ঢাকা ০২:৩০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ এপ্রিল ২০২৬, ৮ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
Logo বন বিভাগে পদোন্নতি জট ও কর্তাদের দুর্নীতির অভিযোগ: আদালতের হস্তক্ষেপে নতুন করে উত্তেজনা Logo “বেইলী রোডের অগ্নিদগ্ধ ৪৬ লাশ” কিছু প্রশ্ন ও উত্তর খোঁজার চেষ্টা Logo জেল থেকে ফিরেই প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে প্রকৌশলী জুয়েল রানা Logo থাইল্যান্ডের চিকিৎসা নির্ভরতা কমাতে বাংলাদেশে সেবা সম্প্রসারণে আগ্রহ ব্যাংককের বিএনএইচ হাসপাতালের Logo প্রধান প্রকৌশলীর বদলির আদেশ অমান্য, ঢাকাতেই বহাল ফ্যাসিস্টের দোসর উপসহকারী আব্দুল্লাহ-আল-মামুন Logo কক্সবাজারের রাজাঘাট রেঞ্জে বন ধ্বংসের মহোৎসব, অবৈধ করাতকলের দৌরাত্ম্যে উজাড়ের শঙ্কা Logo উত্তর সিটি কর্পোরেশনের মাস্টাররোল কর্মচারীর সম্পদের পাহাড় Logo ভোলার সাবেক এসপি শরীফের বিরুদ্ধে কল্যাণ ফান্ডের দেড় কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগ Logo বেইলি রোড ট্র্যাজেডি: ১৩ আসামির বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা Logo ১২ কেজির গ্যাস সিলিন্ডারে ১৮ দিনে বাড়লো ৬০০ টাকা

ভোলার সাবেক এসপি শরীফের বিরুদ্ধে কল্যাণ ফান্ডের দেড় কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগ

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ১১:০৬:২৭ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৯ এপ্রিল ২০২৬ ২৭ বার পড়া হয়েছে

নিজস্ব প্রতিবেদক: ভোলার সাবেক পুলিশ সুপার (এসপি) শরীফুল হকের বিরুদ্ধে পুলিশের কল্যাণ ফান্ডের সরকারি অর্থ আত্মসাতের গুরুতর অভিযোগ উঠেছে। এ বিষয়ে দুর্নীতি দমন কমিশনে (দুদক) একটি লিখিত অভিযোগ দাখিল করা হয়েছে, যেখানে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক ভোলার এক পুলিশ কর্মকর্তা অভিযোগকারী হিসেবে রয়েছেন।

অভিযোগের সঙ্গে ৩২ পৃষ্ঠার প্রমাণপত্র জমা দেওয়া হয়েছে বলে জানা গেছে। এতে উল্লেখ করা হয়, শরীফুল হক ভোলায় দায়িত্ব পালনকালে পুলিশের কল্যাণে বরাদ্দকৃত সরকারি অর্থ বিভিন্ন খাত থেকে আত্মসাৎ করেন।

অভিযোগে বলা হয়, ঠিকাদারের মাধ্যমে ভুয়া বিল-ভাউচার তৈরি করে প্রায় দেড় কোটি টাকা আত্মসাৎ করা হয়েছে। এই হিসাব ২০২৫-২০২৬ অর্থবছরের আংশিক তথ্যের ভিত্তিতে করা হয়েছে। আগের বছরের সম্পূর্ণ হিসাব এখনো নিরূপণ করা সম্ভব হয়নি বলেও অভিযোগে উল্লেখ করা হয়।

এছাড়া, পূর্ববর্তী এসপির ক্রয় করা প্রায় ৪ লাখ টাকার সিসিটিভি ক্যামেরা ও অন্যান্য যন্ত্রপাতি আত্মসাতের অভিযোগও রয়েছে শরীফুল হকের বিরুদ্ধে।

অভিযোগে আরও বলা হয়, ভোলায় দায়িত্ব পালনকালে অর্থের বিনিময়ে অযোগ্য কর্মকর্তাদের ভালো পদায়ন দেওয়া এবং বদলি বাণিজ্যে জড়িত থাকার অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে।

পাশাপাশি জেলা পুলিশের রেশন স্টোর থেকে প্রতি মাসে প্রায় ১ লাখ টাকা এবং পুলিশ লাইন মেস থেকে ৫০ হাজার টাকা করে মাসোহারা নেওয়ার অভিযোগও আনা হয়েছে।

অভিযোগকারী সংশ্লিষ্ট পুলিশ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে উত্থাপিত এসব অভিযোগ তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য দুর্নীতি দমন কমিশনের প্রতি অনুরোধ জানিয়েছেন।

এ বিষয়ে এখনো অভিযুক্ত শরীফুল হকের কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি। তবে অভিযোগগুলো তদন্তের পরই প্রকৃত সত্য উদঘাটিত হবে বলে সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :
error: Content is protected !!

ভোলার সাবেক এসপি শরীফের বিরুদ্ধে কল্যাণ ফান্ডের দেড় কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগ

আপডেট সময় : ১১:০৬:২৭ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৯ এপ্রিল ২০২৬

নিজস্ব প্রতিবেদক: ভোলার সাবেক পুলিশ সুপার (এসপি) শরীফুল হকের বিরুদ্ধে পুলিশের কল্যাণ ফান্ডের সরকারি অর্থ আত্মসাতের গুরুতর অভিযোগ উঠেছে। এ বিষয়ে দুর্নীতি দমন কমিশনে (দুদক) একটি লিখিত অভিযোগ দাখিল করা হয়েছে, যেখানে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক ভোলার এক পুলিশ কর্মকর্তা অভিযোগকারী হিসেবে রয়েছেন।

অভিযোগের সঙ্গে ৩২ পৃষ্ঠার প্রমাণপত্র জমা দেওয়া হয়েছে বলে জানা গেছে। এতে উল্লেখ করা হয়, শরীফুল হক ভোলায় দায়িত্ব পালনকালে পুলিশের কল্যাণে বরাদ্দকৃত সরকারি অর্থ বিভিন্ন খাত থেকে আত্মসাৎ করেন।

অভিযোগে বলা হয়, ঠিকাদারের মাধ্যমে ভুয়া বিল-ভাউচার তৈরি করে প্রায় দেড় কোটি টাকা আত্মসাৎ করা হয়েছে। এই হিসাব ২০২৫-২০২৬ অর্থবছরের আংশিক তথ্যের ভিত্তিতে করা হয়েছে। আগের বছরের সম্পূর্ণ হিসাব এখনো নিরূপণ করা সম্ভব হয়নি বলেও অভিযোগে উল্লেখ করা হয়।

এছাড়া, পূর্ববর্তী এসপির ক্রয় করা প্রায় ৪ লাখ টাকার সিসিটিভি ক্যামেরা ও অন্যান্য যন্ত্রপাতি আত্মসাতের অভিযোগও রয়েছে শরীফুল হকের বিরুদ্ধে।

অভিযোগে আরও বলা হয়, ভোলায় দায়িত্ব পালনকালে অর্থের বিনিময়ে অযোগ্য কর্মকর্তাদের ভালো পদায়ন দেওয়া এবং বদলি বাণিজ্যে জড়িত থাকার অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে।

পাশাপাশি জেলা পুলিশের রেশন স্টোর থেকে প্রতি মাসে প্রায় ১ লাখ টাকা এবং পুলিশ লাইন মেস থেকে ৫০ হাজার টাকা করে মাসোহারা নেওয়ার অভিযোগও আনা হয়েছে।

অভিযোগকারী সংশ্লিষ্ট পুলিশ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে উত্থাপিত এসব অভিযোগ তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য দুর্নীতি দমন কমিশনের প্রতি অনুরোধ জানিয়েছেন।

এ বিষয়ে এখনো অভিযুক্ত শরীফুল হকের কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি। তবে অভিযোগগুলো তদন্তের পরই প্রকৃত সত্য উদঘাটিত হবে বলে সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন।