ঢাকা ০২:৩৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ০৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৩, ২৪ মাঘ ১৪২৯ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
Logo ঐতিহ্যবাহী সোহরাওয়ার্দী কলেজ সাংবাদিক সমিতির কমিটি গঠন Logo চেয়ারম্যানের আহ্লাদে বেপরোয়া বিআইডব্লিউটিএ‘র কর্মচারি পান্না বিশ্বাস! Logo রাজউকে বদলী ও পদায়নে ভয়ংকর দুর্নীতি ফাঁস: নেপথ্য নায়ক প্রধান প্রকৌশলী  Logo কুবির শেখ হাসিনা হলের গ্যাস লিক, আতঙ্কে শিক্ষার্থীরা Logo ইন্টার্ন চিকিৎসকের হাত-পা ভেঙে দিলেন সহকর্মীরা Logo ঐতিহ্যবাহী শহীদ সোহরাওয়ার্দী কলেজে অফিসার্স কাউন্সিল নির্বাচন অনুষ্ঠিত  Logo একজন মমতাময়ী মায়ের উদাহরণ শাবির প্রাধ্যক্ষ জোবেদা কনক Logo বাংলা বিভাগের নতুন চেয়ারম্যান ড. শামসুজ্জামান মিলকী Logo মেট্রোপলিটন ইউনিভার্সিটি শিক্ষার্থীদের দক্ষ জনশক্তি ও উদ্যোক্তা তৈরীতে ভূমিকা রাখবেঃ ভাইস চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. মোহাম্মদ জহিরুল হক  Logo কুবিতে প্রক্টরের সামনে সহকারী প্রক্টরকে মারতে তেড়ে গেলেন ২ নেতা




প্রতিদ্বন্দ্বী রাজাকারের ছেলে খুব কষ্ট লাগছে- নাজিম উদ্দিন

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৭:৩৪:৪০ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৯ ডিসেম্বর ২০১৮ ৩৪ বার পড়া হয়েছে

 

 

গৌরীপুর (ময়মনসিংহ) প্রতিনিধিঃ ময়মনসিংহ-৩ (গৌরীপুর) আসনের মহাজোট প্রার্থী মুক্তিযোদ্ধা নাজিম উদ্দিন আহমেদ বলেছেন, এ আসনের বিএনপির প্রার্থী এম ইকবাল হোসেইন একজন রাজাকারের ছেলে। একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে তিনি ধানের শীষ প্রতীক নিয়ে মুক্তিযোদ্ধার বিরুদ্ধে মাঠে নেমেছেন তিনি।

৪৭ বছর পর স্বাধীনতা বিপক্ষের শক্তির সঙ্গে আমাকে আরেকটি যুদ্ধ করতে হচ্ছে, এতে মনে আমার খুব কষ্ট লাগছে। আমি আত্মতৃপ্তি পেতাম, যদি ৭১’র মুক্তিযুদ্ধে ইকবালের বাবা রাজাকার ইসমাইল হোসেন তালুকদারকে নিজ হাতে গুলি করে হত্যা করতে পারতাম। মুক্তিযুদ্ধের সময় তাকে হত্যার জন্য অনেক খুঁজেছি কিন্তু পাইনি।

বুধবার দুপুরে ময়মনসিংহের গৌরীপুরে স্থানীয় অগ্রদূত নিকেতন উচ্চ বিদ্যালয়ে সনাতন হিন্দুধর্মাবলম্বীদের সঙ্গে নির্বাচনী মতবিনিময়ে এসব কথা বলেন তিনি।

মহাজোট প্রার্থী বলেন, ইকবালের বাবা ইসমাইল হোসেন ময়মনসিংহ জেলা শান্তি কমিটির সহসভাপতি ছিলেন। মুক্তিযুদ্ধে বাঙালির বিরুদ্ধে পাক বাহিনীকে সহযোগিতার অপরাধে স্বাধীনতার পর তিনি রাজাকার হিসেবে দীর্ঘদিন কারাভোগ করেন। তাই রাজাকারের ছেলেকে যদি অপনারা ভোট দেন, তাহলে বঙ্গবন্ধু ও মুক্তিযোদ্ধাদের আত্মা কষ্ট পাবে।

এসময় তিনি দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করে এ মুক্তিযোদ্ধা বলেন, বঙ্গবন্ধুর ডাকে ৭১’এ অস্ত্র হাতে স্বাধীনতার বিপক্ষের শক্তিকে পরাজিত করে এদেশকে মুক্ত করেছিলাম। ৩০ ডিসেম্বর নির্বাচনে ভোট বিপ্লবের মাধ্যমে রাজাকার ছেলেকে পরাজিত করব (ইনশাল্লাহ)।

গৌরীপুর উপজেলা পূজা উদযাপন পরিষদের সভাপতি অরুণ সরকারের সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক শ্যামল করের সঞ্চালনায় এ মতবিনিময় সভায় বক্তব্য দেন, উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ডা. হেলাল উদ্দিন আহাম্মদ, সাধারণ সম্পাদক বিধু ভূষণ দাস, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ম. নুরুল ইসলাম, ইকবাল হোসেন জুয়েল, মহিলা বিষয়ক সম্পাদক রাবেয়া ইসলাম ডলি, সাবেক পৌর মেয়র মো. শফিকুল ইসলাম হবি, বীর মুক্তিযোদ্ধা রতন চন্দ্র সরকার, সাংবাদিক কমল সরকার, উপজেলা হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদের সভাপতি হীরা লাল পষ্টার, সাধারণ সম্পাদক বিপ্লব কুমার মণ্ডল, সাবেক সভাপতি সমীরণ সাহা, বোকাইনগর কালীবাড়ী মন্দির কমিটির সভাপতি প্রণয় সরকার রুবেল, গোবিন্দ জিউর মন্দির কমিটির সাধারণ সম্পাদক স্বপন এস, লোকনাথ মন্দির কমিটির সভাপতি অজিত মোদক সহ পূজা উদযাপন পরিষদের বিভিন্ন ইউপি কমিটির নেতারা।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :




প্রতিদ্বন্দ্বী রাজাকারের ছেলে খুব কষ্ট লাগছে- নাজিম উদ্দিন

আপডেট সময় : ০৭:৩৪:৪০ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৯ ডিসেম্বর ২০১৮

 

 

গৌরীপুর (ময়মনসিংহ) প্রতিনিধিঃ ময়মনসিংহ-৩ (গৌরীপুর) আসনের মহাজোট প্রার্থী মুক্তিযোদ্ধা নাজিম উদ্দিন আহমেদ বলেছেন, এ আসনের বিএনপির প্রার্থী এম ইকবাল হোসেইন একজন রাজাকারের ছেলে। একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে তিনি ধানের শীষ প্রতীক নিয়ে মুক্তিযোদ্ধার বিরুদ্ধে মাঠে নেমেছেন তিনি।

৪৭ বছর পর স্বাধীনতা বিপক্ষের শক্তির সঙ্গে আমাকে আরেকটি যুদ্ধ করতে হচ্ছে, এতে মনে আমার খুব কষ্ট লাগছে। আমি আত্মতৃপ্তি পেতাম, যদি ৭১’র মুক্তিযুদ্ধে ইকবালের বাবা রাজাকার ইসমাইল হোসেন তালুকদারকে নিজ হাতে গুলি করে হত্যা করতে পারতাম। মুক্তিযুদ্ধের সময় তাকে হত্যার জন্য অনেক খুঁজেছি কিন্তু পাইনি।

বুধবার দুপুরে ময়মনসিংহের গৌরীপুরে স্থানীয় অগ্রদূত নিকেতন উচ্চ বিদ্যালয়ে সনাতন হিন্দুধর্মাবলম্বীদের সঙ্গে নির্বাচনী মতবিনিময়ে এসব কথা বলেন তিনি।

মহাজোট প্রার্থী বলেন, ইকবালের বাবা ইসমাইল হোসেন ময়মনসিংহ জেলা শান্তি কমিটির সহসভাপতি ছিলেন। মুক্তিযুদ্ধে বাঙালির বিরুদ্ধে পাক বাহিনীকে সহযোগিতার অপরাধে স্বাধীনতার পর তিনি রাজাকার হিসেবে দীর্ঘদিন কারাভোগ করেন। তাই রাজাকারের ছেলেকে যদি অপনারা ভোট দেন, তাহলে বঙ্গবন্ধু ও মুক্তিযোদ্ধাদের আত্মা কষ্ট পাবে।

এসময় তিনি দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করে এ মুক্তিযোদ্ধা বলেন, বঙ্গবন্ধুর ডাকে ৭১’এ অস্ত্র হাতে স্বাধীনতার বিপক্ষের শক্তিকে পরাজিত করে এদেশকে মুক্ত করেছিলাম। ৩০ ডিসেম্বর নির্বাচনে ভোট বিপ্লবের মাধ্যমে রাজাকার ছেলেকে পরাজিত করব (ইনশাল্লাহ)।

গৌরীপুর উপজেলা পূজা উদযাপন পরিষদের সভাপতি অরুণ সরকারের সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক শ্যামল করের সঞ্চালনায় এ মতবিনিময় সভায় বক্তব্য দেন, উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ডা. হেলাল উদ্দিন আহাম্মদ, সাধারণ সম্পাদক বিধু ভূষণ দাস, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ম. নুরুল ইসলাম, ইকবাল হোসেন জুয়েল, মহিলা বিষয়ক সম্পাদক রাবেয়া ইসলাম ডলি, সাবেক পৌর মেয়র মো. শফিকুল ইসলাম হবি, বীর মুক্তিযোদ্ধা রতন চন্দ্র সরকার, সাংবাদিক কমল সরকার, উপজেলা হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদের সভাপতি হীরা লাল পষ্টার, সাধারণ সম্পাদক বিপ্লব কুমার মণ্ডল, সাবেক সভাপতি সমীরণ সাহা, বোকাইনগর কালীবাড়ী মন্দির কমিটির সভাপতি প্রণয় সরকার রুবেল, গোবিন্দ জিউর মন্দির কমিটির সাধারণ সম্পাদক স্বপন এস, লোকনাথ মন্দির কমিটির সভাপতি অজিত মোদক সহ পূজা উদযাপন পরিষদের বিভিন্ন ইউপি কমিটির নেতারা।