ঢাকা ০৭:৫৪ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৫ জুন ২০২৪, ১ আষাঢ় ১৪৩১ বঙ্গাব্দ




ফায়ার সার্ভিসে বদলি বাণিজ্যের মাধ্যমে জাকির ও আল আমিনের বিলাসী জীবন!

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ১২:১৮:৪৭ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ নভেম্বর ২০২৩ ৪০৮ বার পড়া হয়েছে

নিজস্ব প্রতিবেদক: ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স অধিদপ্তরে তারা দুইজন বদলি বাণিজ্যের শক্তিশালী সিন্ডিকেটের মানিকজোড়া। দীর্ঘ এক যুগেরও বেশি সময় ধরে এই সিন্ডিকেট মানিক জোড়া বদলি বাণিজ্যের মাধ্যমে প্রতি মাসে লাখ লাখ টাকা হাতিয়ে নিয়ে বিলাসী জীবন যাপন করে যাচ্ছেন। বদলি বাণিজ্যে আয়ের বড় একটি অংশ প্রশাসন অর্থ বিভাগের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারাও পেয়ে থাকেন সুত্র জানায়। এই সিন্ডিকেটের দূর্নীতিবাজ মানিকজোড়া হলেন প্রশাসন বিভাগের উচ্চমান সহকারী মোঃ জাকির হোসেন ও অফিস সহকারী মোঃ আল আমিন।

দুজন মিলে এক যুগ ধরে বদলীর বাণিজ্য করে বিলাসী জীবন যাপন করে আসলেও রহস্যজনক কারণে তাদের বিরুদ্ধে কোনো ব্যবস্থা এমনকি বদলির আদেশও নেয়া হয়নি।

সুত্র জানায়, ফায়ার সার্ভিসের প্রতিটি ফায়ারম্যান বদলিতে ৫০ হাজার থেকে ১ লক্ষ টাকা পর্যন্ত ঘুষ দিতে হয় এই সিন্ডিকেটকে। ঘুষ না দিলে অর্ডার তো হয়না এমনকি বদলির আবেদন উধাও করে দেন তারা। ফায়ার সার্ভিসে প্রশাসন অর্থ বিভাগের যে কর্মকর্তাই আসুক না কেন বদলি সিন্ডিকেটের দুর্নীতিবাজ চতুর জাকির ও আলামিন তাদের ঘুষবানিজ্য প্রায় এক যুগ ধরে চালিয়ে যাচ্ছেন নিরবে নিভৃতে। তারা সকল ফায়ারম্যানদের নিকট ঘুষের এক আতঙ্ক।

ফায়ার সার্ভিসের একটি বিশ্বস্ত সূত্র নাম প্রকাশ না করার শর্তে জানান, এই সিন্ডিকেটের প্রধান হিসেবে জাকির সকলের কাছে পরিচিত। কোন স্টেশনে ফায়ারম্যানের পর শূন্য রয়েছে কোন ফায়ারম্যান নিজের সুবিধামতো বদলির চেষ্টা চালাচ্ছে সব কিছুই তার নখ দর্পণ। অনেকসময় নিজের থেকেই বিভিন্ন স্টেশনে ফায়ারম্যানদের নিকট ফোন করে সুবিধা মতো বদলির অফার করেন জাকির। ব্যাটে বলে মিলে গেলেই তার ঘুষের দোকানের বেচাকেনা বেড়ে যায়।

বুদ্ধি বাণিজ্যের সিন্ডিকেটের বিষয় প্রায় এক ডজনেরও বেশি ফার্মের সাথে কথা হয় প্রতিবেদকের। তাদের সকলের দাবী দীর্ঘদিন ধরে একই স্থানে আঁকড়ে থাকা দুর্নীতিবাজ জাকির ও আলামিন এর ঘুষের থাবা থেকে বাঁচতে এই সিন্ডিকেটের বিরুদ্ধে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দ্রুত পদক্ষেপ গ্রহণের।

এ বিষয়ে জানতে প্রশাসন অর্থ বিভাগের ডিরেক্টর ওয়াহিদুল ইসলামের মুঠোফোন নাম্বারে ফোন করা হলে তিনি রিসিভ করেননি।

Loading

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :




ফায়ার সার্ভিসে বদলি বাণিজ্যের মাধ্যমে জাকির ও আল আমিনের বিলাসী জীবন!

আপডেট সময় : ১২:১৮:৪৭ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ নভেম্বর ২০২৩

নিজস্ব প্রতিবেদক: ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স অধিদপ্তরে তারা দুইজন বদলি বাণিজ্যের শক্তিশালী সিন্ডিকেটের মানিকজোড়া। দীর্ঘ এক যুগেরও বেশি সময় ধরে এই সিন্ডিকেট মানিক জোড়া বদলি বাণিজ্যের মাধ্যমে প্রতি মাসে লাখ লাখ টাকা হাতিয়ে নিয়ে বিলাসী জীবন যাপন করে যাচ্ছেন। বদলি বাণিজ্যে আয়ের বড় একটি অংশ প্রশাসন অর্থ বিভাগের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারাও পেয়ে থাকেন সুত্র জানায়। এই সিন্ডিকেটের দূর্নীতিবাজ মানিকজোড়া হলেন প্রশাসন বিভাগের উচ্চমান সহকারী মোঃ জাকির হোসেন ও অফিস সহকারী মোঃ আল আমিন।

দুজন মিলে এক যুগ ধরে বদলীর বাণিজ্য করে বিলাসী জীবন যাপন করে আসলেও রহস্যজনক কারণে তাদের বিরুদ্ধে কোনো ব্যবস্থা এমনকি বদলির আদেশও নেয়া হয়নি।

সুত্র জানায়, ফায়ার সার্ভিসের প্রতিটি ফায়ারম্যান বদলিতে ৫০ হাজার থেকে ১ লক্ষ টাকা পর্যন্ত ঘুষ দিতে হয় এই সিন্ডিকেটকে। ঘুষ না দিলে অর্ডার তো হয়না এমনকি বদলির আবেদন উধাও করে দেন তারা। ফায়ার সার্ভিসে প্রশাসন অর্থ বিভাগের যে কর্মকর্তাই আসুক না কেন বদলি সিন্ডিকেটের দুর্নীতিবাজ চতুর জাকির ও আলামিন তাদের ঘুষবানিজ্য প্রায় এক যুগ ধরে চালিয়ে যাচ্ছেন নিরবে নিভৃতে। তারা সকল ফায়ারম্যানদের নিকট ঘুষের এক আতঙ্ক।

ফায়ার সার্ভিসের একটি বিশ্বস্ত সূত্র নাম প্রকাশ না করার শর্তে জানান, এই সিন্ডিকেটের প্রধান হিসেবে জাকির সকলের কাছে পরিচিত। কোন স্টেশনে ফায়ারম্যানের পর শূন্য রয়েছে কোন ফায়ারম্যান নিজের সুবিধামতো বদলির চেষ্টা চালাচ্ছে সব কিছুই তার নখ দর্পণ। অনেকসময় নিজের থেকেই বিভিন্ন স্টেশনে ফায়ারম্যানদের নিকট ফোন করে সুবিধা মতো বদলির অফার করেন জাকির। ব্যাটে বলে মিলে গেলেই তার ঘুষের দোকানের বেচাকেনা বেড়ে যায়।

বুদ্ধি বাণিজ্যের সিন্ডিকেটের বিষয় প্রায় এক ডজনেরও বেশি ফার্মের সাথে কথা হয় প্রতিবেদকের। তাদের সকলের দাবী দীর্ঘদিন ধরে একই স্থানে আঁকড়ে থাকা দুর্নীতিবাজ জাকির ও আলামিন এর ঘুষের থাবা থেকে বাঁচতে এই সিন্ডিকেটের বিরুদ্ধে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দ্রুত পদক্ষেপ গ্রহণের।

এ বিষয়ে জানতে প্রশাসন অর্থ বিভাগের ডিরেক্টর ওয়াহিদুল ইসলামের মুঠোফোন নাম্বারে ফোন করা হলে তিনি রিসিভ করেননি।

Loading