ঢাকা ০৮:৪৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৬ জুন ২০২৪, ২ আষাঢ় ১৪৩১ বঙ্গাব্দ




নারী ইউপি সদস্যর বাড়িতে ভিজিডি কার্ডের ১৯ বস্তা চাল

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৯:২৫:২২ অপরাহ্ন, শনিবার, ১১ এপ্রিল ২০২০ ৫৪ বার পড়া হয়েছে

তাড়াশ (সিরাজগঞ্জ) সংবাদদাতাঃ 
সিরাজগঞ্জের তাড়াশে মাজেদা খাতুন নামে এক ইউপি সদস্যর বাড়িতে পাওয়া গেল ভিজিডি কার্ডের ১৯ বস্তা চাল। মাজেদা খাতুন উপজেলার সগুনা ইউনিয়নের ৪, ৫, ৯ নং ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য ও বিন্নাবাড়ি গ্রামের আব্দুল হামিদের স্ত্রী।

সরেজমিনে দেখা যায়, ওই নারী ইউপি সদস্য তার বসতঘরের মেঝেতে রেখেছেন চালের বস্তাগুলো।

এদিকে অভিযুক্ত ইউপি সদস্য মাজেদা খাতুন বলেন, ১৯ বস্তা চালের মধ্যে ১০ বস্তা তার নাতনীর স্বামী সুজন মিঞা কিনে রেখেছেন। ৫ বস্তা তার ছেলে উজ্জল হোসেন ও ৪ বস্তা তিনি নিজে কিনেছেন। তবে অবস্থা বেগতিক বুঝতে পেরে তার বক্তব্য পাল্টে বলেন, তার নিজের নামে ও তার ছেলের স্ত্রী আম্বিয়ারা খাতুনের নামে ভিজিডি কার্ড রয়েছে। ৯ বস্তা চাল তাদের দু’জনের ভিজিডি কার্ডের।

সগুনা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আব্দুল্লাহ হেল বাকি জানান, নিয়মানুযায়ী ভিজিডি কার্ডধারীদের মধ্যে চাল বিতরণ করা হয়েছে। কার্ডধারীদের ২/৪ জন চাল বিক্রি করে থাকেন।

এ প্রসঙ্গে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ইফ্ফাত জাহান বলেন, গত (১৭ মার্চ) সগুনা ইউনিয়নে ভিজিডি কার্ডের চাল বিতরণ করা হয়েছে। সেখানে ট্যাগ অফিসারও উপস্থিত ছিলেন। ইউপি সদস্য মাজেদা খাতুন হয়তবা চালগুলো তারও আগে কিনে রেখেছেন। নিয়মানুযায়ী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :




নারী ইউপি সদস্যর বাড়িতে ভিজিডি কার্ডের ১৯ বস্তা চাল

আপডেট সময় : ০৯:২৫:২২ অপরাহ্ন, শনিবার, ১১ এপ্রিল ২০২০

তাড়াশ (সিরাজগঞ্জ) সংবাদদাতাঃ 
সিরাজগঞ্জের তাড়াশে মাজেদা খাতুন নামে এক ইউপি সদস্যর বাড়িতে পাওয়া গেল ভিজিডি কার্ডের ১৯ বস্তা চাল। মাজেদা খাতুন উপজেলার সগুনা ইউনিয়নের ৪, ৫, ৯ নং ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য ও বিন্নাবাড়ি গ্রামের আব্দুল হামিদের স্ত্রী।

সরেজমিনে দেখা যায়, ওই নারী ইউপি সদস্য তার বসতঘরের মেঝেতে রেখেছেন চালের বস্তাগুলো।

এদিকে অভিযুক্ত ইউপি সদস্য মাজেদা খাতুন বলেন, ১৯ বস্তা চালের মধ্যে ১০ বস্তা তার নাতনীর স্বামী সুজন মিঞা কিনে রেখেছেন। ৫ বস্তা তার ছেলে উজ্জল হোসেন ও ৪ বস্তা তিনি নিজে কিনেছেন। তবে অবস্থা বেগতিক বুঝতে পেরে তার বক্তব্য পাল্টে বলেন, তার নিজের নামে ও তার ছেলের স্ত্রী আম্বিয়ারা খাতুনের নামে ভিজিডি কার্ড রয়েছে। ৯ বস্তা চাল তাদের দু’জনের ভিজিডি কার্ডের।

সগুনা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আব্দুল্লাহ হেল বাকি জানান, নিয়মানুযায়ী ভিজিডি কার্ডধারীদের মধ্যে চাল বিতরণ করা হয়েছে। কার্ডধারীদের ২/৪ জন চাল বিক্রি করে থাকেন।

এ প্রসঙ্গে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ইফ্ফাত জাহান বলেন, গত (১৭ মার্চ) সগুনা ইউনিয়নে ভিজিডি কার্ডের চাল বিতরণ করা হয়েছে। সেখানে ট্যাগ অফিসারও উপস্থিত ছিলেন। ইউপি সদস্য মাজেদা খাতুন হয়তবা চালগুলো তারও আগে কিনে রেখেছেন। নিয়মানুযায়ী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।