ঢাকা ০৩:০১ অপরাহ্ন, সোমবার, ২০ মে ২০২৪, ৬ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
Logo টাটা মটরস বাংলাদেশে উদ্বোধন করলো টাটা যোদ্ধা Logo আশা শিক্ষা কর্মসূচী কর্তৃক অভিভাবক মতবিনিময় সভা Logo গণপূর্ত প্রধান প্রকৌশলীর গাড়ি চাপায় পিষ্ট সহকারী প্রকৌশলী -উত্তাল গণপূর্ত Logo শাবিপ্রবির বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান হলের উদ্যোগে বৃক্ষরোপণ Logo সওজের উপ-বিভাগীয় প্রকৌশলী নাহিনুরের সীমাহীন সম্পদ ও অনিয়ম -পর্ব-০১ Logo তামাক সেবনের আলাদা কক্ষ বানালেন গণপূর্তের নির্বাহী প্রকৌশলী: রয়েছে দুর্নীতির পাহাড়সম অভিযোগ! Logo দেশের সর্বোচ্চ আদালতকে বৃদ্ধাঙ্গুলি: কালবে সর্বোচ্চ পদ দখলে রেখেছে আগস্টিন! Logo আইআইএফসি ও মার্কটেল বাংলাদেশ’র মধ্যে কৌশলগত সহযোগিতা ও সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর Logo ফায়ার সার্ভিস সদর দপ্তর পরিদর্শনে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ প্রতিমন্ত্রী Logo সর্বজনীন পেনশন প্রত্যাহারে শাবি শিক্ষক সমিতি মৌন মিছিল ও কালোব্যাজ ধারণ




ব্রাহ্মণবাড়িয়া কারাগারে পদে পদে অনিয়ম-দুর্নীতি

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ১০:৪২:৪৫ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ৯ জুলাই ২০১৯ ১১৬ বার পড়া হয়েছে

ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রতিনিধি |  
ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা কারাগারের রন্ধ্রে রন্ধ্রে অনিয়ম-দুর্নীতির প্রমাণ পেয়েছে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের তদন্ত কমিটি। নানা অপকর্মে জড়িত থাকার অভিযোগে ২৬ কারারক্ষীকে অন্যত্র বদলি করা হয়েছে। এছাড়া একজনকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে।
তবে কারাগারের সবক্ষেত্রে অনিয়ম-দুর্নীতির মূলে জেল সুপার, জেলার ও ডেপুটি জেলারের কথা বলা হলেও তাদের বিরুদ্ধে এখনো কোনো ব্যবস্থা নেয়া হয়নি।
সম্প্রতি স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের উচ্চপর্যায়ের এক তদন্তে এই কারাগারে বন্দি বেচাকেনা, সাক্ষাৎ বাণিজ্য, সিট বাণিজ্য, খাবার বাণিজ্য, চিকিৎসা বাণিজ্য, পিসি বাণিজ্য, পদায়ন বাণিজ্য, কারা অভ্যন্তরে নিষিদ্ধ মালামাল প্রবেশ এবং জামিন বাণিজ্যসহ নানা অপকর্মের এক ভয়াবহ চিত্র উঠে আসে।
৫০৪ জনের স্থলে এই কারাগারে রয়েছে বর্তমানে ১৪০০ জন কয়েদি-হাজতি। তাদেরকে পুঁজি করেই চলে কারা কর্মকর্তা ও কারারক্ষীদের নানা বাণিজ্য। বেনামি একটি অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের কারা অনুবিভাগের যুগ্ম-সচিব সৈয়দ বেলাল হোসেনের নেতৃত্বে গত এপ্রিল মাসে একটি তদন্ত কমিটি করা হয়। এই কমিটিতে তার সাথে ছিলেন সুরক্ষা সেবা বিভাগের উপ-সচিব মো. মনিরুজ্জামান।
কমিটি গত ৬ এপ্রিল ৫১ পৃষ্ঠার একটি তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল করে। প্রতিবেদনে বলা হয়, কারাগারে আমদানি ওয়ার্ডে থাকা বন্দীদেরকে ‘গরু’ বলে ডাকা হয়। একইভাবে বেচাবিক্রিও হয় তারা। এখান থেকে বিভিন্ন ওয়ার্ডের নিয়ন্ত্রকদের কাছে বিক্রি করা হয় তাদেরকে। শিশুদের রাখা হয় খাবার না দিয়েই! সারাদিনে ছোট এক গ্লাস পানি মিশ্রিত দুধ দেয়া হয়। এছাড়া আর কোনো খাবার দেয়া হয় না।
কারা হাসপাতালের চেহারা আবাসিক হোটেলের মতো। সেখানে টাকার বিনিময়ে থাকছে প্রভাবশালী ও স্বচ্ছল বন্দিরা। কারা ক্যান্টিনে দ্বিগুণের বেশি মূল্যে বিক্রি হচ্ছে প্রতিটি পণ্যসামগ্রী। এক কেজি গরুর মাংস বিক্রি হয় সেখানে এক হাজার টাকা। আর মুরগির মাংসের কেজি ৭০০ টাকা। এক কেজি পুঁটি মাছের দাম ১৬০০ টাকা। ওয়ার্ডে এক হাত জায়গা পেতে দিতে হয় ৩ হাজার টাকা। আর একটি কম্বল পেতে দিতে হয় ৫ হাজার টাকা। তদন্তে উঠে আসা এমন নানা অভিযোগ ভুক্তভোগীদের মুখে ফিরছে দীর্ঘদিন ধরেই।
জেলা কারাগারের পাশেই কথা হয় কয়েকজন ভুক্তভোগীর সাথে। তারা জানান- বন্দীদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করতে গেলেই দিতে হয় টাকা। ভিআইপিভাবে দেখলে এক হাজার টাকা দিতে হয়। পরে ভিআইপি সাক্ষাতের মূল্য ৫০০ টাকা করা হয়। অন্যভাবে দেখলে দুই থেক তিনশ টাকা দিতে হয়। তারা আরও জানান, বাইরে থেকে কোনো খাবার ভেতরে নিতে দেয়া হয় না। তাদের (কারাগার) দোকান থেকে কিনলে দ্বিগুণ দাম রাখা হয়। এমন আরও নানা অভিযোগ ভুক্তভোগীদের মুখে।
মন্ত্রণালয়ের তদন্ত কমিটি প্রতিবেদন দাখিলের পরই মে মাসে কারা মহাপরিদর্শক ২৬ কারারক্ষীর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ দেন। তার আগে বরখাস্ত করা হয় প্রধান কারারক্ষী আবদুল ওয়াহেদকে। ব্রাহ্মণবাড়িয়া কারাগারের এসব অনিয়ম দুর্নীতির সঙ্গে ডেপুটি জেলার হুমায়ুন কবির, জেলার এজি মাহমুদ এবং জেল সুপার নুরুন্নবী ভূঁইয়া সরাসরি জড়িত বলেও প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়।
তবে তাদের বিরুদ্ধে এখনও পর্যন্ত কোনো ব্যবস্থা নেয়া হয়নি। জেলার এজি মাহমুদের দাবি, কারাগারকে নিয়মশৃঙ্খলার মধ্যে নিয়ে আসার কারণেই তার বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠেছে। ৪ বছর ধরে এই কারাগারে দায়িত্ব পালন করা জেল সুপার নুরুন্নবী ভূঁইয়া নিজেদের অনিয়ম-দুর্নীতিতে জড়িত থাকার অভিযোগের বিষয়ে বলেন, বেনামি অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে তদন্ত হয়েছে। একটা অভিযোগের সুনির্দিষ্ট অভিযোগকারী থাকতে হবে, সাক্ষী লাগবে, ঘটনার স্থান থাকতে হবে।

ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা কারাগার পরিদর্শক বোর্ডের সদস্য অ্যাডভোকেট তাসলিমা সুলতানা খানম বলেন, আনুষ্ঠানিকভাবে মিটিং ডাকলে আমরা সেখানে যাই। তখন আমরা যে পরিবেশ দেখি তা খুবই সুন্দর। পরিদর্শনকালে হাজতি-কয়েদিদের সঙ্গেও আমরা কথা বলি। কিন্তু তখন তারা আমাদেরকে কিছু বলে না। অবশ্য সে সময় কারা কর্মকর্তারা আমাদের সঙ্গে থাকেন। ভয়েও হয়তো তারা মুখ খুলতে পারে না।
তিনি আরও বলেন, মন্ত্রণালয়ের তদন্ত রিপোর্টে যে বিষয় উঠে এসেছে তা মারাত্মক। এই ধরনের অপকর্মে যারা জড়িত তাদের কঠিন শাস্তি আমরা চাই।
২৬ কারারক্ষী বদলি
প্রধান কারারক্ষী সুব্রত মৎসুদ্দী (২১৫৪৬), ইকবাল হোসেন (২১১৩৬), নজরুল ইসলাম (০২৫৬৩), এনায়েত উল্ল্যাহ(০২৫৬৫), সহকারী প্রধান কাররক্ষী মো. মন্তাজ মিয়া (২১২৬০), মো. সেলিম মিয়া (২১২৬৮), বাদল মিয়া (২১৬১১), হুমায়ুন কবির (২১৬৪৯), মো. নাছির উদ্দিন(২১২৫২), কারারক্ষী হেলালউদ্দিন (২২২৬৬), রাসেল খান (২২৮৬৯), নূর মোহাম্মদ (২২২৪৭), মো. ইমাম হোসেন (২২৩৪৪), রিয়াদ মাহমুদ(২২০৭৩), জহিরুল ইসলাম (২২০৪৭), হাবিবুর রহমান(২২২৬৮), আবুল হাসান (২২৪৩৭), মাইন উদ্দিন মজুমদার(২১৮২৭), রনি দে (২২৮২৭), হাবিবুর রহমান (২২২৭৩), আল আমিন (২২৮৭২), মফিজুর রহমান(২২৬১৩), নাজমুল হোসেন (২২৮৫৬), নাজমুল হোসেন (২২৫৯৭), ফজলুল হক (২২১৩৭), মো. শরীফ উদ্দিন (২২৪৭০)। এর আগে সর্বপ্রধান কারারক্ষী আবদুল ওয়াহেদকে সাময়িকভাবে বরখাস্ত করা হয়।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :




ব্রাহ্মণবাড়িয়া কারাগারে পদে পদে অনিয়ম-দুর্নীতি

আপডেট সময় : ১০:৪২:৪৫ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ৯ জুলাই ২০১৯

ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রতিনিধি |  
ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা কারাগারের রন্ধ্রে রন্ধ্রে অনিয়ম-দুর্নীতির প্রমাণ পেয়েছে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের তদন্ত কমিটি। নানা অপকর্মে জড়িত থাকার অভিযোগে ২৬ কারারক্ষীকে অন্যত্র বদলি করা হয়েছে। এছাড়া একজনকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে।
তবে কারাগারের সবক্ষেত্রে অনিয়ম-দুর্নীতির মূলে জেল সুপার, জেলার ও ডেপুটি জেলারের কথা বলা হলেও তাদের বিরুদ্ধে এখনো কোনো ব্যবস্থা নেয়া হয়নি।
সম্প্রতি স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের উচ্চপর্যায়ের এক তদন্তে এই কারাগারে বন্দি বেচাকেনা, সাক্ষাৎ বাণিজ্য, সিট বাণিজ্য, খাবার বাণিজ্য, চিকিৎসা বাণিজ্য, পিসি বাণিজ্য, পদায়ন বাণিজ্য, কারা অভ্যন্তরে নিষিদ্ধ মালামাল প্রবেশ এবং জামিন বাণিজ্যসহ নানা অপকর্মের এক ভয়াবহ চিত্র উঠে আসে।
৫০৪ জনের স্থলে এই কারাগারে রয়েছে বর্তমানে ১৪০০ জন কয়েদি-হাজতি। তাদেরকে পুঁজি করেই চলে কারা কর্মকর্তা ও কারারক্ষীদের নানা বাণিজ্য। বেনামি একটি অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের কারা অনুবিভাগের যুগ্ম-সচিব সৈয়দ বেলাল হোসেনের নেতৃত্বে গত এপ্রিল মাসে একটি তদন্ত কমিটি করা হয়। এই কমিটিতে তার সাথে ছিলেন সুরক্ষা সেবা বিভাগের উপ-সচিব মো. মনিরুজ্জামান।
কমিটি গত ৬ এপ্রিল ৫১ পৃষ্ঠার একটি তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল করে। প্রতিবেদনে বলা হয়, কারাগারে আমদানি ওয়ার্ডে থাকা বন্দীদেরকে ‘গরু’ বলে ডাকা হয়। একইভাবে বেচাবিক্রিও হয় তারা। এখান থেকে বিভিন্ন ওয়ার্ডের নিয়ন্ত্রকদের কাছে বিক্রি করা হয় তাদেরকে। শিশুদের রাখা হয় খাবার না দিয়েই! সারাদিনে ছোট এক গ্লাস পানি মিশ্রিত দুধ দেয়া হয়। এছাড়া আর কোনো খাবার দেয়া হয় না।
কারা হাসপাতালের চেহারা আবাসিক হোটেলের মতো। সেখানে টাকার বিনিময়ে থাকছে প্রভাবশালী ও স্বচ্ছল বন্দিরা। কারা ক্যান্টিনে দ্বিগুণের বেশি মূল্যে বিক্রি হচ্ছে প্রতিটি পণ্যসামগ্রী। এক কেজি গরুর মাংস বিক্রি হয় সেখানে এক হাজার টাকা। আর মুরগির মাংসের কেজি ৭০০ টাকা। এক কেজি পুঁটি মাছের দাম ১৬০০ টাকা। ওয়ার্ডে এক হাত জায়গা পেতে দিতে হয় ৩ হাজার টাকা। আর একটি কম্বল পেতে দিতে হয় ৫ হাজার টাকা। তদন্তে উঠে আসা এমন নানা অভিযোগ ভুক্তভোগীদের মুখে ফিরছে দীর্ঘদিন ধরেই।
জেলা কারাগারের পাশেই কথা হয় কয়েকজন ভুক্তভোগীর সাথে। তারা জানান- বন্দীদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করতে গেলেই দিতে হয় টাকা। ভিআইপিভাবে দেখলে এক হাজার টাকা দিতে হয়। পরে ভিআইপি সাক্ষাতের মূল্য ৫০০ টাকা করা হয়। অন্যভাবে দেখলে দুই থেক তিনশ টাকা দিতে হয়। তারা আরও জানান, বাইরে থেকে কোনো খাবার ভেতরে নিতে দেয়া হয় না। তাদের (কারাগার) দোকান থেকে কিনলে দ্বিগুণ দাম রাখা হয়। এমন আরও নানা অভিযোগ ভুক্তভোগীদের মুখে।
মন্ত্রণালয়ের তদন্ত কমিটি প্রতিবেদন দাখিলের পরই মে মাসে কারা মহাপরিদর্শক ২৬ কারারক্ষীর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ দেন। তার আগে বরখাস্ত করা হয় প্রধান কারারক্ষী আবদুল ওয়াহেদকে। ব্রাহ্মণবাড়িয়া কারাগারের এসব অনিয়ম দুর্নীতির সঙ্গে ডেপুটি জেলার হুমায়ুন কবির, জেলার এজি মাহমুদ এবং জেল সুপার নুরুন্নবী ভূঁইয়া সরাসরি জড়িত বলেও প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়।
তবে তাদের বিরুদ্ধে এখনও পর্যন্ত কোনো ব্যবস্থা নেয়া হয়নি। জেলার এজি মাহমুদের দাবি, কারাগারকে নিয়মশৃঙ্খলার মধ্যে নিয়ে আসার কারণেই তার বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠেছে। ৪ বছর ধরে এই কারাগারে দায়িত্ব পালন করা জেল সুপার নুরুন্নবী ভূঁইয়া নিজেদের অনিয়ম-দুর্নীতিতে জড়িত থাকার অভিযোগের বিষয়ে বলেন, বেনামি অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে তদন্ত হয়েছে। একটা অভিযোগের সুনির্দিষ্ট অভিযোগকারী থাকতে হবে, সাক্ষী লাগবে, ঘটনার স্থান থাকতে হবে।

ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা কারাগার পরিদর্শক বোর্ডের সদস্য অ্যাডভোকেট তাসলিমা সুলতানা খানম বলেন, আনুষ্ঠানিকভাবে মিটিং ডাকলে আমরা সেখানে যাই। তখন আমরা যে পরিবেশ দেখি তা খুবই সুন্দর। পরিদর্শনকালে হাজতি-কয়েদিদের সঙ্গেও আমরা কথা বলি। কিন্তু তখন তারা আমাদেরকে কিছু বলে না। অবশ্য সে সময় কারা কর্মকর্তারা আমাদের সঙ্গে থাকেন। ভয়েও হয়তো তারা মুখ খুলতে পারে না।
তিনি আরও বলেন, মন্ত্রণালয়ের তদন্ত রিপোর্টে যে বিষয় উঠে এসেছে তা মারাত্মক। এই ধরনের অপকর্মে যারা জড়িত তাদের কঠিন শাস্তি আমরা চাই।
২৬ কারারক্ষী বদলি
প্রধান কারারক্ষী সুব্রত মৎসুদ্দী (২১৫৪৬), ইকবাল হোসেন (২১১৩৬), নজরুল ইসলাম (০২৫৬৩), এনায়েত উল্ল্যাহ(০২৫৬৫), সহকারী প্রধান কাররক্ষী মো. মন্তাজ মিয়া (২১২৬০), মো. সেলিম মিয়া (২১২৬৮), বাদল মিয়া (২১৬১১), হুমায়ুন কবির (২১৬৪৯), মো. নাছির উদ্দিন(২১২৫২), কারারক্ষী হেলালউদ্দিন (২২২৬৬), রাসেল খান (২২৮৬৯), নূর মোহাম্মদ (২২২৪৭), মো. ইমাম হোসেন (২২৩৪৪), রিয়াদ মাহমুদ(২২০৭৩), জহিরুল ইসলাম (২২০৪৭), হাবিবুর রহমান(২২২৬৮), আবুল হাসান (২২৪৩৭), মাইন উদ্দিন মজুমদার(২১৮২৭), রনি দে (২২৮২৭), হাবিবুর রহমান (২২২৭৩), আল আমিন (২২৮৭২), মফিজুর রহমান(২২৬১৩), নাজমুল হোসেন (২২৮৫৬), নাজমুল হোসেন (২২৫৯৭), ফজলুল হক (২২১৩৭), মো. শরীফ উদ্দিন (২২৪৭০)। এর আগে সর্বপ্রধান কারারক্ষী আবদুল ওয়াহেদকে সাময়িকভাবে বরখাস্ত করা হয়।