ঢাকা ০৮:০০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩০ এপ্রিল ২০২৬, ১৭ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
Logo জাতীয় গৃহায়ন কর্তৃপক্ষের নথি জালিয়াতি: ৫ জনকে শোকজ ও মামলা Logo সওজে অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী আজাদের ‘অদৃশ্য সাম্রাজ্য’ ও অবৈধ সম্পদ: পূর্বাচলে কয়েক কোটি টাকার প্লট Logo শহীদ জিয়ার মাজারে জিয়া শিশু কিশোর মেলার নতুন কমিটির শ্রদ্ধা Logo এসএসসি পরীক্ষার্থীদের পাশে জিয়া শিশু কিশোর মেলা: বিশুদ্ধ পানি ও স্যালাইন বিতরণ Logo কবি আকাশমণির রোমান্টিক লেখা “ক্লান্তরা সুখ হয়ে ওঠে” Logo লালপুরে দণ্ডপ্রাপ্ত পলাতক আসামিকে গ্রেফতার Logo মোহনা টিভি দখলের অপচেষ্টা: মিরপুরে উত্তেজনা, থানায় জিডি Logo বন বিভাগে পদোন্নতি জট ও কর্তাদের দুর্নীতির অভিযোগ: আদালতের হস্তক্ষেপে নতুন করে উত্তেজনা Logo জেল থেকে ফিরেই প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে প্রকৌশলী জুয়েল রানা Logo থাইল্যান্ডের চিকিৎসা নির্ভরতা কমাতে বাংলাদেশে সেবা সম্প্রসারণে আগ্রহ ব্যাংককের বিএনএইচ হাসপাতালের

তরুণ নেতৃত্ব হিসেবে কাজ করছেন শাবির নুপুর

শাবিপ্রবি প্রতিনিধি
  • আপডেট সময় : ০১:২৪:১৬ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ৯ জুন ২০২৪ ২৪৭ বার পড়া হয়েছে

 সুইজারল্যান্ডের জেনেভা ভিত্তিক ইউনাইটেড পিপল গ্লোবাল এবং আমেরিকার হারিকেন আইল্যান্ড সেন্টার ফর সাইন্স এ্যন্ড লিডারশীপের যৌথ উদ্যোগে জাতিসংঘের ১৭টি এসডিজি অর্জনের জন্য তরুণ লিডার তৈরির লক্ষ্যে কাজ করছে” ইউপিজি সাস্টেইন্যাবিলিটি লিডারশীপ প্রোগ্রাম-২০২৪”।

প্রতিবছরের মতো এইবছরও বিশ্বের প্রায় ১২০টি দেশের প্রায় ১৩,০০০ শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণে ১ম রাউন্ড অনুষ্টিত হয়।যেখানে শর্টলিস্টের মাধ্যমে সিলেক্ট হওয়া শিক্ষার্থীদের প্রায় ৯ সপ্তাহের ট্রেনিং সেশন আয়োজনের মাধ্যমে তরুণ লিডারদের দক্ষতা বৃদ্ধি ও টেকসই বিশ্ব নির্মাণের উপযোগী করে তোলে।ইউপিজি মূলত তরুণ লিডার তৈরির মাধ্যমে প্রত্যেককে নিজ সম্প্রদায়ের সমস্যা যেমন: দারিদ্র্য, ক্ষুধা,লিঙ্গবৈষম্য এবং জলবায়ু পরিবর্তন ইত্যাদি সমাধানের জন্য যোগ্য করে তোলার লক্ষ্যে কাজ করছে।এই প্রোগ্রামটি টেকসই বিশ্ব নির্মাণে এসডিজি এর ১৭টি লক্ষ্য অর্জনের ভিত্তিতে সজ্জিত।নয় সপ্তাহের এই প্রোগ্রাম শেষে ৫০০ জন শিক্ষার্থীকে সার্টিফিকেট প্রদান এবং ৬০জন শিক্ষার্থী কে আমেরিকার হারিকেন আইল্যান্ডে ফুল ফান্ডিংয়ে এক সপ্তাহের জন্য ট্রেইনিংয়ে নেওয়া হবে।

“ইউপিজি সাস্টেইন্যাবিলিটি লিডারশীপ প্রোগ্রাম -২০২৪” এ শর্টলিস্টে সিলেক্ট হওয়া শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের পলিটিক্যাল স্টাডিজ বিভাগের শিক্ষার্থী নুপুর খানম তার অনুভূতি ব্যক্ত করে আমাদের জানান,গত বছরের শেষ দিকে এর আবেদন শুরু হয়।আমার ডিপার্টমেন্টের সিনিয়র হাবিবুর রহমান মাসরুর ভাই গত বছর এই প্রোগ্রামে অংশগ্রহণ করে আমেরিকার হারিকেন আইল্যান্ডে হওয়া ট্রেনিং সেশনে যোগদান করেছিলেন।তারই অনুপ্রেরণা, পরামর্শ ও দিকনির্দেশনায় আমি এই প্রোগ্রামে অংশগ্রহণ করেছি।”

তিনি আরো বলেন,”এই প্রোগ্রামের অংশ হিসেবে আমি আমার সহপাঠী, বন্ধুবান্ধব,সিনিয়র, জুনিয়র এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের অন্যান্য শিক্ষার্থীদের নিয়ে মিনি ট্রেইনিং সেশন আয়োজন করে সেখানে তাদের বৈশ্বিক সমস্যা সম্পর্কে সতর্কীকরণ,প্রতিরোধে সচেতনতা সৃষ্টি সম্পর্কে জানানের চেষ্টা করি।এছাড়াও আমি বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে গিয়ে সেখানকার শিশুদের মাঝে গুনগত শিক্ষা অর্জনের প্রতি উৎসাহ প্রদান, শিক্ষার মাধ্যমে দারিদ্র্যতা দূরীকরণ, দূষণমুক্ত ও স্বাস্থ্যসম্মত পরিবেশ সৃষ্টি এবং তা বজায় রাখা,লিঙ্গ বৈষম্য দূরীকরণের মাধ্যমে সকলের সহযোগিতায় টেকসই বিশ্ব গঠনে প্রত্যেককে নিজ নিজ জায়গায় থেকে ভূমিকা পালন করার কথা বলি।”

ইউপিজি সম্পর্কে জিজ্ঞেস করলে তিনি জানান,” ইউপিজি এমন একটি প্লাটফর্ম যেখানে আমরা তরুণ লিডাররা এসডিজি এর ১৭টি লক্ষ্য অর্জনে উৎসাহী তরুণদের অংশগ্রহণ বৃদ্ধি এবং সকলের মাঝে একটি সৌহার্দপূর্ণ শক্তিশালী সম্পর্ক সৃষ্টির মাধ্যমে বিভিন্ন সমস্যা সমাধানের জন্য প্রস্তুত হচ্ছি।এটি সচেতনতা বৃদ্ধি, উৎসাহ এবং প্রয়োজনীয় সুবিধা প্রদানের মাধ্যমে প্রত্যেকের নেতৃত্ব দেওয়ার গুণাবলী বিকাশে ভূমিকা রাখছে।তাই আমি মনে করি উজ্জীবিত তরুণদের মেধা ও দক্ষতা কাজে লাগিয়ে টেকসই বিশ্ব গঠনে এই প্রোগ্রামের গুরুত্ব অবর্ণনীয়।”

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :
error: Content is protected !!

তরুণ নেতৃত্ব হিসেবে কাজ করছেন শাবির নুপুর

আপডেট সময় : ০১:২৪:১৬ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ৯ জুন ২০২৪

 সুইজারল্যান্ডের জেনেভা ভিত্তিক ইউনাইটেড পিপল গ্লোবাল এবং আমেরিকার হারিকেন আইল্যান্ড সেন্টার ফর সাইন্স এ্যন্ড লিডারশীপের যৌথ উদ্যোগে জাতিসংঘের ১৭টি এসডিজি অর্জনের জন্য তরুণ লিডার তৈরির লক্ষ্যে কাজ করছে” ইউপিজি সাস্টেইন্যাবিলিটি লিডারশীপ প্রোগ্রাম-২০২৪”।

প্রতিবছরের মতো এইবছরও বিশ্বের প্রায় ১২০টি দেশের প্রায় ১৩,০০০ শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণে ১ম রাউন্ড অনুষ্টিত হয়।যেখানে শর্টলিস্টের মাধ্যমে সিলেক্ট হওয়া শিক্ষার্থীদের প্রায় ৯ সপ্তাহের ট্রেনিং সেশন আয়োজনের মাধ্যমে তরুণ লিডারদের দক্ষতা বৃদ্ধি ও টেকসই বিশ্ব নির্মাণের উপযোগী করে তোলে।ইউপিজি মূলত তরুণ লিডার তৈরির মাধ্যমে প্রত্যেককে নিজ সম্প্রদায়ের সমস্যা যেমন: দারিদ্র্য, ক্ষুধা,লিঙ্গবৈষম্য এবং জলবায়ু পরিবর্তন ইত্যাদি সমাধানের জন্য যোগ্য করে তোলার লক্ষ্যে কাজ করছে।এই প্রোগ্রামটি টেকসই বিশ্ব নির্মাণে এসডিজি এর ১৭টি লক্ষ্য অর্জনের ভিত্তিতে সজ্জিত।নয় সপ্তাহের এই প্রোগ্রাম শেষে ৫০০ জন শিক্ষার্থীকে সার্টিফিকেট প্রদান এবং ৬০জন শিক্ষার্থী কে আমেরিকার হারিকেন আইল্যান্ডে ফুল ফান্ডিংয়ে এক সপ্তাহের জন্য ট্রেইনিংয়ে নেওয়া হবে।

“ইউপিজি সাস্টেইন্যাবিলিটি লিডারশীপ প্রোগ্রাম -২০২৪” এ শর্টলিস্টে সিলেক্ট হওয়া শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের পলিটিক্যাল স্টাডিজ বিভাগের শিক্ষার্থী নুপুর খানম তার অনুভূতি ব্যক্ত করে আমাদের জানান,গত বছরের শেষ দিকে এর আবেদন শুরু হয়।আমার ডিপার্টমেন্টের সিনিয়র হাবিবুর রহমান মাসরুর ভাই গত বছর এই প্রোগ্রামে অংশগ্রহণ করে আমেরিকার হারিকেন আইল্যান্ডে হওয়া ট্রেনিং সেশনে যোগদান করেছিলেন।তারই অনুপ্রেরণা, পরামর্শ ও দিকনির্দেশনায় আমি এই প্রোগ্রামে অংশগ্রহণ করেছি।”

তিনি আরো বলেন,”এই প্রোগ্রামের অংশ হিসেবে আমি আমার সহপাঠী, বন্ধুবান্ধব,সিনিয়র, জুনিয়র এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের অন্যান্য শিক্ষার্থীদের নিয়ে মিনি ট্রেইনিং সেশন আয়োজন করে সেখানে তাদের বৈশ্বিক সমস্যা সম্পর্কে সতর্কীকরণ,প্রতিরোধে সচেতনতা সৃষ্টি সম্পর্কে জানানের চেষ্টা করি।এছাড়াও আমি বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে গিয়ে সেখানকার শিশুদের মাঝে গুনগত শিক্ষা অর্জনের প্রতি উৎসাহ প্রদান, শিক্ষার মাধ্যমে দারিদ্র্যতা দূরীকরণ, দূষণমুক্ত ও স্বাস্থ্যসম্মত পরিবেশ সৃষ্টি এবং তা বজায় রাখা,লিঙ্গ বৈষম্য দূরীকরণের মাধ্যমে সকলের সহযোগিতায় টেকসই বিশ্ব গঠনে প্রত্যেককে নিজ নিজ জায়গায় থেকে ভূমিকা পালন করার কথা বলি।”

ইউপিজি সম্পর্কে জিজ্ঞেস করলে তিনি জানান,” ইউপিজি এমন একটি প্লাটফর্ম যেখানে আমরা তরুণ লিডাররা এসডিজি এর ১৭টি লক্ষ্য অর্জনে উৎসাহী তরুণদের অংশগ্রহণ বৃদ্ধি এবং সকলের মাঝে একটি সৌহার্দপূর্ণ শক্তিশালী সম্পর্ক সৃষ্টির মাধ্যমে বিভিন্ন সমস্যা সমাধানের জন্য প্রস্তুত হচ্ছি।এটি সচেতনতা বৃদ্ধি, উৎসাহ এবং প্রয়োজনীয় সুবিধা প্রদানের মাধ্যমে প্রত্যেকের নেতৃত্ব দেওয়ার গুণাবলী বিকাশে ভূমিকা রাখছে।তাই আমি মনে করি উজ্জীবিত তরুণদের মেধা ও দক্ষতা কাজে লাগিয়ে টেকসই বিশ্ব গঠনে এই প্রোগ্রামের গুরুত্ব অবর্ণনীয়।”