ঢাকা ০৬:৪৪ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ০৯ অক্টোবর ২০২৬, ২৪ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
Logo কুকুর উদ্ধারে ফায়ার সার্ভিসের গাড়ি পাঠাতে জ্বালানি খরচের দাবি, ৩ ঘণ্টা পর জীবিত উদ্ধার Logo সরকারি কর্মচারীদের ‘গোলামি’ ও অঢেল সম্পদের পাহাড়: বেরিয়ে আসছে সদ্য বিদায়ী ডিজি জায়েদ কামালের থলের বিড়াল  Logo ফায়ার সার্ভিসের বদলি নীতিমালায় বড় পরিবর্তন: কর্মীরা পাবেন নিজ জেলায় কাজের সুযোগ Logo তৈরি পোশাকশ্রমিকদের জন্য মজুরি বোর্ড গঠনের নীতিগত সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার Logo সিডিবিএল চালু করবে মোবাইল অ্যাপ Logo দেশবিরোধী চক্রান্তের কাছে জাতীয়তাবাদী শক্তি আত্মসমর্পণ করবে না : রিজভী Logo গঙ্গা চুক্তি নবায়ন নয়, নতুন চুক্তি চায় এনসিপি: নাহিদ ইসলাম Logo ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সব নাগরিকের কল্যাণে কাজ করছে সরকার: প্রধানমন্ত্রী Logo ফের মা হতে চলেছেন কিয়ারা Logo মানবতাবিরোধী অপরাধ : হানিফসহ ৪ আ. লীগ নেতার রায় যেকোনো দিন

বদলি-বাণিজ্য ঘুষ বাণিজ্যে বেপরোয়া সাব-রেজিস্ট্রার মাইকেল মহিউদ্দিন সিন্ডিকেট

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৪:০৩:০৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৫ এপ্রিল ২০২৬ ২৭৮ বার পড়া হয়েছে

নিজস্ব প্রতিবেদক: সাব-রেজিস্ট্রার মাইকেল মহিউদ্দিন আবদুল্লাহর বিরুদ্ধে ঘুষ, বদলি বাণিজ্য ও প্রভাব খাটিয়ে প্রশাসনিক কার্যক্রম নিয়ন্ত্রণের অভিযোগ উঠেছে। একাধিক সূত্রের দাবি, বিভিন্ন সময়ে গুরুত্বপূর্ণ পদায়ন ও বদলির ক্ষেত্রে ১০ থেকে ১২ লাখ টাকা পর্যন্ত ঘুষ আদায় করা হয়েছে। যদিও এসব অভিযোগের বিষয়ে তার আনুষ্ঠানিক কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

সূত্রগুলো বলছে, বিগত সরকারের সময় তিনি দেশের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ স্থানে—সাভার, রূপগঞ্জ, টঙ্গী ও মুন্সিগঞ্জসহ একাধিক জায়গায় দায়িত্ব পালন করেন। অভিযোগ রয়েছে, এসব লোভনীয় পদায়ন পেতে বিপুল অঙ্কের অর্থ লেনদেন হয়েছে, যা কয়েক কোটি টাকায় পৌঁছাতে পারে। তবে এ বিষয়ে নির্দিষ্ট কোনো প্রমাণ প্রকাশ্যে আসেনি।

অভিযোগ অনুযায়ী, পরবর্তীতে তিনি খিলগাঁও সাব-রেজিস্ট্রার হিসেবে দায়িত্ব পান এবং সেখানে বদলি সংক্রান্ত একটি প্রভাবশালী সিন্ডিকেট গড়ে তোলেন। অভিযোগ রয়েছে, বদলি ও পদায়নের ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্টদের কাছ থেকে কয়েক কোটি টাকা পর্যন্ত নেওয়া হয়েছে। এসব অর্থ লেনদেনের বিষয়ে প্রশাসনিক মহলেও প্রশ্ন উঠেছে বলে জানা গেছে।

সূত্র আরও দাবি করে, বদলি প্রক্রিয়ায় প্রভাব খাটিয়ে একটি কমিটি গঠন করা হয় এবং সেই কমিটির মাধ্যমে বিভিন্ন পদায়ন নিয়ন্ত্রণ করা হতো। তবে এসব অভিযোগের কোনো স্বাধীন যাচাই বা নিশ্চিত তথ্য পাওয়া যায়নি।

একইসঙ্গে তার বিরুদ্ধে বিভিন্ন সময়ে রাজনৈতিক প্রভাব পরিবর্তনের মাধ্যমে সুবিধা নেওয়ার অভিযোগও উঠেছে। তবে এসব বিষয় ব্যক্তিগত ও রাজনৈতিক অবস্থান নিয়ে মন্তব্যের পর্যায়ে রয়েছে এবং এর সত্যতা নিরপেক্ষ তদন্ত ছাড়া নিশ্চিত করা সম্ভব নয়।

এছাড়া প্রশাসনিক দায়িত্ব পালনের সময় স্থানীয় কিছু কর্মকর্তার সঙ্গে দ্বন্দ্ব ও প্রভাব বিস্তারের অভিযোগও বিভিন্ন মহলে আলোচিত হয়েছে। তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কোনো আনুষ্ঠানিক বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

অন্যদিকে, তার বিরুদ্ধে দীর্ঘদিন ধরে অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ থাকলেও কার্যকর কোনো ব্যবস্থা না নেওয়া নিয়ে প্রশাসনের ভেতরে-বাইরে প্রশ্ন রয়েছে বলে জানা গেছে।

সব মিলিয়ে সাব-রেজিস্ট্রার মাইকেল মহিউদ্দিন আবদুল্লাহকে ঘিরে ওঠা এসব অভিযোগ বর্তমানে আলোচনার কেন্দ্রে রয়েছে। তবে সংশ্লিষ্ট সকল অভিযোগ এখনো যাচাই-বাছাই ও তদন্তসাপেক্ষ বিষয় হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :
error: Content is protected !!

বদলি-বাণিজ্য ঘুষ বাণিজ্যে বেপরোয়া সাব-রেজিস্ট্রার মাইকেল মহিউদ্দিন সিন্ডিকেট

আপডেট সময় : ০৪:০৩:০৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৫ এপ্রিল ২০২৬

নিজস্ব প্রতিবেদক: সাব-রেজিস্ট্রার মাইকেল মহিউদ্দিন আবদুল্লাহর বিরুদ্ধে ঘুষ, বদলি বাণিজ্য ও প্রভাব খাটিয়ে প্রশাসনিক কার্যক্রম নিয়ন্ত্রণের অভিযোগ উঠেছে। একাধিক সূত্রের দাবি, বিভিন্ন সময়ে গুরুত্বপূর্ণ পদায়ন ও বদলির ক্ষেত্রে ১০ থেকে ১২ লাখ টাকা পর্যন্ত ঘুষ আদায় করা হয়েছে। যদিও এসব অভিযোগের বিষয়ে তার আনুষ্ঠানিক কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

সূত্রগুলো বলছে, বিগত সরকারের সময় তিনি দেশের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ স্থানে—সাভার, রূপগঞ্জ, টঙ্গী ও মুন্সিগঞ্জসহ একাধিক জায়গায় দায়িত্ব পালন করেন। অভিযোগ রয়েছে, এসব লোভনীয় পদায়ন পেতে বিপুল অঙ্কের অর্থ লেনদেন হয়েছে, যা কয়েক কোটি টাকায় পৌঁছাতে পারে। তবে এ বিষয়ে নির্দিষ্ট কোনো প্রমাণ প্রকাশ্যে আসেনি।

অভিযোগ অনুযায়ী, পরবর্তীতে তিনি খিলগাঁও সাব-রেজিস্ট্রার হিসেবে দায়িত্ব পান এবং সেখানে বদলি সংক্রান্ত একটি প্রভাবশালী সিন্ডিকেট গড়ে তোলেন। অভিযোগ রয়েছে, বদলি ও পদায়নের ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্টদের কাছ থেকে কয়েক কোটি টাকা পর্যন্ত নেওয়া হয়েছে। এসব অর্থ লেনদেনের বিষয়ে প্রশাসনিক মহলেও প্রশ্ন উঠেছে বলে জানা গেছে।

সূত্র আরও দাবি করে, বদলি প্রক্রিয়ায় প্রভাব খাটিয়ে একটি কমিটি গঠন করা হয় এবং সেই কমিটির মাধ্যমে বিভিন্ন পদায়ন নিয়ন্ত্রণ করা হতো। তবে এসব অভিযোগের কোনো স্বাধীন যাচাই বা নিশ্চিত তথ্য পাওয়া যায়নি।

একইসঙ্গে তার বিরুদ্ধে বিভিন্ন সময়ে রাজনৈতিক প্রভাব পরিবর্তনের মাধ্যমে সুবিধা নেওয়ার অভিযোগও উঠেছে। তবে এসব বিষয় ব্যক্তিগত ও রাজনৈতিক অবস্থান নিয়ে মন্তব্যের পর্যায়ে রয়েছে এবং এর সত্যতা নিরপেক্ষ তদন্ত ছাড়া নিশ্চিত করা সম্ভব নয়।

এছাড়া প্রশাসনিক দায়িত্ব পালনের সময় স্থানীয় কিছু কর্মকর্তার সঙ্গে দ্বন্দ্ব ও প্রভাব বিস্তারের অভিযোগও বিভিন্ন মহলে আলোচিত হয়েছে। তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কোনো আনুষ্ঠানিক বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

অন্যদিকে, তার বিরুদ্ধে দীর্ঘদিন ধরে অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ থাকলেও কার্যকর কোনো ব্যবস্থা না নেওয়া নিয়ে প্রশাসনের ভেতরে-বাইরে প্রশ্ন রয়েছে বলে জানা গেছে।

সব মিলিয়ে সাব-রেজিস্ট্রার মাইকেল মহিউদ্দিন আবদুল্লাহকে ঘিরে ওঠা এসব অভিযোগ বর্তমানে আলোচনার কেন্দ্রে রয়েছে। তবে সংশ্লিষ্ট সকল অভিযোগ এখনো যাচাই-বাছাই ও তদন্তসাপেক্ষ বিষয় হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।