ঢাকা ০৩:০৫ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ০৯ অক্টোবর ২০২৬, ২৪ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
Logo কুকুর উদ্ধারে ফায়ার সার্ভিসের গাড়ি পাঠাতে জ্বালানি খরচের দাবি, ৩ ঘণ্টা পর জীবিত উদ্ধার Logo সরকারি কর্মচারীদের ‘গোলামি’ ও অঢেল সম্পদের পাহাড়: বেরিয়ে আসছে সদ্য বিদায়ী ডিজি জায়েদ কামালের থলের বিড়াল  Logo ফায়ার সার্ভিসের বদলি নীতিমালায় বড় পরিবর্তন: কর্মীরা পাবেন নিজ জেলায় কাজের সুযোগ Logo তৈরি পোশাকশ্রমিকদের জন্য মজুরি বোর্ড গঠনের নীতিগত সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার Logo সিডিবিএল চালু করবে মোবাইল অ্যাপ Logo দেশবিরোধী চক্রান্তের কাছে জাতীয়তাবাদী শক্তি আত্মসমর্পণ করবে না : রিজভী Logo গঙ্গা চুক্তি নবায়ন নয়, নতুন চুক্তি চায় এনসিপি: নাহিদ ইসলাম Logo ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সব নাগরিকের কল্যাণে কাজ করছে সরকার: প্রধানমন্ত্রী Logo ফের মা হতে চলেছেন কিয়ারা Logo মানবতাবিরোধী অপরাধ : হানিফসহ ৪ আ. লীগ নেতার রায় যেকোনো দিন

প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ ও প্রতিবেদকের বক্তব্য

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৩:৩২:৫৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৫ এপ্রিল ২০২৬ ২৫৩ বার পড়া হয়েছে

সকালের সংবাদ:
গত ১৩ মার্চ ২০২৬ ইং তারিখে “ঘোষণার অমিল বন্ড তদারকিতে পুকুর চুরি: জেসি কামরুলের সহায়তায় কয়েকশ কোটি টাকা রাজস্ব আত্মসাৎ শিরোনামে প্রকাশিত একটি দুর্নীতির সংবাদের প্রতিবাদ জানিয়েছেন কাস্টমস বন্ড কমিশনারেট, ঢাকা (দক্ষিণ)-এর কর্মকর্তা জেসি কামরুল ইসলাম। তিনি দাবি করেন, সংবাদে তার নাম উল্লেখ করে যে তথ্য প্রকাশ করা হয়েছে, তা সম্পূর্ণ বিভ্রান্তিকর ও বাস্তবতার পরিপন্থী।

তার ব্যাখ্যায় তিনি বলেন, সরকারি চাকরিতে প্রত্যেক কর্মকর্তার নির্দিষ্ট অধিক্ষেত্র থাকে এবং একজন কর্মকর্তা অন্য অধিক্ষেত্রের প্রতিষ্ঠানের কার্যক্রম তদারকি করার এখতিয়ার রাখেন না। আলোচিত “Rafayet Fabrics Ltd” তার অধিক্ষেত্রভুক্ত কোনো প্রতিষ্ঠান নয় এবং এর কার্যক্রম সম্পর্কে তার কোনো প্রত্যক্ষ সংশ্লিষ্টতা নেই। তিনি আরও উল্লেখ করেন, প্রতিষ্ঠানটি কাস্টমস বন্ড কমিশনারেটের অন্য একটি সার্কেলের আওতাধীন।

তিনি জানান, তার জানা মতে উক্ত প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে অনিয়মের অভিযোগে ইতোমধ্যে প্রায় ৯৭ কোটি ৩৩ লাখ টাকার মামলা দায়ের করা হয়েছে এবং সরকারি দাবি পরিশোধের জন্য কারণ দর্শানোর নোটিশ জারি করা হয়েছে। পাশাপাশি প্রতিষ্ঠানটির আমদানি-রপ্তানি কার্যক্রমও স্থগিত রয়েছে।

কামরুল ইসলাম আরও বলেন, যেহেতু প্রতিষ্ঠানটি তার দায়িত্বাধীন নয়, তাই এ বিষয়ে বিস্তারিত জানতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ করা উচিত। ভবিষ্যতে যথাযথ যাচাই ছাড়া তার নাম উল্লেখ করে সংবাদ প্রকাশ না করার অনুরোধ জানান তিনি এবং এ ধরনের তথ্য তার পেশাগত সুনাম ক্ষুণ্ন করতে পারে বলে উল্লেখ করেন।

সংবাদের বিষয়ে প্রতিবেদকের বক্তব্য:
প্রকাশিত সংবাদের বিষয়ে অভিযুক্ত পক্ষের বক্তব্য গুরুত্বসহকারে গ্রহণ করা হয়েছে। একইসঙ্গে সংশ্লিষ্ট বিষয়টি নিয়ে মাঠপর্যায়ে খোঁজখবর, নথিপত্র ও প্রাপ্ত তথ্য-উপাত্ত পর্যালোচনা করে প্রতিবেদকের পক্ষ থেকে নিম্নোক্ত পর্যবেক্ষণ উপস্থাপন করা হলো।

পর্যালোচনায় দেখা যায়, বন্ড সুবিধা ব্যবহারের ক্ষেত্রে Rafayet Fabrics Ltd ও সংশ্লিষ্ট কিছু প্রতিষ্ঠানের আমদানি–রপ্তানি কার্যক্রমে ঘোষণার অমিল, ইনপুট–আউটপুট হিসাবের অসামঞ্জস্য এবং ট্রান্সফার প্রাইসিং সংক্রান্ত ঝুঁকির ইঙ্গিত পাওয়া গেছে। এসব বিষয়ে পাওয়া নথি ও অভিযোগ বিশ্লেষণ করলে প্রতীয়মান হয় যে, আলোচিত সময়কালে কাস্টমস প্রশাসনের দায়িত্বে থাকা কাঠামোর মধ্যে তদারকি ও নজরদারি ব্যবস্থার কার্যকারিতা নিয়ে প্রশ্ন ওঠার মতো পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো মন্তব্য করেছে। তবে এটি এখনো অভিযোগ পর্যায়ে রয়েছে এবং পূর্ণাঙ্গ তদন্ত ছাড়া কোনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্তে পৌঁছানো সম্ভব নয়।

নথি পর্যালোচনায় আরও দেখা যায়, প্রতিষ্ঠানটি বন্ড সুবিধার আওতায় কাঁচামাল আমদানি করে রপ্তানিযোগ্য পণ্য উৎপাদন করলেও আমদানি করা কাঁচামাল, উৎপাদনের হিসাব এবং রপ্তানি ঘোষণার মধ্যে কিছু ক্ষেত্রে প্রত্যাশিত সামঞ্জস্য পাওয়া যায়নি। সংশ্লিষ্টদের মতে, এ ধরনের অসামঞ্জস্য সাধারণত বন্ড রেজিস্টার, কনজাম্পশন চার্ট ও মাঠপর্যায়ের ভৌত যাচাইয়ের মাধ্যমে ধরা পড়ে থাকে, যা কার্যকর তদারকির প্রশ্নও সামনে আনে।

একইসঙ্গে পাওয়া তথ্য অনুযায়ী, রপ্তানি কার্যক্রমে বিদেশি একটি প্রতিষ্ঠানের সম্পৃক্ততা থাকায় লেনদেন কাঠামো ‘রিলেটেড পার্টি ট্রানজেকশন’ হিসেবে ঝুঁকিপূর্ণ কি না, তা নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে। পাশাপাশি বিভিন্ন চালানে একই HS Code ব্যবহার করেও ঘোষিত মূল্যে উল্লেখযোগ্য পার্থক্য দেখা গেছে, যা আন্ডার-ইনভয়েসিং বা ভুল ঘোষণার সম্ভাবনার দিকেও ইঙ্গিত করতে পারে বলে বিশ্লেষকদের মত।

এছাড়া কারখানার উৎপাদন সক্ষমতা, শ্রমিক সংখ্যা এবং ইউটিলিটি ব্যবহারের পরিমাণের সঙ্গে ঘোষিত উৎপাদন ও রপ্তানির পরিমাণের মধ্যে যে ব্যবধানের কথা বলা হয়েছে, তা নিয়েও নথি ও তথ্য বিশ্লেষণে অসামঞ্জস্যের ইঙ্গিত পাওয়া যায়। এ বিষয়ে পূর্ণাঙ্গ অডিট ছাড়া প্রকৃত চিত্র স্পষ্ট করা কঠিন বলে সংশ্লিষ্টরা মনে করেন।

সামগ্রিকভাবে, অভিযুক্ত পক্ষের বক্তব্যের বিপরীতে খোঁজখবর ও তথ্য-উপাত্ত বিশ্লেষণে যে চিত্র পাওয়া গেছে, তা আরও গভীর তদন্ত ও যাচাইয়ের দাবি রাখে বলে প্রতিবেদকের পর্যবেক্ষণ। তবে এখানে উল্লেখযোগ্য যে, উত্থাপিত সব বিষয়ই এখনো প্রাথমিক পর্যায়ের অভিযোগ এবং যথাযথ তদন্তের মাধ্যমে সত্যতা নির্ধারণই চূড়ান্ত সিদ্ধান্তের ভিত্তি হতে পারে।

এ বিষয়ে অর্থনীতিবিদ ও বাণিজ্য বিশ্লেষকদের মতামত :

বন্ড সুবিধা ও রপ্তানিমুখী শিল্প দেশের অর্থনীতির জন্য গুরুত্বপূর্ণ খাত। তবে এ খাতে স্বচ্ছতা ও কার্যকর তদারকি নিশ্চিত না হলে রাষ্ট্রীয় রাজস্ব সুরক্ষা ঝুঁকির মুখে পড়তে পারে। তাই জেসি কামরুল ইসলামের দায়িত্বকাল ঘিরে উত্থাপিত অভিযোগগুলোর তথ্যভিত্তিক ও প্রাতিষ্ঠানিক তদন্ত এখন সময়ের দাবি বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :
error: Content is protected !!

প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ ও প্রতিবেদকের বক্তব্য

আপডেট সময় : ০৩:৩২:৫৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৫ এপ্রিল ২০২৬

সকালের সংবাদ:
গত ১৩ মার্চ ২০২৬ ইং তারিখে “ঘোষণার অমিল বন্ড তদারকিতে পুকুর চুরি: জেসি কামরুলের সহায়তায় কয়েকশ কোটি টাকা রাজস্ব আত্মসাৎ শিরোনামে প্রকাশিত একটি দুর্নীতির সংবাদের প্রতিবাদ জানিয়েছেন কাস্টমস বন্ড কমিশনারেট, ঢাকা (দক্ষিণ)-এর কর্মকর্তা জেসি কামরুল ইসলাম। তিনি দাবি করেন, সংবাদে তার নাম উল্লেখ করে যে তথ্য প্রকাশ করা হয়েছে, তা সম্পূর্ণ বিভ্রান্তিকর ও বাস্তবতার পরিপন্থী।

তার ব্যাখ্যায় তিনি বলেন, সরকারি চাকরিতে প্রত্যেক কর্মকর্তার নির্দিষ্ট অধিক্ষেত্র থাকে এবং একজন কর্মকর্তা অন্য অধিক্ষেত্রের প্রতিষ্ঠানের কার্যক্রম তদারকি করার এখতিয়ার রাখেন না। আলোচিত “Rafayet Fabrics Ltd” তার অধিক্ষেত্রভুক্ত কোনো প্রতিষ্ঠান নয় এবং এর কার্যক্রম সম্পর্কে তার কোনো প্রত্যক্ষ সংশ্লিষ্টতা নেই। তিনি আরও উল্লেখ করেন, প্রতিষ্ঠানটি কাস্টমস বন্ড কমিশনারেটের অন্য একটি সার্কেলের আওতাধীন।

তিনি জানান, তার জানা মতে উক্ত প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে অনিয়মের অভিযোগে ইতোমধ্যে প্রায় ৯৭ কোটি ৩৩ লাখ টাকার মামলা দায়ের করা হয়েছে এবং সরকারি দাবি পরিশোধের জন্য কারণ দর্শানোর নোটিশ জারি করা হয়েছে। পাশাপাশি প্রতিষ্ঠানটির আমদানি-রপ্তানি কার্যক্রমও স্থগিত রয়েছে।

কামরুল ইসলাম আরও বলেন, যেহেতু প্রতিষ্ঠানটি তার দায়িত্বাধীন নয়, তাই এ বিষয়ে বিস্তারিত জানতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ করা উচিত। ভবিষ্যতে যথাযথ যাচাই ছাড়া তার নাম উল্লেখ করে সংবাদ প্রকাশ না করার অনুরোধ জানান তিনি এবং এ ধরনের তথ্য তার পেশাগত সুনাম ক্ষুণ্ন করতে পারে বলে উল্লেখ করেন।

সংবাদের বিষয়ে প্রতিবেদকের বক্তব্য:
প্রকাশিত সংবাদের বিষয়ে অভিযুক্ত পক্ষের বক্তব্য গুরুত্বসহকারে গ্রহণ করা হয়েছে। একইসঙ্গে সংশ্লিষ্ট বিষয়টি নিয়ে মাঠপর্যায়ে খোঁজখবর, নথিপত্র ও প্রাপ্ত তথ্য-উপাত্ত পর্যালোচনা করে প্রতিবেদকের পক্ষ থেকে নিম্নোক্ত পর্যবেক্ষণ উপস্থাপন করা হলো।

পর্যালোচনায় দেখা যায়, বন্ড সুবিধা ব্যবহারের ক্ষেত্রে Rafayet Fabrics Ltd ও সংশ্লিষ্ট কিছু প্রতিষ্ঠানের আমদানি–রপ্তানি কার্যক্রমে ঘোষণার অমিল, ইনপুট–আউটপুট হিসাবের অসামঞ্জস্য এবং ট্রান্সফার প্রাইসিং সংক্রান্ত ঝুঁকির ইঙ্গিত পাওয়া গেছে। এসব বিষয়ে পাওয়া নথি ও অভিযোগ বিশ্লেষণ করলে প্রতীয়মান হয় যে, আলোচিত সময়কালে কাস্টমস প্রশাসনের দায়িত্বে থাকা কাঠামোর মধ্যে তদারকি ও নজরদারি ব্যবস্থার কার্যকারিতা নিয়ে প্রশ্ন ওঠার মতো পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো মন্তব্য করেছে। তবে এটি এখনো অভিযোগ পর্যায়ে রয়েছে এবং পূর্ণাঙ্গ তদন্ত ছাড়া কোনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্তে পৌঁছানো সম্ভব নয়।

নথি পর্যালোচনায় আরও দেখা যায়, প্রতিষ্ঠানটি বন্ড সুবিধার আওতায় কাঁচামাল আমদানি করে রপ্তানিযোগ্য পণ্য উৎপাদন করলেও আমদানি করা কাঁচামাল, উৎপাদনের হিসাব এবং রপ্তানি ঘোষণার মধ্যে কিছু ক্ষেত্রে প্রত্যাশিত সামঞ্জস্য পাওয়া যায়নি। সংশ্লিষ্টদের মতে, এ ধরনের অসামঞ্জস্য সাধারণত বন্ড রেজিস্টার, কনজাম্পশন চার্ট ও মাঠপর্যায়ের ভৌত যাচাইয়ের মাধ্যমে ধরা পড়ে থাকে, যা কার্যকর তদারকির প্রশ্নও সামনে আনে।

একইসঙ্গে পাওয়া তথ্য অনুযায়ী, রপ্তানি কার্যক্রমে বিদেশি একটি প্রতিষ্ঠানের সম্পৃক্ততা থাকায় লেনদেন কাঠামো ‘রিলেটেড পার্টি ট্রানজেকশন’ হিসেবে ঝুঁকিপূর্ণ কি না, তা নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে। পাশাপাশি বিভিন্ন চালানে একই HS Code ব্যবহার করেও ঘোষিত মূল্যে উল্লেখযোগ্য পার্থক্য দেখা গেছে, যা আন্ডার-ইনভয়েসিং বা ভুল ঘোষণার সম্ভাবনার দিকেও ইঙ্গিত করতে পারে বলে বিশ্লেষকদের মত।

এছাড়া কারখানার উৎপাদন সক্ষমতা, শ্রমিক সংখ্যা এবং ইউটিলিটি ব্যবহারের পরিমাণের সঙ্গে ঘোষিত উৎপাদন ও রপ্তানির পরিমাণের মধ্যে যে ব্যবধানের কথা বলা হয়েছে, তা নিয়েও নথি ও তথ্য বিশ্লেষণে অসামঞ্জস্যের ইঙ্গিত পাওয়া যায়। এ বিষয়ে পূর্ণাঙ্গ অডিট ছাড়া প্রকৃত চিত্র স্পষ্ট করা কঠিন বলে সংশ্লিষ্টরা মনে করেন।

সামগ্রিকভাবে, অভিযুক্ত পক্ষের বক্তব্যের বিপরীতে খোঁজখবর ও তথ্য-উপাত্ত বিশ্লেষণে যে চিত্র পাওয়া গেছে, তা আরও গভীর তদন্ত ও যাচাইয়ের দাবি রাখে বলে প্রতিবেদকের পর্যবেক্ষণ। তবে এখানে উল্লেখযোগ্য যে, উত্থাপিত সব বিষয়ই এখনো প্রাথমিক পর্যায়ের অভিযোগ এবং যথাযথ তদন্তের মাধ্যমে সত্যতা নির্ধারণই চূড়ান্ত সিদ্ধান্তের ভিত্তি হতে পারে।

এ বিষয়ে অর্থনীতিবিদ ও বাণিজ্য বিশ্লেষকদের মতামত :

বন্ড সুবিধা ও রপ্তানিমুখী শিল্প দেশের অর্থনীতির জন্য গুরুত্বপূর্ণ খাত। তবে এ খাতে স্বচ্ছতা ও কার্যকর তদারকি নিশ্চিত না হলে রাষ্ট্রীয় রাজস্ব সুরক্ষা ঝুঁকির মুখে পড়তে পারে। তাই জেসি কামরুল ইসলামের দায়িত্বকাল ঘিরে উত্থাপিত অভিযোগগুলোর তথ্যভিত্তিক ও প্রাতিষ্ঠানিক তদন্ত এখন সময়ের দাবি বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।