ঢাকা ০৫:১৭ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১৭ এপ্রিল ২০২৬, ৩ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
Logo জিয়া শিশুকিশোর মেলার কেন্দ্রীয় কমিটির গণমাধ্যম বিষয়ক সম্পাদক হলেন হাফিজুর রহমান শফিক Logo জিয়া শিশু কিশোর মেলার নতুন কেন্দ্রীয় কমিটি ঘোষণা  Logo ভোলার জেলা রেজিস্ট্রার নুর নেওয়াজ ৫০ কোটি টাকার সম্পদের মালিক Logo প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরে শীর্ষ কর্মকর্তা আতিকুর পাহাড়সমান অভিযোগ নিয়েও বহাল Logo বদলি-বাণিজ্য ঘুষ বাণিজ্যে বেপরোয়া সাব-রেজিস্ট্রার মাইকেল মহিউদ্দিন সিন্ডিকেট Logo রাজউকে দুর্নীতিতে আলোচনার শীর্ষে পরিচালক জাকারিয়া: ‘সেফ জন’ দিয়েছে কর্তৃপক্ষ  Logo প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ ও প্রতিবেদকের বক্তব্য Logo ‘৬ বছরে ৮৬৫০ কোটি লুটপাট : সওজে নতুন করে সক্রিয় সেই ‘ডন’ রায়হান মুস্তাফিজ!’ Logo ৮০ কোটির জালিয়াতি: শিল্পগোষ্ঠীকে ফাঁকি দিয়ে আত্মগোপনে বৃষ্টি–মেসবাহ দম্পতি লাপাত্তা  Logo রাজউকের কানুনগো আব্দুল মোমিন: দুর্নীতি ও প্লট বাণিজ্যের মাধ্যমে অঢেল সম্পদের মালিক 

ভারতের ২০ কোটি মুসলিম আতঙ্কিত : দ্য ইকনমিস্ট

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ১০:২৬:৩৮ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৬ জানুয়ারী ২০২০ ১৯৭ বার পড়া হয়েছে

ভারতের ২০ কোটি মুসলিম আতঙ্কিত : দ্য ইকনমিস্ট

আন্তর্জাতিক ডেস্ক; কত্ব আইন বা সিএএ এবং জাতীয় নাগরিকপঞ্জি বা এনআরসি ইস্যু নিয়ে ব্রিটেনের ‘দ্য ইকনমিস্ট’ পত্রিকা বিজেপি নেতৃত্বাধীন কেন্দ্রীয় সরকারের তীব্র সমালোচনা করেছে। পাশাপাশি ভারতের ২০ কোটি মুসলিম আতঙ্কিত বলেও মন্তব্য করা হয়েছে সেখানে।
‘দ্য ইকনমিস্ট’ পত্রিকার সাম্প্রতিক ইস্যুতে বলা হয়েছে, ভারতের ২০ কোটি মুসলিম আতঙ্কিত! তাদের আশঙ্কা, নরেন্দ্র মোদি ‘হিন্দু রাষ্ট্র’ গঠনের দিকে এগোচ্ছেন। গত মাসে ভারত সরকার যে আইন এনেছে, তাতে মুসলিম বাদে বাকিদের নাগরিকত্ব পাওয়া সহজ করে দেয়া হয়েছে। একইসঙ্গে ১৩০ কোটি মানুষের নাগরিকত্ব যাচাই করতে উদ্যত হয়েছে বিজেপি সরকার, যাতে বেআইনি অনুপ্রবেশকারীদের খুঁজে বের করা যায়। কিন্তু ২০ কোটি মুসলিমদের অধিকাংশেরই নাগরিকত্ব প্রমাণের জন্য প্রয়োজনীয় কাগজপত্র নেই। দেশ হারানোর পথে তারা। যারা জালে ধরা পড়বেন, তাদের জন্য ডিটেশন ক্যাম্প তৈরিরও নির্দেশ দিয়েছে সরকার।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, নির্বাচনে বিজেপির জন্য যা অমৃত সমান, ভারতের জন্য তা রাজনৈতিক বিষ। সংবিধানের ধর্মনিরপেক্ষ নীতি-নিয়ম বিসর্জন দিয়ে যে পদক্ষেপ গ্রহণ করছেন মোদি, তা ভারতের গণতান্ত্রিক পরিকাঠামোর ক্ষতিসাধন করবে। আগামী কয়েক দশক ধরে এর ফল ভুগতে হবে ভারতকে।
‘দ্য ইকনমিস্ট’ বলেছে, নরেন্দ্র মোদির সাম্প্রদায়িক পদক্ষেপ গ্রহণ ভারতের গণতান্ত্রিক ভিত্তিকে ভেঙে দিচ্ছে। দ্বিতীয়বার ক্ষমতায় এসে আত্মবিশ্বাস বেড়ে গিয়েছে নরেন্দ্র মোদির। তিনি জানেন জনসংখ্যার একটা অংশের সমর্থন রয়েছে তার কাছে। সেজন্য ‘হিন্দুত্বের হাওয়া’ আরও জোরদার করার পথে এগোচ্ছেন তিনি।
এদিকে ‘দ্য ইকনমিস্ট’-এর প্রতিবেদনে ক্ষুব্ধ বিজেপি নেতা বিজয় চৌথাইওয়ালে বলেছেন, আমরা ভেবেছিলাম, ১৯৪৭ সালে ব্রিটিশরা চলে গিয়েছে। কিন্তু দ্য ইকনমিস্টের সম্পাদকরা এখনও ঔপনিবেশিক যুগেই বাস করছেন। দেশের ৬০ কোটি মানুষ মোদিকে ভোট দিয়েছেন। তাতেই রাগ হয়েছে তাদের।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :
error: Content is protected !!

ভারতের ২০ কোটি মুসলিম আতঙ্কিত : দ্য ইকনমিস্ট

আপডেট সময় : ১০:২৬:৩৮ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৬ জানুয়ারী ২০২০

আন্তর্জাতিক ডেস্ক; কত্ব আইন বা সিএএ এবং জাতীয় নাগরিকপঞ্জি বা এনআরসি ইস্যু নিয়ে ব্রিটেনের ‘দ্য ইকনমিস্ট’ পত্রিকা বিজেপি নেতৃত্বাধীন কেন্দ্রীয় সরকারের তীব্র সমালোচনা করেছে। পাশাপাশি ভারতের ২০ কোটি মুসলিম আতঙ্কিত বলেও মন্তব্য করা হয়েছে সেখানে।
‘দ্য ইকনমিস্ট’ পত্রিকার সাম্প্রতিক ইস্যুতে বলা হয়েছে, ভারতের ২০ কোটি মুসলিম আতঙ্কিত! তাদের আশঙ্কা, নরেন্দ্র মোদি ‘হিন্দু রাষ্ট্র’ গঠনের দিকে এগোচ্ছেন। গত মাসে ভারত সরকার যে আইন এনেছে, তাতে মুসলিম বাদে বাকিদের নাগরিকত্ব পাওয়া সহজ করে দেয়া হয়েছে। একইসঙ্গে ১৩০ কোটি মানুষের নাগরিকত্ব যাচাই করতে উদ্যত হয়েছে বিজেপি সরকার, যাতে বেআইনি অনুপ্রবেশকারীদের খুঁজে বের করা যায়। কিন্তু ২০ কোটি মুসলিমদের অধিকাংশেরই নাগরিকত্ব প্রমাণের জন্য প্রয়োজনীয় কাগজপত্র নেই। দেশ হারানোর পথে তারা। যারা জালে ধরা পড়বেন, তাদের জন্য ডিটেশন ক্যাম্প তৈরিরও নির্দেশ দিয়েছে সরকার।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, নির্বাচনে বিজেপির জন্য যা অমৃত সমান, ভারতের জন্য তা রাজনৈতিক বিষ। সংবিধানের ধর্মনিরপেক্ষ নীতি-নিয়ম বিসর্জন দিয়ে যে পদক্ষেপ গ্রহণ করছেন মোদি, তা ভারতের গণতান্ত্রিক পরিকাঠামোর ক্ষতিসাধন করবে। আগামী কয়েক দশক ধরে এর ফল ভুগতে হবে ভারতকে।
‘দ্য ইকনমিস্ট’ বলেছে, নরেন্দ্র মোদির সাম্প্রদায়িক পদক্ষেপ গ্রহণ ভারতের গণতান্ত্রিক ভিত্তিকে ভেঙে দিচ্ছে। দ্বিতীয়বার ক্ষমতায় এসে আত্মবিশ্বাস বেড়ে গিয়েছে নরেন্দ্র মোদির। তিনি জানেন জনসংখ্যার একটা অংশের সমর্থন রয়েছে তার কাছে। সেজন্য ‘হিন্দুত্বের হাওয়া’ আরও জোরদার করার পথে এগোচ্ছেন তিনি।
এদিকে ‘দ্য ইকনমিস্ট’-এর প্রতিবেদনে ক্ষুব্ধ বিজেপি নেতা বিজয় চৌথাইওয়ালে বলেছেন, আমরা ভেবেছিলাম, ১৯৪৭ সালে ব্রিটিশরা চলে গিয়েছে। কিন্তু দ্য ইকনমিস্টের সম্পাদকরা এখনও ঔপনিবেশিক যুগেই বাস করছেন। দেশের ৬০ কোটি মানুষ মোদিকে ভোট দিয়েছেন। তাতেই রাগ হয়েছে তাদের।