ঢাকা ০২:০৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৭ নভেম্বর ২০২২, ১৩ অগ্রহায়ণ ১৪২৯ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :




চট্টগ্রাম জেলা পরিষদ নির্বাচনে হুইপ সামশুল হক চৌধুরীর আচরণবিধি লঙ্ঘন

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ১০:৫৬:০১ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৬ অক্টোবর ২০২২ ৮৬ বার পড়া হয়েছে

চট্টগ্রাম প্রতিনিধি: চট্টগ্রাম জেলা পরিষদ নির্বাচনে আচরণবিধি লঙ্ঘনের অভিযোগ উঠেছে সরকারদলীয় হুইপ পটিয়ার সাংসদ সামশুল হক চৌধুরীর বিরুদ্ধে।

শনিবার (১৫ অক্টোবর) সন্ধ্যায় চট্টগ্রাম জেলা পরিষদের ১০ নং ওয়ার্ডের (পটিয়া) সদস্য প্রার্থী পটিয়া উপজেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি শাহাদাত হোসেন ফরিদ সাংবাদিকদের সাথে এক মতবিনিময় সভায় এমন অভিযোগ করেছেন।

এ সময় তিনি সাংবাদিকদের বলেন, শুক্রবার দুপুরে হুইপ সামশুল হক চৌধুরী এমপি পটিয়ায় তার শোভনদন্ডী গ্রামের বাড়িতে তিনটি কচুয়াই, খরনা ও শোভনদন্ডী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ও সদস্যদের ডেকে খাওয়া দাওয়া করানোর পর দুই তলায় তার রুমে ভোটারদের ডেকে নিয়ে ভোটারদের প্রভাবিত করেছেন। এ সময় আমি উপস্থিত হই তার বাড়িতে। তিনি আমাকে দেখে চমকে যান। এমনকি আমি উপস্থিত ছিলাম বলে ভোটারদের ডেকে ওপরে নিয়ে যান হুইপ।

ফরিদ বলেন, শনিবার তিনি ধলঘাট, কুসুমপুরা ও হাবিলাসদ্বীপ ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ও সদস্যদের ডেকে নিয়ে বৈঠক করেছেন তার চট্টগ্রাম শহরের কাজির দেউড়ির কার্যালয়ে।

তিনি বলেন, এভাবে হুইপ সামশুল হক চৌধুরী এমপি শুরু থেকেই আমার সাথে মসজিদ সামনে রেখে শপথ করেছিলেন যে, কারও জন্য তিনি কথা বলবেন না। নিরপেক্ষ থাকার কথা দিলেও তিনি এখন প্রকাশ্যে দিবালোকে ভোটারদের ডেকে নিয়ে নানা ভাবে প্রভাবিত করছেন।

শাহাদাত হোসেন ফরিদ আরও বলেন, আমি আপাদমস্তক একজন আওয়ামী লীগের লোক। দুইবার চেয়ারম্যান ছিলাম জঙ্গলখাইন ইউনিয়ন পরিষদের। আমি আশা করছি হুইপ এমন কোন কাজ করবেন না যার দ্বারা তার সুনাম ক্ষুন্ন হবে। তাই আমি বলব তার শুভবুদ্ধির উদয় হবে। তিনি এমন কোন ফাঁদে পা দেবেন না যার কারণে তার এবং সরকারের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন হবে।

আমি আশা করছি হুইপ এমন কোন কাজ করবেন না যার দ্বারা তার সুনাম ক্ষুন্ন হবে। তাই আমি বলব তার শুভবুদ্ধির উদয় হবে। তিনি এমন কোন ফাঁদে পা দেবেন না যার কারণে তার এবং সরকারের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন হবে।

তিনি বলেন, আমি চাই এবারের জেলা পরিষদের নির্বাচনে সরকারের চ্যালেঞ্জিং পয়েন্ট ইভিএম ভোটিং পদ্ধতির যেন কোনভাবে প্রভাবিত না হয়। ১৭ তারিখের নির্বাচনে পটিয়ার ২৩৭ জন ভোটার যেন অবাধ সুষ্ঠু নিরপেক্ষ নির্বাচনের মাধ্যমে নিজ নিজ ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পারে— এজন্য তিনি সাংবাদিকদের সহযোগিতা কামনা করেন।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :




error: Content is protected !!

চট্টগ্রাম জেলা পরিষদ নির্বাচনে হুইপ সামশুল হক চৌধুরীর আচরণবিধি লঙ্ঘন

আপডেট সময় : ১০:৫৬:০১ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৬ অক্টোবর ২০২২

চট্টগ্রাম প্রতিনিধি: চট্টগ্রাম জেলা পরিষদ নির্বাচনে আচরণবিধি লঙ্ঘনের অভিযোগ উঠেছে সরকারদলীয় হুইপ পটিয়ার সাংসদ সামশুল হক চৌধুরীর বিরুদ্ধে।

শনিবার (১৫ অক্টোবর) সন্ধ্যায় চট্টগ্রাম জেলা পরিষদের ১০ নং ওয়ার্ডের (পটিয়া) সদস্য প্রার্থী পটিয়া উপজেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি শাহাদাত হোসেন ফরিদ সাংবাদিকদের সাথে এক মতবিনিময় সভায় এমন অভিযোগ করেছেন।

এ সময় তিনি সাংবাদিকদের বলেন, শুক্রবার দুপুরে হুইপ সামশুল হক চৌধুরী এমপি পটিয়ায় তার শোভনদন্ডী গ্রামের বাড়িতে তিনটি কচুয়াই, খরনা ও শোভনদন্ডী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ও সদস্যদের ডেকে খাওয়া দাওয়া করানোর পর দুই তলায় তার রুমে ভোটারদের ডেকে নিয়ে ভোটারদের প্রভাবিত করেছেন। এ সময় আমি উপস্থিত হই তার বাড়িতে। তিনি আমাকে দেখে চমকে যান। এমনকি আমি উপস্থিত ছিলাম বলে ভোটারদের ডেকে ওপরে নিয়ে যান হুইপ।

ফরিদ বলেন, শনিবার তিনি ধলঘাট, কুসুমপুরা ও হাবিলাসদ্বীপ ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ও সদস্যদের ডেকে নিয়ে বৈঠক করেছেন তার চট্টগ্রাম শহরের কাজির দেউড়ির কার্যালয়ে।

তিনি বলেন, এভাবে হুইপ সামশুল হক চৌধুরী এমপি শুরু থেকেই আমার সাথে মসজিদ সামনে রেখে শপথ করেছিলেন যে, কারও জন্য তিনি কথা বলবেন না। নিরপেক্ষ থাকার কথা দিলেও তিনি এখন প্রকাশ্যে দিবালোকে ভোটারদের ডেকে নিয়ে নানা ভাবে প্রভাবিত করছেন।

শাহাদাত হোসেন ফরিদ আরও বলেন, আমি আপাদমস্তক একজন আওয়ামী লীগের লোক। দুইবার চেয়ারম্যান ছিলাম জঙ্গলখাইন ইউনিয়ন পরিষদের। আমি আশা করছি হুইপ এমন কোন কাজ করবেন না যার দ্বারা তার সুনাম ক্ষুন্ন হবে। তাই আমি বলব তার শুভবুদ্ধির উদয় হবে। তিনি এমন কোন ফাঁদে পা দেবেন না যার কারণে তার এবং সরকারের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন হবে।

আমি আশা করছি হুইপ এমন কোন কাজ করবেন না যার দ্বারা তার সুনাম ক্ষুন্ন হবে। তাই আমি বলব তার শুভবুদ্ধির উদয় হবে। তিনি এমন কোন ফাঁদে পা দেবেন না যার কারণে তার এবং সরকারের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন হবে।

তিনি বলেন, আমি চাই এবারের জেলা পরিষদের নির্বাচনে সরকারের চ্যালেঞ্জিং পয়েন্ট ইভিএম ভোটিং পদ্ধতির যেন কোনভাবে প্রভাবিত না হয়। ১৭ তারিখের নির্বাচনে পটিয়ার ২৩৭ জন ভোটার যেন অবাধ সুষ্ঠু নিরপেক্ষ নির্বাচনের মাধ্যমে নিজ নিজ ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পারে— এজন্য তিনি সাংবাদিকদের সহযোগিতা কামনা করেন।