ঢাকা ০৯:০৪ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ০৯ অক্টোবর ২০২৬, ২৪ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
Logo কুকুর উদ্ধারে ফায়ার সার্ভিসের গাড়ি পাঠাতে জ্বালানি খরচের দাবি, ৩ ঘণ্টা পর জীবিত উদ্ধার Logo সরকারি কর্মচারীদের ‘গোলামি’ ও অঢেল সম্পদের পাহাড়: বেরিয়ে আসছে সদ্য বিদায়ী ডিজি জায়েদ কামালের থলের বিড়াল  Logo ফায়ার সার্ভিসের বদলি নীতিমালায় বড় পরিবর্তন: কর্মীরা পাবেন নিজ জেলায় কাজের সুযোগ Logo তৈরি পোশাকশ্রমিকদের জন্য মজুরি বোর্ড গঠনের নীতিগত সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার Logo সিডিবিএল চালু করবে মোবাইল অ্যাপ Logo দেশবিরোধী চক্রান্তের কাছে জাতীয়তাবাদী শক্তি আত্মসমর্পণ করবে না : রিজভী Logo গঙ্গা চুক্তি নবায়ন নয়, নতুন চুক্তি চায় এনসিপি: নাহিদ ইসলাম Logo ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সব নাগরিকের কল্যাণে কাজ করছে সরকার: প্রধানমন্ত্রী Logo ফের মা হতে চলেছেন কিয়ারা Logo মানবতাবিরোধী অপরাধ : হানিফসহ ৪ আ. লীগ নেতার রায় যেকোনো দিন

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০১:০৪:৪৭ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১২ মার্চ ২০২৪ ১০৭০ বার পড়া হয়েছে

অনলাইন ডেস্ক: অবরুদ্ধ গাজার অভ্যন্তরে এমন একটি জায়গা নেই, যেখানে ধ্বংসযজ্ঞ চালায়নি ইসরাইলি সৈন্যরা। দখলদারদের হাত থেকে রেহাই পায়নি মসজিদ ও ইবাদতের স্থানগুলোও।

এমনই একটি স্থান আল ফারুক ওমর মসজিদ। এটি রাফাহ শহরের শাবুরা শরণার্থী শিবিরে অবস্থিত।

মসজিদটি সম্পূর্ণরূপে ধ্বংস হয়ে গেলেও এখানকার বাসিন্দারা সেখানেই অত্যন্ত গুরুত্বের সাথে রমজানের প্রথম তারাবির নামাজ আদায় করেছে।

ওমর ফাতহি নামে ওই মসজিদের এক মুসল্লি আল-জাজিরাকে জানিয়েছেন, খোলা আকাশে তারাবির নামাজ আদায়ের সিদ্ধান্ত নেয়া ব্যক্তিদের মধ্যে তিনি অন্যতম। তবে ইসরাইলি সৈন্যদের ধ্বংসযজ্ঞের পর তাদের সম্পূর্ণ অন্ধকারে ও খোলা আকাশের নিচে নামাজ আদায়ের কারণে তিনি অত্যন্ত ব্যথিত ও ক্ষুব্ধ।

কিন্তু এসব পরিস্থিতিতেও গাজাবাসীকে নামাজ আদায় ও আল্লাহর নিদর্শন প্রদর্শনে বাধা দেয়া যায়নি বলে তিনি মনে করেন। তার মতে- এটি মজলুম এ জনগোষ্ঠীর ধারাবাহিক ধৈর্য ও অবিচলতার প্রমাণ।

‘গোটা আরব ও মুসলিম বিশ্ব পটকা ফুটিয়ে রমজানকে স্বাগত জানাচ্ছে। আর আমরা রমজানকে বরণ করে নিচ্ছি মিসাইলের মাধ্যমে।’- এভাবেই মনের ব্যথা প্রকাশ করেছেন মুয়াজ রাফাত নামে আরেক গাজাবাসী। তিনি জানিয়েছেন, চলমান যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে পবিত্র রমজান মাসের আগমনেও কারো মুখে হাসি নেই। এমনকি শিশুদের চেহারাও মলিন।

তিনি মুসলিম উম্মাহর প্রতি প্রশ্ন রেখে বলেন, ‘আমরা কিভাবে রমজান উদযাপন করব, অথচ আমাদের সামনে ৩০ হাজার শহীদের লাশ?’

এমনই একটি স্থান আল ফারুক ওমর মসজিদ। এটি রাফাহ শহরের শাবুরা শরণার্থী শিবিরে অবস্থিত।

মসজিদটি সম্পূর্ণরূপে ধ্বংস হয়ে গেলেও এখানকার বাসিন্দারা সেখানেই অত্যন্ত গুরুত্বের সাথে রমজানের প্রথম তারাবির নামাজ আদায় করেছে।

ওমর ফাতহি নামে ওই মসজিদের এক মুসল্লি আল-জাজিরাকে জানিয়েছেন, খোলা আকাশে তারাবির নামাজ আদায়ের সিদ্ধান্ত নেয়া ব্যক্তিদের মধ্যে তিনি অন্যতম। তবে ইসরাইলি সৈন্যদের ধ্বংসযজ্ঞের পর তাদের সম্পূর্ণ অন্ধকারে ও খোলা আকাশের নিচে নামাজ আদায়ের কারণে তিনি অত্যন্ত ব্যথিত ও ক্ষুব্ধ।

কিন্তু এসব পরিস্থিতিতেও গাজাবাসীকে নামাজ আদায় ও আল্লাহর নিদর্শন প্রদর্শনে বাধা দেয়া যায়নি বলে তিনি মনে করেন। তার মতে- এটি মজলুম এ জনগোষ্ঠীর ধারাবাহিক ধৈর্য ও অবিচলতার প্রমাণ।

‘গোটা আরব ও মুসলিম বিশ্ব পটকা ফুটিয়ে রমজানকে স্বাগত জানাচ্ছে। আর আমরা রমজানকে বরণ করে নিচ্ছি মিসাইলের মাধ্যমে।’- এভাবেই মনের ব্যথা প্রকাশ করেছেন মুয়াজ রাফাত নামে আরেক গাজাবাসী। তিনি জানিয়েছেন, চলমান যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে পবিত্র রমজান মাসের আগমনেও কারো মুখে হাসি নেই। এমনকি শিশুদের চেহারাও মলিন।

তিনি মুসলিম উম্মাহর প্রতি প্রশ্ন রেখে বলেন, ‘আমরা কিভাবে রমজান উদযাপন করব, অথচ আমাদের সামনে ৩০ হাজার শহীদের লাশ?’

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :
error: Content is protected !!

আপডেট সময় : ০১:০৪:৪৭ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১২ মার্চ ২০২৪

অনলাইন ডেস্ক: অবরুদ্ধ গাজার অভ্যন্তরে এমন একটি জায়গা নেই, যেখানে ধ্বংসযজ্ঞ চালায়নি ইসরাইলি সৈন্যরা। দখলদারদের হাত থেকে রেহাই পায়নি মসজিদ ও ইবাদতের স্থানগুলোও।

এমনই একটি স্থান আল ফারুক ওমর মসজিদ। এটি রাফাহ শহরের শাবুরা শরণার্থী শিবিরে অবস্থিত।

মসজিদটি সম্পূর্ণরূপে ধ্বংস হয়ে গেলেও এখানকার বাসিন্দারা সেখানেই অত্যন্ত গুরুত্বের সাথে রমজানের প্রথম তারাবির নামাজ আদায় করেছে।

ওমর ফাতহি নামে ওই মসজিদের এক মুসল্লি আল-জাজিরাকে জানিয়েছেন, খোলা আকাশে তারাবির নামাজ আদায়ের সিদ্ধান্ত নেয়া ব্যক্তিদের মধ্যে তিনি অন্যতম। তবে ইসরাইলি সৈন্যদের ধ্বংসযজ্ঞের পর তাদের সম্পূর্ণ অন্ধকারে ও খোলা আকাশের নিচে নামাজ আদায়ের কারণে তিনি অত্যন্ত ব্যথিত ও ক্ষুব্ধ।

কিন্তু এসব পরিস্থিতিতেও গাজাবাসীকে নামাজ আদায় ও আল্লাহর নিদর্শন প্রদর্শনে বাধা দেয়া যায়নি বলে তিনি মনে করেন। তার মতে- এটি মজলুম এ জনগোষ্ঠীর ধারাবাহিক ধৈর্য ও অবিচলতার প্রমাণ।

‘গোটা আরব ও মুসলিম বিশ্ব পটকা ফুটিয়ে রমজানকে স্বাগত জানাচ্ছে। আর আমরা রমজানকে বরণ করে নিচ্ছি মিসাইলের মাধ্যমে।’- এভাবেই মনের ব্যথা প্রকাশ করেছেন মুয়াজ রাফাত নামে আরেক গাজাবাসী। তিনি জানিয়েছেন, চলমান যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে পবিত্র রমজান মাসের আগমনেও কারো মুখে হাসি নেই। এমনকি শিশুদের চেহারাও মলিন।

তিনি মুসলিম উম্মাহর প্রতি প্রশ্ন রেখে বলেন, ‘আমরা কিভাবে রমজান উদযাপন করব, অথচ আমাদের সামনে ৩০ হাজার শহীদের লাশ?’

এমনই একটি স্থান আল ফারুক ওমর মসজিদ। এটি রাফাহ শহরের শাবুরা শরণার্থী শিবিরে অবস্থিত।

মসজিদটি সম্পূর্ণরূপে ধ্বংস হয়ে গেলেও এখানকার বাসিন্দারা সেখানেই অত্যন্ত গুরুত্বের সাথে রমজানের প্রথম তারাবির নামাজ আদায় করেছে।

ওমর ফাতহি নামে ওই মসজিদের এক মুসল্লি আল-জাজিরাকে জানিয়েছেন, খোলা আকাশে তারাবির নামাজ আদায়ের সিদ্ধান্ত নেয়া ব্যক্তিদের মধ্যে তিনি অন্যতম। তবে ইসরাইলি সৈন্যদের ধ্বংসযজ্ঞের পর তাদের সম্পূর্ণ অন্ধকারে ও খোলা আকাশের নিচে নামাজ আদায়ের কারণে তিনি অত্যন্ত ব্যথিত ও ক্ষুব্ধ।

কিন্তু এসব পরিস্থিতিতেও গাজাবাসীকে নামাজ আদায় ও আল্লাহর নিদর্শন প্রদর্শনে বাধা দেয়া যায়নি বলে তিনি মনে করেন। তার মতে- এটি মজলুম এ জনগোষ্ঠীর ধারাবাহিক ধৈর্য ও অবিচলতার প্রমাণ।

‘গোটা আরব ও মুসলিম বিশ্ব পটকা ফুটিয়ে রমজানকে স্বাগত জানাচ্ছে। আর আমরা রমজানকে বরণ করে নিচ্ছি মিসাইলের মাধ্যমে।’- এভাবেই মনের ব্যথা প্রকাশ করেছেন মুয়াজ রাফাত নামে আরেক গাজাবাসী। তিনি জানিয়েছেন, চলমান যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে পবিত্র রমজান মাসের আগমনেও কারো মুখে হাসি নেই। এমনকি শিশুদের চেহারাও মলিন।

তিনি মুসলিম উম্মাহর প্রতি প্রশ্ন রেখে বলেন, ‘আমরা কিভাবে রমজান উদযাপন করব, অথচ আমাদের সামনে ৩০ হাজার শহীদের লাশ?’