ঢাকা ০৬:৫৮ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৮ এপ্রিল ২০২৬, ৫ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
Logo নিষিদ্ধ সংগঠনের ‘পুনর্গঠন’ বার্তা: ছাত্রলীগের নোটিশ ঘিরে প্রশ্ন ও শঙ্কা Logo দি কো-অপারেটিভ ক্রেডিট ইউনিয়নলীগ লুট করে আগষ্টিন শত কোটি টাকার মালিক Logo জিয়া শিশুকিশোর মেলার কেন্দ্রীয় কমিটির গণমাধ্যম বিষয়ক সম্পাদক হলেন হাফিজুর রহমান শফিক Logo জিয়া শিশু কিশোর মেলার নতুন কেন্দ্রীয় কমিটি ঘোষণা  Logo ভোলার জেলা রেজিস্ট্রার নুর নেওয়াজ ৫০ কোটি টাকার সম্পদের মালিক Logo প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরে শীর্ষ কর্মকর্তা আতিকুর পাহাড়সমান অভিযোগ নিয়েও বহাল Logo বদলি-বাণিজ্য ঘুষ বাণিজ্যে বেপরোয়া সাব-রেজিস্ট্রার মাইকেল মহিউদ্দিন সিন্ডিকেট Logo রাজউকে দুর্নীতিতে আলোচনার শীর্ষে পরিচালক জাকারিয়া: ‘সেফ জন’ দিয়েছে কর্তৃপক্ষ  Logo প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ ও প্রতিবেদকের বক্তব্য Logo নিয়োগ বাণিজ্য, বদলি নিয়ন্ত্রণ, বাজেট অপচয় ও প্রশাসনিক বিশৃঙ্খলায় ক্ষুব্ধ কর্মকর্তা-কর্মচারীরা

গণপূর্তে তথ্য প্রতারণার মাধ্যমে চাকরি: পদের চেয়ে সম্পদ বেশি!

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ১২:৩৮:৩৫ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ ৬৩১ বার পড়া হয়েছে

নিজস্ব প্রতিবেদক: গণপূর্ত অধিদপ্তরের অফিস সহকারী কাম কম্পিউটার মুদ্রাক্ষরিক মোঃ ফজলুল হক চাকুরীতে ভয়াবহ তথ্য জালিয়াতির মাধ্যমে যোগদান করেছেন বলে অভিযোগ রয়েছে। এছাড়াও তার পদ-পদবীর চেয়ে রাজধানী ঢাকায় ও নিজ এলাকায় সম্পদের পরিমাণ অনেক বেশি রয়েছে বলে একাধিক সূত্রে জানা গেছে। মূলত বিএনপি-জামাত সরকারের শেষের দিকে ভয়াবহ তথ্য জালিয়াতি করে চাকরিতে যোগদান করেন তিনি।

সুত্র জানায়, মোঃ ফজলুল হকের জন্মস্থান টাঙ্গাইল জেলায় হলেও চাকুরী নেওয়ার সময় নিজেকে নাটোরের বাসিন্দা হিসেবে পরিচয় দিয়ে মিথ্যে ঠিকানা প্রদানের মাধ্যমে ভয়াবহ তথ্য প্রতারণার মাধ্যমে কোটা বাগিয়ে নেন তিনি। এ বিষয়ে দীর্ঘ অনুসন্ধানে অভিযোগের বাস্তবতার প্রমাণ মিলেছে চাকরিতে যোগদানের সময় নাটোরের দেয়া তথ্য ও ঠিকানা অনুযায়ী সেখানকার স্থানীয় জনগণ এবং জনপ্রতিনিধিদের সাথে যোগাযোগ করে নিশ্চিত হওয়া গেছে উক্ত ঠিকানা পুরোপুরি মিথ্যে।

নির্বাচন কমিশনের প্রদত্ত পরিচয় পত্রের ঠিকানা অনুযায়ী টাঙ্গাইলে তার জন্মস্থান ও বসত নিশ্চিত হওয়া গেছে। ঐ এলাকার স্থানীয়দের সাথে যোগাযোগ করা হলে তারা জানান ২০০৪ সালের আগ পর্যন্ত স্থানীয় রাজনীতিতে কট্টর বিএনপি হিসেবে ফজলুল হককে সবাই চিনতো। চাকুরী নেওয়ার সময় এলাকার কাউকে না জানিয়ে অন্যত্র ঠিকানা ও পরিচয় দিয়ে তিনি চাকরি নিয়েছেন যা কিছুই স্থানীয়রা জানতেন না। ফজলুল হকের কর্মস্থল গণপূর্তের বেশ কয়েকটি সূত্রে খোঁজখবর নিয়ে জানা যায় তার কর্মস্থলে তিনি পদে ছোট হলেও তার স্যারদের ম্যানেজ করে বড় বড় কাজকর্ম সম্পাদন করার ব্যবস্থা করে থাকেন। আর এসবের জন্য ফজলুল হকের রয়েছে শক্তিশালী একটি দুর্নীতিবাজ কর্মকর্তা ও ঠিকাদার সিন্ডিকেটের সঙ্গে গভীর সস্পর্ক।

বর্তমান কর্মস্থল গণপূর্ত অধিদপ্তরের নির্বাহী প্রকৌশলী (মেকানিক্যাল ডিভিশন) সহ অন্যান্য কর্মকর্তাদের দুর্নীতি অনিয়মের সক্রিয় সিন্ডিকেটের অন্যতম হোতা হিসেবে এই ফজলুল হকের সম্পৃক্ততা রয়েছে বলে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক বেশ কয়েকজন কর্মকর্তা সংবাদমাধ্যমকে জানিয়েছেন। তারা আরো জানান ফজলুল হক আওয়ামী লীগ সরকারের ক্ষমতায় থাকা গত ১৫ বছরে সম্পদের পাহাড় করেছেন।

এ বিষয়ে বক্তব্য জানতে অফিস সহকারী ফজলুল হকের মুঠোফোন নাম্বারে যোগাযোগ করা হলে তিনি প্রতিবেদকের সাথে দেখা করবেন বলে ফোন কেটে দেন।

ততো জালিয়াতির মাধ্যমে চাকরিতে বহাল থাকা ফজলুল হকের বিরুদ্ধে কোন ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে কিনা এ বিষয়ে মন্তব্য জানতে করা হলে তিনি ফোন রিসিভ করেননি।

Loading

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :
error: Content is protected !!

গণপূর্তে তথ্য প্রতারণার মাধ্যমে চাকরি: পদের চেয়ে সম্পদ বেশি!

আপডেট সময় : ১২:৩৮:৩৫ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৪

নিজস্ব প্রতিবেদক: গণপূর্ত অধিদপ্তরের অফিস সহকারী কাম কম্পিউটার মুদ্রাক্ষরিক মোঃ ফজলুল হক চাকুরীতে ভয়াবহ তথ্য জালিয়াতির মাধ্যমে যোগদান করেছেন বলে অভিযোগ রয়েছে। এছাড়াও তার পদ-পদবীর চেয়ে রাজধানী ঢাকায় ও নিজ এলাকায় সম্পদের পরিমাণ অনেক বেশি রয়েছে বলে একাধিক সূত্রে জানা গেছে। মূলত বিএনপি-জামাত সরকারের শেষের দিকে ভয়াবহ তথ্য জালিয়াতি করে চাকরিতে যোগদান করেন তিনি।

সুত্র জানায়, মোঃ ফজলুল হকের জন্মস্থান টাঙ্গাইল জেলায় হলেও চাকুরী নেওয়ার সময় নিজেকে নাটোরের বাসিন্দা হিসেবে পরিচয় দিয়ে মিথ্যে ঠিকানা প্রদানের মাধ্যমে ভয়াবহ তথ্য প্রতারণার মাধ্যমে কোটা বাগিয়ে নেন তিনি। এ বিষয়ে দীর্ঘ অনুসন্ধানে অভিযোগের বাস্তবতার প্রমাণ মিলেছে চাকরিতে যোগদানের সময় নাটোরের দেয়া তথ্য ও ঠিকানা অনুযায়ী সেখানকার স্থানীয় জনগণ এবং জনপ্রতিনিধিদের সাথে যোগাযোগ করে নিশ্চিত হওয়া গেছে উক্ত ঠিকানা পুরোপুরি মিথ্যে।

নির্বাচন কমিশনের প্রদত্ত পরিচয় পত্রের ঠিকানা অনুযায়ী টাঙ্গাইলে তার জন্মস্থান ও বসত নিশ্চিত হওয়া গেছে। ঐ এলাকার স্থানীয়দের সাথে যোগাযোগ করা হলে তারা জানান ২০০৪ সালের আগ পর্যন্ত স্থানীয় রাজনীতিতে কট্টর বিএনপি হিসেবে ফজলুল হককে সবাই চিনতো। চাকুরী নেওয়ার সময় এলাকার কাউকে না জানিয়ে অন্যত্র ঠিকানা ও পরিচয় দিয়ে তিনি চাকরি নিয়েছেন যা কিছুই স্থানীয়রা জানতেন না। ফজলুল হকের কর্মস্থল গণপূর্তের বেশ কয়েকটি সূত্রে খোঁজখবর নিয়ে জানা যায় তার কর্মস্থলে তিনি পদে ছোট হলেও তার স্যারদের ম্যানেজ করে বড় বড় কাজকর্ম সম্পাদন করার ব্যবস্থা করে থাকেন। আর এসবের জন্য ফজলুল হকের রয়েছে শক্তিশালী একটি দুর্নীতিবাজ কর্মকর্তা ও ঠিকাদার সিন্ডিকেটের সঙ্গে গভীর সস্পর্ক।

বর্তমান কর্মস্থল গণপূর্ত অধিদপ্তরের নির্বাহী প্রকৌশলী (মেকানিক্যাল ডিভিশন) সহ অন্যান্য কর্মকর্তাদের দুর্নীতি অনিয়মের সক্রিয় সিন্ডিকেটের অন্যতম হোতা হিসেবে এই ফজলুল হকের সম্পৃক্ততা রয়েছে বলে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক বেশ কয়েকজন কর্মকর্তা সংবাদমাধ্যমকে জানিয়েছেন। তারা আরো জানান ফজলুল হক আওয়ামী লীগ সরকারের ক্ষমতায় থাকা গত ১৫ বছরে সম্পদের পাহাড় করেছেন।

এ বিষয়ে বক্তব্য জানতে অফিস সহকারী ফজলুল হকের মুঠোফোন নাম্বারে যোগাযোগ করা হলে তিনি প্রতিবেদকের সাথে দেখা করবেন বলে ফোন কেটে দেন।

ততো জালিয়াতির মাধ্যমে চাকরিতে বহাল থাকা ফজলুল হকের বিরুদ্ধে কোন ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে কিনা এ বিষয়ে মন্তব্য জানতে করা হলে তিনি ফোন রিসিভ করেননি।

Loading