ঢাকা ০৭:২৬ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২১ অগাস্ট ২০২৬, ৬ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
Logo গ্যাস সংকট আগের সরকারের পাপের ফল: ডা. জাহেদ Logo ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে এআই-নির্ভর ‘অটো ফাইন সিস্টেম’ চালু Logo প্রধানমন্ত্রীকে সৌদি আরব সফরের আমন্ত্রণ জানিয়েছেন যুবরাজ বিন সালমান Logo ছয় মাসে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির দৃশ্যমান উন্নতি হয়েছে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী Logo সরকারের ১৮০ দিনের সালতামামি: ধ্বংসস্তূপ থেকে পরিকল্পিত পুনর্গঠনের পথে বাংলাদেশ Logo শিগগিরই জনপ্রশাসন সংস্কার কমিশন গঠন করবে সরকার : নজরুল ইসলাম খান Logo রাষ্ট্র ও মানুষের মর্যাদা প্রতিষ্ঠাই সরকারের বড় সাফল্য:সালেহ শিবলী Logo শেখ হাসিনার কোন স্ট্যাটাসে ভারতে আছেন জানা নেই: চিফ প্রসিকিউটর Logo ১০ বছরের জ্বালানি পরিকল্পনা সংসদে উপস্থাপনের ঘোষণা প্রধানমন্ত্রীর Logo আগামীকাল কিশোরগঞ্জ সফর করবেন প্রধানমন্ত্রী

নোয়াখালী সিভিল সার্জন অফিস সহকারী গিয়াসের দুর্নীতির অভিযোগ 

নিজস্ব প্রতিবেদক;
  • আপডেট সময় : ০৪:৩৫:২১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১ নভেম্বর ২০২২ ৮৫৬ বার পড়া হয়েছে

নোয়াখালী সিভিল সার্জন অফিসের সহকারী মোঃ গিয়াস উদ্দিন খান এর বিরুদ্ধে অনিয়ম ও দুর্নীতি বিষয়ে ব্যবস্থা নিতে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরে পরিচালকের বরাবর লিখিত অভিযোগ করেছেন নোয়াখালী বেসরকারি ক্লিনিক ও হাসপাতাল মালিকরা।

অভিযোগে সূত্র জানা যায়, মোঃ গিয়াস উদ্দিন খান বর্তমানে জেলা সিভিল সার্জন অফিসের সহকারী ও কাম কম্পিউটার অপারেটর হিসেবে কর্মরত রয়েছেন। তিনি দীর্ঘ ২৬ বছর যাবত কাজ করে আসছেন। অফিসে কর্মরত থাকাকালীন নোয়াখালীর বিভিন্ন বেসরকারি ক্লিনিক ও হাসপাতাল পরিচালকদের নানাহ ভাবে হয়রানীসহ নৈতিকভাবে অর্থ আদায় করে আসছেন। অফিসকে নিজের পৈত্রিক সম্পত্তি মনে করেন এবং সেবা প্রত্যাশীদের সাথে অশোভনীয় আচরণ করে। বেসরকারি ক্লিনিক ও হাসপাতালের বিষয়ে কোন পরামর্শ নিতে গেলে তিনি টাকা ছাড়া কিছুই বুঝে না। এবং নিয়মিত তোয়াক্কাও করেন না। স্থানীয় সাংবাদিক দের অর্থের বিনিময়ে নিজের বসে রেখেছেন। কোন সংবাদমাধ্যম তার সংবাদ করতে চাইলে ওই সমস্ত সাংবাদিকদের দিয়ে ফোন করিয়ে তদবির করেন এই দুর্নীতিবাজ কর্মচাচারি।

বাংলাদেশ বেসরকারি হাসপাতাল ক্লিনিক অধ্যাদেশ ১৯৮২ নিয়মানুযায়ী স্বাস্থ্য অধিদপ্তর ও হাসপাতাল ক্লিনিক লাইসেন্স অনুমতি নিয়ে জনগণকে স্বাস্থ্য সেবা দিলেও উল্লেখিত ব্যক্তি প্রত্যেক ক্লিনিক সমূহে প্রতি মাসে নির্দিষ্ট টাকার অংক নির্ধারন করে দেন। যারা তার নির্ধারিত টাকা পরিশোধ করিতে ব্যর্থ হন কিংবা অপরাগতা জানান,তাদের ক্লিনিকের বিভিন্ন তুচ্ছ বিষয় ধরে ক্লিনিক বন্ধ করে দেয়ার হুমকি দেন।

অভিযোগে আরও বলা হয়, ইতিমধ্যে নোয়াখালী হাসপাতাল রোডের ট্রাস্ট ওয়ান নামে একটি বেসরকারি হাসপাতাল অনিয়ম থাকায় বন্ধ করা হয়। পুনরায় হাসপাতালটি চালু করার জন্য ২০ লক্ষ টাকা দাবী করেন। উক্ত ব্যক্তি অবৈধভাবে লাভবান হয়ে হাসপাতালটি খুলে দেয়। অফিসের চাকরি করার সুবাদে তিনি লক্ষ্মীনারায়নপুর খালপাড়ে নয় তলা ফাউন্ডেশনের একটি ভবনের কাজ করছেন এবং তিন তালার কাজ ইতিমধ্যে সম্পূর্ণ করেছেন।

এছাড়াও তার ব্যাংক ব্যালেন্স খতিয়ে দেখলে আরও আর্থিক তথ্যাদি পাওয়া যাবে। সামান্য একজন ৩য় শ্রেণীর বেতনভুক্ত কর্মচারী কিভাবে এতো টাকা আয় করে। জেলা শহরে নয় তলা ফাউন্ডেশনে ভবন নির্মান করে। বিষয়টি সাধারণ জনগণের বোধগম্য নয়।

এছাড়াও অন্যস্থানে বদলী করার জন্য প্রক্রিয়া চালালেও তিনি অর্থের বিনিময়ে তা বন্ধ করে দিয়েছেন। দুর্নীতিবাজ এই কর্মচারী বিরুদ্ধে অভিযোগ তদন্ত করে তার দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দিয়ে নোয়াখালী জেলার বেসরকারি হাসপাতাল ও ক্লিনিক মালিকগণকে বাঁচানোর জন্য আহ্বান করা হয়।

গিয়াস উদ্দিনের বিরুদ্ধে এসব অভিযোগের বিষয় মুঠোফোনে জানতে চাইলে তিনি প্রতিবেদককে তার বড় ভাই ও ছোট ভাই হিসেবে দুই সাংবাদিকের নাম উল্লেখ করেন। এবং বিষয়টি নিয়ে কোন মন্তব্য না করে এড়িয়ে যান।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :
error: Content is protected !!

নোয়াখালী সিভিল সার্জন অফিস সহকারী গিয়াসের দুর্নীতির অভিযোগ 

আপডেট সময় : ০৪:৩৫:২১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১ নভেম্বর ২০২২

নোয়াখালী সিভিল সার্জন অফিসের সহকারী মোঃ গিয়াস উদ্দিন খান এর বিরুদ্ধে অনিয়ম ও দুর্নীতি বিষয়ে ব্যবস্থা নিতে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরে পরিচালকের বরাবর লিখিত অভিযোগ করেছেন নোয়াখালী বেসরকারি ক্লিনিক ও হাসপাতাল মালিকরা।

অভিযোগে সূত্র জানা যায়, মোঃ গিয়াস উদ্দিন খান বর্তমানে জেলা সিভিল সার্জন অফিসের সহকারী ও কাম কম্পিউটার অপারেটর হিসেবে কর্মরত রয়েছেন। তিনি দীর্ঘ ২৬ বছর যাবত কাজ করে আসছেন। অফিসে কর্মরত থাকাকালীন নোয়াখালীর বিভিন্ন বেসরকারি ক্লিনিক ও হাসপাতাল পরিচালকদের নানাহ ভাবে হয়রানীসহ নৈতিকভাবে অর্থ আদায় করে আসছেন। অফিসকে নিজের পৈত্রিক সম্পত্তি মনে করেন এবং সেবা প্রত্যাশীদের সাথে অশোভনীয় আচরণ করে। বেসরকারি ক্লিনিক ও হাসপাতালের বিষয়ে কোন পরামর্শ নিতে গেলে তিনি টাকা ছাড়া কিছুই বুঝে না। এবং নিয়মিত তোয়াক্কাও করেন না। স্থানীয় সাংবাদিক দের অর্থের বিনিময়ে নিজের বসে রেখেছেন। কোন সংবাদমাধ্যম তার সংবাদ করতে চাইলে ওই সমস্ত সাংবাদিকদের দিয়ে ফোন করিয়ে তদবির করেন এই দুর্নীতিবাজ কর্মচাচারি।

বাংলাদেশ বেসরকারি হাসপাতাল ক্লিনিক অধ্যাদেশ ১৯৮২ নিয়মানুযায়ী স্বাস্থ্য অধিদপ্তর ও হাসপাতাল ক্লিনিক লাইসেন্স অনুমতি নিয়ে জনগণকে স্বাস্থ্য সেবা দিলেও উল্লেখিত ব্যক্তি প্রত্যেক ক্লিনিক সমূহে প্রতি মাসে নির্দিষ্ট টাকার অংক নির্ধারন করে দেন। যারা তার নির্ধারিত টাকা পরিশোধ করিতে ব্যর্থ হন কিংবা অপরাগতা জানান,তাদের ক্লিনিকের বিভিন্ন তুচ্ছ বিষয় ধরে ক্লিনিক বন্ধ করে দেয়ার হুমকি দেন।

অভিযোগে আরও বলা হয়, ইতিমধ্যে নোয়াখালী হাসপাতাল রোডের ট্রাস্ট ওয়ান নামে একটি বেসরকারি হাসপাতাল অনিয়ম থাকায় বন্ধ করা হয়। পুনরায় হাসপাতালটি চালু করার জন্য ২০ লক্ষ টাকা দাবী করেন। উক্ত ব্যক্তি অবৈধভাবে লাভবান হয়ে হাসপাতালটি খুলে দেয়। অফিসের চাকরি করার সুবাদে তিনি লক্ষ্মীনারায়নপুর খালপাড়ে নয় তলা ফাউন্ডেশনের একটি ভবনের কাজ করছেন এবং তিন তালার কাজ ইতিমধ্যে সম্পূর্ণ করেছেন।

এছাড়াও তার ব্যাংক ব্যালেন্স খতিয়ে দেখলে আরও আর্থিক তথ্যাদি পাওয়া যাবে। সামান্য একজন ৩য় শ্রেণীর বেতনভুক্ত কর্মচারী কিভাবে এতো টাকা আয় করে। জেলা শহরে নয় তলা ফাউন্ডেশনে ভবন নির্মান করে। বিষয়টি সাধারণ জনগণের বোধগম্য নয়।

এছাড়াও অন্যস্থানে বদলী করার জন্য প্রক্রিয়া চালালেও তিনি অর্থের বিনিময়ে তা বন্ধ করে দিয়েছেন। দুর্নীতিবাজ এই কর্মচারী বিরুদ্ধে অভিযোগ তদন্ত করে তার দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দিয়ে নোয়াখালী জেলার বেসরকারি হাসপাতাল ও ক্লিনিক মালিকগণকে বাঁচানোর জন্য আহ্বান করা হয়।

গিয়াস উদ্দিনের বিরুদ্ধে এসব অভিযোগের বিষয় মুঠোফোনে জানতে চাইলে তিনি প্রতিবেদককে তার বড় ভাই ও ছোট ভাই হিসেবে দুই সাংবাদিকের নাম উল্লেখ করেন। এবং বিষয়টি নিয়ে কোন মন্তব্য না করে এড়িয়ে যান।