ঢাকা ০৫:১৬ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৪ জুলাই ২০২৪, ৮ শ্রাবণ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
Logo শাবি ক্যাম্পাসে আন্দোলনকারীদের ছড়ানো গুজবে সয়লাব Logo সিলেট-সুনামগঞ্জ মহাসড়কে আন্দোলনকারীরা পুলিশের উপর হামলা চালালে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে Logo জবিতে আজীবন ছাত্ররাজনীতি নিষিদ্ধ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ Logo শাবিতে হল প্রশাসনকে ভয়-ভীতি দেখিয়ে নোটিসে জোর পূর্বক সাইন আদায় Logo এবার সামনে আসছে ছাত্রলীগ কর্তৃক আন্দোলনকারীদের মারধরের আরো ঘটনা Logo আবাসিক হল ছাড়ছে শাবি শিক্ষার্থীরা Logo নিরাপত্তার স্বার্থে শাবি শিক্ষার্থীদের আইডিকার্ড সাথে রাখার আহবান বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের Logo জনস্বাস্থ্যের প্রধান সাধুর যত অসাধু কর্ম: দুর্নীতি ও অর্থ পাচারের অভিযোগ! Logo বিআইডব্লিউটিএ বন্দর শাখা যুগ্ম পরিচালক আলমগীরের দুর্নীতি ও ঘুষ বাণিজ্য  Logo রাজশাহীতে এটিএন বাংলার সাংবাদিক সুজাউদ্দিন ছোটনকে হয়রানিমূলক মামলায় বএিমইউজরে নিন্দা ও প্রতিবাদ




কলেজের একমাত্র পরীক্ষার্থীও ফেল!

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৪:১৮:২২ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৭ জুলাই ২০১৯ ১০৯ বার পড়া হয়েছে

নিজস্ব প্রতিবেদক রাজশাহী: 
জয়পুরহাট সদর উপজেলার হিছামতি আদর্শ কলেজ থেকে এ বছর এইচএসসি পরীক্ষায় বসেছিল মাত্র একজন শিক্ষার্থী। সেই শিক্ষার্থীও ফেল করেছে। একই অবস্থা সিরাজগঞ্জ সদরের চৌগাছা মহিলা কলেজেরও। গত বছর মাত্র একজন পরীক্ষার্থী ছিল এই কলেজে। সেবার ওই পরীক্ষার্থী অকৃতকার্য হয়।

এবার বোর্ডে কেউ পাস করেনি এমন কলেজ দাঁড়িয়েছে সাতে। এই তালিকায় সবার ওপরে রয়েছে নওগাঁর মান্দা উপজেলার চকওলি বহুমুখী উচ্চ বিদ্যালয় ও কলেজ। এই শিক্ষা প্রতিষ্ঠান থেকে ১৪ পরীক্ষার্থী অংশ নিয়ে সবাই ফেল করেছে। ৯ জন পরীক্ষার্থী ছিল চককামদেব আদর্শ কলেজ থেকে। এই ৯ জনও যোগ হয়েছে ফেলের তালিকায়।

জয়পুরহাট সদরের জয়পুরহাট নৈশ বিদ্যালয়ের তিন জন পরীক্ষার্থীর সবাই ফেল। গত বছর এই কলেজ থেকে অংশ নেয় সাত পরীক্ষার্থী। সেবারও সবাই ছিল ফেলের তালিকায়।

এবার রাজশাহীর দুর্গাপুরের দাবিপুর কলেজ ও বগুড়ার সারিয়াকান্দি গণকপাড়া স্কুল অ্যান্ড কলেজে দু’জন করে পরীক্ষার্থী অংশ নিলেও ফেল করেছে প্রত্যেকেই। বুধবার দুপুর ১টার দিকে আনুষ্ঠানিক ফলাফল ঘোষণা করেন বোর্ডের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক অধ্যাপক ড. আনারুল হক প্রামানিক।

তিনি বলেন, শূন্যপাসের এমন কলেজগুলো সবেমাত্র পাঠদানে অনুমতি পেয়েছে। শিক্ষার্থী সংখ্যাও একেবারেই কম। তবে এদের পাস করা উচিত ছিল। কেউ পাস না করার বিষয়টি খতিয়ে দেখা হবে। প্রয়োজনে তাদের বিরুদ্ধে কঠোর হবে শিক্ষাবোর্ড।

এর আগে ২০১৮ সালে রাজশাহী বোর্ডে শূন্যপাস কলেজ ছিল ৬টি। এছাড়া ২০১৭ সালে ১১টি, ২০১৬ সালে ৮টি, ২০১৫ সালে ৫টি, ২০১৪ সালে ২টি এবং ২০১৩ ও ২০১২ সালে ৪টি করে কলেজ ছিল এই তালিকায়। সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, বোর্ডে এবার পাসের হার ৭৬ দশমিক ৩৮ শতাংশ। গত বছর এই হার ছিল ৬৬ দশমিক ৫১ শতাংশ।

এবার বোর্ডে মোট পরীক্ষার্থী ছিল এক লাখ ৫১ হাজার ১৩৪ জন। এর মধ্যে পাস করেছে এক লাখ ১৩ হাজার ৫৫০ জন। জিপিএ-৫ পেয়েছে ৬ হাজার ৭২৯ জন।
এ বছর ৮১ দশমিক ২১ শতাংশ মেয়ে এবং ৭২ দশমিক ৩২ শতাংশ ছেলে পাস করেছে। ফলাফল সন্তোষজনক বলে জানিয়েছে শিক্ষাবোর্ড।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :




কলেজের একমাত্র পরীক্ষার্থীও ফেল!

আপডেট সময় : ০৪:১৮:২২ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৭ জুলাই ২০১৯

নিজস্ব প্রতিবেদক রাজশাহী: 
জয়পুরহাট সদর উপজেলার হিছামতি আদর্শ কলেজ থেকে এ বছর এইচএসসি পরীক্ষায় বসেছিল মাত্র একজন শিক্ষার্থী। সেই শিক্ষার্থীও ফেল করেছে। একই অবস্থা সিরাজগঞ্জ সদরের চৌগাছা মহিলা কলেজেরও। গত বছর মাত্র একজন পরীক্ষার্থী ছিল এই কলেজে। সেবার ওই পরীক্ষার্থী অকৃতকার্য হয়।

এবার বোর্ডে কেউ পাস করেনি এমন কলেজ দাঁড়িয়েছে সাতে। এই তালিকায় সবার ওপরে রয়েছে নওগাঁর মান্দা উপজেলার চকওলি বহুমুখী উচ্চ বিদ্যালয় ও কলেজ। এই শিক্ষা প্রতিষ্ঠান থেকে ১৪ পরীক্ষার্থী অংশ নিয়ে সবাই ফেল করেছে। ৯ জন পরীক্ষার্থী ছিল চককামদেব আদর্শ কলেজ থেকে। এই ৯ জনও যোগ হয়েছে ফেলের তালিকায়।

জয়পুরহাট সদরের জয়পুরহাট নৈশ বিদ্যালয়ের তিন জন পরীক্ষার্থীর সবাই ফেল। গত বছর এই কলেজ থেকে অংশ নেয় সাত পরীক্ষার্থী। সেবারও সবাই ছিল ফেলের তালিকায়।

এবার রাজশাহীর দুর্গাপুরের দাবিপুর কলেজ ও বগুড়ার সারিয়াকান্দি গণকপাড়া স্কুল অ্যান্ড কলেজে দু’জন করে পরীক্ষার্থী অংশ নিলেও ফেল করেছে প্রত্যেকেই। বুধবার দুপুর ১টার দিকে আনুষ্ঠানিক ফলাফল ঘোষণা করেন বোর্ডের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক অধ্যাপক ড. আনারুল হক প্রামানিক।

তিনি বলেন, শূন্যপাসের এমন কলেজগুলো সবেমাত্র পাঠদানে অনুমতি পেয়েছে। শিক্ষার্থী সংখ্যাও একেবারেই কম। তবে এদের পাস করা উচিত ছিল। কেউ পাস না করার বিষয়টি খতিয়ে দেখা হবে। প্রয়োজনে তাদের বিরুদ্ধে কঠোর হবে শিক্ষাবোর্ড।

এর আগে ২০১৮ সালে রাজশাহী বোর্ডে শূন্যপাস কলেজ ছিল ৬টি। এছাড়া ২০১৭ সালে ১১টি, ২০১৬ সালে ৮টি, ২০১৫ সালে ৫টি, ২০১৪ সালে ২টি এবং ২০১৩ ও ২০১২ সালে ৪টি করে কলেজ ছিল এই তালিকায়। সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, বোর্ডে এবার পাসের হার ৭৬ দশমিক ৩৮ শতাংশ। গত বছর এই হার ছিল ৬৬ দশমিক ৫১ শতাংশ।

এবার বোর্ডে মোট পরীক্ষার্থী ছিল এক লাখ ৫১ হাজার ১৩৪ জন। এর মধ্যে পাস করেছে এক লাখ ১৩ হাজার ৫৫০ জন। জিপিএ-৫ পেয়েছে ৬ হাজার ৭২৯ জন।
এ বছর ৮১ দশমিক ২১ শতাংশ মেয়ে এবং ৭২ দশমিক ৩২ শতাংশ ছেলে পাস করেছে। ফলাফল সন্তোষজনক বলে জানিয়েছে শিক্ষাবোর্ড।