ঢাকা ০৫:১৭ অপরাহ্ন, শনিবার, ১০ অক্টোবর ২০২৬, ২৫ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
Logo এবার গ্র্যামির দৌড়ে ‘ধুরন্ধর ২’ Logo রিকশাচালক থেকে মুচি, ১ নভেম্বর থেকে সবাই বাংলা কিউআর ব্যবহার করতে পারবেন Logo প্রশ্ন ফাঁসের সঙ্গে জড়িতদের চিহ্নিত করে চাকরিচ্যুত ও গ্রেপ্তার করতে হবে: আখতার হোসেন Logo ৩৪৬ রানে অলআউট বাংলাদেশ Logo ককরোচ পার্টির কর্মসূচি : দিল্লিতে ইউটিউবার ধ্রুব রাঠিসহ আটক ১০০০ Logo মানসিক স্বাস্থ্য সুরক্ষা সরকারের স্বাস্থ্যনীতির একটি গুরুত্বপূর্ণ দিক: তারেক রহমান Logo মানসিক সমস্যায় আক্রান্ত ব্যক্তিদের প্রতি সহমর্মিতার আহ্বান রাষ্ট্রপতির Logo যাত্রাবাড়ীতে বাসে তল্লাশি, ৯ হাজার ই’য়া’বা’স’হ গ্রে’প্তা’র ২ Logo কুকুর উদ্ধারে ফায়ার সার্ভিসের গাড়ি পাঠাতে জ্বালানি খরচের দাবি, ৩ ঘণ্টা পর জীবিত উদ্ধার Logo সরকারি কর্মচারীদের ‘গোলামি’ ও অঢেল সম্পদের পাহাড়: বেরিয়ে আসছে সদ্য বিদায়ী ডিজি জায়েদ কামালের থলের বিড়াল 

নোয়াখালী সিভিল সার্জন অফিস সহকারী গিয়াসের দুর্নীতির অভিযোগ 

নিজস্ব প্রতিবেদক;
  • আপডেট সময় : ০৪:৩৫:২১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১ নভেম্বর ২০২২ ৮৮০ বার পড়া হয়েছে

নোয়াখালী সিভিল সার্জন অফিসের সহকারী মোঃ গিয়াস উদ্দিন খান এর বিরুদ্ধে অনিয়ম ও দুর্নীতি বিষয়ে ব্যবস্থা নিতে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরে পরিচালকের বরাবর লিখিত অভিযোগ করেছেন নোয়াখালী বেসরকারি ক্লিনিক ও হাসপাতাল মালিকরা।

অভিযোগে সূত্র জানা যায়, মোঃ গিয়াস উদ্দিন খান বর্তমানে জেলা সিভিল সার্জন অফিসের সহকারী ও কাম কম্পিউটার অপারেটর হিসেবে কর্মরত রয়েছেন। তিনি দীর্ঘ ২৬ বছর যাবত কাজ করে আসছেন। অফিসে কর্মরত থাকাকালীন নোয়াখালীর বিভিন্ন বেসরকারি ক্লিনিক ও হাসপাতাল পরিচালকদের নানাহ ভাবে হয়রানীসহ নৈতিকভাবে অর্থ আদায় করে আসছেন। অফিসকে নিজের পৈত্রিক সম্পত্তি মনে করেন এবং সেবা প্রত্যাশীদের সাথে অশোভনীয় আচরণ করে। বেসরকারি ক্লিনিক ও হাসপাতালের বিষয়ে কোন পরামর্শ নিতে গেলে তিনি টাকা ছাড়া কিছুই বুঝে না। এবং নিয়মিত তোয়াক্কাও করেন না। স্থানীয় সাংবাদিক দের অর্থের বিনিময়ে নিজের বসে রেখেছেন। কোন সংবাদমাধ্যম তার সংবাদ করতে চাইলে ওই সমস্ত সাংবাদিকদের দিয়ে ফোন করিয়ে তদবির করেন এই দুর্নীতিবাজ কর্মচাচারি।

বাংলাদেশ বেসরকারি হাসপাতাল ক্লিনিক অধ্যাদেশ ১৯৮২ নিয়মানুযায়ী স্বাস্থ্য অধিদপ্তর ও হাসপাতাল ক্লিনিক লাইসেন্স অনুমতি নিয়ে জনগণকে স্বাস্থ্য সেবা দিলেও উল্লেখিত ব্যক্তি প্রত্যেক ক্লিনিক সমূহে প্রতি মাসে নির্দিষ্ট টাকার অংক নির্ধারন করে দেন। যারা তার নির্ধারিত টাকা পরিশোধ করিতে ব্যর্থ হন কিংবা অপরাগতা জানান,তাদের ক্লিনিকের বিভিন্ন তুচ্ছ বিষয় ধরে ক্লিনিক বন্ধ করে দেয়ার হুমকি দেন।

অভিযোগে আরও বলা হয়, ইতিমধ্যে নোয়াখালী হাসপাতাল রোডের ট্রাস্ট ওয়ান নামে একটি বেসরকারি হাসপাতাল অনিয়ম থাকায় বন্ধ করা হয়। পুনরায় হাসপাতালটি চালু করার জন্য ২০ লক্ষ টাকা দাবী করেন। উক্ত ব্যক্তি অবৈধভাবে লাভবান হয়ে হাসপাতালটি খুলে দেয়। অফিসের চাকরি করার সুবাদে তিনি লক্ষ্মীনারায়নপুর খালপাড়ে নয় তলা ফাউন্ডেশনের একটি ভবনের কাজ করছেন এবং তিন তালার কাজ ইতিমধ্যে সম্পূর্ণ করেছেন।

এছাড়াও তার ব্যাংক ব্যালেন্স খতিয়ে দেখলে আরও আর্থিক তথ্যাদি পাওয়া যাবে। সামান্য একজন ৩য় শ্রেণীর বেতনভুক্ত কর্মচারী কিভাবে এতো টাকা আয় করে। জেলা শহরে নয় তলা ফাউন্ডেশনে ভবন নির্মান করে। বিষয়টি সাধারণ জনগণের বোধগম্য নয়।

এছাড়াও অন্যস্থানে বদলী করার জন্য প্রক্রিয়া চালালেও তিনি অর্থের বিনিময়ে তা বন্ধ করে দিয়েছেন। দুর্নীতিবাজ এই কর্মচারী বিরুদ্ধে অভিযোগ তদন্ত করে তার দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দিয়ে নোয়াখালী জেলার বেসরকারি হাসপাতাল ও ক্লিনিক মালিকগণকে বাঁচানোর জন্য আহ্বান করা হয়।

গিয়াস উদ্দিনের বিরুদ্ধে এসব অভিযোগের বিষয় মুঠোফোনে জানতে চাইলে তিনি প্রতিবেদককে তার বড় ভাই ও ছোট ভাই হিসেবে দুই সাংবাদিকের নাম উল্লেখ করেন। এবং বিষয়টি নিয়ে কোন মন্তব্য না করে এড়িয়ে যান।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :
error: Content is protected !!

নোয়াখালী সিভিল সার্জন অফিস সহকারী গিয়াসের দুর্নীতির অভিযোগ 

আপডেট সময় : ০৪:৩৫:২১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১ নভেম্বর ২০২২

নোয়াখালী সিভিল সার্জন অফিসের সহকারী মোঃ গিয়াস উদ্দিন খান এর বিরুদ্ধে অনিয়ম ও দুর্নীতি বিষয়ে ব্যবস্থা নিতে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরে পরিচালকের বরাবর লিখিত অভিযোগ করেছেন নোয়াখালী বেসরকারি ক্লিনিক ও হাসপাতাল মালিকরা।

অভিযোগে সূত্র জানা যায়, মোঃ গিয়াস উদ্দিন খান বর্তমানে জেলা সিভিল সার্জন অফিসের সহকারী ও কাম কম্পিউটার অপারেটর হিসেবে কর্মরত রয়েছেন। তিনি দীর্ঘ ২৬ বছর যাবত কাজ করে আসছেন। অফিসে কর্মরত থাকাকালীন নোয়াখালীর বিভিন্ন বেসরকারি ক্লিনিক ও হাসপাতাল পরিচালকদের নানাহ ভাবে হয়রানীসহ নৈতিকভাবে অর্থ আদায় করে আসছেন। অফিসকে নিজের পৈত্রিক সম্পত্তি মনে করেন এবং সেবা প্রত্যাশীদের সাথে অশোভনীয় আচরণ করে। বেসরকারি ক্লিনিক ও হাসপাতালের বিষয়ে কোন পরামর্শ নিতে গেলে তিনি টাকা ছাড়া কিছুই বুঝে না। এবং নিয়মিত তোয়াক্কাও করেন না। স্থানীয় সাংবাদিক দের অর্থের বিনিময়ে নিজের বসে রেখেছেন। কোন সংবাদমাধ্যম তার সংবাদ করতে চাইলে ওই সমস্ত সাংবাদিকদের দিয়ে ফোন করিয়ে তদবির করেন এই দুর্নীতিবাজ কর্মচাচারি।

বাংলাদেশ বেসরকারি হাসপাতাল ক্লিনিক অধ্যাদেশ ১৯৮২ নিয়মানুযায়ী স্বাস্থ্য অধিদপ্তর ও হাসপাতাল ক্লিনিক লাইসেন্স অনুমতি নিয়ে জনগণকে স্বাস্থ্য সেবা দিলেও উল্লেখিত ব্যক্তি প্রত্যেক ক্লিনিক সমূহে প্রতি মাসে নির্দিষ্ট টাকার অংক নির্ধারন করে দেন। যারা তার নির্ধারিত টাকা পরিশোধ করিতে ব্যর্থ হন কিংবা অপরাগতা জানান,তাদের ক্লিনিকের বিভিন্ন তুচ্ছ বিষয় ধরে ক্লিনিক বন্ধ করে দেয়ার হুমকি দেন।

অভিযোগে আরও বলা হয়, ইতিমধ্যে নোয়াখালী হাসপাতাল রোডের ট্রাস্ট ওয়ান নামে একটি বেসরকারি হাসপাতাল অনিয়ম থাকায় বন্ধ করা হয়। পুনরায় হাসপাতালটি চালু করার জন্য ২০ লক্ষ টাকা দাবী করেন। উক্ত ব্যক্তি অবৈধভাবে লাভবান হয়ে হাসপাতালটি খুলে দেয়। অফিসের চাকরি করার সুবাদে তিনি লক্ষ্মীনারায়নপুর খালপাড়ে নয় তলা ফাউন্ডেশনের একটি ভবনের কাজ করছেন এবং তিন তালার কাজ ইতিমধ্যে সম্পূর্ণ করেছেন।

এছাড়াও তার ব্যাংক ব্যালেন্স খতিয়ে দেখলে আরও আর্থিক তথ্যাদি পাওয়া যাবে। সামান্য একজন ৩য় শ্রেণীর বেতনভুক্ত কর্মচারী কিভাবে এতো টাকা আয় করে। জেলা শহরে নয় তলা ফাউন্ডেশনে ভবন নির্মান করে। বিষয়টি সাধারণ জনগণের বোধগম্য নয়।

এছাড়াও অন্যস্থানে বদলী করার জন্য প্রক্রিয়া চালালেও তিনি অর্থের বিনিময়ে তা বন্ধ করে দিয়েছেন। দুর্নীতিবাজ এই কর্মচারী বিরুদ্ধে অভিযোগ তদন্ত করে তার দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দিয়ে নোয়াখালী জেলার বেসরকারি হাসপাতাল ও ক্লিনিক মালিকগণকে বাঁচানোর জন্য আহ্বান করা হয়।

গিয়াস উদ্দিনের বিরুদ্ধে এসব অভিযোগের বিষয় মুঠোফোনে জানতে চাইলে তিনি প্রতিবেদককে তার বড় ভাই ও ছোট ভাই হিসেবে দুই সাংবাদিকের নাম উল্লেখ করেন। এবং বিষয়টি নিয়ে কোন মন্তব্য না করে এড়িয়ে যান।