ঢাকা ১০:৩৬ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১০ মে ২০২৬, ২৭ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
Logo স্থানীয় কৃষকদের থেকে ভাড়ায় জমি নিয়ে সাইন বোর্ড: প্লট বানিজ্যের নামে পূর্বাচল প্রবাসী পল্লী কর্তৃপক্ষ’র প্রতারণা Logo “নৌ-খাতের সিমুলেটর বাণিজ্যের লুটেরা সিন্ডিকেট সাব্বির মাদানি” Logo গুলশান সাব-রেজিস্ট্রি অফিসে ত্রাসের রাজত্ব! নকল নবীশ মাহবুব আলমের বিরুদ্ধে রাজস্ব ফাঁকি ও দূর্নীতির অভিযোগ Logo ‘শিশু হাসপাতালে উপ-পরিচালক নেছার উদ্দীন সিন্ডিকেটের দুর্নীতি ও লুটপাট’ Logo গণপূর্তের তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী নুরুল আমিন মিয়ার ১০ কোটি টাকা আত্মসাৎ ও টেন্ডার কারসাজি Logo মাঠের ত্যাগী না অভিজ্ঞ নেতা: রাজধানীর বিএনপিতে কোন পথে যাচ্ছে নেতৃত্ব? Logo অন্তর্বর্তী সরকার আমাকে ডিসিদের সঙ্গে মিলিত হওয়ার সুযোগ দেয়নি: রাষ্ট্রপতি Logo পথ নিলেন সংরক্ষিত নারী আসনের ৪৯ এমপি Logo সাভার পৌরসভার লাইসেন্স পরিদর্শক আমজাদ মোল্লার বিরুদ্ধে দুর্নীতি ও অনিয়মের অভিযোগ Logo জিয়া শিশু কিশোর মেলা, ঢাকা মহানগর দক্ষিণ আহ্বায়ক কমিটি ঘোষণা

বিকল হয়ে পড়ে রয়েছে স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের একমাত্র নিরাপদ খাবার পানির প্রকল্প

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০১:৫৩:৩১ অপরাহ্ন, বুধবার, ৫ জুলাই ২০২৩ ৩৯৮ বার পড়া হয়েছে

উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের একমাত্র নিরাপদ খাবার পানির প্রকল্প বন্ধ

যশোরের শার্শা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে প্রতিদিন সেবা গ্রহণ করে ১ হাজারের বেশি মানুষ। এছাড়া এছাড়া বিভিন্ন রোগে অসুস্থ হয়ে এবং বিভিন্ন দুর্ঘটনার শিকার হয়ে ভর্তি থাকে অনেকে। সকল মানুষের নিরাপদ খাবার পানির ব্যবস্থা ছিল জাপানের জাইকা প্রকল্পের একটি অংশ “নিরাপদ খাবার পানি প্রকল্প”। করোনা পরবর্তী সময়ে এই প্রকল্প বাদ দেওয়া হয়। বর্তমানে এই প্রকল্প অধীন নিরাপদ খাবার পানির ব্যবস্থাটা অকেজো হয়ে পড়ে আছে।

জানা যায় করোনার প্রকোপ কমার কারণে জাপানের জাইকা এই প্রকল্প আর পুনঃনির্মাণ করেনি। এক বছরের বেশি সময় ধরে এভাবেই অকেজ হয়ে পড়ে আছে নিরাপদ খাবার পানির ব্যবস্থা প্রকল্পটি।

নিরাপদ পানির ব্যবস্থা প্রকল্পটি বন্ধ থাকার কারণে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে খাবার পানির অভাব দেখা দিয়েছে যাতে করে রোগীসহ সাধারণ মানুষ নিরাপদ খাবার পানির অভাবে ভুগছেন অনেকের খাবার পানি কিনে খেতে হচ্ছে যা তাদের জন্য ব্যয় বহুল। নিরাপদ খাবার পানির অভাবে অনেকেই অসুস্থতায়ও ভুগছেন।

উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের প্রধান সহকারী কাম অফিসার জানান, “জাইকা এই প্রকল্পটি বন্ধ করে দিয়েছে। নতুন করে প্রকল্পটি চালু করার জন্য চেষ্টা চালাচ্ছি” ।
এতদিন বন্ধ থাকার পরও কেন প্রকল্পটি চালু হলো না, তা জানতে চাইলে, তিনি বলেন আসলে প্রকল্পটি চালু করার জন্য কিছু প্রসেস আছে এবং এ প্রসেসের জন্য প্রকল্পটি বাধার সম্মুখীন হচ্ছে।

সাধারণ জনগণের দাবি এই প্রকল্পটি যাতে দ্রুত চালু করা হয় এবং এখানে যারা চিকিৎসাধীন আছেন তাদের দাবি, যাতে করে এই প্রকল্পটি দ্রুত বাস্তবায়ন হয় সাথে সাথে নতুন করে নিরাপদ খাবার পানির ব্যবস্থা করা হয়।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :
error: Content is protected !!

বিকল হয়ে পড়ে রয়েছে স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের একমাত্র নিরাপদ খাবার পানির প্রকল্প

আপডেট সময় : ০১:৫৩:৩১ অপরাহ্ন, বুধবার, ৫ জুলাই ২০২৩

উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের একমাত্র নিরাপদ খাবার পানির প্রকল্প বন্ধ

যশোরের শার্শা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে প্রতিদিন সেবা গ্রহণ করে ১ হাজারের বেশি মানুষ। এছাড়া এছাড়া বিভিন্ন রোগে অসুস্থ হয়ে এবং বিভিন্ন দুর্ঘটনার শিকার হয়ে ভর্তি থাকে অনেকে। সকল মানুষের নিরাপদ খাবার পানির ব্যবস্থা ছিল জাপানের জাইকা প্রকল্পের একটি অংশ “নিরাপদ খাবার পানি প্রকল্প”। করোনা পরবর্তী সময়ে এই প্রকল্প বাদ দেওয়া হয়। বর্তমানে এই প্রকল্প অধীন নিরাপদ খাবার পানির ব্যবস্থাটা অকেজো হয়ে পড়ে আছে।

জানা যায় করোনার প্রকোপ কমার কারণে জাপানের জাইকা এই প্রকল্প আর পুনঃনির্মাণ করেনি। এক বছরের বেশি সময় ধরে এভাবেই অকেজ হয়ে পড়ে আছে নিরাপদ খাবার পানির ব্যবস্থা প্রকল্পটি।

নিরাপদ পানির ব্যবস্থা প্রকল্পটি বন্ধ থাকার কারণে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে খাবার পানির অভাব দেখা দিয়েছে যাতে করে রোগীসহ সাধারণ মানুষ নিরাপদ খাবার পানির অভাবে ভুগছেন অনেকের খাবার পানি কিনে খেতে হচ্ছে যা তাদের জন্য ব্যয় বহুল। নিরাপদ খাবার পানির অভাবে অনেকেই অসুস্থতায়ও ভুগছেন।

উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের প্রধান সহকারী কাম অফিসার জানান, “জাইকা এই প্রকল্পটি বন্ধ করে দিয়েছে। নতুন করে প্রকল্পটি চালু করার জন্য চেষ্টা চালাচ্ছি” ।
এতদিন বন্ধ থাকার পরও কেন প্রকল্পটি চালু হলো না, তা জানতে চাইলে, তিনি বলেন আসলে প্রকল্পটি চালু করার জন্য কিছু প্রসেস আছে এবং এ প্রসেসের জন্য প্রকল্পটি বাধার সম্মুখীন হচ্ছে।

সাধারণ জনগণের দাবি এই প্রকল্পটি যাতে দ্রুত চালু করা হয় এবং এখানে যারা চিকিৎসাধীন আছেন তাদের দাবি, যাতে করে এই প্রকল্পটি দ্রুত বাস্তবায়ন হয় সাথে সাথে নতুন করে নিরাপদ খাবার পানির ব্যবস্থা করা হয়।