ঢাকা ০৪:২৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ১৩ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
Logo জাপানে নিটসু লজিস্টিকস হাব পরিদর্শন করলেন প্রধানমন্ত্রী Logo দেশে বিশ্বমানের চিকিৎসাসেবা নিশ্চিতের জোরালো আহ্বান রাষ্ট্রপতির Logo রোহিঙ্গা সংকটের স্থায়ী সমাধান মিয়ানমারেই নিহিত: প্রধানমন্ত্রী Logo জ্বালানি ও বিনিয়োগ সহযোগিতায় গুরুত্বারোপ প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের Logo মাথাপিছু জিডিপিতে এ বছর ভারতকে ছাড়িয়ে যাবে বাংলাদেশ: আইএমএফ Logo মোটরসাইকেলের চেইন পরিষ্কার ও লুব করার সঠিক নিয়ম Logo নতুন কুঁড়ি স্পোর্টসের প্রথম পর্বের ৪০ খেলোয়াড় বিকেএসপিতে দীর্ঘমেয়াদি প্রশিক্ষণে ভর্তির সুযোগ Logo তেহরানে বৈঠকে বসছে মক্কা প্যাক্ট ও ইরান Logo নিত্যপণ্যের আমদানি বেড়েছে, রমজানে সরবরাহ স্বাভাবিক থাকার আশা Logo লগি-বৈঠার আঘাতে নিহতদের স্মরণ করলেন বিরোধীদলীয় নেতা

ভোলার সাবেক এসপি শরীফের বিরুদ্ধে কল্যাণ ফান্ডের দেড় কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগ

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ১১:০৬:২৭ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৯ এপ্রিল ২০২৬ ২৮৯ বার পড়া হয়েছে

নিজস্ব প্রতিবেদক: ভোলার সাবেক পুলিশ সুপার (এসপি) শরীফুল হকের বিরুদ্ধে পুলিশের কল্যাণ ফান্ডের সরকারি অর্থ আত্মসাতের গুরুতর অভিযোগ উঠেছে। এ বিষয়ে দুর্নীতি দমন কমিশনে (দুদক) একটি লিখিত অভিযোগ দাখিল করা হয়েছে, যেখানে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক ভোলার এক পুলিশ কর্মকর্তা অভিযোগকারী হিসেবে রয়েছেন।

অভিযোগের সঙ্গে ৩২ পৃষ্ঠার প্রমাণপত্র জমা দেওয়া হয়েছে বলে জানা গেছে। এতে উল্লেখ করা হয়, শরীফুল হক ভোলায় দায়িত্ব পালনকালে পুলিশের কল্যাণে বরাদ্দকৃত সরকারি অর্থ বিভিন্ন খাত থেকে আত্মসাৎ করেন।

অভিযোগে বলা হয়, ঠিকাদারের মাধ্যমে ভুয়া বিল-ভাউচার তৈরি করে প্রায় দেড় কোটি টাকা আত্মসাৎ করা হয়েছে। এই হিসাব ২০২৫-২০২৬ অর্থবছরের আংশিক তথ্যের ভিত্তিতে করা হয়েছে। আগের বছরের সম্পূর্ণ হিসাব এখনো নিরূপণ করা সম্ভব হয়নি বলেও অভিযোগে উল্লেখ করা হয়।

এছাড়া, পূর্ববর্তী এসপির ক্রয় করা প্রায় ৪ লাখ টাকার সিসিটিভি ক্যামেরা ও অন্যান্য যন্ত্রপাতি আত্মসাতের অভিযোগও রয়েছে শরীফুল হকের বিরুদ্ধে।

অভিযোগে আরও বলা হয়, ভোলায় দায়িত্ব পালনকালে অর্থের বিনিময়ে অযোগ্য কর্মকর্তাদের ভালো পদায়ন দেওয়া এবং বদলি বাণিজ্যে জড়িত থাকার অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে।

পাশাপাশি জেলা পুলিশের রেশন স্টোর থেকে প্রতি মাসে প্রায় ১ লাখ টাকা এবং পুলিশ লাইন মেস থেকে ৫০ হাজার টাকা করে মাসোহারা নেওয়ার অভিযোগও আনা হয়েছে।

অভিযোগকারী সংশ্লিষ্ট পুলিশ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে উত্থাপিত এসব অভিযোগ তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য দুর্নীতি দমন কমিশনের প্রতি অনুরোধ জানিয়েছেন।

এ বিষয়ে এখনো অভিযুক্ত শরীফুল হকের কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি। তবে অভিযোগগুলো তদন্তের পরই প্রকৃত সত্য উদঘাটিত হবে বলে সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :
error: Content is protected !!

ভোলার সাবেক এসপি শরীফের বিরুদ্ধে কল্যাণ ফান্ডের দেড় কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগ

আপডেট সময় : ১১:০৬:২৭ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৯ এপ্রিল ২০২৬

নিজস্ব প্রতিবেদক: ভোলার সাবেক পুলিশ সুপার (এসপি) শরীফুল হকের বিরুদ্ধে পুলিশের কল্যাণ ফান্ডের সরকারি অর্থ আত্মসাতের গুরুতর অভিযোগ উঠেছে। এ বিষয়ে দুর্নীতি দমন কমিশনে (দুদক) একটি লিখিত অভিযোগ দাখিল করা হয়েছে, যেখানে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক ভোলার এক পুলিশ কর্মকর্তা অভিযোগকারী হিসেবে রয়েছেন।

অভিযোগের সঙ্গে ৩২ পৃষ্ঠার প্রমাণপত্র জমা দেওয়া হয়েছে বলে জানা গেছে। এতে উল্লেখ করা হয়, শরীফুল হক ভোলায় দায়িত্ব পালনকালে পুলিশের কল্যাণে বরাদ্দকৃত সরকারি অর্থ বিভিন্ন খাত থেকে আত্মসাৎ করেন।

অভিযোগে বলা হয়, ঠিকাদারের মাধ্যমে ভুয়া বিল-ভাউচার তৈরি করে প্রায় দেড় কোটি টাকা আত্মসাৎ করা হয়েছে। এই হিসাব ২০২৫-২০২৬ অর্থবছরের আংশিক তথ্যের ভিত্তিতে করা হয়েছে। আগের বছরের সম্পূর্ণ হিসাব এখনো নিরূপণ করা সম্ভব হয়নি বলেও অভিযোগে উল্লেখ করা হয়।

এছাড়া, পূর্ববর্তী এসপির ক্রয় করা প্রায় ৪ লাখ টাকার সিসিটিভি ক্যামেরা ও অন্যান্য যন্ত্রপাতি আত্মসাতের অভিযোগও রয়েছে শরীফুল হকের বিরুদ্ধে।

অভিযোগে আরও বলা হয়, ভোলায় দায়িত্ব পালনকালে অর্থের বিনিময়ে অযোগ্য কর্মকর্তাদের ভালো পদায়ন দেওয়া এবং বদলি বাণিজ্যে জড়িত থাকার অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে।

পাশাপাশি জেলা পুলিশের রেশন স্টোর থেকে প্রতি মাসে প্রায় ১ লাখ টাকা এবং পুলিশ লাইন মেস থেকে ৫০ হাজার টাকা করে মাসোহারা নেওয়ার অভিযোগও আনা হয়েছে।

অভিযোগকারী সংশ্লিষ্ট পুলিশ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে উত্থাপিত এসব অভিযোগ তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য দুর্নীতি দমন কমিশনের প্রতি অনুরোধ জানিয়েছেন।

এ বিষয়ে এখনো অভিযুক্ত শরীফুল হকের কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি। তবে অভিযোগগুলো তদন্তের পরই প্রকৃত সত্য উদঘাটিত হবে বলে সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন।