ঢাকা ০৭:০৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৫ এপ্রিল ২০২৪, ২ বৈশাখ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
Logo মঙ্গল শোভাযাত্রা – তাসফিয়া ফারহানা ঐশী Logo সাস্টিয়ান ব্রাহ্মণবাড়িয়া এর ইফতার মাহফিল সম্পন্ন Logo কুবির চট্টগ্রাম স্টুডেন্টস ওয়েলফেয়ার এসোসিয়েশনের ইফতার ও পূর্নমিলনী Logo অধ্যাপক জহীর উদ্দিন আহমেদের মায়ের মৃত্যুতে শাবির মহান মুক্তিযুদ্ধের চেতনা ও মুক্ত চিন্তা চর্চায় ঐক্যবদ্ধ শিক্ষকবৃন্দ পরিষদের শোক প্রকাশ Logo শাবির অধ্যাপক জহীর উদ্দিনের মায়ের মৃত্যুতে উপাচার্যের শোক প্রকাশ Logo বিশ কোটিতে গণপূর্তের প্রধান হওয়ার মিশনে ‘ছাত্রদল ক্যাডার প্রকৌশলী’! Logo দূর্নীতির রাক্ষস ফায়ার সার্ভিসের এডি আনোয়ার! Logo ঝড় ও শিলাবৃষ্টিতে ক্ষতি হওয়া শাহজালাল বিশ্ববিদ্যালয়ে অবকাঠামোর সংস্কার শুরু Logo বুয়েটে নিয়মতান্ত্রিক ছাত্র রাজনীতির দাবিতে শাবিপ্রবি ছাত্রলীগের মানববন্ধন Logo কুবি উপাচার্যের বক্তব্যের প্রমাণ দিতে শিক্ষক সমিতির সাত দিনের আল্টিমেটাম




রাজধানীর মহাখালীতে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি!

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৪:০৬:৫০ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৩ জুন ২০২১ ১৪২ বার পড়া হয়েছে

বেলায়েত হুসেন: রাজধানীর বনানী থানাধীন মহাখালী জনবহুল এলাকার আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি ক্রমেই খারাপের দিকে। সামান্য ব্যাপার নিয়ে মারামারি। মারামারি থেকে খুনো-খুনি এখন নিত্য নৈমিত্তিক ব্যাপার হয়ে দাঁড়িয়েছে। সরকারি দলের ছত্রছায়ায় থেকে এসব অপরাধ কর্মকাণ্ড চালিয়ে যাচ্ছে দুষ্কৃতকারীরা। প্রতিবাদ করলেই নেমে আসে নির্মম নির্যাতন। এসব আইনশৃঙ্খলা অবনতির ব্যাপারে বনানী থানার অফিসার ইনচার্জ নুরে আজম, ওসি (তদন্ত) সোহেল রানা ও ওসি অপারেশন এদের যথেষ্ট ভূমিকা থাকার পরেও কিছু কিছু এসআই, এএসআই পর্যায়ের অফিসারদের কারণে থানার ভাবমূর্তি ক্ষুন্ন হচ্ছে। তারা বিভিন্ন হাসপাতাল, ফুটপাত, আবাসিক-অনাবাসিক হোটেল, বড় বড় খাবার হোটেল, ম্যাসেজ পার্লার নামধারী কিছু অবৈধ দেহ ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে চাদাবাজিতে ব্যস্ত এইসব এসআই, এএসআই পর্যায়ের অফিসার। তাদের প্রশ্নবিদ্ধ কর্মকাণ্ড থানার অন্যান্য কর্তা ব্যক্তিদের অর্জিত সুনাম ক্ষুন্ন হচ্ছে।

গত দুই থেকে তিন মাস আগে মহাখালী (বিট নং-৪) এলাকায় কিশোরকে ছুরিকাঘাত করে মেরে ফেলার পরেও টনক নড়েনি প্রশাসনের। সেই ক্ষত শুকাতে না শুকাতেই আবারো মহাখালীতে মিলল অজ্ঞাত ব্যক্তির মস্তক বিহীন লাশ। স্থানীয় প্রশাসনের মাধ্যমে তখন বলা হয়েছিল ছেলেটিকে খুন করা হয়েছে সে ডেন্ডি বা নেশাখোর। কিন্তু সেই কিশোর খুন হওয়ার পরেও মহাখালী এলাকা থেকে ডেন্ডিখোর কোন ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করেনি পুলিশ। বীরদর্পে রাস্তার বিভিন্ন পয়েন্টে, ফুটপাত, ফুটওভার ব্রিজে বসে নির্দ্বিধায় সেবন করে চলছেন তারা। পুলিশের চোখের সামনে এসব ঘটনা ঘটলেও স্থানীয় পুলিশের তেমন কোনো ভূমিকা চোখে পড়েনি। করোনাকালীন সময়ে মহাখালী পুলিশ বক্সের ইনচার্জ এসআই রাজিব তালুকদারকে দায়িত্বপ্রাপ্ত এলাকায় জনসচেতনতা মূলক কোন কাজে কোনো রকম ভূমিকাই চোখে পড়েনি। বরংচ মহাখালী মামা প্লাজার সামনে দোকানগুলো থেকে প্রতিদিন ১০০ টাকা করে চাঁদা আদায়ের মাধ্যমে দোকানগুলো খোলা রাখার ব্যবস্থা করেছেন তিনি। যে সকল দোকানদার ১০০ টাকা করে চাঁদা দিয়েছে শুধু তারাই সরকার নির্ধারিত সময়ের চাইতে অধিক সময় দোকান খোলা রাখতে পারছে। বাকিগুলো ছিল বন্ধ।

বনানী থানার অধীনে কড়াইল বস্তি, মহাখালী বিট নং-৪ এবং সাততলা বস্তিত (বিট নং-৫) আলাদা আলাদা বিট থাকলেও সেই সব বিট ইনচার্জের চোখে পড়ার মতো কোনো কার্যক্রম দেখা যায় না। মহাখালী (বিট নং-৪) ইনচার্জ রাজিব তালুকদর ব্যস্ত মহাখালীর ফুটপাত নিয়ে। সাততলা বস্তি (বিট নং-৫) বিশ্বজিৎ দাস ব্যস্ত ফিটিংবাজী, মাদকসেবী, নেশাগ্রস্ত ব্যক্তিদের বক্সের ভিতরে বসিয়ে নেশা করাতে। কড়াইল বস্তি একসময়ের এস আই আবু তাহের তার অপরাধের সীমাহীন। কড়াইল বিট ইনচার্জ (বর্তমান) এসআই দেলোয়ার এর ভূমিকাও প্রশ্নবিদ্ধ।

মহাখালী ২০ নম্বর ওয়ার্ডে বসবাসরত নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক ব্যক্তি বলেন, মহাখালী পুলিশ বক্সের ইনচার্জ রাজিব তালুকদারকে ফোন দিলে তাকে পাওয়া যায় না। অথচ মহাখালী বক্স এর আশপাশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখা তারই দায়িত্ব। কিন্তু তাকে ব্যস্ত থাকা গেছে ফুটপাতে চাঁদাবাজিতে। প্রতিদিন টাঙ্গাইল বাসস্ট্যান্ড থেকে শুরু করে মহাখালী হয়ে আমতলী, ওয়ারলেস টিভিগেট পর্যন্ত হাজার হাজার টাকা চাঁদাবাজি করেন এসআই রাজিব তালুকদার। তাকে সহযোগিতা করেন, কনস্টেবল রতন ও হাসান। মাঠ পর্যায়ে চাঁদা তোলার জন্য রয়েছে আরও পাঁচ থেকে ছয় জন পাই-২, পাই-৩, পাই-৪। ফুটপাতে চাঁদাবাজি ছাড়া জনস্বার্থে কোন কাজেই মাঠ পর্যায়ে চোখে পড়েনা এসআই রাজীবের কর্মকাণ্ড।

মহাখালী বাজারের ব্যবসায়ী নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক ব্যক্তি বলেন, রাজিব স্যারের আগে এসআই প্রেমদাস কে মাঝেমধ্যেই দেখা গেছে। তার সময় মহাখালীর আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি অনেকটাই ভাল ছিল। বর্তমানে ইনচার্জ রাজিব তালুকদার কোনরকম ভূমিকা চোখে পড়েনি। প্রয়োজনে বক্সে গেলে তাকে পাওয়া যায় না।

অন্যদিকে সাততলা বস্তি বিট ইনচার্জ এসআই বিশ্বজিৎ বক্সের ভিতর গড়ে তুলেছেন মাদকের আখড়া। একসময়ে এসআই আব্দুল্লাহ থাকাকালীন অবস্থায় যেসব মাদক বিক্রেতা ব্যক্তিগণ এলাকায় ঢুকতে পারত না, বিশ্বজিতের আমলে তারা এখন পুলিশ বক্স এর ভিতরেই বিক্রি এবং সেবনে ব্যস্ত। এলাকায় কোনো রকম বিচার সালিশের প্রয়োজন হলে বিশ্বজিৎ দাস নিজে কনস্টেবলসহ না গিয়ে সেখানে উপস্থিত হন বাবা বিক্রেতা এবং স্থানীয় বখাটেদের সাথে নিয়ে। যার প্রমাণ প্রতিবেদকের হাতে রয়েছে। এসআই বিশ্বজিৎ দাসের বিরুদ্ধে অভিযোগ দেওয়া ব্যক্তির কথোপকথনের ২৩ মিনিটের একটি অডিও রেকর্ডিং প্রতিবেদকের হাতে রয়েছে। যা প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা শুনলে অবাক হয়ে যাবেন বৈকি।

চলবে,,,,,,,,,,,,,,

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :




রাজধানীর মহাখালীতে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি!

আপডেট সময় : ০৪:০৬:৫০ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৩ জুন ২০২১

বেলায়েত হুসেন: রাজধানীর বনানী থানাধীন মহাখালী জনবহুল এলাকার আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি ক্রমেই খারাপের দিকে। সামান্য ব্যাপার নিয়ে মারামারি। মারামারি থেকে খুনো-খুনি এখন নিত্য নৈমিত্তিক ব্যাপার হয়ে দাঁড়িয়েছে। সরকারি দলের ছত্রছায়ায় থেকে এসব অপরাধ কর্মকাণ্ড চালিয়ে যাচ্ছে দুষ্কৃতকারীরা। প্রতিবাদ করলেই নেমে আসে নির্মম নির্যাতন। এসব আইনশৃঙ্খলা অবনতির ব্যাপারে বনানী থানার অফিসার ইনচার্জ নুরে আজম, ওসি (তদন্ত) সোহেল রানা ও ওসি অপারেশন এদের যথেষ্ট ভূমিকা থাকার পরেও কিছু কিছু এসআই, এএসআই পর্যায়ের অফিসারদের কারণে থানার ভাবমূর্তি ক্ষুন্ন হচ্ছে। তারা বিভিন্ন হাসপাতাল, ফুটপাত, আবাসিক-অনাবাসিক হোটেল, বড় বড় খাবার হোটেল, ম্যাসেজ পার্লার নামধারী কিছু অবৈধ দেহ ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে চাদাবাজিতে ব্যস্ত এইসব এসআই, এএসআই পর্যায়ের অফিসার। তাদের প্রশ্নবিদ্ধ কর্মকাণ্ড থানার অন্যান্য কর্তা ব্যক্তিদের অর্জিত সুনাম ক্ষুন্ন হচ্ছে।

গত দুই থেকে তিন মাস আগে মহাখালী (বিট নং-৪) এলাকায় কিশোরকে ছুরিকাঘাত করে মেরে ফেলার পরেও টনক নড়েনি প্রশাসনের। সেই ক্ষত শুকাতে না শুকাতেই আবারো মহাখালীতে মিলল অজ্ঞাত ব্যক্তির মস্তক বিহীন লাশ। স্থানীয় প্রশাসনের মাধ্যমে তখন বলা হয়েছিল ছেলেটিকে খুন করা হয়েছে সে ডেন্ডি বা নেশাখোর। কিন্তু সেই কিশোর খুন হওয়ার পরেও মহাখালী এলাকা থেকে ডেন্ডিখোর কোন ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করেনি পুলিশ। বীরদর্পে রাস্তার বিভিন্ন পয়েন্টে, ফুটপাত, ফুটওভার ব্রিজে বসে নির্দ্বিধায় সেবন করে চলছেন তারা। পুলিশের চোখের সামনে এসব ঘটনা ঘটলেও স্থানীয় পুলিশের তেমন কোনো ভূমিকা চোখে পড়েনি। করোনাকালীন সময়ে মহাখালী পুলিশ বক্সের ইনচার্জ এসআই রাজিব তালুকদারকে দায়িত্বপ্রাপ্ত এলাকায় জনসচেতনতা মূলক কোন কাজে কোনো রকম ভূমিকাই চোখে পড়েনি। বরংচ মহাখালী মামা প্লাজার সামনে দোকানগুলো থেকে প্রতিদিন ১০০ টাকা করে চাঁদা আদায়ের মাধ্যমে দোকানগুলো খোলা রাখার ব্যবস্থা করেছেন তিনি। যে সকল দোকানদার ১০০ টাকা করে চাঁদা দিয়েছে শুধু তারাই সরকার নির্ধারিত সময়ের চাইতে অধিক সময় দোকান খোলা রাখতে পারছে। বাকিগুলো ছিল বন্ধ।

বনানী থানার অধীনে কড়াইল বস্তি, মহাখালী বিট নং-৪ এবং সাততলা বস্তিত (বিট নং-৫) আলাদা আলাদা বিট থাকলেও সেই সব বিট ইনচার্জের চোখে পড়ার মতো কোনো কার্যক্রম দেখা যায় না। মহাখালী (বিট নং-৪) ইনচার্জ রাজিব তালুকদর ব্যস্ত মহাখালীর ফুটপাত নিয়ে। সাততলা বস্তি (বিট নং-৫) বিশ্বজিৎ দাস ব্যস্ত ফিটিংবাজী, মাদকসেবী, নেশাগ্রস্ত ব্যক্তিদের বক্সের ভিতরে বসিয়ে নেশা করাতে। কড়াইল বস্তি একসময়ের এস আই আবু তাহের তার অপরাধের সীমাহীন। কড়াইল বিট ইনচার্জ (বর্তমান) এসআই দেলোয়ার এর ভূমিকাও প্রশ্নবিদ্ধ।

মহাখালী ২০ নম্বর ওয়ার্ডে বসবাসরত নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক ব্যক্তি বলেন, মহাখালী পুলিশ বক্সের ইনচার্জ রাজিব তালুকদারকে ফোন দিলে তাকে পাওয়া যায় না। অথচ মহাখালী বক্স এর আশপাশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখা তারই দায়িত্ব। কিন্তু তাকে ব্যস্ত থাকা গেছে ফুটপাতে চাঁদাবাজিতে। প্রতিদিন টাঙ্গাইল বাসস্ট্যান্ড থেকে শুরু করে মহাখালী হয়ে আমতলী, ওয়ারলেস টিভিগেট পর্যন্ত হাজার হাজার টাকা চাঁদাবাজি করেন এসআই রাজিব তালুকদার। তাকে সহযোগিতা করেন, কনস্টেবল রতন ও হাসান। মাঠ পর্যায়ে চাঁদা তোলার জন্য রয়েছে আরও পাঁচ থেকে ছয় জন পাই-২, পাই-৩, পাই-৪। ফুটপাতে চাঁদাবাজি ছাড়া জনস্বার্থে কোন কাজেই মাঠ পর্যায়ে চোখে পড়েনা এসআই রাজীবের কর্মকাণ্ড।

মহাখালী বাজারের ব্যবসায়ী নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক ব্যক্তি বলেন, রাজিব স্যারের আগে এসআই প্রেমদাস কে মাঝেমধ্যেই দেখা গেছে। তার সময় মহাখালীর আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি অনেকটাই ভাল ছিল। বর্তমানে ইনচার্জ রাজিব তালুকদার কোনরকম ভূমিকা চোখে পড়েনি। প্রয়োজনে বক্সে গেলে তাকে পাওয়া যায় না।

অন্যদিকে সাততলা বস্তি বিট ইনচার্জ এসআই বিশ্বজিৎ বক্সের ভিতর গড়ে তুলেছেন মাদকের আখড়া। একসময়ে এসআই আব্দুল্লাহ থাকাকালীন অবস্থায় যেসব মাদক বিক্রেতা ব্যক্তিগণ এলাকায় ঢুকতে পারত না, বিশ্বজিতের আমলে তারা এখন পুলিশ বক্স এর ভিতরেই বিক্রি এবং সেবনে ব্যস্ত। এলাকায় কোনো রকম বিচার সালিশের প্রয়োজন হলে বিশ্বজিৎ দাস নিজে কনস্টেবলসহ না গিয়ে সেখানে উপস্থিত হন বাবা বিক্রেতা এবং স্থানীয় বখাটেদের সাথে নিয়ে। যার প্রমাণ প্রতিবেদকের হাতে রয়েছে। এসআই বিশ্বজিৎ দাসের বিরুদ্ধে অভিযোগ দেওয়া ব্যক্তির কথোপকথনের ২৩ মিনিটের একটি অডিও রেকর্ডিং প্রতিবেদকের হাতে রয়েছে। যা প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা শুনলে অবাক হয়ে যাবেন বৈকি।

চলবে,,,,,,,,,,,,,,