ঢাকা ০১:৫৭ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৭ নভেম্বর ২০২২, ১৩ অগ্রহায়ণ ১৪২৯ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :




গণসংহতি আন্দোলনের ২০তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে সমাবেশ ও র্যালি অনুষ্ঠিত

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০১:১১:২৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৯ অগাস্ট ২০২২ ২৪ বার পড়া হয়েছে

সকালের সংবাদ:

রাজনৈতিক দল হিসেবে আত্মপ্রকাশের ৭ বছর ও সংগ্রামের দুই দশক পূর্তিতে গণসংহতি আন্দোলন বরিশাল জেলা কমিটি সমাবেশ, র্যালি ও সকল মুক্তিসংগ্রামের শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করে।

আজ ২৯ আগষ্ট সোমবার সকাল ১০ঃ৩০ মিনিটে নগরীর অশ্বিনী কুমার হল চত্বরে ভোটাধিকার আদায়ে সরকার ও শাসন ব্যবস্থা বদলের সংগ্রামে বৃহত্তর ঐক্য গড়ে তোলার আহ্বান জানিয়ে সমাবেশ ও র্যালি করেছেন গণসংহতি আন্দোলন বরিশাল জেলা কমিটি।

২০তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উৎযাপন কমিটির আহ্বায়ক ও বরিশাল জেলা কমিটির সদস্য নজরুল ইসলাম খানের সভাপতিত্বে ও সদস্য সাকিবুল ইসলাম সাফিনের সঞ্চালনায় বক্তব্য রাখেন জেলা কমিটির আহ্বায়ক দেওয়ান আবদুর রশিদ নীলু, সদস্য সচিব আরিফুর রহমান মিরাজ, সদস্য হাছিব আহমেদ, বাংলাদেশ ছাত্র ফেডারেশন বরিশাল জেলা কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক রাইদুল ইসলাম সাকিব, বিশ্ববিদ্যালয় শাখার আহ্বায়ক জামান কবির প্রমুখ।

সমাবেশের সূচনা বক্তব্যে নেতৃবৃন্দ দলের সর্বস্তরের নেতা-কর্মী-সংগঠক-শুভানুধ্যায়ী-সমর্থক সহ বাংলাদেশের সর্বস্তরের জনগণকে রক্তিম অভিবাদন জানান।

নেতৃবৃন্দ বলেন, “মহাকালে মানুষের মুক্তির সংগ্রামের ঐতিহাসিক ধারাতেই আমাদের সংগ্রাম বহমান। আমাদের সংগঠনের ২০ বছরের সংগ্রামী যাত্রার অতীতের সংগ্রাম, অর্জন ও ব্যর্থতার খতিয়ান জনগণের কাছে তোলা আছে। মানুষের মুক্তির লড়াইয়ের কাফেলায় আমাদের সংগ্রাম বিষয়ে ইতিহাস রায় দেবে। জনগণের কাছেই আমাদের জবাবদিহিতা ও মূল্যায়নের খাতা খোলা কারণ আমাদের ঘোষিত নীতি হলো ‘জনগনের বৃহত্তর স্বার্থের বাইরে আমাদের নিজস্ব কোনো স্বার্থ নেই’।

গত ২০ বছরে জাতীয় সম্পদ রক্ষার লড়াই, গণতান্ত্রিক সংবিধান ও রাষ্ট্র কায়েমের লড়াই, আত্মমর্যাদা ও সার্বভৌমত্ব প্রশ্নে লড়াই, নারীর অধিকারের প্রশ্নে লড়াই, মুক্তিযুদ্ধের আকাঙ্ক্ষার সাম্য-মানবিক মর্যাদা-সামাজিক ন্যায়বিচার কায়েমের লড়াইয়ে, শ্রমিক-কৃষকের নায্য পাওনা আদায়ের জন্য আমরা জানবাজী রেখে লড়েছি।
লড়াইয়ের এইপর্বে আমরা “জনগণের ভোটাধিকার প্রতিষ্ঠা ও রাষ্ট্রের গণতান্ত্রিক রূপান্তর” ঘটাতে নেমেছি। আমরা মনে করি এই লড়াই শুধুমাত্র আমাদের দলীয় সংগ্রামের বিষয় নয়, বাংলাদেশের ১৮ কোটি মানুষের লড়াই, বৃহত্তর ঐক্যের লড়াই!

মহান মুক্তিযুদ্ধের মাধ্যমে জীবন বাজি রেখে আমরা যে স্বাধীন দেশ অর্জন করেছি সেখানে স্বাধীনতার মূলমন্ত্র সাম্য, মানবিক মর্যাদা ও সামাজিক ন্যায় বিচার আজ ভূলন্ঠিত। রাষ্ট্রের গুরুত্বপূর্ণ এমপি মন্ত্রীরা নিয়মিত জনগনের সাথে তামাশা করে চলেছে। বর্তমান সরকার ফ্যাসিবাদি কায়দায় দেশের ১৬ কোটি মানুষের ভোটের অধিকার কেড়ে নিয়ে সকলকে এক কাতারে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে। তাই এবারের লড়াই আমাদের ভোটাধিকার প্রতিষ্ঠার লড়াই। সরকার ও শাসনব্যবস্থা বদলের লড়াই। সরকার ও শাসনব্যবস্থা বদলে আসুন সকলে মিলে রাজপথে বৃহত্তর ঐক্য ও সংগ্রাম গড়ে তুলি।”

 

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :




error: Content is protected !!

গণসংহতি আন্দোলনের ২০তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে সমাবেশ ও র্যালি অনুষ্ঠিত

আপডেট সময় : ০১:১১:২৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৯ অগাস্ট ২০২২

সকালের সংবাদ:

রাজনৈতিক দল হিসেবে আত্মপ্রকাশের ৭ বছর ও সংগ্রামের দুই দশক পূর্তিতে গণসংহতি আন্দোলন বরিশাল জেলা কমিটি সমাবেশ, র্যালি ও সকল মুক্তিসংগ্রামের শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করে।

আজ ২৯ আগষ্ট সোমবার সকাল ১০ঃ৩০ মিনিটে নগরীর অশ্বিনী কুমার হল চত্বরে ভোটাধিকার আদায়ে সরকার ও শাসন ব্যবস্থা বদলের সংগ্রামে বৃহত্তর ঐক্য গড়ে তোলার আহ্বান জানিয়ে সমাবেশ ও র্যালি করেছেন গণসংহতি আন্দোলন বরিশাল জেলা কমিটি।

২০তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উৎযাপন কমিটির আহ্বায়ক ও বরিশাল জেলা কমিটির সদস্য নজরুল ইসলাম খানের সভাপতিত্বে ও সদস্য সাকিবুল ইসলাম সাফিনের সঞ্চালনায় বক্তব্য রাখেন জেলা কমিটির আহ্বায়ক দেওয়ান আবদুর রশিদ নীলু, সদস্য সচিব আরিফুর রহমান মিরাজ, সদস্য হাছিব আহমেদ, বাংলাদেশ ছাত্র ফেডারেশন বরিশাল জেলা কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক রাইদুল ইসলাম সাকিব, বিশ্ববিদ্যালয় শাখার আহ্বায়ক জামান কবির প্রমুখ।

সমাবেশের সূচনা বক্তব্যে নেতৃবৃন্দ দলের সর্বস্তরের নেতা-কর্মী-সংগঠক-শুভানুধ্যায়ী-সমর্থক সহ বাংলাদেশের সর্বস্তরের জনগণকে রক্তিম অভিবাদন জানান।

নেতৃবৃন্দ বলেন, “মহাকালে মানুষের মুক্তির সংগ্রামের ঐতিহাসিক ধারাতেই আমাদের সংগ্রাম বহমান। আমাদের সংগঠনের ২০ বছরের সংগ্রামী যাত্রার অতীতের সংগ্রাম, অর্জন ও ব্যর্থতার খতিয়ান জনগণের কাছে তোলা আছে। মানুষের মুক্তির লড়াইয়ের কাফেলায় আমাদের সংগ্রাম বিষয়ে ইতিহাস রায় দেবে। জনগণের কাছেই আমাদের জবাবদিহিতা ও মূল্যায়নের খাতা খোলা কারণ আমাদের ঘোষিত নীতি হলো ‘জনগনের বৃহত্তর স্বার্থের বাইরে আমাদের নিজস্ব কোনো স্বার্থ নেই’।

গত ২০ বছরে জাতীয় সম্পদ রক্ষার লড়াই, গণতান্ত্রিক সংবিধান ও রাষ্ট্র কায়েমের লড়াই, আত্মমর্যাদা ও সার্বভৌমত্ব প্রশ্নে লড়াই, নারীর অধিকারের প্রশ্নে লড়াই, মুক্তিযুদ্ধের আকাঙ্ক্ষার সাম্য-মানবিক মর্যাদা-সামাজিক ন্যায়বিচার কায়েমের লড়াইয়ে, শ্রমিক-কৃষকের নায্য পাওনা আদায়ের জন্য আমরা জানবাজী রেখে লড়েছি।
লড়াইয়ের এইপর্বে আমরা “জনগণের ভোটাধিকার প্রতিষ্ঠা ও রাষ্ট্রের গণতান্ত্রিক রূপান্তর” ঘটাতে নেমেছি। আমরা মনে করি এই লড়াই শুধুমাত্র আমাদের দলীয় সংগ্রামের বিষয় নয়, বাংলাদেশের ১৮ কোটি মানুষের লড়াই, বৃহত্তর ঐক্যের লড়াই!

মহান মুক্তিযুদ্ধের মাধ্যমে জীবন বাজি রেখে আমরা যে স্বাধীন দেশ অর্জন করেছি সেখানে স্বাধীনতার মূলমন্ত্র সাম্য, মানবিক মর্যাদা ও সামাজিক ন্যায় বিচার আজ ভূলন্ঠিত। রাষ্ট্রের গুরুত্বপূর্ণ এমপি মন্ত্রীরা নিয়মিত জনগনের সাথে তামাশা করে চলেছে। বর্তমান সরকার ফ্যাসিবাদি কায়দায় দেশের ১৬ কোটি মানুষের ভোটের অধিকার কেড়ে নিয়ে সকলকে এক কাতারে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে। তাই এবারের লড়াই আমাদের ভোটাধিকার প্রতিষ্ঠার লড়াই। সরকার ও শাসনব্যবস্থা বদলের লড়াই। সরকার ও শাসনব্যবস্থা বদলে আসুন সকলে মিলে রাজপথে বৃহত্তর ঐক্য ও সংগ্রাম গড়ে তুলি।”