• ২০শে এপ্রিল ২০২১ খ্রিস্টাব্দ , ৭ই বৈশাখ ১৪২৮ বঙ্গাব্দ

নুসরাতের ভিডিও ধারণের কথা স্বীকার করেছেন ওসি মোয়াজ্জেম

সকালের সংবাদ ডেস্ক;
প্রকাশিত মে ২৬, ২০১৯, ১৯:১৪ অপরাহ্ণ
নুসরাতের ভিডিও ধারণের কথা স্বীকার করেছেন ওসি মোয়াজ্জেম

ফেনীর মাদ্রাসাছাত্রী নুসরাত জাহান রাফি হত্যায় সোনাগাজী মডেল থানার ওসি (প্রত্যাহার) মোয়াজ্জেম হোসেন নুসরাতের ভিডিও ধারণের কথা স্বীকার করেছেন।

রোববার বিকালে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই) প্রধান ডিআইজি বনজ কুমার মজুমদার এ বিষয়টি জানান।

পিবিআই প্রধান বলেন, ওসি মোয়াজ্জেম থানায় নুসরাতের ভিডিও ধারণের কথা স্বীকার করেছেন। তবে, তিনি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়াননি বলেও দাবি করেছেন। আমরা তদন্তে ভিডিও ধারণ ও তাকে জেরা করার বিষয়টি নিশ্চিত হয়েছি। ইতোমধ্যে মামলার তদন্ত প্রতিবেদন আদালতে দাখিল করেছি। এজাহারে যে অভিযোগ করা হয়েছে, তার আংশিক সত্যতাও পেয়েছি। সে অনুযায়ী প্রতিবেদন দিয়েছি।’

বনজ কুমার জানান, মাদ্রাসাছাত্রী নুসরাত জাহান রাফিকে থানায় জেরা করে ওই দৃশ্য নিজের মোবাইল ফোনেই ভিডিও ধারণ করেছেন সোনাগাজী থানার সাবেক ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোয়াজ্জেম হোসেন। তবে তা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে দেওয়ার প্রমাণ পায়নি পিবিআই। ইতোমধ্যে পিবিআই আদালতে এই প্রতিবেদন দাখিল করেছে।

তিনি আরও বলেন, ওসি মোয়াজ্জেম নিজেই তার মোবাইলে ভিডিও ধারণ করার পর সজল নামে এক ব্যক্তির কাছে দিয়েছিলেন। তার মাধ্যমেই ভিডিওটি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়াতে পারে।

প্রসঙ্গত, ৬ এপ্রিল সকালে আলিম পরীক্ষা দিতে সোনাগাজী ইসলামিয়া সিনিয়র ফাজিল মাদ্রাসায় যান নুসরাত জাহান রাফি। কয়েকজন তাকে কৌশলে ছাদে ডেকে এনে অধ্যক্ষের বিরুদ্ধে করা মামলা তুলে নিতে চাপ দেন। তিনি অস্বীকৃতি জানালে তার গায়ে কেরোসিন ঢেলে আগুন ধরিয়ে দেয়া হয়। এ ঘটনায় অধ্যক্ষ সিরাজ উদ্দৌলা, পৌর কাউন্সিলর মাকসুদ আলমসহ আটজনের নাম উল্লেখ করে সোনাগাজী মডেল থানায় মামলা করেন রাফির বড় ভাই মাহমুদুল হাসান নোমান। ১০ এপ্রিল রাতে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের বার্ন ইউনিটে মারা যান অগ্নিদগ্ধ রাফি।

  • ফজর
  • যোহর
  • আছর
  • মাগরিব
  • এশা
  • সূর্যোদয়
  • ৪:১৭
  • ১২:০১
  • ৪:৩০
  • ৬:২৬
  • ৭:৪৩
  • ৫:৩৩