ঢাকা ০১:২৯ অপরাহ্ন, শনিবার, ২২ অগাস্ট ২০২৬, ৭ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
Logo গ্যাস সংকট আগের সরকারের পাপের ফল: ডা. জাহেদ Logo ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে এআই-নির্ভর ‘অটো ফাইন সিস্টেম’ চালু Logo প্রধানমন্ত্রীকে সৌদি আরব সফরের আমন্ত্রণ জানিয়েছেন যুবরাজ বিন সালমান Logo ছয় মাসে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির দৃশ্যমান উন্নতি হয়েছে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী Logo সরকারের ১৮০ দিনের সালতামামি: ধ্বংসস্তূপ থেকে পরিকল্পিত পুনর্গঠনের পথে বাংলাদেশ Logo শিগগিরই জনপ্রশাসন সংস্কার কমিশন গঠন করবে সরকার : নজরুল ইসলাম খান Logo রাষ্ট্র ও মানুষের মর্যাদা প্রতিষ্ঠাই সরকারের বড় সাফল্য:সালেহ শিবলী Logo শেখ হাসিনার কোন স্ট্যাটাসে ভারতে আছেন জানা নেই: চিফ প্রসিকিউটর Logo ১০ বছরের জ্বালানি পরিকল্পনা সংসদে উপস্থাপনের ঘোষণা প্রধানমন্ত্রীর Logo আগামীকাল কিশোরগঞ্জ সফর করবেন প্রধানমন্ত্রী

হাত-পা বেঁধে ছাত্রীকে ধর্ষণ : কোচিং মালিক ‘বন্দুকযুদ্ধে’ নিহত

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ১১:০৪:৪০ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৯ এপ্রিল ২০১৯ ১৯৬ বার পড়া হয়েছে

নিজস্ব প্রতিবেদক;
চট্টগ্রামের লোহাগাড়ায় বাড়িতে মায়ের অনুপস্থিতিতে হাত-পা বেঁধে নবম শ্রেণির ছাত্রীকে ধর্ষণে অভিযুক্ত কোচিং সেন্টারের মালিক সাইফুল ইসলাম কথিত বন্দুকযুদ্ধে নিহত হয়েছে।

রোববার (২৮ এপ্রিল) দিবাগত রাতে লোহাগাড়া উপজেলার উত্তর আমিরাবাদ এলাকায় এই ‘বন্দুকযুদ্ধে’র ঘটনা ঘটে। র‌্যাবের চট্টগ্রাম জোনের সহকারী পরিচালক এএসপি মো. মাশকুর রহমান বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

তিনি বলেন, ‘গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ধর্ষণে অভিযুক্ত কোচিং সেন্টারের মালিক সাইফুলকে গ্রেফতারের করতে গেলে তার সঙ্গে র‌্যাবের গোলাগুলি হয়। পরে ঘটনাস্থল থেকে সাইফুলের গুলিবিদ্ধ লাশ উদ্ধার করে র‌্যাব সদস্যরা।’

এ সময় ঘটনাস্থল থেকে ২টি অস্ত্র ও ২৪ রাউন্ড গুলি উদ্ধার করা হয়েছে বলেও জানান তিনি।

উল্লেখ্য, গত ১২ এপ্রিল (শুক্রবার) মায়ের অনুপস্থিতিতে হাত-পা বেঁধে নবম শ্রেণির ছাত্রীকে ধর্ষণ করে অভিযুক্ত সাইফুল ইসলাম। ঘটনা জানাজানি হওয়ার পর থেকেই কোচিং সেন্টার বন্ধ করে তিনি আত্মগোপনে যান। এ ঘটনায় গত ১৫ এপ্রিল লোহাগাড়া থানায় একটি মামলা করে ওই স্কুলছাত্রীর মা।

মামলার বিবরণে জানা গেছে, লোহাগাড়া উপজেলার উত্তর আমিরাবাদের আব্দুস সোবহানের ছেলে সাইফুল ইসলাম কিছুদিন আগে এলাকায় ‘সৃজনশীল’ নামে একটি কোচিং সেন্টার চালু করে। সাইফুলের অনুরোধে স্থানীয় একটি বিদ্যালয়ের নবম শ্রেণির ছাত্রী, তার বোন ও দুই ভাইকে ওই কোচিং সেন্টারে ভর্তি করানো হয়। সেই থেকে সাইফুলের সঙ্গে ওই ছাত্রীর পরিবারের যোগসূত্র গড়ে ওঠে।

গত ১২ এপ্রিল ওই স্কুলছাত্রীর মায়ের অনুপস্থিতে তার বাসায় যায় কোচিং সেন্টারের পরিচালক সাইফুল এবং তাকে একা পেয়ে হাত-পা বেঁধে ধর্ষণ করে। এ সময় ওই স্কুলছাত্রীর চিৎকারে প্রতিবেশীরা এগিয়ে এলে ধর্ষক সাইফুল পালিয়ে যায়। পরে স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যায়। সেখান থেকে তাকে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ (চমেক) হাসপাতাল ওয়ান স্টপ ক্রাইসিস সেন্টারে ভর্তি করা হয়। দীর্ঘ এক সপ্তাহ চমেক হাসপাতালের ওসিসিতে চিকিৎসা নেয়ার পর গত ১৯ এপ্রিল বাড়ি ফেরে ওই ছাত্রী।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :
error: Content is protected !!

হাত-পা বেঁধে ছাত্রীকে ধর্ষণ : কোচিং মালিক ‘বন্দুকযুদ্ধে’ নিহত

আপডেট সময় : ১১:০৪:৪০ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৯ এপ্রিল ২০১৯

নিজস্ব প্রতিবেদক;
চট্টগ্রামের লোহাগাড়ায় বাড়িতে মায়ের অনুপস্থিতিতে হাত-পা বেঁধে নবম শ্রেণির ছাত্রীকে ধর্ষণে অভিযুক্ত কোচিং সেন্টারের মালিক সাইফুল ইসলাম কথিত বন্দুকযুদ্ধে নিহত হয়েছে।

রোববার (২৮ এপ্রিল) দিবাগত রাতে লোহাগাড়া উপজেলার উত্তর আমিরাবাদ এলাকায় এই ‘বন্দুকযুদ্ধে’র ঘটনা ঘটে। র‌্যাবের চট্টগ্রাম জোনের সহকারী পরিচালক এএসপি মো. মাশকুর রহমান বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

তিনি বলেন, ‘গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ধর্ষণে অভিযুক্ত কোচিং সেন্টারের মালিক সাইফুলকে গ্রেফতারের করতে গেলে তার সঙ্গে র‌্যাবের গোলাগুলি হয়। পরে ঘটনাস্থল থেকে সাইফুলের গুলিবিদ্ধ লাশ উদ্ধার করে র‌্যাব সদস্যরা।’

এ সময় ঘটনাস্থল থেকে ২টি অস্ত্র ও ২৪ রাউন্ড গুলি উদ্ধার করা হয়েছে বলেও জানান তিনি।

উল্লেখ্য, গত ১২ এপ্রিল (শুক্রবার) মায়ের অনুপস্থিতিতে হাত-পা বেঁধে নবম শ্রেণির ছাত্রীকে ধর্ষণ করে অভিযুক্ত সাইফুল ইসলাম। ঘটনা জানাজানি হওয়ার পর থেকেই কোচিং সেন্টার বন্ধ করে তিনি আত্মগোপনে যান। এ ঘটনায় গত ১৫ এপ্রিল লোহাগাড়া থানায় একটি মামলা করে ওই স্কুলছাত্রীর মা।

মামলার বিবরণে জানা গেছে, লোহাগাড়া উপজেলার উত্তর আমিরাবাদের আব্দুস সোবহানের ছেলে সাইফুল ইসলাম কিছুদিন আগে এলাকায় ‘সৃজনশীল’ নামে একটি কোচিং সেন্টার চালু করে। সাইফুলের অনুরোধে স্থানীয় একটি বিদ্যালয়ের নবম শ্রেণির ছাত্রী, তার বোন ও দুই ভাইকে ওই কোচিং সেন্টারে ভর্তি করানো হয়। সেই থেকে সাইফুলের সঙ্গে ওই ছাত্রীর পরিবারের যোগসূত্র গড়ে ওঠে।

গত ১২ এপ্রিল ওই স্কুলছাত্রীর মায়ের অনুপস্থিতে তার বাসায় যায় কোচিং সেন্টারের পরিচালক সাইফুল এবং তাকে একা পেয়ে হাত-পা বেঁধে ধর্ষণ করে। এ সময় ওই স্কুলছাত্রীর চিৎকারে প্রতিবেশীরা এগিয়ে এলে ধর্ষক সাইফুল পালিয়ে যায়। পরে স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যায়। সেখান থেকে তাকে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ (চমেক) হাসপাতাল ওয়ান স্টপ ক্রাইসিস সেন্টারে ভর্তি করা হয়। দীর্ঘ এক সপ্তাহ চমেক হাসপাতালের ওসিসিতে চিকিৎসা নেয়ার পর গত ১৯ এপ্রিল বাড়ি ফেরে ওই ছাত্রী।