ঢাকা ০৩:৪১ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২১ জুন ২০২৪, ৬ আষাঢ় ১৪৩১ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :




সর্বজনীন পেনশন নীতিতে শাবি শিক্ষকদের অর্ধদিবস কর্মবিরতি

শাবিপ্রবি প্রতিনিধি
  • আপডেট সময় : ১১:২৮:০৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৪ জুন ২০২৪ ৪৯ বার পড়া হয়েছে

সিলেটের শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে বিশ্ববিদ্যালয়সমূহের শিক্ষকদের জন্য সর্বজনীন পেনশন সংক্রান্ত বৈষম্যমূলক প্রজ্ঞাপনটি প্রত্যাহার, বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকদের প্রস্তাবিত সুপারগ্রেডে অন্তর্ভুক্তকরণ এবং স্বতন্ত্র বেতন স্কেলের দাবিতে বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক সমিতি ফেডারেশনের আহ্বানে অর্ধ-দিবস কর্মবিরতি ও অবস্থান কর্মসূচি পালন করা হয়।

মঙ্গলবার (৪ জুন) সকালে বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় লাইব্রেরির সামনে অর্ধদিবস কর্মবিরতি পালনকালে এ হুশিয়ারি দেন শিক্ষকরা।

বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক সমিতি ফেডারেশনের আহ্বানে শাবি শিক্ষক সমিতির আয়োজনে সকাল ৮টা থেকে দুপুর ১টা পর্যন্ত অর্ধদিবস কর্মবিরতি ও দুপুর ১২টা থেকে থেকে ১টা পর্যন্ত অবস্থান কর্মসূচি পালন করেন শিক্ষকরা।

 

এসময় প্রতিশ্রুত সুপার গ্রেডে বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষকদের অন্তর্ভুক্তি এবং শিক্ষকদের জন্য স্বতন্ত্র বেতন স্কেল প্রবর্তনের দাবিও জানান তারা।

শিক্ষক সমিতির সভাপতি অধ্যাপক মোহাম্মদ আনোয়ার হোসেনের সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক ড. মো. আলমগীর কবীরের সঞ্চালনায় অবস্থান কর্মসূচিতে বক্তব্য দেন অধ্যাপক ড. মো. আনোয়ারুল ইসলাম, অধ্যাপক ড. এস এম সাইফুল ইসলাম, অধ্যাপক মোহাম্মদ ফারুক উদ্দীন, অধ্যাপক ড. সাবিহা আফরিন, অধ্যাপক ড. স্বপন কুমার সরকার, অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ তাজ উদ্দীন, অধ্যাপক ড. মো. আজহারুল আরাফাত, অধ্যাপক ড. গোকুল চন্দ্র বিশ্বাস, অধ্যাপক ড. মো. সাইফুল ইসলাম, অধ্যাপক ড. মো. মুরাদ ও সহকারী অধ্যাপক মনিরুজ্জামান খান।

 

এসময় বক্তারা বলেন, সর্বজনীন পেনশনে প্রত্যয় স্কিম চালুর মাধ্যমে দেশকে মেধাশূন্য জাতিতে পরিণত করার পায়তারা চলছে। যদি এ স্কিম চালু হয় মেধাবীরা এদেশে শিক্ষকতা নামক পেশায় আসতে চাইবে না। এমনিতেই আমাদের দেশের মেধাবীদের বিদেশে যাওয়ার প্রবণতা বেশি। এরইমধ্যে এ ধরনের বৈষম্যমূলক পেনশন স্কিম চালুর প্রজ্ঞাপন দেশের মেধাবীদের শিক্ষকতা বিমুখ করার অপচেষ্টা। অতিদ্রুত এ স্কিম প্রত্যাখ্যানের সিদ্ধান্ত না আসলে দেশের সব শিক্ষকদের অংশগ্রহণে লাগাতার কর্মসূচি পালন করা হবে।

প্রধানমন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষণ করে বক্তারা আরও বলেন, উদ্ভূত এ সমস্যায় প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ প্রয়োজন। শিক্ষা ও শিক্ষকদের অবহেলা করে স্মার্ট বাংলাদেশ গঠন করা যাবে না। স্মার্ট বাংলাদেশ গঠনে শিক্ষা ও শিক্ষকদের গুরুত্ব দিতে হবে। আমাদের দাবি আদায়ে দ্রুত সিদ্ধান্ত নিতে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এ বিষয়ে ইতিবাচক ভূমিকা পালন করবেন বলে আমরা আশাবাদী।

এছাড়া প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে আলোচনায় বসে এ পেনশন স্কিম প্রত্যাখ্যানে দ্রুত পদক্ষেপ নিতে বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক সমিতি ফেডারেশনের নেতাদের দৃষ্টি আকর্ষণ করেন শিক্ষকরা।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :




সর্বজনীন পেনশন নীতিতে শাবি শিক্ষকদের অর্ধদিবস কর্মবিরতি

আপডেট সময় : ১১:২৮:০৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৪ জুন ২০২৪

সিলেটের শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে বিশ্ববিদ্যালয়সমূহের শিক্ষকদের জন্য সর্বজনীন পেনশন সংক্রান্ত বৈষম্যমূলক প্রজ্ঞাপনটি প্রত্যাহার, বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকদের প্রস্তাবিত সুপারগ্রেডে অন্তর্ভুক্তকরণ এবং স্বতন্ত্র বেতন স্কেলের দাবিতে বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক সমিতি ফেডারেশনের আহ্বানে অর্ধ-দিবস কর্মবিরতি ও অবস্থান কর্মসূচি পালন করা হয়।

মঙ্গলবার (৪ জুন) সকালে বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় লাইব্রেরির সামনে অর্ধদিবস কর্মবিরতি পালনকালে এ হুশিয়ারি দেন শিক্ষকরা।

বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক সমিতি ফেডারেশনের আহ্বানে শাবি শিক্ষক সমিতির আয়োজনে সকাল ৮টা থেকে দুপুর ১টা পর্যন্ত অর্ধদিবস কর্মবিরতি ও দুপুর ১২টা থেকে থেকে ১টা পর্যন্ত অবস্থান কর্মসূচি পালন করেন শিক্ষকরা।

 

এসময় প্রতিশ্রুত সুপার গ্রেডে বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষকদের অন্তর্ভুক্তি এবং শিক্ষকদের জন্য স্বতন্ত্র বেতন স্কেল প্রবর্তনের দাবিও জানান তারা।

শিক্ষক সমিতির সভাপতি অধ্যাপক মোহাম্মদ আনোয়ার হোসেনের সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক ড. মো. আলমগীর কবীরের সঞ্চালনায় অবস্থান কর্মসূচিতে বক্তব্য দেন অধ্যাপক ড. মো. আনোয়ারুল ইসলাম, অধ্যাপক ড. এস এম সাইফুল ইসলাম, অধ্যাপক মোহাম্মদ ফারুক উদ্দীন, অধ্যাপক ড. সাবিহা আফরিন, অধ্যাপক ড. স্বপন কুমার সরকার, অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ তাজ উদ্দীন, অধ্যাপক ড. মো. আজহারুল আরাফাত, অধ্যাপক ড. গোকুল চন্দ্র বিশ্বাস, অধ্যাপক ড. মো. সাইফুল ইসলাম, অধ্যাপক ড. মো. মুরাদ ও সহকারী অধ্যাপক মনিরুজ্জামান খান।

 

এসময় বক্তারা বলেন, সর্বজনীন পেনশনে প্রত্যয় স্কিম চালুর মাধ্যমে দেশকে মেধাশূন্য জাতিতে পরিণত করার পায়তারা চলছে। যদি এ স্কিম চালু হয় মেধাবীরা এদেশে শিক্ষকতা নামক পেশায় আসতে চাইবে না। এমনিতেই আমাদের দেশের মেধাবীদের বিদেশে যাওয়ার প্রবণতা বেশি। এরইমধ্যে এ ধরনের বৈষম্যমূলক পেনশন স্কিম চালুর প্রজ্ঞাপন দেশের মেধাবীদের শিক্ষকতা বিমুখ করার অপচেষ্টা। অতিদ্রুত এ স্কিম প্রত্যাখ্যানের সিদ্ধান্ত না আসলে দেশের সব শিক্ষকদের অংশগ্রহণে লাগাতার কর্মসূচি পালন করা হবে।

প্রধানমন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষণ করে বক্তারা আরও বলেন, উদ্ভূত এ সমস্যায় প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ প্রয়োজন। শিক্ষা ও শিক্ষকদের অবহেলা করে স্মার্ট বাংলাদেশ গঠন করা যাবে না। স্মার্ট বাংলাদেশ গঠনে শিক্ষা ও শিক্ষকদের গুরুত্ব দিতে হবে। আমাদের দাবি আদায়ে দ্রুত সিদ্ধান্ত নিতে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এ বিষয়ে ইতিবাচক ভূমিকা পালন করবেন বলে আমরা আশাবাদী।

এছাড়া প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে আলোচনায় বসে এ পেনশন স্কিম প্রত্যাখ্যানে দ্রুত পদক্ষেপ নিতে বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক সমিতি ফেডারেশনের নেতাদের দৃষ্টি আকর্ষণ করেন শিক্ষকরা।