ঢাকা ১০:০৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৭ এপ্রিল ২০২৪, ৪ বৈশাখ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
Logo মঙ্গল শোভাযাত্রা – তাসফিয়া ফারহানা ঐশী Logo সাস্টিয়ান ব্রাহ্মণবাড়িয়া এর ইফতার মাহফিল সম্পন্ন Logo কুবির চট্টগ্রাম স্টুডেন্টস ওয়েলফেয়ার এসোসিয়েশনের ইফতার ও পূর্নমিলনী Logo অধ্যাপক জহীর উদ্দিন আহমেদের মায়ের মৃত্যুতে শাবির মহান মুক্তিযুদ্ধের চেতনা ও মুক্ত চিন্তা চর্চায় ঐক্যবদ্ধ শিক্ষকবৃন্দ পরিষদের শোক প্রকাশ Logo শাবির অধ্যাপক জহীর উদ্দিনের মায়ের মৃত্যুতে উপাচার্যের শোক প্রকাশ Logo বিশ কোটিতে গণপূর্তের প্রধান হওয়ার মিশনে ‘ছাত্রদল ক্যাডার প্রকৌশলী’! Logo দূর্নীতির রাক্ষস ফায়ার সার্ভিসের এডি আনোয়ার! Logo ঝড় ও শিলাবৃষ্টিতে ক্ষতি হওয়া শাহজালাল বিশ্ববিদ্যালয়ে অবকাঠামোর সংস্কার শুরু Logo বুয়েটে নিয়মতান্ত্রিক ছাত্র রাজনীতির দাবিতে শাবিপ্রবি ছাত্রলীগের মানববন্ধন Logo কুবি উপাচার্যের বক্তব্যের প্রমাণ দিতে শিক্ষক সমিতির সাত দিনের আল্টিমেটাম




প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০১:০৪:৪৭ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১২ মার্চ ২০২৪ ৪৪ বার পড়া হয়েছে

অনলাইন ডেস্ক: অবরুদ্ধ গাজার অভ্যন্তরে এমন একটি জায়গা নেই, যেখানে ধ্বংসযজ্ঞ চালায়নি ইসরাইলি সৈন্যরা। দখলদারদের হাত থেকে রেহাই পায়নি মসজিদ ও ইবাদতের স্থানগুলোও।

এমনই একটি স্থান আল ফারুক ওমর মসজিদ। এটি রাফাহ শহরের শাবুরা শরণার্থী শিবিরে অবস্থিত।

মসজিদটি সম্পূর্ণরূপে ধ্বংস হয়ে গেলেও এখানকার বাসিন্দারা সেখানেই অত্যন্ত গুরুত্বের সাথে রমজানের প্রথম তারাবির নামাজ আদায় করেছে।

ওমর ফাতহি নামে ওই মসজিদের এক মুসল্লি আল-জাজিরাকে জানিয়েছেন, খোলা আকাশে তারাবির নামাজ আদায়ের সিদ্ধান্ত নেয়া ব্যক্তিদের মধ্যে তিনি অন্যতম। তবে ইসরাইলি সৈন্যদের ধ্বংসযজ্ঞের পর তাদের সম্পূর্ণ অন্ধকারে ও খোলা আকাশের নিচে নামাজ আদায়ের কারণে তিনি অত্যন্ত ব্যথিত ও ক্ষুব্ধ।

কিন্তু এসব পরিস্থিতিতেও গাজাবাসীকে নামাজ আদায় ও আল্লাহর নিদর্শন প্রদর্শনে বাধা দেয়া যায়নি বলে তিনি মনে করেন। তার মতে- এটি মজলুম এ জনগোষ্ঠীর ধারাবাহিক ধৈর্য ও অবিচলতার প্রমাণ।

‘গোটা আরব ও মুসলিম বিশ্ব পটকা ফুটিয়ে রমজানকে স্বাগত জানাচ্ছে। আর আমরা রমজানকে বরণ করে নিচ্ছি মিসাইলের মাধ্যমে।’- এভাবেই মনের ব্যথা প্রকাশ করেছেন মুয়াজ রাফাত নামে আরেক গাজাবাসী। তিনি জানিয়েছেন, চলমান যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে পবিত্র রমজান মাসের আগমনেও কারো মুখে হাসি নেই। এমনকি শিশুদের চেহারাও মলিন।

তিনি মুসলিম উম্মাহর প্রতি প্রশ্ন রেখে বলেন, ‘আমরা কিভাবে রমজান উদযাপন করব, অথচ আমাদের সামনে ৩০ হাজার শহীদের লাশ?’

এমনই একটি স্থান আল ফারুক ওমর মসজিদ। এটি রাফাহ শহরের শাবুরা শরণার্থী শিবিরে অবস্থিত।

মসজিদটি সম্পূর্ণরূপে ধ্বংস হয়ে গেলেও এখানকার বাসিন্দারা সেখানেই অত্যন্ত গুরুত্বের সাথে রমজানের প্রথম তারাবির নামাজ আদায় করেছে।

ওমর ফাতহি নামে ওই মসজিদের এক মুসল্লি আল-জাজিরাকে জানিয়েছেন, খোলা আকাশে তারাবির নামাজ আদায়ের সিদ্ধান্ত নেয়া ব্যক্তিদের মধ্যে তিনি অন্যতম। তবে ইসরাইলি সৈন্যদের ধ্বংসযজ্ঞের পর তাদের সম্পূর্ণ অন্ধকারে ও খোলা আকাশের নিচে নামাজ আদায়ের কারণে তিনি অত্যন্ত ব্যথিত ও ক্ষুব্ধ।

কিন্তু এসব পরিস্থিতিতেও গাজাবাসীকে নামাজ আদায় ও আল্লাহর নিদর্শন প্রদর্শনে বাধা দেয়া যায়নি বলে তিনি মনে করেন। তার মতে- এটি মজলুম এ জনগোষ্ঠীর ধারাবাহিক ধৈর্য ও অবিচলতার প্রমাণ।

‘গোটা আরব ও মুসলিম বিশ্ব পটকা ফুটিয়ে রমজানকে স্বাগত জানাচ্ছে। আর আমরা রমজানকে বরণ করে নিচ্ছি মিসাইলের মাধ্যমে।’- এভাবেই মনের ব্যথা প্রকাশ করেছেন মুয়াজ রাফাত নামে আরেক গাজাবাসী। তিনি জানিয়েছেন, চলমান যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে পবিত্র রমজান মাসের আগমনেও কারো মুখে হাসি নেই। এমনকি শিশুদের চেহারাও মলিন।

তিনি মুসলিম উম্মাহর প্রতি প্রশ্ন রেখে বলেন, ‘আমরা কিভাবে রমজান উদযাপন করব, অথচ আমাদের সামনে ৩০ হাজার শহীদের লাশ?’

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :




আপডেট সময় : ০১:০৪:৪৭ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১২ মার্চ ২০২৪

অনলাইন ডেস্ক: অবরুদ্ধ গাজার অভ্যন্তরে এমন একটি জায়গা নেই, যেখানে ধ্বংসযজ্ঞ চালায়নি ইসরাইলি সৈন্যরা। দখলদারদের হাত থেকে রেহাই পায়নি মসজিদ ও ইবাদতের স্থানগুলোও।

এমনই একটি স্থান আল ফারুক ওমর মসজিদ। এটি রাফাহ শহরের শাবুরা শরণার্থী শিবিরে অবস্থিত।

মসজিদটি সম্পূর্ণরূপে ধ্বংস হয়ে গেলেও এখানকার বাসিন্দারা সেখানেই অত্যন্ত গুরুত্বের সাথে রমজানের প্রথম তারাবির নামাজ আদায় করেছে।

ওমর ফাতহি নামে ওই মসজিদের এক মুসল্লি আল-জাজিরাকে জানিয়েছেন, খোলা আকাশে তারাবির নামাজ আদায়ের সিদ্ধান্ত নেয়া ব্যক্তিদের মধ্যে তিনি অন্যতম। তবে ইসরাইলি সৈন্যদের ধ্বংসযজ্ঞের পর তাদের সম্পূর্ণ অন্ধকারে ও খোলা আকাশের নিচে নামাজ আদায়ের কারণে তিনি অত্যন্ত ব্যথিত ও ক্ষুব্ধ।

কিন্তু এসব পরিস্থিতিতেও গাজাবাসীকে নামাজ আদায় ও আল্লাহর নিদর্শন প্রদর্শনে বাধা দেয়া যায়নি বলে তিনি মনে করেন। তার মতে- এটি মজলুম এ জনগোষ্ঠীর ধারাবাহিক ধৈর্য ও অবিচলতার প্রমাণ।

‘গোটা আরব ও মুসলিম বিশ্ব পটকা ফুটিয়ে রমজানকে স্বাগত জানাচ্ছে। আর আমরা রমজানকে বরণ করে নিচ্ছি মিসাইলের মাধ্যমে।’- এভাবেই মনের ব্যথা প্রকাশ করেছেন মুয়াজ রাফাত নামে আরেক গাজাবাসী। তিনি জানিয়েছেন, চলমান যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে পবিত্র রমজান মাসের আগমনেও কারো মুখে হাসি নেই। এমনকি শিশুদের চেহারাও মলিন।

তিনি মুসলিম উম্মাহর প্রতি প্রশ্ন রেখে বলেন, ‘আমরা কিভাবে রমজান উদযাপন করব, অথচ আমাদের সামনে ৩০ হাজার শহীদের লাশ?’

এমনই একটি স্থান আল ফারুক ওমর মসজিদ। এটি রাফাহ শহরের শাবুরা শরণার্থী শিবিরে অবস্থিত।

মসজিদটি সম্পূর্ণরূপে ধ্বংস হয়ে গেলেও এখানকার বাসিন্দারা সেখানেই অত্যন্ত গুরুত্বের সাথে রমজানের প্রথম তারাবির নামাজ আদায় করেছে।

ওমর ফাতহি নামে ওই মসজিদের এক মুসল্লি আল-জাজিরাকে জানিয়েছেন, খোলা আকাশে তারাবির নামাজ আদায়ের সিদ্ধান্ত নেয়া ব্যক্তিদের মধ্যে তিনি অন্যতম। তবে ইসরাইলি সৈন্যদের ধ্বংসযজ্ঞের পর তাদের সম্পূর্ণ অন্ধকারে ও খোলা আকাশের নিচে নামাজ আদায়ের কারণে তিনি অত্যন্ত ব্যথিত ও ক্ষুব্ধ।

কিন্তু এসব পরিস্থিতিতেও গাজাবাসীকে নামাজ আদায় ও আল্লাহর নিদর্শন প্রদর্শনে বাধা দেয়া যায়নি বলে তিনি মনে করেন। তার মতে- এটি মজলুম এ জনগোষ্ঠীর ধারাবাহিক ধৈর্য ও অবিচলতার প্রমাণ।

‘গোটা আরব ও মুসলিম বিশ্ব পটকা ফুটিয়ে রমজানকে স্বাগত জানাচ্ছে। আর আমরা রমজানকে বরণ করে নিচ্ছি মিসাইলের মাধ্যমে।’- এভাবেই মনের ব্যথা প্রকাশ করেছেন মুয়াজ রাফাত নামে আরেক গাজাবাসী। তিনি জানিয়েছেন, চলমান যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে পবিত্র রমজান মাসের আগমনেও কারো মুখে হাসি নেই। এমনকি শিশুদের চেহারাও মলিন।

তিনি মুসলিম উম্মাহর প্রতি প্রশ্ন রেখে বলেন, ‘আমরা কিভাবে রমজান উদযাপন করব, অথচ আমাদের সামনে ৩০ হাজার শহীদের লাশ?’