ঢাকা ০২:১৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ১০ অক্টোবর ২০২৬, ২৫ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
Logo ককরোচ পার্টির কর্মসূচি : দিল্লিতে ইউটিউবার ধ্রুব রাঠিসহ আটক ১০০০ Logo মানসিক স্বাস্থ্য সুরক্ষা সরকারের স্বাস্থ্যনীতির একটি গুরুত্বপূর্ণ দিক: তারেক রহমান Logo মানসিক সমস্যায় আক্রান্ত ব্যক্তিদের প্রতি সহমর্মিতার আহ্বান রাষ্ট্রপতির Logo যাত্রাবাড়ীতে বাসে তল্লাশি, ৯ হাজার ই’য়া’বা’স’হ গ্রে’প্তা’র ২ Logo কুকুর উদ্ধারে ফায়ার সার্ভিসের গাড়ি পাঠাতে জ্বালানি খরচের দাবি, ৩ ঘণ্টা পর জীবিত উদ্ধার Logo সরকারি কর্মচারীদের ‘গোলামি’ ও অঢেল সম্পদের পাহাড়: বেরিয়ে আসছে সদ্য বিদায়ী ডিজি জায়েদ কামালের থলের বিড়াল  Logo ফায়ার সার্ভিসের বদলি নীতিমালায় বড় পরিবর্তন: কর্মীরা পাবেন নিজ জেলায় কাজের সুযোগ Logo তৈরি পোশাকশ্রমিকদের জন্য মজুরি বোর্ড গঠনের নীতিগত সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার Logo সিডিবিএল চালু করবে মোবাইল অ্যাপ Logo দেশবিরোধী চক্রান্তের কাছে জাতীয়তাবাদী শক্তি আত্মসমর্পণ করবে না : রিজভী

রাজস্ব কর্মকর্তা মেহেদীর বিরুদ্ধে ঘুষ অনিয়মের অভিযোগে নড়েচড়ে দাঁড়াল দুদক: ছাত্রলীগের নেতা বহাল তবিয়তে!

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৮:৪৫:৫২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১২ মার্চ ২০২৬ ৪২৮ বার পড়া হয়েছে

নিজস্ব প্রতিবেদক: মোংলা কাস্টমস হাউস থেকে সম্প্রতি কমলাপুর কাস্টমসে বদলি হওয়া সহকারী রাজস্ব কর্মকর্তা (এআরও) মেহেদী হাসানের বিরুদ্ধে ঘুষ বাণিজ্য, ক্ষমতার অপব্যবহার এবং সরকারের রাজস্ব ফাঁকির মাধ্যমে কোটি কোটি টাকার সম্পদ অর্জনের অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগটি ১০ সেপ্টেম্বর ২০২৫ তারিখে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)-এ দায়ের করা হয়েছে।

আবেদনে বলা হয়েছে, মেহেদী হাসান তার কর্মজীবনে গাজীপুর ও গুলশান ভ্যাট ডিভিশন, চট্টগ্রাম কাস্টমস বন্ড কমিশনারেট এবং বর্তমান মোংলা কাস্টমস হাউসে থাকা অবস্থায় ভ্যাটদাতা ও শুল্ক করদাতাদের সঙ্গে যোগসাজসে সরকারের রাজস্ব ফাঁকি দিয়ে কোটি কোটি টাকা হাতিয়ে নিয়েছেন। অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে, তার ঘুষ বাণিজ্যের একটি ভিডিও সম্প্রতি ফেসবুক গ্রুপ “এনবিআর নিউজ এন্ড ভিউজ”-এ ভাইরাল হয়েছিল। যদিও ভিডিওটি কয়েক দিনের মধ্যে ডিলিট করা হয়।

আবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, ২০১৮ সালে সহকারী রাজস্ব কর্মকর্তা পদে যোগদানের পর মাত্র সাত বছরের মধ্যে মেহেদী হাসান অন্তত ১০ কোটি টাকার সম্পদের মালিক হয়েছেন। তিনি খুলনায় জমি, সাতক্ষীরার গ্রামে বাংলো এবং প্রাইভেট গাড়িসহ ব্যাংকে এফডিআর খোলার মাধ্যমে অযৌক্তিক সম্পদ সঞ্চয় করেছেন। অভিযোগে আরও বলা হয়েছে, তার এবং তার পরিবারের সদস্যদের জাতীয় পরিচয় পত্রের তথ্য মিলিয়ে সম্পদের অনুসন্ধান করলে প্রমাণ পাওয়া যাবে।

অভিযোগে তার রাজনৈতিক কার্যক্রমকেও উল্লেখ করা হয়েছে। ছাত্রজীবনে কার্যক্রম নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের নেতা ছিলেন তিনি এবং “আওয়ামী ম্যান” পরিচয়ে চাকরিতে যোগদানের পরও আওয়ামী লীগের বিভিন্ন অনুষ্ঠানে নিয়মিত অর্থদান করেছেন। পাশাপাশি বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলন দমনে সরাসরি অংশগ্রহণ ও অর্থ যোগানের অভিযোগও করা হয়েছে।

এবিষয়ে মেহেদী হাসান এর বক্তব্য জানতে তার মুঠোফোন নাম্বারে যোগাযোগ করা হলেও তার মন্তব্য পাওয়া সম্ভব হয়নি।

দুদক এবং জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর)-কে আবেদন করা হয়েছে, সহকারী রাজস্ব কর্মকর্তা মেহেদী হাসানের ঘুষ বাণিজ্য, ক্ষমতার অপব্যবহার ও অনিয়ম দুর্নীতির বিষয়ে তদন্ত পূর্বক আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :
error: Content is protected !!

রাজস্ব কর্মকর্তা মেহেদীর বিরুদ্ধে ঘুষ অনিয়মের অভিযোগে নড়েচড়ে দাঁড়াল দুদক: ছাত্রলীগের নেতা বহাল তবিয়তে!

আপডেট সময় : ০৮:৪৫:৫২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১২ মার্চ ২০২৬

নিজস্ব প্রতিবেদক: মোংলা কাস্টমস হাউস থেকে সম্প্রতি কমলাপুর কাস্টমসে বদলি হওয়া সহকারী রাজস্ব কর্মকর্তা (এআরও) মেহেদী হাসানের বিরুদ্ধে ঘুষ বাণিজ্য, ক্ষমতার অপব্যবহার এবং সরকারের রাজস্ব ফাঁকির মাধ্যমে কোটি কোটি টাকার সম্পদ অর্জনের অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগটি ১০ সেপ্টেম্বর ২০২৫ তারিখে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)-এ দায়ের করা হয়েছে।

আবেদনে বলা হয়েছে, মেহেদী হাসান তার কর্মজীবনে গাজীপুর ও গুলশান ভ্যাট ডিভিশন, চট্টগ্রাম কাস্টমস বন্ড কমিশনারেট এবং বর্তমান মোংলা কাস্টমস হাউসে থাকা অবস্থায় ভ্যাটদাতা ও শুল্ক করদাতাদের সঙ্গে যোগসাজসে সরকারের রাজস্ব ফাঁকি দিয়ে কোটি কোটি টাকা হাতিয়ে নিয়েছেন। অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে, তার ঘুষ বাণিজ্যের একটি ভিডিও সম্প্রতি ফেসবুক গ্রুপ “এনবিআর নিউজ এন্ড ভিউজ”-এ ভাইরাল হয়েছিল। যদিও ভিডিওটি কয়েক দিনের মধ্যে ডিলিট করা হয়।

আবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, ২০১৮ সালে সহকারী রাজস্ব কর্মকর্তা পদে যোগদানের পর মাত্র সাত বছরের মধ্যে মেহেদী হাসান অন্তত ১০ কোটি টাকার সম্পদের মালিক হয়েছেন। তিনি খুলনায় জমি, সাতক্ষীরার গ্রামে বাংলো এবং প্রাইভেট গাড়িসহ ব্যাংকে এফডিআর খোলার মাধ্যমে অযৌক্তিক সম্পদ সঞ্চয় করেছেন। অভিযোগে আরও বলা হয়েছে, তার এবং তার পরিবারের সদস্যদের জাতীয় পরিচয় পত্রের তথ্য মিলিয়ে সম্পদের অনুসন্ধান করলে প্রমাণ পাওয়া যাবে।

অভিযোগে তার রাজনৈতিক কার্যক্রমকেও উল্লেখ করা হয়েছে। ছাত্রজীবনে কার্যক্রম নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের নেতা ছিলেন তিনি এবং “আওয়ামী ম্যান” পরিচয়ে চাকরিতে যোগদানের পরও আওয়ামী লীগের বিভিন্ন অনুষ্ঠানে নিয়মিত অর্থদান করেছেন। পাশাপাশি বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলন দমনে সরাসরি অংশগ্রহণ ও অর্থ যোগানের অভিযোগও করা হয়েছে।

এবিষয়ে মেহেদী হাসান এর বক্তব্য জানতে তার মুঠোফোন নাম্বারে যোগাযোগ করা হলেও তার মন্তব্য পাওয়া সম্ভব হয়নি।

দুদক এবং জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর)-কে আবেদন করা হয়েছে, সহকারী রাজস্ব কর্মকর্তা মেহেদী হাসানের ঘুষ বাণিজ্য, ক্ষমতার অপব্যবহার ও অনিয়ম দুর্নীতির বিষয়ে তদন্ত পূর্বক আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য।