীরা সভায় আলোচিত বিষয়বস্তু সম্পর্কে গঠনমূলক তথ্য উপাথ্য গণমাধ্যমের মাধ্যমে জনসাধারণের সামনে তুলে ধরেন। এছাড়াও এধরনের সভায় সাংবাদিকগণ জনসাধারণের নানা ভোগান্তি সহ বিভিন্ন স্থানীয় নানা সমস্যার বিষয় তুলে ধরে তা সরাসরি সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের নজরে আনারও চেষ্টা করেন। রাষ্ট্রের চতুর্থ স্তম্ভ এবং সমাজের চোখ বলে বিবেচনা করা হয় সাংবাদিক ও গণমাধ্যমকে। অথচ এধরণের সভা থেকে পছন্দের এক (অপ্রকাশিত আন্ডারগ্রাউন্ড পত্রিকার) সাংবাদিককে রেখে পেশাদার সাংবাদিক সুনামধন্য প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিকস মিডিয়ার গণমাধ্যম কর্মীদের সভাকক্ষ থেকে বের করে দেয়া নিয়ে সাংবাদিক সহ সচেতন নাগরিক মহলে চলছে তীব্র সমালোচনা।
ঘটনার সময় উপজেলা প্রাঙ্গনে উপস্থিত দৈনিক ভোরের কলাম ও এক্সপ্রেস নিউজ প্রতিনিধি, প্রেসক্লাবের সহ-সভাপতি মাহফুজ বাবু বলেন, আইনশৃঙ্খলা কমিটির সভা গোপন কোন বৈঠক নয়। সম্মেলন কক্ষ থেকে এভাবে সাংবাদিকদের বের করে দেয়া অত্যন্ত দুঃখজনক। যেখানে জেলা আইনশৃঙ্খলা কমিটির সভায় সাংবাদিকদের আমন্ত্রণ জানানো হয় সেখানে বুড়িচং উপজেলায় কেন এমন বৈষম্য হবে? কোনো এমন নিষেধাজ্ঞা তার কারন অবশ্যই জানা প্রয়োজন। সাংবাদিকদের অনেকেরই প্রশ্ন, যেখানে পূর্বের উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাগণ আইনশৃঙ্খলার মিটিংয়ে সাংবাদিকদের আমন্ত্রণপত্র পাঠাতেন স্থানীয় সমস্যাগুলো উপস্থাপন করার জন্য সেখানে একই উপজেলায় কেন হঠাৎ এমন নিষেধাজ্ঞা!! আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি সম্পর্কে সাংবাদিক মহলের ধরনা সাধারণ অন্যদের থেকে বেশীই, তাহলে তাদের উপস্থিতি কেন বিব্রত করবে কাউকে বা কেন বিব্রত বোধ করবে উপজেলা প্রশাসন?

কুমিল্লা টেলিভিশন জার্নালিস্ট এসোসিয়েশন এর সভাপতি হুমায়ুন কবির রনি এ ঘটনার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়ে বলেন, সাংবাদিকগণ যদি জাতীয় নির্বাচন থেকে শুরু করে সকল বিষয়ে প্রশাসন কে সহযোগিতা করতে পারে তাহলে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সভায় তাদের উপস্থিততে কারো সমস্যা বা নিষেধাজ্ঞা থাকবে কেন! এমন আচরণ বা ঘোষণা গ্রহণযোগ্য নয়।

বাংলাদেশ মফস্বল সাংবাদিক ফোরাম এর সভাপতি
আহম্মেদ আবু জাফর বলেন, সাংবাদিকদের সাথে এমন বৈষম্যমুলক আচরণ প্রজাতন্ত্রের কর্মকর্তাদের কাছে কখনোই কাম্য নয়। বাংলাদেশ মফস্বল সাংবাদিক ফোরাম এর তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানানো সহ এ ঘোষনার বিষয়ে সঠিক ব্যখ্যা প্রত্যাশা করে।

এবিষয়ে তীব্র প্রতিবাদ ও নিন্দা জানিয়ে বুড়িচং প্রেসক্লাবের সভাপতি শাখাওয়াত হাফিজ বলেন, এমনটাতো আগে কখনো শুনিনি। এমন ঘোষণা বলা বক্তব্য কাম্য নয়। আইনশৃঙ্খলা কমিটির সভায় সাংবাদিকরা থাকবে না কেন? বিশেষ একজন বা পছন্দের কাউকে রেখে অন্যদের বের করে দেয়া ঠিক হয়নি। বৈষম্যমুলক আচরনের তীব্র নিন্দা জানাচ্ছি। আইনগত ভাবে হলেও তো, সরকারি রেজিষ্ট্রেশন ভুক্ত বৈধ প্রেসক্লাবের সভাপতি সাধারণ সম্পাদক বা সিনিয়র সাংবাদিক সদস্যদের কেউ থাকার কথা। যাকে রাখা হয়েছে তিনি কে, কোন পত্রিকায় কাজ করেন, তিনি স্থানীয় প্রেসক্লাবের কেউ কিনা সেটাও দেখা প্রয়োজন।

জাতীয় সাংবাদিক সংস্থা’র (বুড়িচং উপজেলা শাখা) সভাপতি ও দৈনিক কুমিল্লার কাগজের বুড়িচং প্রতিনিধি সৌরভ মাহমুদ হারুন প্রতিবাদ জানিয়ে বলেন, এটি পেশাগত সাংবাদিকদের জন্য অপমানের এবং এতে করে সকল সাংবাদিকদের সম্মান ক্ষুন্ন করা হয়েছে। আমরা সাংবাদিক মহল এবং জাতীয় সাংবাদিক সংস্থার পক্ষ থেকে এর তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাই।

এবিষয়ে জেলা প্রশাসক মুঃ মুশফিকুর রহমান বলেন,. বিষয়টি সম্পর্কে আমি জানিনা। আইনশৃঙ্খলা কমিটির সভা থেকে সাংবাদিকদের বের করে দেয়ার কথা নয়। বিষয়টি সম্পর্কে জেনে জানাবো।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :
error: Content is protected !!

বুড়িচংয়ে আইনশৃঙ্খলা কমিটির সভায় সাংবাদিকদের প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা ইউএনও’র!

আপডেট সময় : ০৭:৪২:৫৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৮ মার্চ ২০২৪

বুড়িচং প্রতিনিধি:

কুমিল্লার বুড়িচং উপজেলা আইনশৃঙ্খলা কমিটির সভায় বিতর্কিত ও রেজিষ্ট্রেশনহীন স্বঘোষিত প্রেসক্লাবের এক সাংবাদিক ব্যতিত অন্য কোন সাংবাদিক থাকতে পারবে না বলে নতুন ঘোষণা দিলেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সাহিদা আক্তার। ২৮মার্চ (বৃহস্পতিবার) উপজেলা পরিষদের সভাকক্ষে উপস্থিত বিভিন্ন সংস্থা ও দপ্তরের কর্মকর্তা ও জনপ্রতিনিধিগণের সামনেই কঠোর আচরণে এমন ঘোষণার পর মনোক্ষুণ্ণ হয়ে উপস্থিত সাংবাদিকগণ বেরিয়ে যান। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার এমন বক্তব্য ও আচরণে জেলা ও উপজেলার রেজিষ্ট্রেশনভুক্ত প্রেসক্লাবের সাংবাদিকগণ ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া জানিয়ে এর তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানান।

আইনশৃঙ্খলা কমিটির সভায় সাধারণত বিভিন্ন বাহিনী ও দপ্তরের প্রশাসনিক কর্মকর্তা, জনপ্রতিনিধি, বিশিষ্ট নাগরিকগণ, ইমাম, পুরোহিত, সাংবাদিকসহ অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ পদের কর্মকর্তা কর্মচারীদের উপস্থিতিতে উপজেলার আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি, সমস্যা ও সমাধানের চেষ্টাসহ সার্বিক বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়ে থাকে। এ সভার মাধ্যমে সমস্যাগুলো সকলের সম্মুখে উঠে আসে। আইন শৃঙ্খলার অবনতি, উন্নতি এ বিষয়ে পরিকল্পনাসহ সার্বিক বিষয় জানতে পারেন সাংবাদিকগণ। গণমাধ্যম কর্মীরা সভায় আলোচিত বিষয়বস্তু সম্পর্কে গঠনমূলক তথ্য উপাথ্য গণমাধ্যমের মাধ্যমে জনসাধারণের সামনে তুলে ধরেন। এছাড়াও এধরনের সভায় সাংবাদিকগণ জনসাধারণের নানা ভোগান্তি সহ বিভিন্ন স্থানীয় নানা সমস্যার বিষয় তুলে ধরে তা সরাসরি সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের নজরে আনারও চেষ্টা করেন। রাষ্ট্রের চতুর্থ স্তম্ভ এবং সমাজের চোখ বলে বিবেচনা করা হয় সাংবাদিক ও গণমাধ্যমকে। অথচ এধরণের সভা থেকে পছন্দের এক (অপ্রকাশিত আন্ডারগ্রাউন্ড পত্রিকার) সাংবাদিককে রেখে পেশাদার সাংবাদিক সুনামধন্য প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিকস মিডিয়ার গণমাধ্যম কর্মীদের সভাকক্ষ থেকে বের করে দেয়া নিয়ে সাংবাদিক সহ সচেতন নাগরিক মহলে চলছে তীব্র সমালোচনা।
ঘটনার সময় উপজেলা প্রাঙ্গনে উপস্থিত দৈনিক ভোরের কলাম ও এক্সপ্রেস নিউজ প্রতিনিধি, প্রেসক্লাবের সহ-সভাপতি মাহফুজ বাবু বলেন, আইনশৃঙ্খলা কমিটির সভা গোপন কোন বৈঠক নয়। সম্মেলন কক্ষ থেকে এভাবে সাংবাদিকদের বের করে দেয়া অত্যন্ত দুঃখজনক। যেখানে জেলা আইনশৃঙ্খলা কমিটির সভায় সাংবাদিকদের আমন্ত্রণ জানানো হয় সেখানে বুড়িচং উপজেলায় কেন এমন বৈষম্য হবে? কোনো এমন নিষেধাজ্ঞা তার কারন অবশ্যই জানা প্রয়োজন। সাংবাদিকদের অনেকেরই প্রশ্ন, যেখানে পূর্বের উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাগণ আইনশৃঙ্খলার মিটিংয়ে সাংবাদিকদের আমন্ত্রণপত্র পাঠাতেন স্থানীয় সমস্যাগুলো উপস্থাপন করার জন্য সেখানে একই উপজেলায় কেন হঠাৎ এমন নিষেধাজ্ঞা!! আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি সম্পর্কে সাংবাদিক মহলের ধরনা সাধারণ অন্যদের থেকে বেশীই, তাহলে তাদের উপস্থিতি কেন বিব্রত করবে কাউকে বা কেন বিব্রত বোধ করবে উপজেলা প্রশাসন?

কুমিল্লা টেলিভিশন জার্নালিস্ট এসোসিয়েশন এর সভাপতি হুমায়ুন কবির রনি এ ঘটনার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়ে বলেন, সাংবাদিকগণ যদি জাতীয় নির্বাচন থেকে শুরু করে সকল বিষয়ে প্রশাসন কে সহযোগিতা করতে পারে তাহলে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সভায় তাদের উপস্থিততে কারো সমস্যা বা নিষেধাজ্ঞা থাকবে কেন! এমন আচরণ বা ঘোষণা গ্রহণযোগ্য নয়।

বাংলাদেশ মফস্বল সাংবাদিক ফোরাম এর সভাপতি
আহম্মেদ আবু জাফর বলেন, সাংবাদিকদের সাথে এমন বৈষম্যমুলক আচরণ প্রজাতন্ত্রের কর্মকর্তাদের কাছে কখনোই কাম্য নয়। বাংলাদেশ মফস্বল সাংবাদিক ফোরাম এর তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানানো সহ এ ঘোষনার বিষয়ে সঠিক ব্যখ্যা প্রত্যাশা করে।

এবিষয়ে তীব্র প্রতিবাদ ও নিন্দা জানিয়ে বুড়িচং প্রেসক্লাবের সভাপতি শাখাওয়াত হাফিজ বলেন, এমনটাতো আগে কখনো শুনিনি। এমন ঘোষণা বলা বক্তব্য কাম্য নয়। আইনশৃঙ্খলা কমিটির সভায় সাংবাদিকরা থাকবে না কেন? বিশেষ একজন বা পছন্দের কাউকে রেখে অন্যদের বের করে দেয়া ঠিক হয়নি। বৈষম্যমুলক আচরনের তীব্র নিন্দা জানাচ্ছি। আইনগত ভাবে হলেও তো, সরকারি রেজিষ্ট্রেশন ভুক্ত বৈধ প্রেসক্লাবের সভাপতি সাধারণ সম্পাদক বা সিনিয়র সাংবাদিক সদস্যদের কেউ থাকার কথা। যাকে রাখা হয়েছে তিনি কে, কোন পত্রিকায় কাজ করেন, তিনি স্থানীয় প্রেসক্লাবের কেউ কিনা সেটাও দেখা প্রয়োজন।

জাতীয় সাংবাদিক সংস্থা’র (বুড়িচং উপজেলা শাখা) সভাপতি ও দৈনিক কুমিল্লার কাগজের বুড়িচং প্রতিনিধি সৌরভ মাহমুদ হারুন প্রতিবাদ জানিয়ে বলেন, এটি পেশাগত সাংবাদিকদের জন্য অপমানের এবং এতে করে সকল সাংবাদিকদের সম্মান ক্ষুন্ন করা হয়েছে। আমরা সাংবাদিক মহল এবং জাতীয় সাংবাদিক সংস্থার পক্ষ থেকে এর তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাই।

এবিষয়ে জেলা প্রশাসক মুঃ মুশফিকুর রহমান বলেন,. বিষয়টি সম্পর্কে আমি জানিনা। আইনশৃঙ্খলা কমিটির সভা থেকে সাংবাদিকদের বের করে দেয়ার কথা নয়। বিষয়টি সম্পর্কে জেনে জানাবো।