ঢাকা ১১:৫৩ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২১ অগাস্ট ২০২৬, ৬ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
Logo গ্যাস সংকট আগের সরকারের পাপের ফল: ডা. জাহেদ Logo ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে এআই-নির্ভর ‘অটো ফাইন সিস্টেম’ চালু Logo প্রধানমন্ত্রীকে সৌদি আরব সফরের আমন্ত্রণ জানিয়েছেন যুবরাজ বিন সালমান Logo ছয় মাসে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির দৃশ্যমান উন্নতি হয়েছে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী Logo সরকারের ১৮০ দিনের সালতামামি: ধ্বংসস্তূপ থেকে পরিকল্পিত পুনর্গঠনের পথে বাংলাদেশ Logo শিগগিরই জনপ্রশাসন সংস্কার কমিশন গঠন করবে সরকার : নজরুল ইসলাম খান Logo রাষ্ট্র ও মানুষের মর্যাদা প্রতিষ্ঠাই সরকারের বড় সাফল্য:সালেহ শিবলী Logo শেখ হাসিনার কোন স্ট্যাটাসে ভারতে আছেন জানা নেই: চিফ প্রসিকিউটর Logo ১০ বছরের জ্বালানি পরিকল্পনা সংসদে উপস্থাপনের ঘোষণা প্রধানমন্ত্রীর Logo আগামীকাল কিশোরগঞ্জ সফর করবেন প্রধানমন্ত্রী

অভিনব কায়দায় সিএনজি ছিনতাই চক্রের মূলহোতা জামাই-শ্বশুর! 

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৬:১৭:৫০ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৭ জুন ২০১৯ ২২৯ বার পড়া হয়েছে

জাহিদ হাসান রেহানঃ

যাত্রী বেশে চালককে নেশা জাতীয় কিছু খাইয়ে সিএনজি ছিনতাই করত একটি চক্র। পরে সিএনজি মালিকের কাছ থেকে মোটা অঙ্কের টাকা আদায় করত। চক্রটির মূলহোতা ছিল আপন জামাই ও শ্বশুর।

রবিবার রাতে রাজধানীর দারুস সালাম, ডেমরা এবং দক্ষিণখান এলাকায় পৃথক অভিযান চালিয়ে চক্রের মূলহোতাসহ ছয়জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

তারা হলেন- হারুন অর রশিদ, রুহুল আমিন, জামাল হোসেন, সোহেল খাঁ, ওয়ালী উল্লাহ জয় ও রশিদ খান। এসময় তাদের কাছ থেকে একটি চোরাই সিএনজি উদ্ধার করা হয়েছে।

সোমবার দুপুরে র‌্যাব মিডিয়া সেন্টারে সংবাদ সম্মেলন করে সাংবাদিকদের এই তথ্য জানান র‌্যাব-৪ এর অধিনায়ক এডিশনাল ডিআইজি চৌধুরী মঞ্জুরুল কবীর।

র‌্যাব-৪ এর অধিনায়ক বলেন, ‘চক্রটি বেশ কয়েক বছর ধরে সক্রিয়ভাবে রাজধানীতে সিএনজি ছিনতাই করত। তিনটি উপায়ে তাদের এই কাজ চলত। ছিনতাই চক্রের সদস্যরা যাত্রী সেজে সিএনজি ভাড়া করত। পরে নির্জন জায়গায় গিয়ে চালককে মারধর করে রাস্তার পাশে ফেলে দিত এবং তাদের নির্ধারিত গ্যারেজে সিএনজি নিয়ে রেখে দিত।’

র‌্যাব কর্মকর্তা বলেন, আবার অনেক সময় সিএনজি যেখানে পার্কিং করে রাখা হতো সেখানে ছদ্মবেশে চা বা পানি বিক্রি করা হয়। এসময় চক্রের বাকি সদস্যরা যাত্রী বেশে তাদের সিএনজিতে ওঠে। পরে রাস্তায় সিএনজি চালক নেশায় অজ্ঞান হয়ে গেলে চালককে ফেলে সিএনজি নিয়ে পালিয়ে যেত। দেখা গেছে অনেক সময় এই চক্রের সদস্যরাও সিএনজি চালক সেজে মালিকের কাছ থেকে সিএনজি ভাড়া নিত। পরে সিএনজি ছিনতাই হয়ে বলে মালিককে ফোনে জানাতো।

চৌধুরী মঞ্জুরুল কবীর বলেন, ‘সিএনজি ছিনতাইয়ের পর সেগুলো টাকার বিনিময়ে ফেরত দিত। এজন্য চক্রের অন্য সদস্যরা সিএনজি মালিকের সঙ্গে যোগাযোগ করত। উভয়ের মধ্যে মধ্যস্ততার পর ৫০ হাজার থেকে দেড় লাখ টাকা পর্যন্ত রফাদফা হতো। একটি সিএনজি ছিনতাই করতে পারলে চক্রের সদস্যরা ভাগে দশ হাজার করে টাকা পেত।’

র‌্যাব জানায়, চক্রের মূল হোতা ওয়ালী উল্লাহ জয়। তিনি তার শ্বশুর ছোট শহীদের হাত ধরে এই চক্রে এসেছেন। বর্তমানে ছোট শহীদ জেলে থাকায় তিনি গ্রুপের প্রধান হিসেবে কাজ করছেন।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :
error: Content is protected !!

অভিনব কায়দায় সিএনজি ছিনতাই চক্রের মূলহোতা জামাই-শ্বশুর! 

আপডেট সময় : ০৬:১৭:৫০ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৭ জুন ২০১৯

জাহিদ হাসান রেহানঃ

যাত্রী বেশে চালককে নেশা জাতীয় কিছু খাইয়ে সিএনজি ছিনতাই করত একটি চক্র। পরে সিএনজি মালিকের কাছ থেকে মোটা অঙ্কের টাকা আদায় করত। চক্রটির মূলহোতা ছিল আপন জামাই ও শ্বশুর।

রবিবার রাতে রাজধানীর দারুস সালাম, ডেমরা এবং দক্ষিণখান এলাকায় পৃথক অভিযান চালিয়ে চক্রের মূলহোতাসহ ছয়জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

তারা হলেন- হারুন অর রশিদ, রুহুল আমিন, জামাল হোসেন, সোহেল খাঁ, ওয়ালী উল্লাহ জয় ও রশিদ খান। এসময় তাদের কাছ থেকে একটি চোরাই সিএনজি উদ্ধার করা হয়েছে।

সোমবার দুপুরে র‌্যাব মিডিয়া সেন্টারে সংবাদ সম্মেলন করে সাংবাদিকদের এই তথ্য জানান র‌্যাব-৪ এর অধিনায়ক এডিশনাল ডিআইজি চৌধুরী মঞ্জুরুল কবীর।

র‌্যাব-৪ এর অধিনায়ক বলেন, ‘চক্রটি বেশ কয়েক বছর ধরে সক্রিয়ভাবে রাজধানীতে সিএনজি ছিনতাই করত। তিনটি উপায়ে তাদের এই কাজ চলত। ছিনতাই চক্রের সদস্যরা যাত্রী সেজে সিএনজি ভাড়া করত। পরে নির্জন জায়গায় গিয়ে চালককে মারধর করে রাস্তার পাশে ফেলে দিত এবং তাদের নির্ধারিত গ্যারেজে সিএনজি নিয়ে রেখে দিত।’

র‌্যাব কর্মকর্তা বলেন, আবার অনেক সময় সিএনজি যেখানে পার্কিং করে রাখা হতো সেখানে ছদ্মবেশে চা বা পানি বিক্রি করা হয়। এসময় চক্রের বাকি সদস্যরা যাত্রী বেশে তাদের সিএনজিতে ওঠে। পরে রাস্তায় সিএনজি চালক নেশায় অজ্ঞান হয়ে গেলে চালককে ফেলে সিএনজি নিয়ে পালিয়ে যেত। দেখা গেছে অনেক সময় এই চক্রের সদস্যরাও সিএনজি চালক সেজে মালিকের কাছ থেকে সিএনজি ভাড়া নিত। পরে সিএনজি ছিনতাই হয়ে বলে মালিককে ফোনে জানাতো।

চৌধুরী মঞ্জুরুল কবীর বলেন, ‘সিএনজি ছিনতাইয়ের পর সেগুলো টাকার বিনিময়ে ফেরত দিত। এজন্য চক্রের অন্য সদস্যরা সিএনজি মালিকের সঙ্গে যোগাযোগ করত। উভয়ের মধ্যে মধ্যস্ততার পর ৫০ হাজার থেকে দেড় লাখ টাকা পর্যন্ত রফাদফা হতো। একটি সিএনজি ছিনতাই করতে পারলে চক্রের সদস্যরা ভাগে দশ হাজার করে টাকা পেত।’

র‌্যাব জানায়, চক্রের মূল হোতা ওয়ালী উল্লাহ জয়। তিনি তার শ্বশুর ছোট শহীদের হাত ধরে এই চক্রে এসেছেন। বর্তমানে ছোট শহীদ জেলে থাকায় তিনি গ্রুপের প্রধান হিসেবে কাজ করছেন।