ঢাকা ০৩:৩০ অপরাহ্ন, শনিবার, ২০ এপ্রিল ২০২৪, ৭ বৈশাখ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
Logo মঙ্গল শোভাযাত্রা – তাসফিয়া ফারহানা ঐশী Logo সাস্টিয়ান ব্রাহ্মণবাড়িয়া এর ইফতার মাহফিল সম্পন্ন Logo কুবির চট্টগ্রাম স্টুডেন্টস ওয়েলফেয়ার এসোসিয়েশনের ইফতার ও পূর্নমিলনী Logo অধ্যাপক জহীর উদ্দিন আহমেদের মায়ের মৃত্যুতে শাবির মহান মুক্তিযুদ্ধের চেতনা ও মুক্ত চিন্তা চর্চায় ঐক্যবদ্ধ শিক্ষকবৃন্দ পরিষদের শোক প্রকাশ Logo শাবির অধ্যাপক জহীর উদ্দিনের মায়ের মৃত্যুতে উপাচার্যের শোক প্রকাশ Logo বিশ কোটিতে গণপূর্তের প্রধান হওয়ার মিশনে ‘ছাত্রদল ক্যাডার প্রকৌশলী’! Logo দূর্নীতির রাক্ষস ফায়ার সার্ভিসের এডি আনোয়ার! Logo ঝড় ও শিলাবৃষ্টিতে ক্ষতি হওয়া শাহজালাল বিশ্ববিদ্যালয়ে অবকাঠামোর সংস্কার শুরু Logo বুয়েটে নিয়মতান্ত্রিক ছাত্র রাজনীতির দাবিতে শাবিপ্রবি ছাত্রলীগের মানববন্ধন Logo কুবি উপাচার্যের বক্তব্যের প্রমাণ দিতে শিক্ষক সমিতির সাত দিনের আল্টিমেটাম




সরকারি ঘর পাইয়া দেব আমার সাথে রাতে একান্ত সময় কাটাতে হবে!

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৮:৫৬:৫৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৭ সেপ্টেম্বর ২০২১ ১১৬ বার পড়া হয়েছে

নিজস্ব প্রতিবেদক: ভোলা জেলার লালমোহন থানাধীন কালমা ইউনিয়নের ডাওরী বাজার। সেখানকার চরলক্ষী গ্রামে রয়েছে প্রধানমন্ত্রীর উপহারের আবাসন প্রকল্প। সেই আবাসন প্রকল্পের ঘর পান না গরীব মানুষেরা। পেলেও টাকা গুণতে হয় এ গরীব মানুষদের। ঘরপ্রতি ৫/১০ হাজার করে টাকা নেন সেখানকার আশু সর্দার ও সেলিম সর্দার নামের ক্যাডার ভ্রাতৃদ্বয়। টাকা দিতে না পারলে যুবতী ও গৃহবধূদের অনৈতিক কুপ্রস্তাব দেন সেলিম সর্দার।

 

সেলিম সর্দারের বিরুদ্ধে এমনই অভিযোগ করেছেন স্থানীয় মুক্তা নামের এক যুবতী। মুক্তা জানায়, ঘর দেওয়ার প্রলোভন দেখিয়ে প্রায়ই সেলিম সর্দার তাকে রাতের বেলায় একান্তে কথা বলার জন্য ডাকে। এসব কুপ্রস্তাবের কথা বলতে গিয়ে একপর্যায়ে কান্নায় ভেঙে পড়েন মুক্তা।

 

এছাড়া আবাসন প্রকল্পের পুকুরের মাছ সেখানকার বাসিন্দাদের মধ্যে ভাগ করে দেওয়ার কথা থাকলেও পুকুরগুলো জবরদখল করে রেখেছেন সেলিম সর্দার। এসব অনাচারের বিরুদ্ধে কথা বলতে গেলেই আবাসনের ভুক্তভোগী মানুষদের ওপর নেমে আসে নির্যাতন। এজন্য ভয়ে তাদের বিরুদ্ধে কেউ কথা বলারও সাহস পাচ্ছেন না। এখন অত্যাচার এমন পর্যায়ে পৌঁছেছে যে কেউ কেউ জীবনের মায়া ত্যাগ করে ন্যায়বিচারের আশায় কথা বলতে শুরু করেছেন।

 

এই আবাসন প্রকল্পকে সেলিম সর্দার ইয়াবা ও মাদক ব্যবসার আখড়া হিসেবে ব্যবহার করে আসছেন বলেও স্থানীয়রা অভিযোগ করেছেন। এর ফলে শিক্ষার্থী ও যুবকরা মাদকাসক্ত হয়ে বিপথে যাচ্ছে বলেও তারা জানিয়েছেন।

 

সেলিম সর্দার এসব অভিযোগের বিষয়ে বলেন, কেউ যদি আবাসন প্রকল্পে ঘর দেওয়ার বিনিময়ে টাকা নিয়ে থাকে তাহলে তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। তবে যুবতীকে একান্ত সময় কাটানোর কুপ্রস্তাব দেওয়া ও ইয়াবাসহ মাদক ব্যবসার বিষয়টি তিনি এড়িয়ে যান।

 

লম্পট সেলিম সর্দারের এসব অত্যাচার ও কুপ্রস্তাবের বিচার না পেয়ে তার বিরুদ্ধে থানায় অভিযোগ দায়ের করেছেন ভুক্তভোগী যুবতী মুক্তার বাবা নুরুল ইসলাম।

 

এ বিষয়ে লালমোহন থানার ওসি মাকসুদুর রহমান মুরাদ বলেন: আমরা অভিযোগ পেয়েছি। অভিযুক্ত সেলিম সর্দারসহ সংশ্লিষ্ট সব অপরাধীকে শিগগিরই গ্রেপ্তার করা হবে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :




সরকারি ঘর পাইয়া দেব আমার সাথে রাতে একান্ত সময় কাটাতে হবে!

আপডেট সময় : ০৮:৫৬:৫৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৭ সেপ্টেম্বর ২০২১

নিজস্ব প্রতিবেদক: ভোলা জেলার লালমোহন থানাধীন কালমা ইউনিয়নের ডাওরী বাজার। সেখানকার চরলক্ষী গ্রামে রয়েছে প্রধানমন্ত্রীর উপহারের আবাসন প্রকল্প। সেই আবাসন প্রকল্পের ঘর পান না গরীব মানুষেরা। পেলেও টাকা গুণতে হয় এ গরীব মানুষদের। ঘরপ্রতি ৫/১০ হাজার করে টাকা নেন সেখানকার আশু সর্দার ও সেলিম সর্দার নামের ক্যাডার ভ্রাতৃদ্বয়। টাকা দিতে না পারলে যুবতী ও গৃহবধূদের অনৈতিক কুপ্রস্তাব দেন সেলিম সর্দার।

 

সেলিম সর্দারের বিরুদ্ধে এমনই অভিযোগ করেছেন স্থানীয় মুক্তা নামের এক যুবতী। মুক্তা জানায়, ঘর দেওয়ার প্রলোভন দেখিয়ে প্রায়ই সেলিম সর্দার তাকে রাতের বেলায় একান্তে কথা বলার জন্য ডাকে। এসব কুপ্রস্তাবের কথা বলতে গিয়ে একপর্যায়ে কান্নায় ভেঙে পড়েন মুক্তা।

 

এছাড়া আবাসন প্রকল্পের পুকুরের মাছ সেখানকার বাসিন্দাদের মধ্যে ভাগ করে দেওয়ার কথা থাকলেও পুকুরগুলো জবরদখল করে রেখেছেন সেলিম সর্দার। এসব অনাচারের বিরুদ্ধে কথা বলতে গেলেই আবাসনের ভুক্তভোগী মানুষদের ওপর নেমে আসে নির্যাতন। এজন্য ভয়ে তাদের বিরুদ্ধে কেউ কথা বলারও সাহস পাচ্ছেন না। এখন অত্যাচার এমন পর্যায়ে পৌঁছেছে যে কেউ কেউ জীবনের মায়া ত্যাগ করে ন্যায়বিচারের আশায় কথা বলতে শুরু করেছেন।

 

এই আবাসন প্রকল্পকে সেলিম সর্দার ইয়াবা ও মাদক ব্যবসার আখড়া হিসেবে ব্যবহার করে আসছেন বলেও স্থানীয়রা অভিযোগ করেছেন। এর ফলে শিক্ষার্থী ও যুবকরা মাদকাসক্ত হয়ে বিপথে যাচ্ছে বলেও তারা জানিয়েছেন।

 

সেলিম সর্দার এসব অভিযোগের বিষয়ে বলেন, কেউ যদি আবাসন প্রকল্পে ঘর দেওয়ার বিনিময়ে টাকা নিয়ে থাকে তাহলে তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। তবে যুবতীকে একান্ত সময় কাটানোর কুপ্রস্তাব দেওয়া ও ইয়াবাসহ মাদক ব্যবসার বিষয়টি তিনি এড়িয়ে যান।

 

লম্পট সেলিম সর্দারের এসব অত্যাচার ও কুপ্রস্তাবের বিচার না পেয়ে তার বিরুদ্ধে থানায় অভিযোগ দায়ের করেছেন ভুক্তভোগী যুবতী মুক্তার বাবা নুরুল ইসলাম।

 

এ বিষয়ে লালমোহন থানার ওসি মাকসুদুর রহমান মুরাদ বলেন: আমরা অভিযোগ পেয়েছি। অভিযুক্ত সেলিম সর্দারসহ সংশ্লিষ্ট সব অপরাধীকে শিগগিরই গ্রেপ্তার করা হবে।