ঢাকা ১০:৪০ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৫ মার্চ ২০২৬, ১ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
Logo সংরক্ষিত নারী আসনে আলোচনায় আসমা আজিজ Logo উপ-কর কমিশনারের তানজিনা’ র ১৫ কোটি টাকার ‘অবৈধ’ সম্পদ Logo রপ্তানি ঘোষণার অমিল বন্ড তদারকিতে পুকুর চুরি: জেসি কামরুলের সহায়তায় কয়েকশ কোটি টাকা রাজস্ব আত্মসাৎ  Logo পাঁচ প্রকৌশলীর গাফিলতিতেই সংসদে মাইক অচল Logo রাজস্ব কর্মকর্তা মেহেদীর বিরুদ্ধে ঘুষ অনিয়মের অভিযোগে নড়েচড়ে দাঁড়াল দুদক: ছাত্রলীগের নেতা বহাল তবিয়তে! Logo কাস্টমসে আওয়ামী দোসর আজাদের রাজত্ব বহাল Logo মিরপুর বিআরটিএতে মালিকানা বদল সেবায় দালালচক্রের দৌরাত্ম্য: কাউন্টার কর্মকর্তাকে ঘিরে ঘুষ বাণিজ্যের অভিযোগ Logo স্বল্প বেতনে এলজিইডি গাড়িচালকের সম্পদের অট্টালিকা Logo পরিবার পরিকল্পনা অধিদপ্তরে পরিচালক মীর সাজেদুর রহমানকে ঘিরে প্রশাসনিক অনিয়মের বিতর্ক Logo সাড়ে ৬শ’ কোটি টাকার সেচ প্রকল্পে অনিয়মের অভিযোগ নিয়েও বহাল পিডি নুরুল ইসলাম

কলেজের একমাত্র পরীক্ষার্থীও ফেল!

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৪:১৮:২২ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৭ জুলাই ২০১৯ ২২৩ বার পড়া হয়েছে

নিজস্ব প্রতিবেদক রাজশাহী: 
জয়পুরহাট সদর উপজেলার হিছামতি আদর্শ কলেজ থেকে এ বছর এইচএসসি পরীক্ষায় বসেছিল মাত্র একজন শিক্ষার্থী। সেই শিক্ষার্থীও ফেল করেছে। একই অবস্থা সিরাজগঞ্জ সদরের চৌগাছা মহিলা কলেজেরও। গত বছর মাত্র একজন পরীক্ষার্থী ছিল এই কলেজে। সেবার ওই পরীক্ষার্থী অকৃতকার্য হয়।

এবার বোর্ডে কেউ পাস করেনি এমন কলেজ দাঁড়িয়েছে সাতে। এই তালিকায় সবার ওপরে রয়েছে নওগাঁর মান্দা উপজেলার চকওলি বহুমুখী উচ্চ বিদ্যালয় ও কলেজ। এই শিক্ষা প্রতিষ্ঠান থেকে ১৪ পরীক্ষার্থী অংশ নিয়ে সবাই ফেল করেছে। ৯ জন পরীক্ষার্থী ছিল চককামদেব আদর্শ কলেজ থেকে। এই ৯ জনও যোগ হয়েছে ফেলের তালিকায়।

জয়পুরহাট সদরের জয়পুরহাট নৈশ বিদ্যালয়ের তিন জন পরীক্ষার্থীর সবাই ফেল। গত বছর এই কলেজ থেকে অংশ নেয় সাত পরীক্ষার্থী। সেবারও সবাই ছিল ফেলের তালিকায়।

এবার রাজশাহীর দুর্গাপুরের দাবিপুর কলেজ ও বগুড়ার সারিয়াকান্দি গণকপাড়া স্কুল অ্যান্ড কলেজে দু’জন করে পরীক্ষার্থী অংশ নিলেও ফেল করেছে প্রত্যেকেই। বুধবার দুপুর ১টার দিকে আনুষ্ঠানিক ফলাফল ঘোষণা করেন বোর্ডের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক অধ্যাপক ড. আনারুল হক প্রামানিক।

তিনি বলেন, শূন্যপাসের এমন কলেজগুলো সবেমাত্র পাঠদানে অনুমতি পেয়েছে। শিক্ষার্থী সংখ্যাও একেবারেই কম। তবে এদের পাস করা উচিত ছিল। কেউ পাস না করার বিষয়টি খতিয়ে দেখা হবে। প্রয়োজনে তাদের বিরুদ্ধে কঠোর হবে শিক্ষাবোর্ড।

এর আগে ২০১৮ সালে রাজশাহী বোর্ডে শূন্যপাস কলেজ ছিল ৬টি। এছাড়া ২০১৭ সালে ১১টি, ২০১৬ সালে ৮টি, ২০১৫ সালে ৫টি, ২০১৪ সালে ২টি এবং ২০১৩ ও ২০১২ সালে ৪টি করে কলেজ ছিল এই তালিকায়। সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, বোর্ডে এবার পাসের হার ৭৬ দশমিক ৩৮ শতাংশ। গত বছর এই হার ছিল ৬৬ দশমিক ৫১ শতাংশ।

এবার বোর্ডে মোট পরীক্ষার্থী ছিল এক লাখ ৫১ হাজার ১৩৪ জন। এর মধ্যে পাস করেছে এক লাখ ১৩ হাজার ৫৫০ জন। জিপিএ-৫ পেয়েছে ৬ হাজার ৭২৯ জন।
এ বছর ৮১ দশমিক ২১ শতাংশ মেয়ে এবং ৭২ দশমিক ৩২ শতাংশ ছেলে পাস করেছে। ফলাফল সন্তোষজনক বলে জানিয়েছে শিক্ষাবোর্ড।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :
error: Content is protected !!

কলেজের একমাত্র পরীক্ষার্থীও ফেল!

আপডেট সময় : ০৪:১৮:২২ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৭ জুলাই ২০১৯

নিজস্ব প্রতিবেদক রাজশাহী: 
জয়পুরহাট সদর উপজেলার হিছামতি আদর্শ কলেজ থেকে এ বছর এইচএসসি পরীক্ষায় বসেছিল মাত্র একজন শিক্ষার্থী। সেই শিক্ষার্থীও ফেল করেছে। একই অবস্থা সিরাজগঞ্জ সদরের চৌগাছা মহিলা কলেজেরও। গত বছর মাত্র একজন পরীক্ষার্থী ছিল এই কলেজে। সেবার ওই পরীক্ষার্থী অকৃতকার্য হয়।

এবার বোর্ডে কেউ পাস করেনি এমন কলেজ দাঁড়িয়েছে সাতে। এই তালিকায় সবার ওপরে রয়েছে নওগাঁর মান্দা উপজেলার চকওলি বহুমুখী উচ্চ বিদ্যালয় ও কলেজ। এই শিক্ষা প্রতিষ্ঠান থেকে ১৪ পরীক্ষার্থী অংশ নিয়ে সবাই ফেল করেছে। ৯ জন পরীক্ষার্থী ছিল চককামদেব আদর্শ কলেজ থেকে। এই ৯ জনও যোগ হয়েছে ফেলের তালিকায়।

জয়পুরহাট সদরের জয়পুরহাট নৈশ বিদ্যালয়ের তিন জন পরীক্ষার্থীর সবাই ফেল। গত বছর এই কলেজ থেকে অংশ নেয় সাত পরীক্ষার্থী। সেবারও সবাই ছিল ফেলের তালিকায়।

এবার রাজশাহীর দুর্গাপুরের দাবিপুর কলেজ ও বগুড়ার সারিয়াকান্দি গণকপাড়া স্কুল অ্যান্ড কলেজে দু’জন করে পরীক্ষার্থী অংশ নিলেও ফেল করেছে প্রত্যেকেই। বুধবার দুপুর ১টার দিকে আনুষ্ঠানিক ফলাফল ঘোষণা করেন বোর্ডের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক অধ্যাপক ড. আনারুল হক প্রামানিক।

তিনি বলেন, শূন্যপাসের এমন কলেজগুলো সবেমাত্র পাঠদানে অনুমতি পেয়েছে। শিক্ষার্থী সংখ্যাও একেবারেই কম। তবে এদের পাস করা উচিত ছিল। কেউ পাস না করার বিষয়টি খতিয়ে দেখা হবে। প্রয়োজনে তাদের বিরুদ্ধে কঠোর হবে শিক্ষাবোর্ড।

এর আগে ২০১৮ সালে রাজশাহী বোর্ডে শূন্যপাস কলেজ ছিল ৬টি। এছাড়া ২০১৭ সালে ১১টি, ২০১৬ সালে ৮টি, ২০১৫ সালে ৫টি, ২০১৪ সালে ২টি এবং ২০১৩ ও ২০১২ সালে ৪টি করে কলেজ ছিল এই তালিকায়। সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, বোর্ডে এবার পাসের হার ৭৬ দশমিক ৩৮ শতাংশ। গত বছর এই হার ছিল ৬৬ দশমিক ৫১ শতাংশ।

এবার বোর্ডে মোট পরীক্ষার্থী ছিল এক লাখ ৫১ হাজার ১৩৪ জন। এর মধ্যে পাস করেছে এক লাখ ১৩ হাজার ৫৫০ জন। জিপিএ-৫ পেয়েছে ৬ হাজার ৭২৯ জন।
এ বছর ৮১ দশমিক ২১ শতাংশ মেয়ে এবং ৭২ দশমিক ৩২ শতাংশ ছেলে পাস করেছে। ফলাফল সন্তোষজনক বলে জানিয়েছে শিক্ষাবোর্ড।