ঢাকা ১১:২৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৩ এপ্রিল ২০২৬, ৩০ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
Logo ‘৬ বছরে ৮৬৫০ কোটি লুটপাট : সওজে নতুন করে সক্রিয় সেই ‘ডন’ রায়হান মুস্তাফিজ!’ Logo ৮০ কোটির জালিয়াতি: শিল্পগোষ্ঠীকে ফাঁকি দিয়ে আত্মগোপনে বৃষ্টি–মেসবাহ দম্পতি লাপাত্তা  Logo রাজউকের কানুনগো আব্দুল মোমিন: দুর্নীতি ও প্লট বাণিজ্যের মাধ্যমে অঢেল সম্পদের মালিক  Logo রূপগঞ্জে সংবাদ সংগ্রহে গিয়ে সাংবাদিকদের ওপর ‘খারা মোশাররফ বাহিনীর হামলা: ১৮ লাখ টাকার সরঞ্জাম লুট Logo কেরানীগঞ্জে কারখানায় আগুনে মৃত্যুর ঘটনায় হত্যা মামলা, একজন কারাগারে Logo যাত্রীদের কল্যাণের নামে নিজে টাকার পাহাড় গড়েছেন মোজাম্মেল Logo “২৮ শিশুমৃত্যু সহ ঘুষ বাণিজ্যের অভিযোগ—তবুও পদে বহাল ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তরের শফিকুল-নাঈম!” Logo পাওনা টাকা চাইতে গিয়ে হামলা, মাদক কারবারিদের বিরুদ্ধে অভিযোগে দুইজন আহত Logo রাজ এগ্রোর তরমুজ বীজে মাঠ কাঁপাচ্ছে কৃষক: উচ্চ ফলনে নতুন সম্ভাবনা Logo ত্রাণের বিস্কুট ও জ্বালানি তেল চুরিতে অভিযুক্ত মিজানুর এখন ফায়ার সার্ভিসের দণ্ডমুন্ডের কর্তা! পর্ব -১

দৈনিক ‘প্রতিদিনের কাগজ’ প্রকাশনা নিয়ে আইনি জটিলতা: হাইকোর্টের রুল: মালিকানা ও সম্পাদনায় বিতর্ক

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৬:০২:৩৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ৭ মার্চ ২০২৬ ১৮৪ বার পড়া হয়েছে

নিজস্ব প্রতিবেদক:
দৈনিক ‘প্রতিদিনের কাগজ’ পত্রিকার প্রকাশনা ও সম্পাদনা সংক্রান্ত জটিলতা নিয়ে প্রশ্ন তুলে এর প্রকাশনা কেন বন্ধ করা হবে না তা জানতে চেয়ে রুল জারি করেছেন হাইকোর্ট। একই সঙ্গে পত্রিকাটির প্রকাশনা অব্যাহত রাখার ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের নিষ্ক্রিয়তা কেন আইনগত কর্তৃত্ববহির্ভূত ঘোষণা করা হবে না, সে বিষয়েও ব্যাখ্যা চেয়েছেন আদালত।

গত ১৯ জানুয়ারি ২০২৬ বিচারপতি আহমেদ সোহেল ও বিচারপতি ফাতেমা আনোয়ারের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ এ রুল জারি করেন। সম্প্রতি আদালতের এই আদেশের অনুলিপি প্রকাশ্যে আসার পর বিষয়টি গণমাধ্যম ও সাংবাদিক মহলে নতুন করে আলোচনার জন্ম দিয়েছে।

মালিকানা ও সম্পাদনা নিয়ে প্রশ্ন

অনুসন্ধানে জানা যায়, ‘প্রতিদিনের কাগজ’ পত্রিকার সরকারি ডিক্লেয়ারেশনে সম্পাদক ও প্রকাশক হিসেবে মাহমুদুল হাসান রতনের নাম নিবন্ধিত রয়েছে। তবে দীর্ঘদিন ধরে পত্রিকার প্রিন্টার্স লাইনে সম্পাদক ও প্রকাশক হিসেবে ইয়াসমিন শীলা এবং ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক হিসেবে খায়রুল আলম রফিকের নাম প্রকাশ করা হচ্ছে।

আইন বিশেষজ্ঞদের মতে, ডিক্লেয়ারেশনে নিবন্ধিত ব্যক্তির পরিবর্তে অন্য কারও নাম সম্পাদক বা প্রকাশক হিসেবে প্রকাশ করা ছাপাখানা ও প্রকাশনা (ঘোষণা ও নিবন্ধীকরণ) আইন, ১৯৭৩-এর সুস্পষ্ট লঙ্ঘন। তাদের মতে, এ ধরনের কর্মকাণ্ড প্রশাসনিক অনিয়মের পাশাপাশি আইনি দৃষ্টিকোণ থেকেও প্রতারণার শামিল।

পত্রিকাটিকে ঘিরে বিতর্ক

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, দীর্ঘদিন ধরে পত্রিকাটির মালিকানা ও সম্পাদনা নিয়ে অস্বচ্ছতা রয়েছে। এ নিয়ে গণমাধ্যম মহলে নানা প্রশ্ন উঠেছে—আসলে ‘প্রতিদিনের কাগজ’ কার নিয়ন্ত্রণে পরিচালিত হচ্ছে।

একাধিক সূত্রের দাবি, পত্রিকাটির সঙ্গে সংশ্লিষ্ট খায়রুল আলম রফিক অতীতে বিভিন্ন রাজনৈতিক মহলের ঘনিষ্ঠতা কাজে লাগানোর চেষ্টা করেছেন। এমনকি এক সময় নিষিদ্ধ ঘোষিত আওয়ামী লীগের ত্রিশাল এলাকার সাবেক সংসদ সদস্য এবি এম আনিসুজ্জামানকে পত্রিকাটির উপদেষ্টা সম্পাদক পদে নিয়োগ দেওয়ার অভিযোগও রয়েছে।

সূত্রগুলো আরও জানায়, পত্রিকাটি মূলত একটি আঞ্চলিক প্রকাশনা হলেও ঢাকা থেকে জাতীয় দৈনিক হিসেবে পরিচয় দিয়ে বিভিন্ন স্থানে কার্যক্রম পরিচালনার অভিযোগ রয়েছে।

রিটের প্রেক্ষাপট

দৈনিক ‘প্রতিদিনের কাগজ’-এর সাবেক সহ-সম্পাদক ও দৈনিক প্রলয় পত্রিকার নির্বাহী সম্পাদক মো. শহীদুল ইসলাম দায়ের করা একটি রিট পিটিশনের (নং-১৮২৫১/২০২৫) প্রেক্ষিতে হাইকোর্ট এই রুল জারি করেন।

রিটে তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের সচিব, চলচ্চিত্র ও প্রকাশনা অধিদপ্তরের (ডিএফপি) মহাপরিচালক, ময়মনসিংহের জেলা প্রশাসক, জেলা ম্যাজিস্ট্রেট এবং পত্রিকাটির ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক খায়রুল আলম রফিককে বিবাদী করা হয়েছে।

আদালত বিবাদীদের চার সপ্তাহের মধ্যে রুলের জবাব দিতে নির্দেশ দিয়েছেন।

আদালতে শুনানি

আদালতে রিট আবেদনকারীর পক্ষে শুনানি করেন অ্যাডভোকেট সাকিব মাবুদ। রাষ্ট্রপক্ষে উপস্থিত ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল খান জিয়াউর রহমান ও মোহাম্মদ আব্দুল করিমসহ রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবীরা।

আবেদনকারীর অভিযোগ

রিট আবেদনকারী শহীদুল ইসলাম দাবি করেন, ‘প্রতিদিনের কাগজ’ পত্রিকার ডেকোরেশন ও আনুষঙ্গিক ব্যয়ের জন্য ২০২২ সালে তিনি এবং তার প্রতিষ্ঠানের প্রধান সম্পাদক লায়ন মির্জা সোবেদ আলী খায়রুল আলম রফিককে উল্লেখযোগ্য পরিমাণ অর্থ প্রদান করেন। এর পর তাকে সহ-সম্পাদক এবং মির্জা সোবেদ আলীকে ব্যবস্থাপনা সম্পাদক হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়।

পরে তারা জানতে পারেন, পত্রিকাটি মূলত ময়মনসিংহ থেকে প্রকাশিত একটি আঞ্চলিক পত্রিকা এবং খায়রুল আলম রফিক এর প্রকৃত মালিক নন। বিষয়টি জানার পর অর্থ ফেরত চাইলে তা না দিয়ে উল্টো তাদের বিরুদ্ধে একাধিক মামলা দায়ের এবং সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে অপপ্রচার চালানো হয় বলে অভিযোগ করেন তিনি।

শহীদুল ইসলামের ভাষ্য, প্রতারণার বিষয়টি নিশ্চিত হওয়ার পর তিনি আদালতের আশ্রয় নেন এবং তার দায়ের করা রিটের প্রেক্ষিতেই হাইকোর্ট পত্রিকাটির প্রকাশনা কেন বন্ধ করা হবে না তা জানতে চেয়ে রুল জারি করেছেন।

সংশ্লিষ্ট মহলের মত

গণমাধ্যম সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের মতে, আদালতের নির্দেশনার পর পত্রিকাটির মালিকানা, সম্পাদনা এবং প্রকাশনা সংক্রান্ত আইনি বৈধতা নিয়ে যে প্রশ্ন উঠেছে, তা দ্রুত নিষ্পত্তি হওয়া প্রয়োজন। অন্যথায় বিষয়টি গণমাধ্যমের স্বচ্ছতা ও আইনি কাঠামোর প্রতি আস্থা নষ্ট করতে পারে।

এদিকে হাইকোর্ট নির্দেশ দিয়েছেন, রুলের নোটিশ প্রচলিত নিয়ম অনুযায়ী কোর্টের মাধ্যমে এবং রেজিস্টার্ড ডাকযোগে বিবাদীদের কাছে পাঠাতে হবে। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে জবাব দাখিলের পর পরবর্তী শুনানির মাধ্যমে বিষয়টির নিষ্পত্তি হবে বলে জানা গেছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :
error: Content is protected !!

দৈনিক ‘প্রতিদিনের কাগজ’ প্রকাশনা নিয়ে আইনি জটিলতা: হাইকোর্টের রুল: মালিকানা ও সম্পাদনায় বিতর্ক

আপডেট সময় : ০৬:০২:৩৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ৭ মার্চ ২০২৬

নিজস্ব প্রতিবেদক:
দৈনিক ‘প্রতিদিনের কাগজ’ পত্রিকার প্রকাশনা ও সম্পাদনা সংক্রান্ত জটিলতা নিয়ে প্রশ্ন তুলে এর প্রকাশনা কেন বন্ধ করা হবে না তা জানতে চেয়ে রুল জারি করেছেন হাইকোর্ট। একই সঙ্গে পত্রিকাটির প্রকাশনা অব্যাহত রাখার ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের নিষ্ক্রিয়তা কেন আইনগত কর্তৃত্ববহির্ভূত ঘোষণা করা হবে না, সে বিষয়েও ব্যাখ্যা চেয়েছেন আদালত।

গত ১৯ জানুয়ারি ২০২৬ বিচারপতি আহমেদ সোহেল ও বিচারপতি ফাতেমা আনোয়ারের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ এ রুল জারি করেন। সম্প্রতি আদালতের এই আদেশের অনুলিপি প্রকাশ্যে আসার পর বিষয়টি গণমাধ্যম ও সাংবাদিক মহলে নতুন করে আলোচনার জন্ম দিয়েছে।

মালিকানা ও সম্পাদনা নিয়ে প্রশ্ন

অনুসন্ধানে জানা যায়, ‘প্রতিদিনের কাগজ’ পত্রিকার সরকারি ডিক্লেয়ারেশনে সম্পাদক ও প্রকাশক হিসেবে মাহমুদুল হাসান রতনের নাম নিবন্ধিত রয়েছে। তবে দীর্ঘদিন ধরে পত্রিকার প্রিন্টার্স লাইনে সম্পাদক ও প্রকাশক হিসেবে ইয়াসমিন শীলা এবং ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক হিসেবে খায়রুল আলম রফিকের নাম প্রকাশ করা হচ্ছে।

আইন বিশেষজ্ঞদের মতে, ডিক্লেয়ারেশনে নিবন্ধিত ব্যক্তির পরিবর্তে অন্য কারও নাম সম্পাদক বা প্রকাশক হিসেবে প্রকাশ করা ছাপাখানা ও প্রকাশনা (ঘোষণা ও নিবন্ধীকরণ) আইন, ১৯৭৩-এর সুস্পষ্ট লঙ্ঘন। তাদের মতে, এ ধরনের কর্মকাণ্ড প্রশাসনিক অনিয়মের পাশাপাশি আইনি দৃষ্টিকোণ থেকেও প্রতারণার শামিল।

পত্রিকাটিকে ঘিরে বিতর্ক

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, দীর্ঘদিন ধরে পত্রিকাটির মালিকানা ও সম্পাদনা নিয়ে অস্বচ্ছতা রয়েছে। এ নিয়ে গণমাধ্যম মহলে নানা প্রশ্ন উঠেছে—আসলে ‘প্রতিদিনের কাগজ’ কার নিয়ন্ত্রণে পরিচালিত হচ্ছে।

একাধিক সূত্রের দাবি, পত্রিকাটির সঙ্গে সংশ্লিষ্ট খায়রুল আলম রফিক অতীতে বিভিন্ন রাজনৈতিক মহলের ঘনিষ্ঠতা কাজে লাগানোর চেষ্টা করেছেন। এমনকি এক সময় নিষিদ্ধ ঘোষিত আওয়ামী লীগের ত্রিশাল এলাকার সাবেক সংসদ সদস্য এবি এম আনিসুজ্জামানকে পত্রিকাটির উপদেষ্টা সম্পাদক পদে নিয়োগ দেওয়ার অভিযোগও রয়েছে।

সূত্রগুলো আরও জানায়, পত্রিকাটি মূলত একটি আঞ্চলিক প্রকাশনা হলেও ঢাকা থেকে জাতীয় দৈনিক হিসেবে পরিচয় দিয়ে বিভিন্ন স্থানে কার্যক্রম পরিচালনার অভিযোগ রয়েছে।

রিটের প্রেক্ষাপট

দৈনিক ‘প্রতিদিনের কাগজ’-এর সাবেক সহ-সম্পাদক ও দৈনিক প্রলয় পত্রিকার নির্বাহী সম্পাদক মো. শহীদুল ইসলাম দায়ের করা একটি রিট পিটিশনের (নং-১৮২৫১/২০২৫) প্রেক্ষিতে হাইকোর্ট এই রুল জারি করেন।

রিটে তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের সচিব, চলচ্চিত্র ও প্রকাশনা অধিদপ্তরের (ডিএফপি) মহাপরিচালক, ময়মনসিংহের জেলা প্রশাসক, জেলা ম্যাজিস্ট্রেট এবং পত্রিকাটির ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক খায়রুল আলম রফিককে বিবাদী করা হয়েছে।

আদালত বিবাদীদের চার সপ্তাহের মধ্যে রুলের জবাব দিতে নির্দেশ দিয়েছেন।

আদালতে শুনানি

আদালতে রিট আবেদনকারীর পক্ষে শুনানি করেন অ্যাডভোকেট সাকিব মাবুদ। রাষ্ট্রপক্ষে উপস্থিত ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল খান জিয়াউর রহমান ও মোহাম্মদ আব্দুল করিমসহ রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবীরা।

আবেদনকারীর অভিযোগ

রিট আবেদনকারী শহীদুল ইসলাম দাবি করেন, ‘প্রতিদিনের কাগজ’ পত্রিকার ডেকোরেশন ও আনুষঙ্গিক ব্যয়ের জন্য ২০২২ সালে তিনি এবং তার প্রতিষ্ঠানের প্রধান সম্পাদক লায়ন মির্জা সোবেদ আলী খায়রুল আলম রফিককে উল্লেখযোগ্য পরিমাণ অর্থ প্রদান করেন। এর পর তাকে সহ-সম্পাদক এবং মির্জা সোবেদ আলীকে ব্যবস্থাপনা সম্পাদক হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়।

পরে তারা জানতে পারেন, পত্রিকাটি মূলত ময়মনসিংহ থেকে প্রকাশিত একটি আঞ্চলিক পত্রিকা এবং খায়রুল আলম রফিক এর প্রকৃত মালিক নন। বিষয়টি জানার পর অর্থ ফেরত চাইলে তা না দিয়ে উল্টো তাদের বিরুদ্ধে একাধিক মামলা দায়ের এবং সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে অপপ্রচার চালানো হয় বলে অভিযোগ করেন তিনি।

শহীদুল ইসলামের ভাষ্য, প্রতারণার বিষয়টি নিশ্চিত হওয়ার পর তিনি আদালতের আশ্রয় নেন এবং তার দায়ের করা রিটের প্রেক্ষিতেই হাইকোর্ট পত্রিকাটির প্রকাশনা কেন বন্ধ করা হবে না তা জানতে চেয়ে রুল জারি করেছেন।

সংশ্লিষ্ট মহলের মত

গণমাধ্যম সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের মতে, আদালতের নির্দেশনার পর পত্রিকাটির মালিকানা, সম্পাদনা এবং প্রকাশনা সংক্রান্ত আইনি বৈধতা নিয়ে যে প্রশ্ন উঠেছে, তা দ্রুত নিষ্পত্তি হওয়া প্রয়োজন। অন্যথায় বিষয়টি গণমাধ্যমের স্বচ্ছতা ও আইনি কাঠামোর প্রতি আস্থা নষ্ট করতে পারে।

এদিকে হাইকোর্ট নির্দেশ দিয়েছেন, রুলের নোটিশ প্রচলিত নিয়ম অনুযায়ী কোর্টের মাধ্যমে এবং রেজিস্টার্ড ডাকযোগে বিবাদীদের কাছে পাঠাতে হবে। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে জবাব দাখিলের পর পরবর্তী শুনানির মাধ্যমে বিষয়টির নিষ্পত্তি হবে বলে জানা গেছে।