ঢাকা ০৫:২২ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৩ অগাস্ট ২০২৬, ৭ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
Logo মূল্যবোধভিত্তিক পেশাদারিত্বই প্রাতিষ্ঠানিক সংস্কারের স্তম্ভ: আনসার-ভিডিপি মহাপরিচালক Logo গ্যাস সংকট আগের সরকারের পাপের ফল: ডা. জাহেদ Logo ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে এআই-নির্ভর ‘অটো ফাইন সিস্টেম’ চালু Logo প্রধানমন্ত্রীকে সৌদি আরব সফরের আমন্ত্রণ জানিয়েছেন যুবরাজ বিন সালমান Logo ছয় মাসে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির দৃশ্যমান উন্নতি হয়েছে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী Logo সরকারের ১৮০ দিনের সালতামামি: ধ্বংসস্তূপ থেকে পরিকল্পিত পুনর্গঠনের পথে বাংলাদেশ Logo শিগগিরই জনপ্রশাসন সংস্কার কমিশন গঠন করবে সরকার : নজরুল ইসলাম খান Logo রাষ্ট্র ও মানুষের মর্যাদা প্রতিষ্ঠাই সরকারের বড় সাফল্য:সালেহ শিবলী Logo শেখ হাসিনার কোন স্ট্যাটাসে ভারতে আছেন জানা নেই: চিফ প্রসিকিউটর Logo ১০ বছরের জ্বালানি পরিকল্পনা সংসদে উপস্থাপনের ঘোষণা প্রধানমন্ত্রীর

বাগেরহাট-৪ আসনের এমপি ডা. মোজাম্মেল আর নেই

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৯:৪১:৪১ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১০ জানুয়ারী ২০২০ ২১৬ বার পড়া হয়েছে

জেলা প্রতিনিধি বাগেরহাট; বাগেরহাট-৪ (মোরেলগঞ্জ-শরণখোলা) আসনের সংসদ সদস্য (এমপি) ও জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ডা. মোজাম্মেল হোসেন মারা গেছেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। বৃহস্পতিবার (৯ জানুয়ারি) দিবাগত রাত পৌনে ১টার দিকে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।

এদিকে ডা. মোজাম্মেল হোসেনের মৃত্যুর খবর শুক্রবার (১০ জানুয়ারি) সকালে বাগেরহাট পৌঁছার পর সর্বত্র শোকের ছায়া নেমে এসেছে। বর্ষীয়ান এই আওয়ামীলীগ নেতা ও মুক্তিযোদ্ধার মৃত্যুতে জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক শেখ কামরুজ্জামান টুকু, যুগ্ম সম্পাদক খান হাবিবুর রহমানসহ দলীয় নেতৃবৃন্দ শোক জানিয়েছেন।

১৯৪০ সালের ১ অক্টোবর মোড়েলগঞ্জ উপজেলার কচুবুনিয়া গ্রামের বর্ধিষ্ণু পবিবারে তিনি জন্মগ্রহণ করেন। তার বাবার নাম হাজী রহমত আলী, আর মায়ের নাম ময়ফুল বিবি। মৃত্যুকালে তিনি একমাত্র পুত্র সন্তান খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রফেসর মাহমুদ হোসেনসহ বহুগুণগ্রাহী রেখে গেছেন। শুক্রবার জুমার নামাজের পর বাগেরহাট শেখ হেলাল উদ্দিন স্টেডিয়ামে তার জানাজা অনুষ্ঠিত হবে।

বাগেরহাটের জনপ্রিয় ব্যক্তিত্ব ডা. মোজাম্মেল হোসেন ছিলেন জাতীয় সংসদের পাঁচ বারের এমপি। ১৯৫৮ সালে তিনি এসএসসি ,১৯৬১ সালে এইচএসসি এবং ১৯৬৪ সালে চিটাগং মেলিকেল কলেজ থেকে এমবিবিএস পাস করেন। চিটাগং মেডিকেলে পড়াকালীন তিনি ছাত্রলীগের সভাপতি ছিলেন। ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধে অংশ নেন। ১৯৭৩ সালে মোড়েলগঞ্জ থানা আওয়ামী লীগের সভাপতি নির্বাচিত হন। পরপর দুবার তিনি এই পদে নির্বাচিত হন।

১৯৭৯ সালে বর্ষিয়ান এই নেতা বাগেরহাট মহাকুমা আওয়ামী লীগের সভাপতি নির্বাচিত হন। সেই থেকে সর্বশেষ গত ৯ ডিসেম্বর জেলা আওয়ামী লীগের ত্রিবার্ষিক সম্মেলনে ডা. মোজাম্মেল হোসেন পুনরায় জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি নির্বাচিত হন। দীর্ঘ ৪০ বছরে বাগেরহাটে জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি হিসেবে অনেক চড়াই উৎরাই পার করে তৃণণমূলের নেতাকর্মী ও সাধারণ মানুষের কাছে তিনি একজন পরম অভিভাবক হিসেবে পরিচিত হয়ে ওঠেন।

ডা. মোজাম্মেল হোসেন ১৯৯১ সালে বাগেরহাট -১ আসন থেকে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। পরে ১৯৯৬, ২০০৮, ২০১৪ ও ২০১৯ সালে বাগেরহাট-৪ আসন থেকে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। ১৯৯৬ সালে সমাজ কল্যাণ প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করেন। তার সময়েই বিধভা ভাতা, দারিদ্র ভাতা, বয়স্ক ভাতাসহ দেশের সাধারণ মানুষের কল্যাণে অনেক সুযোগ-সুবিধা চালু হয়।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :
error: Content is protected !!

বাগেরহাট-৪ আসনের এমপি ডা. মোজাম্মেল আর নেই

আপডেট সময় : ০৯:৪১:৪১ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১০ জানুয়ারী ২০২০

জেলা প্রতিনিধি বাগেরহাট; বাগেরহাট-৪ (মোরেলগঞ্জ-শরণখোলা) আসনের সংসদ সদস্য (এমপি) ও জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ডা. মোজাম্মেল হোসেন মারা গেছেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। বৃহস্পতিবার (৯ জানুয়ারি) দিবাগত রাত পৌনে ১টার দিকে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।

এদিকে ডা. মোজাম্মেল হোসেনের মৃত্যুর খবর শুক্রবার (১০ জানুয়ারি) সকালে বাগেরহাট পৌঁছার পর সর্বত্র শোকের ছায়া নেমে এসেছে। বর্ষীয়ান এই আওয়ামীলীগ নেতা ও মুক্তিযোদ্ধার মৃত্যুতে জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক শেখ কামরুজ্জামান টুকু, যুগ্ম সম্পাদক খান হাবিবুর রহমানসহ দলীয় নেতৃবৃন্দ শোক জানিয়েছেন।

১৯৪০ সালের ১ অক্টোবর মোড়েলগঞ্জ উপজেলার কচুবুনিয়া গ্রামের বর্ধিষ্ণু পবিবারে তিনি জন্মগ্রহণ করেন। তার বাবার নাম হাজী রহমত আলী, আর মায়ের নাম ময়ফুল বিবি। মৃত্যুকালে তিনি একমাত্র পুত্র সন্তান খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রফেসর মাহমুদ হোসেনসহ বহুগুণগ্রাহী রেখে গেছেন। শুক্রবার জুমার নামাজের পর বাগেরহাট শেখ হেলাল উদ্দিন স্টেডিয়ামে তার জানাজা অনুষ্ঠিত হবে।

বাগেরহাটের জনপ্রিয় ব্যক্তিত্ব ডা. মোজাম্মেল হোসেন ছিলেন জাতীয় সংসদের পাঁচ বারের এমপি। ১৯৫৮ সালে তিনি এসএসসি ,১৯৬১ সালে এইচএসসি এবং ১৯৬৪ সালে চিটাগং মেলিকেল কলেজ থেকে এমবিবিএস পাস করেন। চিটাগং মেডিকেলে পড়াকালীন তিনি ছাত্রলীগের সভাপতি ছিলেন। ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধে অংশ নেন। ১৯৭৩ সালে মোড়েলগঞ্জ থানা আওয়ামী লীগের সভাপতি নির্বাচিত হন। পরপর দুবার তিনি এই পদে নির্বাচিত হন।

১৯৭৯ সালে বর্ষিয়ান এই নেতা বাগেরহাট মহাকুমা আওয়ামী লীগের সভাপতি নির্বাচিত হন। সেই থেকে সর্বশেষ গত ৯ ডিসেম্বর জেলা আওয়ামী লীগের ত্রিবার্ষিক সম্মেলনে ডা. মোজাম্মেল হোসেন পুনরায় জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি নির্বাচিত হন। দীর্ঘ ৪০ বছরে বাগেরহাটে জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি হিসেবে অনেক চড়াই উৎরাই পার করে তৃণণমূলের নেতাকর্মী ও সাধারণ মানুষের কাছে তিনি একজন পরম অভিভাবক হিসেবে পরিচিত হয়ে ওঠেন।

ডা. মোজাম্মেল হোসেন ১৯৯১ সালে বাগেরহাট -১ আসন থেকে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। পরে ১৯৯৬, ২০০৮, ২০১৪ ও ২০১৯ সালে বাগেরহাট-৪ আসন থেকে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। ১৯৯৬ সালে সমাজ কল্যাণ প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করেন। তার সময়েই বিধভা ভাতা, দারিদ্র ভাতা, বয়স্ক ভাতাসহ দেশের সাধারণ মানুষের কল্যাণে অনেক সুযোগ-সুবিধা চালু হয়।