ঢাকা ১০:৩৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১০ মার্চ ২০২৬, ২৬ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
Logo সাড়ে ৬শ’ কোটি টাকার সেচ প্রকল্পে অনিয়মের অভিযোগ নিয়েও বহাল পিডি নুরুল ইসলাম Logo দৈনিক ‘প্রতিদিনের কাগজ’ প্রকাশনা নিয়ে আইনি জটিলতা: হাইকোর্টের রুল: মালিকানা ও সম্পাদনায় বিতর্ক Logo প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরে আউটসোর্সিং নিয়োগ ঘিরে ২৫ কোটি টাকার বাণিজ্যের পরিকল্পনা! Logo মৎস্য অধিদপ্তরের প্রকল্প পরিচালক জাহাঙ্গীরের বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগের পাহাড় Logo ডিএনসিসির প্রকৌশলী আহসান হাবিবের বিরুদ্ধে টেন্ডার অনিয়ম ও ঠিকাদার হয়রানির অভিযোগ Logo অভিযোগের পাহাড় পেরিয়েও বহাল তবিয়তে ফায়ার সার্ভিসের ডিজি Logo সওজে পরিচালক ও অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী আজাদ সিন্ডিকেটের দূর্নীতির সাম্রাজ্য Logo ঠিকাদারের মুখোশে ফরিদুল আলমের বিরুদ্ধে চাকরির প্রলোভনে কোটি টাকা লুটের অভিযোগ Logo জাতীয় প্রেসক্লাবে জিয়া শিশু কিশোর মেলার সাধারণ সভা ও ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত Logo গণতন্ত্র প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দিতে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে: সালাম

ধরাছোঁয়ার বাইরে ঝিনাইগাতির আওয়ামী ক্যাডার জিয়া

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৯:৫৪:৩৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৯ ডিসেম্বর ২০২৪ ৩৮১ বার পড়া হয়েছে

শেরপুর জেলা প্রতিনিধি: আওয়ামী সরকারের ছত্রচ্ছায়ায় এলাকায় ত্রাসের রাজত্ব কায়েম করার অভিযোগ রয়েছে মো.জিয়া নামে এক আওয়ামী পন্থী নেতার বিরুদ্ধে। ফ্যাসিস্ট সরকারের আমলে দলীয় প্রভাব বিস্তার করে নিজেকে ক্যাডার হিসেবে জাহির করেছেন। বর্তমানে সেই আওয়ামী লীগের ক্যাডার জিয়া রয়েছেন ধরাছোঁয়ার বাইরে।

তার বিরুদ্ধে ভূমিদস্যু, সীমান্তে চোরাচালান, অস্ত্র, মাদক ব্যবসাসহ নানা অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডের অভিযোগে রয়েছে।

অভিযুক্ত মো.জিয়া (৩৮) শেরপুরের ঝিনাইগাতির উপজেলার কাংশা ইউনিয়নের  এবং একই ইউনিয়নের বাকাকুড়া গ্রামের সোরহাবের ছেলে।

গত ৫ই আগস্ট আওয়ামী সরকার পতনের পর তিনি গা ঢাকা দেন।
আওয়ামী রাজনীতির ছত্রচ্ছায়ায় গত ১৫-১৬ বছর ধরে জিয়া এলাকায় ত্রাসের রাজত্ব কায়েম করে। অস্ত্রের ভয় দেখিয়ে প্রতিনিয়ত এলাকার জনগণকে জিম্মি করে রেখেছিল। অস্ত্রের মহড়া দিলেও স্থানীয় লোকজন তার বিরুদ্ধে ভয়ে মুখ খোলার সাহস পায়নি।

এলাকায় মাদক বেচাকেনার সিন্ডিকেট নিয়ন্ত্রণও ছিল তার হাতে। সে মাদক সেবন ও বিক্রি করে এলাকার যুবসমাজকে ধ্বংস করে ফেলেছে।

অভিযোগ রয়েছে, সীমান্তে নারী পাচার, মাদক, গরু, চিনি, অস্ত্র ও ভারতের অবৈধ মালামাল বিক্রির সিন্ডিকেটের প্রধান ছিল জিয়া।

সরকার পতনের পর বেশ কিছু আওয়ামীলীগ নেতাকে গজনী সীমান্ত দিয়ে ভারতে পালিয়ে যেতে সাহায্য করেছে সে।

নাম প্রকাশ করে বক্তব্য দিতে রাজি নন জানিয়ে একাধিক স্থানীয় বাসিন্দা বলেন, গত তিনটি জাতীয় নির্বাচনসহ বেশ কয়েকটি স্থানীয় নির্বাচনে জিয়া ও তার অস্ত্রধারী ক্যাডারদের ভয়ে মানুষ তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পারেননি। অনেকেই ভোট দিতে যাননি প্রাণনাশের ঝুঁঁকি থাকায়। বেপরোয়া ছিল জিয়া ও তার অস্ত্রধারী ক্যাডার বাহিনী।

মুক্তিযোদ্ধার সন্তান ও আওয়ামী লীগের প্রভাব কাটিয়ে অন্যের জমি লিখে নেওয়া এবং দখল করার সাথেও সে জড়িত ছিল।

অভিযোগ রয়েছে, আদিবাসী নারীদের তুলে নিয়ে ধর্ষণ করতো এই জিয়া। নানারকম ফন্দি আঁটিয়ে নারীদের ব্লেক মেইল করে নির্যাতন ও ধর্ষণ করতো যুবলীগ নেতা জিয়া। এলাকায় ত্রাসের রাজত্ব কায়েম করেছিল সে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :
error: Content is protected !!

ধরাছোঁয়ার বাইরে ঝিনাইগাতির আওয়ামী ক্যাডার জিয়া

আপডেট সময় : ০৯:৫৪:৩৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৯ ডিসেম্বর ২০২৪

শেরপুর জেলা প্রতিনিধি: আওয়ামী সরকারের ছত্রচ্ছায়ায় এলাকায় ত্রাসের রাজত্ব কায়েম করার অভিযোগ রয়েছে মো.জিয়া নামে এক আওয়ামী পন্থী নেতার বিরুদ্ধে। ফ্যাসিস্ট সরকারের আমলে দলীয় প্রভাব বিস্তার করে নিজেকে ক্যাডার হিসেবে জাহির করেছেন। বর্তমানে সেই আওয়ামী লীগের ক্যাডার জিয়া রয়েছেন ধরাছোঁয়ার বাইরে।

তার বিরুদ্ধে ভূমিদস্যু, সীমান্তে চোরাচালান, অস্ত্র, মাদক ব্যবসাসহ নানা অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডের অভিযোগে রয়েছে।

অভিযুক্ত মো.জিয়া (৩৮) শেরপুরের ঝিনাইগাতির উপজেলার কাংশা ইউনিয়নের  এবং একই ইউনিয়নের বাকাকুড়া গ্রামের সোরহাবের ছেলে।

গত ৫ই আগস্ট আওয়ামী সরকার পতনের পর তিনি গা ঢাকা দেন।
আওয়ামী রাজনীতির ছত্রচ্ছায়ায় গত ১৫-১৬ বছর ধরে জিয়া এলাকায় ত্রাসের রাজত্ব কায়েম করে। অস্ত্রের ভয় দেখিয়ে প্রতিনিয়ত এলাকার জনগণকে জিম্মি করে রেখেছিল। অস্ত্রের মহড়া দিলেও স্থানীয় লোকজন তার বিরুদ্ধে ভয়ে মুখ খোলার সাহস পায়নি।

এলাকায় মাদক বেচাকেনার সিন্ডিকেট নিয়ন্ত্রণও ছিল তার হাতে। সে মাদক সেবন ও বিক্রি করে এলাকার যুবসমাজকে ধ্বংস করে ফেলেছে।

অভিযোগ রয়েছে, সীমান্তে নারী পাচার, মাদক, গরু, চিনি, অস্ত্র ও ভারতের অবৈধ মালামাল বিক্রির সিন্ডিকেটের প্রধান ছিল জিয়া।

সরকার পতনের পর বেশ কিছু আওয়ামীলীগ নেতাকে গজনী সীমান্ত দিয়ে ভারতে পালিয়ে যেতে সাহায্য করেছে সে।

নাম প্রকাশ করে বক্তব্য দিতে রাজি নন জানিয়ে একাধিক স্থানীয় বাসিন্দা বলেন, গত তিনটি জাতীয় নির্বাচনসহ বেশ কয়েকটি স্থানীয় নির্বাচনে জিয়া ও তার অস্ত্রধারী ক্যাডারদের ভয়ে মানুষ তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পারেননি। অনেকেই ভোট দিতে যাননি প্রাণনাশের ঝুঁঁকি থাকায়। বেপরোয়া ছিল জিয়া ও তার অস্ত্রধারী ক্যাডার বাহিনী।

মুক্তিযোদ্ধার সন্তান ও আওয়ামী লীগের প্রভাব কাটিয়ে অন্যের জমি লিখে নেওয়া এবং দখল করার সাথেও সে জড়িত ছিল।

অভিযোগ রয়েছে, আদিবাসী নারীদের তুলে নিয়ে ধর্ষণ করতো এই জিয়া। নানারকম ফন্দি আঁটিয়ে নারীদের ব্লেক মেইল করে নির্যাতন ও ধর্ষণ করতো যুবলীগ নেতা জিয়া। এলাকায় ত্রাসের রাজত্ব কায়েম করেছিল সে।