ঢাকা ০৪:০৩ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২১ অগাস্ট ২০২৬, ৫ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
Logo গ্যাস সংকট আগের সরকারের পাপের ফল: ডা. জাহেদ Logo ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে এআই-নির্ভর ‘অটো ফাইন সিস্টেম’ চালু Logo প্রধানমন্ত্রীকে সৌদি আরব সফরের আমন্ত্রণ জানিয়েছেন যুবরাজ বিন সালমান Logo ছয় মাসে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির দৃশ্যমান উন্নতি হয়েছে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী Logo সরকারের ১৮০ দিনের সালতামামি: ধ্বংসস্তূপ থেকে পরিকল্পিত পুনর্গঠনের পথে বাংলাদেশ Logo শিগগিরই জনপ্রশাসন সংস্কার কমিশন গঠন করবে সরকার : নজরুল ইসলাম খান Logo রাষ্ট্র ও মানুষের মর্যাদা প্রতিষ্ঠাই সরকারের বড় সাফল্য:সালেহ শিবলী Logo শেখ হাসিনার কোন স্ট্যাটাসে ভারতে আছেন জানা নেই: চিফ প্রসিকিউটর Logo ১০ বছরের জ্বালানি পরিকল্পনা সংসদে উপস্থাপনের ঘোষণা প্রধানমন্ত্রীর Logo আগামীকাল কিশোরগঞ্জ সফর করবেন প্রধানমন্ত্রী

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০১:০৪:৪৭ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১২ মার্চ ২০২৪ ১০৪৫ বার পড়া হয়েছে

অনলাইন ডেস্ক: অবরুদ্ধ গাজার অভ্যন্তরে এমন একটি জায়গা নেই, যেখানে ধ্বংসযজ্ঞ চালায়নি ইসরাইলি সৈন্যরা। দখলদারদের হাত থেকে রেহাই পায়নি মসজিদ ও ইবাদতের স্থানগুলোও।

এমনই একটি স্থান আল ফারুক ওমর মসজিদ। এটি রাফাহ শহরের শাবুরা শরণার্থী শিবিরে অবস্থিত।

মসজিদটি সম্পূর্ণরূপে ধ্বংস হয়ে গেলেও এখানকার বাসিন্দারা সেখানেই অত্যন্ত গুরুত্বের সাথে রমজানের প্রথম তারাবির নামাজ আদায় করেছে।

ওমর ফাতহি নামে ওই মসজিদের এক মুসল্লি আল-জাজিরাকে জানিয়েছেন, খোলা আকাশে তারাবির নামাজ আদায়ের সিদ্ধান্ত নেয়া ব্যক্তিদের মধ্যে তিনি অন্যতম। তবে ইসরাইলি সৈন্যদের ধ্বংসযজ্ঞের পর তাদের সম্পূর্ণ অন্ধকারে ও খোলা আকাশের নিচে নামাজ আদায়ের কারণে তিনি অত্যন্ত ব্যথিত ও ক্ষুব্ধ।

কিন্তু এসব পরিস্থিতিতেও গাজাবাসীকে নামাজ আদায় ও আল্লাহর নিদর্শন প্রদর্শনে বাধা দেয়া যায়নি বলে তিনি মনে করেন। তার মতে- এটি মজলুম এ জনগোষ্ঠীর ধারাবাহিক ধৈর্য ও অবিচলতার প্রমাণ।

‘গোটা আরব ও মুসলিম বিশ্ব পটকা ফুটিয়ে রমজানকে স্বাগত জানাচ্ছে। আর আমরা রমজানকে বরণ করে নিচ্ছি মিসাইলের মাধ্যমে।’- এভাবেই মনের ব্যথা প্রকাশ করেছেন মুয়াজ রাফাত নামে আরেক গাজাবাসী। তিনি জানিয়েছেন, চলমান যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে পবিত্র রমজান মাসের আগমনেও কারো মুখে হাসি নেই। এমনকি শিশুদের চেহারাও মলিন।

তিনি মুসলিম উম্মাহর প্রতি প্রশ্ন রেখে বলেন, ‘আমরা কিভাবে রমজান উদযাপন করব, অথচ আমাদের সামনে ৩০ হাজার শহীদের লাশ?’

এমনই একটি স্থান আল ফারুক ওমর মসজিদ। এটি রাফাহ শহরের শাবুরা শরণার্থী শিবিরে অবস্থিত।

মসজিদটি সম্পূর্ণরূপে ধ্বংস হয়ে গেলেও এখানকার বাসিন্দারা সেখানেই অত্যন্ত গুরুত্বের সাথে রমজানের প্রথম তারাবির নামাজ আদায় করেছে।

ওমর ফাতহি নামে ওই মসজিদের এক মুসল্লি আল-জাজিরাকে জানিয়েছেন, খোলা আকাশে তারাবির নামাজ আদায়ের সিদ্ধান্ত নেয়া ব্যক্তিদের মধ্যে তিনি অন্যতম। তবে ইসরাইলি সৈন্যদের ধ্বংসযজ্ঞের পর তাদের সম্পূর্ণ অন্ধকারে ও খোলা আকাশের নিচে নামাজ আদায়ের কারণে তিনি অত্যন্ত ব্যথিত ও ক্ষুব্ধ।

কিন্তু এসব পরিস্থিতিতেও গাজাবাসীকে নামাজ আদায় ও আল্লাহর নিদর্শন প্রদর্শনে বাধা দেয়া যায়নি বলে তিনি মনে করেন। তার মতে- এটি মজলুম এ জনগোষ্ঠীর ধারাবাহিক ধৈর্য ও অবিচলতার প্রমাণ।

‘গোটা আরব ও মুসলিম বিশ্ব পটকা ফুটিয়ে রমজানকে স্বাগত জানাচ্ছে। আর আমরা রমজানকে বরণ করে নিচ্ছি মিসাইলের মাধ্যমে।’- এভাবেই মনের ব্যথা প্রকাশ করেছেন মুয়াজ রাফাত নামে আরেক গাজাবাসী। তিনি জানিয়েছেন, চলমান যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে পবিত্র রমজান মাসের আগমনেও কারো মুখে হাসি নেই। এমনকি শিশুদের চেহারাও মলিন।

তিনি মুসলিম উম্মাহর প্রতি প্রশ্ন রেখে বলেন, ‘আমরা কিভাবে রমজান উদযাপন করব, অথচ আমাদের সামনে ৩০ হাজার শহীদের লাশ?’

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :
error: Content is protected !!

আপডেট সময় : ০১:০৪:৪৭ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১২ মার্চ ২০২৪

অনলাইন ডেস্ক: অবরুদ্ধ গাজার অভ্যন্তরে এমন একটি জায়গা নেই, যেখানে ধ্বংসযজ্ঞ চালায়নি ইসরাইলি সৈন্যরা। দখলদারদের হাত থেকে রেহাই পায়নি মসজিদ ও ইবাদতের স্থানগুলোও।

এমনই একটি স্থান আল ফারুক ওমর মসজিদ। এটি রাফাহ শহরের শাবুরা শরণার্থী শিবিরে অবস্থিত।

মসজিদটি সম্পূর্ণরূপে ধ্বংস হয়ে গেলেও এখানকার বাসিন্দারা সেখানেই অত্যন্ত গুরুত্বের সাথে রমজানের প্রথম তারাবির নামাজ আদায় করেছে।

ওমর ফাতহি নামে ওই মসজিদের এক মুসল্লি আল-জাজিরাকে জানিয়েছেন, খোলা আকাশে তারাবির নামাজ আদায়ের সিদ্ধান্ত নেয়া ব্যক্তিদের মধ্যে তিনি অন্যতম। তবে ইসরাইলি সৈন্যদের ধ্বংসযজ্ঞের পর তাদের সম্পূর্ণ অন্ধকারে ও খোলা আকাশের নিচে নামাজ আদায়ের কারণে তিনি অত্যন্ত ব্যথিত ও ক্ষুব্ধ।

কিন্তু এসব পরিস্থিতিতেও গাজাবাসীকে নামাজ আদায় ও আল্লাহর নিদর্শন প্রদর্শনে বাধা দেয়া যায়নি বলে তিনি মনে করেন। তার মতে- এটি মজলুম এ জনগোষ্ঠীর ধারাবাহিক ধৈর্য ও অবিচলতার প্রমাণ।

‘গোটা আরব ও মুসলিম বিশ্ব পটকা ফুটিয়ে রমজানকে স্বাগত জানাচ্ছে। আর আমরা রমজানকে বরণ করে নিচ্ছি মিসাইলের মাধ্যমে।’- এভাবেই মনের ব্যথা প্রকাশ করেছেন মুয়াজ রাফাত নামে আরেক গাজাবাসী। তিনি জানিয়েছেন, চলমান যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে পবিত্র রমজান মাসের আগমনেও কারো মুখে হাসি নেই। এমনকি শিশুদের চেহারাও মলিন।

তিনি মুসলিম উম্মাহর প্রতি প্রশ্ন রেখে বলেন, ‘আমরা কিভাবে রমজান উদযাপন করব, অথচ আমাদের সামনে ৩০ হাজার শহীদের লাশ?’

এমনই একটি স্থান আল ফারুক ওমর মসজিদ। এটি রাফাহ শহরের শাবুরা শরণার্থী শিবিরে অবস্থিত।

মসজিদটি সম্পূর্ণরূপে ধ্বংস হয়ে গেলেও এখানকার বাসিন্দারা সেখানেই অত্যন্ত গুরুত্বের সাথে রমজানের প্রথম তারাবির নামাজ আদায় করেছে।

ওমর ফাতহি নামে ওই মসজিদের এক মুসল্লি আল-জাজিরাকে জানিয়েছেন, খোলা আকাশে তারাবির নামাজ আদায়ের সিদ্ধান্ত নেয়া ব্যক্তিদের মধ্যে তিনি অন্যতম। তবে ইসরাইলি সৈন্যদের ধ্বংসযজ্ঞের পর তাদের সম্পূর্ণ অন্ধকারে ও খোলা আকাশের নিচে নামাজ আদায়ের কারণে তিনি অত্যন্ত ব্যথিত ও ক্ষুব্ধ।

কিন্তু এসব পরিস্থিতিতেও গাজাবাসীকে নামাজ আদায় ও আল্লাহর নিদর্শন প্রদর্শনে বাধা দেয়া যায়নি বলে তিনি মনে করেন। তার মতে- এটি মজলুম এ জনগোষ্ঠীর ধারাবাহিক ধৈর্য ও অবিচলতার প্রমাণ।

‘গোটা আরব ও মুসলিম বিশ্ব পটকা ফুটিয়ে রমজানকে স্বাগত জানাচ্ছে। আর আমরা রমজানকে বরণ করে নিচ্ছি মিসাইলের মাধ্যমে।’- এভাবেই মনের ব্যথা প্রকাশ করেছেন মুয়াজ রাফাত নামে আরেক গাজাবাসী। তিনি জানিয়েছেন, চলমান যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে পবিত্র রমজান মাসের আগমনেও কারো মুখে হাসি নেই। এমনকি শিশুদের চেহারাও মলিন।

তিনি মুসলিম উম্মাহর প্রতি প্রশ্ন রেখে বলেন, ‘আমরা কিভাবে রমজান উদযাপন করব, অথচ আমাদের সামনে ৩০ হাজার শহীদের লাশ?’