শ্রীমঙ্গলে আ.লীগ নেতার দৌরাত্ব, অতিষ্ঠ সাধারণ মানুষ!

সকালের সংবাদ ডেস্ক;সকালের সংবাদ ডেস্ক;
  প্রকাশিত হয়েছেঃ  ০১:০৯ অপরাহ্ণ, ০৭ ডিসেম্বর ২০১৯

শ্রীমঙ্গল প্রতিবেদক: মৌলভীবাজার জেলার শ্রীসঙ্গল উপজেলার সিন্দুরখাঁন ইউনিয়নের লাংলিয়াছড়া পাহাড়ি এলাকার যুবলীগের এক নেতার দাপটে অতিষ্ঠ সাধারণ মানুষ। তার অত্যাচার নির্যাতনের ভয়ে কেউ মুখ খুলে কথা বলতে পারে না তারা। এর প্রতিবাদে নির্যাতনে অতিষ্ঠ এলাকা বাসি মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর বরাবর সহ স্বরাষ্ট্র মন্ত্রনালয়,বন পরিবেশ ও জলবায়ূ মন্ত্রনালয়,ভূমি মন্ত্রনালয়,আইজিপি পুলিশ সদর দপ্তর ঢাকা, মহাপরিচালক এনএসআই, এনএসআই কার্যালয়, সেগুন বাগিছা,ঢাকা। মহাপরিচালক, ডিজিএফআই, প্রতিরক্ষা গোয়েন্দা মহাপরিদপ্তর ডিজিএফআই এর প্রধান কার্যালয়, ঢাকা সেনানিবাস। মহাপরিচালক বিজিবি সদর দপ্তর ঢাকা। মাননীয় চেয়ারম্যান আওয়ামী লীগ, যুবলীগ, কেন্দ্রীয় কমিটি, কেন্দ্রীয় কার্যালয়, বঙ্গবন্ধু এভিনিউ ঢাকা। বিভাগীয় কমিশনার সিলেট বিভাগ সিলেট।ডিআইজি,সিলেট রেঞ্জ,সিলেট। জেলা প্রশাসক মৌলভীবাজার। পুলিশ সুপার মৌলভীবাজার। সহকারী পরিচালক দুদক সমন্বিত জেলা কার্যালয় হবিগঞ্জ। সভাপতি-সম্পাদক জেলা আওয়ামীলীগ,মৌলভীবাজার। সভাপতি-সম্পাদক মৌলভীবাজার জেলা যুবলীগ। সভাপতি-সম্পাদক শ্রীমঙ্গল উপজেলা আওয়ামীলীগ । সভাপতি-সম্পাদক শ্রীমঙ্গল উপজেলা শাখার যুবলীগ বরাবর ওই এলাকার সাধারণ নারী পুরুষ সদয় অবগতির ও প্রযোজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য অনুলিপি প্রদান করেছেন।

ভুক্তভোগীদের অভিযোগ, চাঁদাবাজ,ভূমিখেকো,গাছচুর,ফুল মিয়া মহালদার বাহিনীর প্রধান ও সিন্দুরখাঁন ইউনিয়নের যুব লীগের সভাপতি ফুল মিয়া এলাকার সাধারণ মানুষের উপর অত্যাচার নির্যাতন চালিয়ে আসছে। দলীয় প্রভাব ও মাননীয় প্রধান মন্ত্রীর ভাগনার সঙ্গে ব্যবসা করে এবং আ.লীগের কেন্দ্রীয় নেতা সালমান এফ রহমান ও স্থানীয় সংসদ সদস্য উপাধ্যক্ষ আব্দুস শহীদের নাম ভাঙ্গিয়ে পাহাড়িবাসীর কাছ থেকে চাঁদা আদায় করে। কেউ প্রতিবাদ করলে প্রভাবশালী এই নেতা পুলিশ ও প্রশাসনকে ব্যবহার করে বিভিন্ন মামলা দিয়ে হয়রানী ও জেল জরিমানা করছে সাধারণ মানুষকে।

তাদের অভিযোগ, আওয়ামীলীগের ইউনিয়নের যুবলীগের সভাপতি ফুল মিয়া প্রতিবছর একটি চা বাগান জন্য জমি লীজ নেয়ার আবেদন দেখিয়ে ৫/৬ লাখ টাকা আদায় করে। তখন স্থানীয়রা টাকা দিতে না চাইলে নানা ভাবে নির্যাতনের শিকার করে এই নেতা।
স্থানীয়দের অভিযোগ,একজন কাঠুরিয়া থেকে স্থানীয় সংসদ সদস্যের নাম ভাঙ্গিলে পরিবেশ ধ্বংস করে পাহারের গাছ কেটে ও লাংলিয়াছড়া পাহাড়ি এলাকার বিভিন্ন পাহাড় দখল করে বিক্রি করে হঠাৎ করে আঙ্গুল ফুলে কলাগাছ বনে যায় ফুল মিয়া । এ সমস্ত অপকর্ম করে এখন সে কোটি কোটি টাকার মালিক।
সর্বশেষ চলতি বছরের ২৪নভেম্বর শ্রীমঙ্গল উপজেলা ভূমি কর্মকর্তা সহকারী কমিশনার বিষয়টি তদন্তে যাওয়ার পর ৫/৬ শত বসতভিটা দেখতে পান। তখন ফুল মিয়া মহালদার ভূমি কর্মকর্তা সহকারী কমিশনার কে চ্যালেঞ্জ করে সেখানে ১৪টি বসতভিটা রয়েছে। এনিয়ে ওই কর্মকর্তাদের তুচ্ছ-তাচ্ছিল করে।তখন স্থানীয়রা প্রতিবাদ করলে উত্তেজিত হয়ে গালাগাল শুরু করে সে।এছাড়া সংবাদ সংগ্রহ করতে আসা এক সাংবাদিক কে মারধর করে ল্যাপটপ,ক্যামেরা, মোবাইল ফোন ছিনিয়ে যায়। এবিয়য়ে পুলিশ সুপার মাধ্যমে এৎাহার দাখিল করলেও এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত এফআইআর করছে না শ্রীমঙ্গল থানা।

স্থানীয় ভুক্তভোগী সাধারণ মানুষ ওই নেতার অত্যাচার থেকে বাঁচতে সংসদ মাননীয় প্রধান মন্ত্রীর হস্তক্ষেপ কামানা করেছেন।

আপনার মতামত লিখুন :