ঢাকা ০২:৩০ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২১ অগাস্ট ২০২৬, ৫ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
Logo গ্যাস সংকট আগের সরকারের পাপের ফল: ডা. জাহেদ Logo ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে এআই-নির্ভর ‘অটো ফাইন সিস্টেম’ চালু Logo প্রধানমন্ত্রীকে সৌদি আরব সফরের আমন্ত্রণ জানিয়েছেন যুবরাজ বিন সালমান Logo ছয় মাসে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির দৃশ্যমান উন্নতি হয়েছে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী Logo সরকারের ১৮০ দিনের সালতামামি: ধ্বংসস্তূপ থেকে পরিকল্পিত পুনর্গঠনের পথে বাংলাদেশ Logo শিগগিরই জনপ্রশাসন সংস্কার কমিশন গঠন করবে সরকার : নজরুল ইসলাম খান Logo রাষ্ট্র ও মানুষের মর্যাদা প্রতিষ্ঠাই সরকারের বড় সাফল্য:সালেহ শিবলী Logo শেখ হাসিনার কোন স্ট্যাটাসে ভারতে আছেন জানা নেই: চিফ প্রসিকিউটর Logo ১০ বছরের জ্বালানি পরিকল্পনা সংসদে উপস্থাপনের ঘোষণা প্রধানমন্ত্রীর Logo আগামীকাল কিশোরগঞ্জ সফর করবেন প্রধানমন্ত্রী

রাজস্ব কর্মকর্তা মেহেদীর বিরুদ্ধে ঘুষ অনিয়মের অভিযোগে নড়েচড়ে দাঁড়াল দুদক: ছাত্রলীগের নেতা বহাল তবিয়তে!

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৮:৪৫:৫২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১২ মার্চ ২০২৬ ৩৬৪ বার পড়া হয়েছে

নিজস্ব প্রতিবেদক: মোংলা কাস্টমস হাউস থেকে সম্প্রতি কমলাপুর কাস্টমসে বদলি হওয়া সহকারী রাজস্ব কর্মকর্তা (এআরও) মেহেদী হাসানের বিরুদ্ধে ঘুষ বাণিজ্য, ক্ষমতার অপব্যবহার এবং সরকারের রাজস্ব ফাঁকির মাধ্যমে কোটি কোটি টাকার সম্পদ অর্জনের অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগটি ১০ সেপ্টেম্বর ২০২৫ তারিখে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)-এ দায়ের করা হয়েছে।

আবেদনে বলা হয়েছে, মেহেদী হাসান তার কর্মজীবনে গাজীপুর ও গুলশান ভ্যাট ডিভিশন, চট্টগ্রাম কাস্টমস বন্ড কমিশনারেট এবং বর্তমান মোংলা কাস্টমস হাউসে থাকা অবস্থায় ভ্যাটদাতা ও শুল্ক করদাতাদের সঙ্গে যোগসাজসে সরকারের রাজস্ব ফাঁকি দিয়ে কোটি কোটি টাকা হাতিয়ে নিয়েছেন। অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে, তার ঘুষ বাণিজ্যের একটি ভিডিও সম্প্রতি ফেসবুক গ্রুপ “এনবিআর নিউজ এন্ড ভিউজ”-এ ভাইরাল হয়েছিল। যদিও ভিডিওটি কয়েক দিনের মধ্যে ডিলিট করা হয়।

আবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, ২০১৮ সালে সহকারী রাজস্ব কর্মকর্তা পদে যোগদানের পর মাত্র সাত বছরের মধ্যে মেহেদী হাসান অন্তত ১০ কোটি টাকার সম্পদের মালিক হয়েছেন। তিনি খুলনায় জমি, সাতক্ষীরার গ্রামে বাংলো এবং প্রাইভেট গাড়িসহ ব্যাংকে এফডিআর খোলার মাধ্যমে অযৌক্তিক সম্পদ সঞ্চয় করেছেন। অভিযোগে আরও বলা হয়েছে, তার এবং তার পরিবারের সদস্যদের জাতীয় পরিচয় পত্রের তথ্য মিলিয়ে সম্পদের অনুসন্ধান করলে প্রমাণ পাওয়া যাবে।

অভিযোগে তার রাজনৈতিক কার্যক্রমকেও উল্লেখ করা হয়েছে। ছাত্রজীবনে কার্যক্রম নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের নেতা ছিলেন তিনি এবং “আওয়ামী ম্যান” পরিচয়ে চাকরিতে যোগদানের পরও আওয়ামী লীগের বিভিন্ন অনুষ্ঠানে নিয়মিত অর্থদান করেছেন। পাশাপাশি বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলন দমনে সরাসরি অংশগ্রহণ ও অর্থ যোগানের অভিযোগও করা হয়েছে।

এবিষয়ে মেহেদী হাসান এর বক্তব্য জানতে তার মুঠোফোন নাম্বারে যোগাযোগ করা হলেও তার মন্তব্য পাওয়া সম্ভব হয়নি।

দুদক এবং জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর)-কে আবেদন করা হয়েছে, সহকারী রাজস্ব কর্মকর্তা মেহেদী হাসানের ঘুষ বাণিজ্য, ক্ষমতার অপব্যবহার ও অনিয়ম দুর্নীতির বিষয়ে তদন্ত পূর্বক আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :
error: Content is protected !!

রাজস্ব কর্মকর্তা মেহেদীর বিরুদ্ধে ঘুষ অনিয়মের অভিযোগে নড়েচড়ে দাঁড়াল দুদক: ছাত্রলীগের নেতা বহাল তবিয়তে!

আপডেট সময় : ০৮:৪৫:৫২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১২ মার্চ ২০২৬

নিজস্ব প্রতিবেদক: মোংলা কাস্টমস হাউস থেকে সম্প্রতি কমলাপুর কাস্টমসে বদলি হওয়া সহকারী রাজস্ব কর্মকর্তা (এআরও) মেহেদী হাসানের বিরুদ্ধে ঘুষ বাণিজ্য, ক্ষমতার অপব্যবহার এবং সরকারের রাজস্ব ফাঁকির মাধ্যমে কোটি কোটি টাকার সম্পদ অর্জনের অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগটি ১০ সেপ্টেম্বর ২০২৫ তারিখে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)-এ দায়ের করা হয়েছে।

আবেদনে বলা হয়েছে, মেহেদী হাসান তার কর্মজীবনে গাজীপুর ও গুলশান ভ্যাট ডিভিশন, চট্টগ্রাম কাস্টমস বন্ড কমিশনারেট এবং বর্তমান মোংলা কাস্টমস হাউসে থাকা অবস্থায় ভ্যাটদাতা ও শুল্ক করদাতাদের সঙ্গে যোগসাজসে সরকারের রাজস্ব ফাঁকি দিয়ে কোটি কোটি টাকা হাতিয়ে নিয়েছেন। অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে, তার ঘুষ বাণিজ্যের একটি ভিডিও সম্প্রতি ফেসবুক গ্রুপ “এনবিআর নিউজ এন্ড ভিউজ”-এ ভাইরাল হয়েছিল। যদিও ভিডিওটি কয়েক দিনের মধ্যে ডিলিট করা হয়।

আবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, ২০১৮ সালে সহকারী রাজস্ব কর্মকর্তা পদে যোগদানের পর মাত্র সাত বছরের মধ্যে মেহেদী হাসান অন্তত ১০ কোটি টাকার সম্পদের মালিক হয়েছেন। তিনি খুলনায় জমি, সাতক্ষীরার গ্রামে বাংলো এবং প্রাইভেট গাড়িসহ ব্যাংকে এফডিআর খোলার মাধ্যমে অযৌক্তিক সম্পদ সঞ্চয় করেছেন। অভিযোগে আরও বলা হয়েছে, তার এবং তার পরিবারের সদস্যদের জাতীয় পরিচয় পত্রের তথ্য মিলিয়ে সম্পদের অনুসন্ধান করলে প্রমাণ পাওয়া যাবে।

অভিযোগে তার রাজনৈতিক কার্যক্রমকেও উল্লেখ করা হয়েছে। ছাত্রজীবনে কার্যক্রম নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের নেতা ছিলেন তিনি এবং “আওয়ামী ম্যান” পরিচয়ে চাকরিতে যোগদানের পরও আওয়ামী লীগের বিভিন্ন অনুষ্ঠানে নিয়মিত অর্থদান করেছেন। পাশাপাশি বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলন দমনে সরাসরি অংশগ্রহণ ও অর্থ যোগানের অভিযোগও করা হয়েছে।

এবিষয়ে মেহেদী হাসান এর বক্তব্য জানতে তার মুঠোফোন নাম্বারে যোগাযোগ করা হলেও তার মন্তব্য পাওয়া সম্ভব হয়নি।

দুদক এবং জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর)-কে আবেদন করা হয়েছে, সহকারী রাজস্ব কর্মকর্তা মেহেদী হাসানের ঘুষ বাণিজ্য, ক্ষমতার অপব্যবহার ও অনিয়ম দুর্নীতির বিষয়ে তদন্ত পূর্বক আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য।