ঢাকা ০৩:১৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ০৩ মে ২০২৬, ২০ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
Logo সাভার পৌরসভার লাইসেন্স পরিদর্শক আমজাদ মোল্লার বিরুদ্ধে দুর্নীতি ও অনিয়মের অভিযোগ Logo জিয়া শিশু কিশোর মেলা, ঢাকা মহানগর দক্ষিণ আহ্বায়ক কমিটি ঘোষণা Logo জাতীয় গৃহায়ন কর্তৃপক্ষের নথি জালিয়াতি: ৫ জনকে শোকজ ও মামলা Logo সওজে অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী আজাদের ‘অদৃশ্য সাম্রাজ্য’ ও অবৈধ সম্পদ: পূর্বাচলে কয়েক কোটি টাকার প্লট Logo শহীদ জিয়ার মাজারে জিয়া শিশু কিশোর মেলার নতুন কমিটির শ্রদ্ধা Logo এসএসসি পরীক্ষার্থীদের পাশে জিয়া শিশু কিশোর মেলা: বিশুদ্ধ পানি ও স্যালাইন বিতরণ Logo কবি আকাশমণির রোমান্টিক লেখা “ক্লান্তরা সুখ হয়ে ওঠে” Logo লালপুরে দণ্ডপ্রাপ্ত পলাতক আসামিকে গ্রেফতার Logo মোহনা টিভি দখলের অপচেষ্টা: মিরপুরে উত্তেজনা, থানায় জিডি Logo বন বিভাগে পদোন্নতি জট ও কর্তাদের দুর্নীতির অভিযোগ: আদালতের হস্তক্ষেপে নতুন করে উত্তেজনা

সাভার পৌরসভার লাইসেন্স পরিদর্শক আমজাদ মোল্লার বিরুদ্ধে দুর্নীতি ও অনিয়মের অভিযোগ

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ১১:৩৩:৫২ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ৩ মে ২০২৬ ১৩ বার পড়া হয়েছে

নিজস্ব প্রতিবেদক: সাভার পৌরসভার লাইসেন্স পরিদর্শক আমজাদ হোসেন মোল্লার বিরুদ্ধে নানা অনিয়ম দুর্নীতির অভিযোগ উঠেছে। ইতোমধ্যেই দুর্নীতি অনিয়মের মাধ্যমে গড়ে তুলেছেন টাকার পাহাড়।

আমজাদ হোসেন মোল্লা সহকারী লাইসেন্স পরিদর্শক পদে সাভার পৌরসভায় ১০/১২/১৯৯৫ সালে যোগদান করে কাজ করে আসছিলেন। এমতবস্থায় ২০১৬ সালে ফ্যাসিস্ট আওয়ামী লীগের মনোনয়নে সাভার পৌর মেয়র হন আব্দুল গনি। তারপর আব্দুল গনি ছেলের বন্ধু হিসেবে সকল দুর্নীতি ও অনিয়মের কাজের দায়িত্ব দেন আমজাদ হোসেন মোল্লাকে। এরপর থেকে আমজাদ হোসেনের নেতৃত্বে সাভার পৌর সভায় গড়ে তুলেন দুর্নীতির আখড়া হিসেবে। গড়ে তোলেন দুর্নীতির সিন্ডিকেট। যে সিন্ডিকেটের মাধ্যমে সাভার পৌরসভায় দুর্নীতি ও অনিয়ম করে হাতিয়ে নেন কোটি কোটি টাকা।
এমতাবস্থায় আমজাদ হোসেন সহকারী লাইসেন্স পরিদর্শক পদ থেকে লাইসেন্স পরিদর্শকের দায়িত্ব পান। পরিদর্শকের দায়িত্ব পাওয়ার পর থেকে হয়ে উঠেন আরো বেপরোয়া। আমজাদের বেপরোয়া দুর্নীতি ও ঘোষ বানিজ্যের কারনে সাভার পৌরসভা দুর্নীতির আখড়া হিসেবে পরিচিতি লাভ করেন। এরপর থেকে আর তাকে কখনো ফিয়ে তাকাতে হয়নি। দুর্নীতি অনিয়ম ও ঘোষ বাণিজ্য করে নামে বেনামে সাভার আশুলিয়ায় অঢেল সম্পত্তির মালিন বনে গেছেন।

পরবর্তীতে ৫ আগস্ট ২৪ এরপর ফ্যাসিস্ট আওয়ামী সরকারের পতনের পর আমজাদ হোসেন সাভারের জামায়াত নেতা হাসান মাষ্টারের শালা পরিচয় দিয়ে নতুন করে আবার সাভার পৌরসভাকে দুর্নীতির আখড়া হিসেবে পরিণত করেছেন। তারই ধারাবাহিকতায় চলতি বছরে আগস্টে সাভার পৌরসভায় ঘোষ বানিজ্যের টাকা নিয়ে হাতাহাতির ঘটনা ঘটে। সবই চলছে আমজাদ হোসের গড়া সিন্ডিকেটের মাধ্যমে।

অভিযোগ রয়েছে, আমজাদ হোসেন সাভার পৌরসভায় সহকারী লাইসেন্স পরিদর্শক হিসেবে যোগদান করেই দুর্নীতি ও নিয়মে মরিয়া হয়ে ওঠেন । হাতিয়ে নেন কোটি কোটি টাকা। পরে লাইসেন্স পরিদর্শকের দায়িত্ব পান এই দুর্নীতিবাজ আমজাদ হোসেন। আর এই পদকে কাজে লাগিয়ে গড়ে তুলেছেন নিজের মত সিন্ডিকেট। ফ্যাসিস্ট আওয়ামী সরকারের আমলে সাবেক পৌর মেয়র আব্দুল গনিকে ম্যানেজ করে ও গনির ছেলে তুহিনের বন্ধু পরিচয় বহন করে নিয়ম নীতির তোয়াক্কা না করে যা ইচ্ছে তাই করে বেড়িয়েছেন আমজাদ। ৫ আগস্ট ২৪ শের পর দেশ থেকে ফ্যাসিস্ট চলে যাওয়ার পর থেকে আবার নতুন পরিচয় জামায়াতের নেতা হাসান মাষ্টারের শালা পরিচয় বহন করে নতুন করে আবার সাভার পৌরসভাকে দুর্নীতির আখড়া হিসেবে পরিচিতি ঘটিয়েছেন আমজাদ হোসেন।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক সাভার পৌরসভার এক কর্মকর্তা জানান, আমজাদ হোসেন তার পদকে অপব্যবহার করে আঙ্গুল ফুলে কলাগাছ বনে গেছেন । দুর্নীতি ও অনিয়ম করে হাতিয়ে নিচ্ছেন কোটি কোটি টাকা। নিজ নামে ও স্ত্রীর নামে সাভার ও আশুলিয়ায় গড়ে তোলেছেন সম্পদের পাহাড়। তার ভয়ে সাভার পৌরসভার কর্মচারীরা সবসময় ভীত সন্ত্রস্ত থাকে। এই দুর্নীতিবাজ আমজাদ হোসেনের কারণে সবার পৌরসভা দুর্নীতির আখড়া হিসেবে খ্যাতি অর্জন করেছে ইতোমধ্যেই। সব সময় টাকা দিয়ে কিছু দুর্নীতিবাজ কর্মকর্তাদের ম্যানেজ করে চলেন এই আমজাদ হোসেন।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে,দুর্নীতি ও ঘোষ বাণিজ্যের টাকায় আশুলিয়ায় ২৬ শতক জমির উপর ৩ কোটি টাকার ব্যয়ে একটি ডুপ্লেক্স বাড়ী নির্মান ও ৪০ টি ঘর নির্মান করেছেন,এফ-৮২/৫, জমজম টাওয়ার, ব্যাংক কলোনিতে রয়েছে তিনটি ফ্ল্যাট যার আনুমানিক মুল্য ২ কোটি টাকা।

শুধু তাই নয় সাভারে বিভিন্ন শপিং মলে তার স্ত্রীর নামে রয়েছে একাধীক দোকান।

তাই দুর্নীতিবাজ আমজাদ হোসেনের হাত থেকে সাভার পৌরসভাকে বাঁচাতে এবং জনমনে স্বস্তি ফিরিয়ে আনতে দুদক ও সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের হস্তক্ষেপ কামনা করেন সাভারবাসি।

তার সম্পদের বিবরণ নিয়ে বিস্তারিত থাকছে আগামী পর্বে..

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :
error: Content is protected !!

সাভার পৌরসভার লাইসেন্স পরিদর্শক আমজাদ মোল্লার বিরুদ্ধে দুর্নীতি ও অনিয়মের অভিযোগ

আপডেট সময় : ১১:৩৩:৫২ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ৩ মে ২০২৬

নিজস্ব প্রতিবেদক: সাভার পৌরসভার লাইসেন্স পরিদর্শক আমজাদ হোসেন মোল্লার বিরুদ্ধে নানা অনিয়ম দুর্নীতির অভিযোগ উঠেছে। ইতোমধ্যেই দুর্নীতি অনিয়মের মাধ্যমে গড়ে তুলেছেন টাকার পাহাড়।

আমজাদ হোসেন মোল্লা সহকারী লাইসেন্স পরিদর্শক পদে সাভার পৌরসভায় ১০/১২/১৯৯৫ সালে যোগদান করে কাজ করে আসছিলেন। এমতবস্থায় ২০১৬ সালে ফ্যাসিস্ট আওয়ামী লীগের মনোনয়নে সাভার পৌর মেয়র হন আব্দুল গনি। তারপর আব্দুল গনি ছেলের বন্ধু হিসেবে সকল দুর্নীতি ও অনিয়মের কাজের দায়িত্ব দেন আমজাদ হোসেন মোল্লাকে। এরপর থেকে আমজাদ হোসেনের নেতৃত্বে সাভার পৌর সভায় গড়ে তুলেন দুর্নীতির আখড়া হিসেবে। গড়ে তোলেন দুর্নীতির সিন্ডিকেট। যে সিন্ডিকেটের মাধ্যমে সাভার পৌরসভায় দুর্নীতি ও অনিয়ম করে হাতিয়ে নেন কোটি কোটি টাকা।
এমতাবস্থায় আমজাদ হোসেন সহকারী লাইসেন্স পরিদর্শক পদ থেকে লাইসেন্স পরিদর্শকের দায়িত্ব পান। পরিদর্শকের দায়িত্ব পাওয়ার পর থেকে হয়ে উঠেন আরো বেপরোয়া। আমজাদের বেপরোয়া দুর্নীতি ও ঘোষ বানিজ্যের কারনে সাভার পৌরসভা দুর্নীতির আখড়া হিসেবে পরিচিতি লাভ করেন। এরপর থেকে আর তাকে কখনো ফিয়ে তাকাতে হয়নি। দুর্নীতি অনিয়ম ও ঘোষ বাণিজ্য করে নামে বেনামে সাভার আশুলিয়ায় অঢেল সম্পত্তির মালিন বনে গেছেন।

পরবর্তীতে ৫ আগস্ট ২৪ এরপর ফ্যাসিস্ট আওয়ামী সরকারের পতনের পর আমজাদ হোসেন সাভারের জামায়াত নেতা হাসান মাষ্টারের শালা পরিচয় দিয়ে নতুন করে আবার সাভার পৌরসভাকে দুর্নীতির আখড়া হিসেবে পরিণত করেছেন। তারই ধারাবাহিকতায় চলতি বছরে আগস্টে সাভার পৌরসভায় ঘোষ বানিজ্যের টাকা নিয়ে হাতাহাতির ঘটনা ঘটে। সবই চলছে আমজাদ হোসের গড়া সিন্ডিকেটের মাধ্যমে।

অভিযোগ রয়েছে, আমজাদ হোসেন সাভার পৌরসভায় সহকারী লাইসেন্স পরিদর্শক হিসেবে যোগদান করেই দুর্নীতি ও নিয়মে মরিয়া হয়ে ওঠেন । হাতিয়ে নেন কোটি কোটি টাকা। পরে লাইসেন্স পরিদর্শকের দায়িত্ব পান এই দুর্নীতিবাজ আমজাদ হোসেন। আর এই পদকে কাজে লাগিয়ে গড়ে তুলেছেন নিজের মত সিন্ডিকেট। ফ্যাসিস্ট আওয়ামী সরকারের আমলে সাবেক পৌর মেয়র আব্দুল গনিকে ম্যানেজ করে ও গনির ছেলে তুহিনের বন্ধু পরিচয় বহন করে নিয়ম নীতির তোয়াক্কা না করে যা ইচ্ছে তাই করে বেড়িয়েছেন আমজাদ। ৫ আগস্ট ২৪ শের পর দেশ থেকে ফ্যাসিস্ট চলে যাওয়ার পর থেকে আবার নতুন পরিচয় জামায়াতের নেতা হাসান মাষ্টারের শালা পরিচয় বহন করে নতুন করে আবার সাভার পৌরসভাকে দুর্নীতির আখড়া হিসেবে পরিচিতি ঘটিয়েছেন আমজাদ হোসেন।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক সাভার পৌরসভার এক কর্মকর্তা জানান, আমজাদ হোসেন তার পদকে অপব্যবহার করে আঙ্গুল ফুলে কলাগাছ বনে গেছেন । দুর্নীতি ও অনিয়ম করে হাতিয়ে নিচ্ছেন কোটি কোটি টাকা। নিজ নামে ও স্ত্রীর নামে সাভার ও আশুলিয়ায় গড়ে তোলেছেন সম্পদের পাহাড়। তার ভয়ে সাভার পৌরসভার কর্মচারীরা সবসময় ভীত সন্ত্রস্ত থাকে। এই দুর্নীতিবাজ আমজাদ হোসেনের কারণে সবার পৌরসভা দুর্নীতির আখড়া হিসেবে খ্যাতি অর্জন করেছে ইতোমধ্যেই। সব সময় টাকা দিয়ে কিছু দুর্নীতিবাজ কর্মকর্তাদের ম্যানেজ করে চলেন এই আমজাদ হোসেন।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে,দুর্নীতি ও ঘোষ বাণিজ্যের টাকায় আশুলিয়ায় ২৬ শতক জমির উপর ৩ কোটি টাকার ব্যয়ে একটি ডুপ্লেক্স বাড়ী নির্মান ও ৪০ টি ঘর নির্মান করেছেন,এফ-৮২/৫, জমজম টাওয়ার, ব্যাংক কলোনিতে রয়েছে তিনটি ফ্ল্যাট যার আনুমানিক মুল্য ২ কোটি টাকা।

শুধু তাই নয় সাভারে বিভিন্ন শপিং মলে তার স্ত্রীর নামে রয়েছে একাধীক দোকান।

তাই দুর্নীতিবাজ আমজাদ হোসেনের হাত থেকে সাভার পৌরসভাকে বাঁচাতে এবং জনমনে স্বস্তি ফিরিয়ে আনতে দুদক ও সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের হস্তক্ষেপ কামনা করেন সাভারবাসি।

তার সম্পদের বিবরণ নিয়ে বিস্তারিত থাকছে আগামী পর্বে..