ঢাকা ০২:৪৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ এপ্রিল ২০২৬, ৮ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
Logo বন বিভাগে পদোন্নতি জট ও কর্তাদের দুর্নীতির অভিযোগ: আদালতের হস্তক্ষেপে নতুন করে উত্তেজনা Logo “বেইলী রোডের অগ্নিদগ্ধ ৪৬ লাশ” কিছু প্রশ্ন ও উত্তর খোঁজার চেষ্টা Logo জেল থেকে ফিরেই প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে প্রকৌশলী জুয়েল রানা Logo থাইল্যান্ডের চিকিৎসা নির্ভরতা কমাতে বাংলাদেশে সেবা সম্প্রসারণে আগ্রহ ব্যাংককের বিএনএইচ হাসপাতালের Logo প্রধান প্রকৌশলীর বদলির আদেশ অমান্য, ঢাকাতেই বহাল ফ্যাসিস্টের দোসর উপসহকারী আব্দুল্লাহ-আল-মামুন Logo কক্সবাজারের রাজাঘাট রেঞ্জে বন ধ্বংসের মহোৎসব, অবৈধ করাতকলের দৌরাত্ম্যে উজাড়ের শঙ্কা Logo উত্তর সিটি কর্পোরেশনের মাস্টাররোল কর্মচারীর সম্পদের পাহাড় Logo ভোলার সাবেক এসপি শরীফের বিরুদ্ধে কল্যাণ ফান্ডের দেড় কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগ Logo বেইলি রোড ট্র্যাজেডি: ১৩ আসামির বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা Logo ১২ কেজির গ্যাস সিলিন্ডারে ১৮ দিনে বাড়লো ৬০০ টাকা

অবসরে গেলেও ফায়ার সার্ভিসের দুর্নীতির মাস্টারমাইন্ড লেফটেন্যান্ট কর্নেল জুলফিকার – পর্ব ১

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০১:৫১:৪৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ৪ মে ২০২৫ ১০৩৬ বার পড়া হয়েছে

ফায়ার সার্ভিস দুর্নীতির মাস্টারমাইন্ড লেফটেন্যান্ট কর্নেল অবসরপ্রাপ্ত জুলফিকার 

বিশেষ প্রতিবেদক: সম্প্রতি ফায়ার সার্ভিসে দরপত্র নিয়ে একটি অনৈতিক রাফা দফার অভিযোগ উঠেছে। বিগত ফ্যাসিষ্ট আওয়ামী লীগের দোসর এবং দুর্নীতিবাজ লেফটেন্যান্ট কর্নেল জুলফিকার। ফায়ারস্যুট ক্রয়ে সর্বনিম্ন দরদাতা capital limited কে প্রদান না করে অন্য একটি কোম্পানিকে সুপারিশ করে মন্ত্রণালয়ে প্রেরণ করে, যার নেপথ্যা লেফটেন্যান্ট কর্নেল অবসরপ্রাপ্ত জুলফিকার। দরপত্রের এই বিষয়ে মোটা অংকের যে লেনদেন হয় তা মিরপুর ডিওএইচএস এলাকায় দফারফা হয়েছে বলে সূত্র জানায়।

কে এই জুলফিকার??
৬ বছরের অধিক কাল ফায়ার সার্ভিস এর পরিচালক (উন্নয়ন ও প্রশিক্ষণ)পদে দায়িত্ব পালন করেন.. দায়িত্বে থাকাকালীন নিজের স্ত্রীর নামে ১০০ কোটি টাকার উন্নয়ন বাজেটের কাজ করান।ফলে তার এই দুর্নীতির জন্য বিভিন্ন পত্রপত্রিকায় প্রচুর লেখালেখি হলে সরকার তাকে অবসর প্রদান করেন, পরবর্তীতে ব্রিগেডিয়ার জেনারেল সাজ্জাদ এর সহযোগিতায় যুগ্ম সচিব আতাউল হক কে অপসারণ করে ফায়ার সার্ভিস ট্রাস্ট এর এমডি পদে অভিষিক্ত করান। এই পদে থাকাকালীন সময়ে ফায়ার এলার্ম এর জন্য ডিভাইস (অন্য কোম্পানির আইডিয়া) চুরি করে নিজ স্ত্রীর কোম্পানির নামে তৈরি করে মার্কেটজাত করেন. যা পরবর্তীতে কোটি কোটি টাকার বিনিময়ে অন্য কোম্পানির কাছে বিক্রি করে দেন। এছাড়া বিভিন্ন দুর্নীতির অভিযোগ উঠলে তার চাকরির মেয়াদ আর বর্ধিত হয় নাই। কিন্তু নতুন মহাপরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল জাহেদ কামাল যোগদান করলে পূর্ব পরিচয়ের সূত্র ধরে পুনরায় ফায়ার সার্ভিসের সক্রিয় হন এবং ডিজি জাহেদ কামালের কেশিয়ার হিসাবে বর্তমানে সকল প্রকার টেন্ডার, ক্রয়, বিক্রয় এবং ফায়ার পল্লীর একচেটিয়া আধিপত্য বিস্তার করে সর্বকালের রেকর্ড ভঙ্গ করেছেন। কেউ কেউ মহাপরিচালকের অবস্থিত ক্যাশিয়ার বলে থাকেন অবসরপ্রাপ্ত কর্নেল জুলফিকারকে।

ফায়ার পল্লী কি??
ফায়ার পল্লী, সেনাবাহিনীর জল সিড়ির মত একটি আবাসন প্রকল্প ব্যবস্থা। এটা একটি নিমজ্জিত কোম্পানি, এই কোম্পানির মালিক ফায়ার সার্ভিস, এখানে ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা লাভবান হওয়ার কথা কিন্তু ব্রিগেডিয়ার জেনারেল জায়েদ কামাল যোগদানের পর কোন নিয়ম কানুন না মেনেই এবং কোন প্রকার পরিচালনা পর্ষদে আলোচনা না করে চুপিসারে নিজ উদ্যোগ শুধুমাত্র টাকার জন্য দুর্নীতিবাজ ঘুষখোর লেফটেন্যান্ট কর্নেল অবসরপ্রাপ্ত জুলফিকার কে নিয়োগ দেন এবং ইতিমধ্যে বেনামে অনেক জমি রেজিস্ট্রি করে নিয়েছেন। ভুক্তভুগী এক কর্মকর্তা সাংবাদিকদের জানান, বিচার চাই এ জুলফিকারের। তদন্ত দাবি করছি এবং এই নির্লজ্জ দুর্নীতিবাজ জুলফিকার কে ফায়ার সার্ভিস থেকে বিতাড়িত করার জন্য অনুরোধ জানাচ্ছি।

নাম প্রকাশ না করার শর্তে অন্য আরেকজন কর্মকর্তা জানান, ফায়ার সার্ভিস থেকে কোটি কোটি টাকা আত্মসাৎ করেও এখনো সাধ মেটেনি ঘুরেফিরে আবার সেই ফায়ার সার্ভিস। জুলফিকারের একজন নির্লজ্জ বেহায়া অফিসার। ফায়ার সার্ভিসের সাথে তার সকল সম্পৃক্ততা থেকে অপসারণ করার পাশাপশি বিচার দাবি করছি।

ডিজির অঘোষিত ক্যাশিয়ার জুলফিকারের ইশারায় ফায়ার সার্ভিসে দুর্নীতির এক্সক্লুসিভ তথ্যসহ থাকছে আগামী প্রতিবেদনে….

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :
error: Content is protected !!

অবসরে গেলেও ফায়ার সার্ভিসের দুর্নীতির মাস্টারমাইন্ড লেফটেন্যান্ট কর্নেল জুলফিকার – পর্ব ১

আপডেট সময় : ০১:৫১:৪৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ৪ মে ২০২৫

ফায়ার সার্ভিস দুর্নীতির মাস্টারমাইন্ড লেফটেন্যান্ট কর্নেল অবসরপ্রাপ্ত জুলফিকার 

বিশেষ প্রতিবেদক: সম্প্রতি ফায়ার সার্ভিসে দরপত্র নিয়ে একটি অনৈতিক রাফা দফার অভিযোগ উঠেছে। বিগত ফ্যাসিষ্ট আওয়ামী লীগের দোসর এবং দুর্নীতিবাজ লেফটেন্যান্ট কর্নেল জুলফিকার। ফায়ারস্যুট ক্রয়ে সর্বনিম্ন দরদাতা capital limited কে প্রদান না করে অন্য একটি কোম্পানিকে সুপারিশ করে মন্ত্রণালয়ে প্রেরণ করে, যার নেপথ্যা লেফটেন্যান্ট কর্নেল অবসরপ্রাপ্ত জুলফিকার। দরপত্রের এই বিষয়ে মোটা অংকের যে লেনদেন হয় তা মিরপুর ডিওএইচএস এলাকায় দফারফা হয়েছে বলে সূত্র জানায়।

কে এই জুলফিকার??
৬ বছরের অধিক কাল ফায়ার সার্ভিস এর পরিচালক (উন্নয়ন ও প্রশিক্ষণ)পদে দায়িত্ব পালন করেন.. দায়িত্বে থাকাকালীন নিজের স্ত্রীর নামে ১০০ কোটি টাকার উন্নয়ন বাজেটের কাজ করান।ফলে তার এই দুর্নীতির জন্য বিভিন্ন পত্রপত্রিকায় প্রচুর লেখালেখি হলে সরকার তাকে অবসর প্রদান করেন, পরবর্তীতে ব্রিগেডিয়ার জেনারেল সাজ্জাদ এর সহযোগিতায় যুগ্ম সচিব আতাউল হক কে অপসারণ করে ফায়ার সার্ভিস ট্রাস্ট এর এমডি পদে অভিষিক্ত করান। এই পদে থাকাকালীন সময়ে ফায়ার এলার্ম এর জন্য ডিভাইস (অন্য কোম্পানির আইডিয়া) চুরি করে নিজ স্ত্রীর কোম্পানির নামে তৈরি করে মার্কেটজাত করেন. যা পরবর্তীতে কোটি কোটি টাকার বিনিময়ে অন্য কোম্পানির কাছে বিক্রি করে দেন। এছাড়া বিভিন্ন দুর্নীতির অভিযোগ উঠলে তার চাকরির মেয়াদ আর বর্ধিত হয় নাই। কিন্তু নতুন মহাপরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল জাহেদ কামাল যোগদান করলে পূর্ব পরিচয়ের সূত্র ধরে পুনরায় ফায়ার সার্ভিসের সক্রিয় হন এবং ডিজি জাহেদ কামালের কেশিয়ার হিসাবে বর্তমানে সকল প্রকার টেন্ডার, ক্রয়, বিক্রয় এবং ফায়ার পল্লীর একচেটিয়া আধিপত্য বিস্তার করে সর্বকালের রেকর্ড ভঙ্গ করেছেন। কেউ কেউ মহাপরিচালকের অবস্থিত ক্যাশিয়ার বলে থাকেন অবসরপ্রাপ্ত কর্নেল জুলফিকারকে।

ফায়ার পল্লী কি??
ফায়ার পল্লী, সেনাবাহিনীর জল সিড়ির মত একটি আবাসন প্রকল্প ব্যবস্থা। এটা একটি নিমজ্জিত কোম্পানি, এই কোম্পানির মালিক ফায়ার সার্ভিস, এখানে ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা লাভবান হওয়ার কথা কিন্তু ব্রিগেডিয়ার জেনারেল জায়েদ কামাল যোগদানের পর কোন নিয়ম কানুন না মেনেই এবং কোন প্রকার পরিচালনা পর্ষদে আলোচনা না করে চুপিসারে নিজ উদ্যোগ শুধুমাত্র টাকার জন্য দুর্নীতিবাজ ঘুষখোর লেফটেন্যান্ট কর্নেল অবসরপ্রাপ্ত জুলফিকার কে নিয়োগ দেন এবং ইতিমধ্যে বেনামে অনেক জমি রেজিস্ট্রি করে নিয়েছেন। ভুক্তভুগী এক কর্মকর্তা সাংবাদিকদের জানান, বিচার চাই এ জুলফিকারের। তদন্ত দাবি করছি এবং এই নির্লজ্জ দুর্নীতিবাজ জুলফিকার কে ফায়ার সার্ভিস থেকে বিতাড়িত করার জন্য অনুরোধ জানাচ্ছি।

নাম প্রকাশ না করার শর্তে অন্য আরেকজন কর্মকর্তা জানান, ফায়ার সার্ভিস থেকে কোটি কোটি টাকা আত্মসাৎ করেও এখনো সাধ মেটেনি ঘুরেফিরে আবার সেই ফায়ার সার্ভিস। জুলফিকারের একজন নির্লজ্জ বেহায়া অফিসার। ফায়ার সার্ভিসের সাথে তার সকল সম্পৃক্ততা থেকে অপসারণ করার পাশাপশি বিচার দাবি করছি।

ডিজির অঘোষিত ক্যাশিয়ার জুলফিকারের ইশারায় ফায়ার সার্ভিসে দুর্নীতির এক্সক্লুসিভ তথ্যসহ থাকছে আগামী প্রতিবেদনে….