ঢাকা ০১:৩২ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১০ অক্টোবর ২০২৬, ২৪ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
Logo কুকুর উদ্ধারে ফায়ার সার্ভিসের গাড়ি পাঠাতে জ্বালানি খরচের দাবি, ৩ ঘণ্টা পর জীবিত উদ্ধার Logo সরকারি কর্মচারীদের ‘গোলামি’ ও অঢেল সম্পদের পাহাড়: বেরিয়ে আসছে সদ্য বিদায়ী ডিজি জায়েদ কামালের থলের বিড়াল  Logo ফায়ার সার্ভিসের বদলি নীতিমালায় বড় পরিবর্তন: কর্মীরা পাবেন নিজ জেলায় কাজের সুযোগ Logo তৈরি পোশাকশ্রমিকদের জন্য মজুরি বোর্ড গঠনের নীতিগত সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার Logo সিডিবিএল চালু করবে মোবাইল অ্যাপ Logo দেশবিরোধী চক্রান্তের কাছে জাতীয়তাবাদী শক্তি আত্মসমর্পণ করবে না : রিজভী Logo গঙ্গা চুক্তি নবায়ন নয়, নতুন চুক্তি চায় এনসিপি: নাহিদ ইসলাম Logo ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সব নাগরিকের কল্যাণে কাজ করছে সরকার: প্রধানমন্ত্রী Logo ফের মা হতে চলেছেন কিয়ারা Logo মানবতাবিরোধী অপরাধ : হানিফসহ ৪ আ. লীগ নেতার রায় যেকোনো দিন

গণপূর্ত অধিদপ্তরের পবিত্র’র যত অপবিত্র কর্ম

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ১২:৩৪:৪৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ ৬১৬ বার পড়া হয়েছে

নিজস্ব প্রতিবেদক : পবিত্র চন্দ্র দাস, গণপূর্ত অধিদপ্তরের একজন নির্বাহী প্রকৌশলী কিন্তু তার কাজের সাথে নামের ফারাক যেন আকাশ পাতাল। নাম পবিত্র হলেও অনিয়ম ও দুর্নীতির তিনি যেন এক ‘মাস্টারমাইন্ড’ ।

দরপত্রে অনিয়ম, কাজের আগে বিল পরিশোধ, দির্ঘদিন ধরে প্রাইজপোস্টিং প্লেস অর্থাৎ ঢাকায় পদায়ন, একসঙ্গে দুই সংস্থায় চাকরি এবং চাকরিচ্যুত হওয়ার পর পুনরায় চাকরিতে ফেরার মতো ঘটনা ঘটছে গণপূর্ত অধিদপ্তরে। কোনো কোনো ক্ষেত্রে প্রথমে ঢাকঢোল পিটিয়ে তদন্ত শুরু হলেও পরে সব মিটমাট হয়ে যায়। ফলে অনিয়ম-দুর্নীতিতে জড়িয়ে পড়া প্রকৌশলীদের আর শাস্তি পেতে হয় না।

অনুসন্ধানে অধিদপ্তরটির এক নির্বাহী প্রকৌশলীর বেশ কিছু অপকর্মের তথ্য বেরিয়ে এসেছে। বলছি গণপূর্ত বিভাগ-৬ এর ই/এম বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী পবিত্র কুমার দাস এর কথা।

অনুসন্ধানে জানা যায়, চাকরিজীবনে বেশির ভাগ সময় পবিত্র কাটিয়েছেন ঢাকায়। এশীয় উন্নয়ন ব্যাংক (এডিবি) এর উন্নয়ন প্রকল্প, পুলিশ ও র‍্যাবের উন্নয়ন প্রকল্পে ব্যপক দুর্নীতি করেছেন তিনি।

বিলে নয়-ছয়, কমিশনের বিনিময়ে পছন্দের ঠিকাদারদের কাজ পাইয়ে দেওয়ায় সিদ্ধহস্ত তিনি। এরই মধ্যে দুইটি কাজে তার এহেন অপকর্মের প্রমাণ মিলেছে তার বিরুদ্ধে।

শুধু তাই নয় গণমাধ্যমকে ম্যানেজ করার জন্যও রয়েছে তার বিশ্বস্ত লোক, যিনি গণপূর্ত অধিদপ্তরেই কর্মরত।

পবিত্রর রয়েছে একটি শক্ত সিন্ডিকেট। যার মাধ্যমে বদলি বানিজ্য করে বাগিয়েছেন কোটি কোটি টাকা।

এই প্রসঙ্গে গণপূর্ত অধিদপ্তরের এক ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা নাম না প্রকাশ করার শর্তে বলেন, তার কিছুই হবে না। সে আশির্বাদপ্রাপ্ত।

আরেকটি বিশ্বস্ত সূত্র জানিয়েছে, পবিত্র কুমার দাস দুর্নীতির মাধ্যমে অর্জিত অর্থ নামে বেনামে বিনিয়োগের পাশাপাশি হুন্ডির মাধ্যমে পাশের দেশ ভারতেও বিশাল অংকে পাচার করেছেন।

উপরোক্ত বিষয়ে নির্বাহী প্রকৌশলী পবিত্রকে মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে ফোন তিনি রিসিভ করেননি। মুঠ ফোনে হতে পারতো পাঠালেও কোন প্রকার উত্তর দেননি।

চলবে….

নির্বাহী প্রকৌশলী পবিত্র কুমার দাসের দুর্নীতির চিত্র পরবর্তী পর্বে আর বিশদভাবে তুলে ধরা হবে।

Loading

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :
error: Content is protected !!

গণপূর্ত অধিদপ্তরের পবিত্র’র যত অপবিত্র কর্ম

আপডেট সময় : ১২:৩৪:৪৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৪

নিজস্ব প্রতিবেদক : পবিত্র চন্দ্র দাস, গণপূর্ত অধিদপ্তরের একজন নির্বাহী প্রকৌশলী কিন্তু তার কাজের সাথে নামের ফারাক যেন আকাশ পাতাল। নাম পবিত্র হলেও অনিয়ম ও দুর্নীতির তিনি যেন এক ‘মাস্টারমাইন্ড’ ।

দরপত্রে অনিয়ম, কাজের আগে বিল পরিশোধ, দির্ঘদিন ধরে প্রাইজপোস্টিং প্লেস অর্থাৎ ঢাকায় পদায়ন, একসঙ্গে দুই সংস্থায় চাকরি এবং চাকরিচ্যুত হওয়ার পর পুনরায় চাকরিতে ফেরার মতো ঘটনা ঘটছে গণপূর্ত অধিদপ্তরে। কোনো কোনো ক্ষেত্রে প্রথমে ঢাকঢোল পিটিয়ে তদন্ত শুরু হলেও পরে সব মিটমাট হয়ে যায়। ফলে অনিয়ম-দুর্নীতিতে জড়িয়ে পড়া প্রকৌশলীদের আর শাস্তি পেতে হয় না।

অনুসন্ধানে অধিদপ্তরটির এক নির্বাহী প্রকৌশলীর বেশ কিছু অপকর্মের তথ্য বেরিয়ে এসেছে। বলছি গণপূর্ত বিভাগ-৬ এর ই/এম বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী পবিত্র কুমার দাস এর কথা।

অনুসন্ধানে জানা যায়, চাকরিজীবনে বেশির ভাগ সময় পবিত্র কাটিয়েছেন ঢাকায়। এশীয় উন্নয়ন ব্যাংক (এডিবি) এর উন্নয়ন প্রকল্প, পুলিশ ও র‍্যাবের উন্নয়ন প্রকল্পে ব্যপক দুর্নীতি করেছেন তিনি।

বিলে নয়-ছয়, কমিশনের বিনিময়ে পছন্দের ঠিকাদারদের কাজ পাইয়ে দেওয়ায় সিদ্ধহস্ত তিনি। এরই মধ্যে দুইটি কাজে তার এহেন অপকর্মের প্রমাণ মিলেছে তার বিরুদ্ধে।

শুধু তাই নয় গণমাধ্যমকে ম্যানেজ করার জন্যও রয়েছে তার বিশ্বস্ত লোক, যিনি গণপূর্ত অধিদপ্তরেই কর্মরত।

পবিত্রর রয়েছে একটি শক্ত সিন্ডিকেট। যার মাধ্যমে বদলি বানিজ্য করে বাগিয়েছেন কোটি কোটি টাকা।

এই প্রসঙ্গে গণপূর্ত অধিদপ্তরের এক ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা নাম না প্রকাশ করার শর্তে বলেন, তার কিছুই হবে না। সে আশির্বাদপ্রাপ্ত।

আরেকটি বিশ্বস্ত সূত্র জানিয়েছে, পবিত্র কুমার দাস দুর্নীতির মাধ্যমে অর্জিত অর্থ নামে বেনামে বিনিয়োগের পাশাপাশি হুন্ডির মাধ্যমে পাশের দেশ ভারতেও বিশাল অংকে পাচার করেছেন।

উপরোক্ত বিষয়ে নির্বাহী প্রকৌশলী পবিত্রকে মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে ফোন তিনি রিসিভ করেননি। মুঠ ফোনে হতে পারতো পাঠালেও কোন প্রকার উত্তর দেননি।

চলবে….

নির্বাহী প্রকৌশলী পবিত্র কুমার দাসের দুর্নীতির চিত্র পরবর্তী পর্বে আর বিশদভাবে তুলে ধরা হবে।

Loading