ঢাকা ০৬:৪৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ২২ অগাস্ট ২০২৬, ৭ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
Logo মূল্যবোধভিত্তিক পেশাদারিত্বই প্রাতিষ্ঠানিক সংস্কারের স্তম্ভ: আনসার-ভিডিপি মহাপরিচালক Logo গ্যাস সংকট আগের সরকারের পাপের ফল: ডা. জাহেদ Logo ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে এআই-নির্ভর ‘অটো ফাইন সিস্টেম’ চালু Logo প্রধানমন্ত্রীকে সৌদি আরব সফরের আমন্ত্রণ জানিয়েছেন যুবরাজ বিন সালমান Logo ছয় মাসে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির দৃশ্যমান উন্নতি হয়েছে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী Logo সরকারের ১৮০ দিনের সালতামামি: ধ্বংসস্তূপ থেকে পরিকল্পিত পুনর্গঠনের পথে বাংলাদেশ Logo শিগগিরই জনপ্রশাসন সংস্কার কমিশন গঠন করবে সরকার : নজরুল ইসলাম খান Logo রাষ্ট্র ও মানুষের মর্যাদা প্রতিষ্ঠাই সরকারের বড় সাফল্য:সালেহ শিবলী Logo শেখ হাসিনার কোন স্ট্যাটাসে ভারতে আছেন জানা নেই: চিফ প্রসিকিউটর Logo ১০ বছরের জ্বালানি পরিকল্পনা সংসদে উপস্থাপনের ঘোষণা প্রধানমন্ত্রীর

১১ এপ্রিল পর্যন্ত কারখানা বন্ধ রাখার আহ্বান বিজিএমইএ সভাপতির

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ১১:৪৯:০৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ৪ এপ্রিল ২০২০ ১৯৪ বার পড়া হয়েছে

সকালের সংবাদ;   

করোনাভাইরাসের সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনা করে মালিকদের প্রতি আগামী ১১ তারিখ পর্যন্ত কারখানা বন্ধ রাখার জন্য আহ্বান জানিয়েছেন পোশাক মালিকদের সংগঠন বিজিএমইএ সভাপতি ড. রুবানা হক।
শনিবার (৪ এপ্রিল) রাতে এক অডিওবার্তায় মালিকদের প্রতি এ আহ্বান জানিয়ে রুবানা হক বলেন, সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনা করে ১১ তারিখ পর্যন্ত কারখানা বন্ধ রাখতে আপনাদের কাছে আহ্বান জানাচ্ছি।
রুবানা হক বলেন, ‘শ্রমিক যদি সঙ্গত কারণে কারখানায় উপস্থিত না থাকেন, মানবিক বিবেচনায় তার চাকরিটি হারাবেন না। এটি আমাদের প্রত্যেক সদস্যদের কাছে অনুরোধ করব। আমি আশা করি, এই শিল্পখাত যেটি অর্থনীতিতে এতবড় অবদান রাখে সেই মালিকেরা তাদের শ্রমিকের অনুপস্থিতির কারণে চাকরি না হারান। আশা করি, সদস্যরা এটি শুনবেন এবং আমার অনুরোধটুকু রাখবেন।’
বিজিএমইএ সভাপতি রুবানা হক বলেন, ‘কয়েকটি বিষয় স্পষ্ট করার প্রয়োজন আছে। আমাদের কল-কারখানা পরিদর্শন অধিদপ্তর আমাদের যে সার্কুলার দিয়েছিলেন তাতে স্পষ্ট করে লেখা আছে যে সমস্ত রপ্তানিমুখী শিল্পে আন্তর্জাতিক ক্রয়াদেশ আছে এবং যারা পিপিই বানাচ্ছে, যাদের উৎপাদন কার্যক্রম চলমান আছে সেই সমস্ত শ্রমিকদের প্রয়োজনীয় স্বাস্থ্য ব্যবস্থা একেবারে সুনিশ্চিতকরণ সাপেক্ষে শিল্প কারখানা চালু রাখতে পারবে। কাজেই আমাদের সবচেয়ে বড় দায়িত্বটি হলো, কিভাবে আমরা আমাদের শ্রমিকদের স্বাস্থ্যের নিরাপত্তাটি দেব। এটি প্রথম। দ্বিতীয়টি হলো মার্চ মাসের বেতন নিয়ে কোনোরকম অনীহা অনাগ্রহ কোনোকিছুর অবকাশ নেই। মার্চ মাসের বেতন আমাদের শ্রমিকরা পাবেনই। এটি আমরা নিশ্চিত করতে চাই। এটি আমাদের যত কষ্ট হোক, যাই হোক আমরা মার্চ মাসের বেতন দেব।’
প্রসঙ্গত, কারখানা চালু রাখার ব্যাপারে শুরু থেকেই অনড় ছিল বিজিএমইএ। এ নিয়ে আজ একাধিকবার সাংবাদিকদের মুখোমুখি হন বিজিএমইএ সভাপতি। শনিবার রাত সাড়ে ৯টা পর্যন্ত অনড় থাকলেও পরে অডিও বার্তায় কারখানা বন্ধ রাখার আহ্বান জানান।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :
error: Content is protected !!

১১ এপ্রিল পর্যন্ত কারখানা বন্ধ রাখার আহ্বান বিজিএমইএ সভাপতির

আপডেট সময় : ১১:৪৯:০৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ৪ এপ্রিল ২০২০

সকালের সংবাদ;   

করোনাভাইরাসের সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনা করে মালিকদের প্রতি আগামী ১১ তারিখ পর্যন্ত কারখানা বন্ধ রাখার জন্য আহ্বান জানিয়েছেন পোশাক মালিকদের সংগঠন বিজিএমইএ সভাপতি ড. রুবানা হক।
শনিবার (৪ এপ্রিল) রাতে এক অডিওবার্তায় মালিকদের প্রতি এ আহ্বান জানিয়ে রুবানা হক বলেন, সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনা করে ১১ তারিখ পর্যন্ত কারখানা বন্ধ রাখতে আপনাদের কাছে আহ্বান জানাচ্ছি।
রুবানা হক বলেন, ‘শ্রমিক যদি সঙ্গত কারণে কারখানায় উপস্থিত না থাকেন, মানবিক বিবেচনায় তার চাকরিটি হারাবেন না। এটি আমাদের প্রত্যেক সদস্যদের কাছে অনুরোধ করব। আমি আশা করি, এই শিল্পখাত যেটি অর্থনীতিতে এতবড় অবদান রাখে সেই মালিকেরা তাদের শ্রমিকের অনুপস্থিতির কারণে চাকরি না হারান। আশা করি, সদস্যরা এটি শুনবেন এবং আমার অনুরোধটুকু রাখবেন।’
বিজিএমইএ সভাপতি রুবানা হক বলেন, ‘কয়েকটি বিষয় স্পষ্ট করার প্রয়োজন আছে। আমাদের কল-কারখানা পরিদর্শন অধিদপ্তর আমাদের যে সার্কুলার দিয়েছিলেন তাতে স্পষ্ট করে লেখা আছে যে সমস্ত রপ্তানিমুখী শিল্পে আন্তর্জাতিক ক্রয়াদেশ আছে এবং যারা পিপিই বানাচ্ছে, যাদের উৎপাদন কার্যক্রম চলমান আছে সেই সমস্ত শ্রমিকদের প্রয়োজনীয় স্বাস্থ্য ব্যবস্থা একেবারে সুনিশ্চিতকরণ সাপেক্ষে শিল্প কারখানা চালু রাখতে পারবে। কাজেই আমাদের সবচেয়ে বড় দায়িত্বটি হলো, কিভাবে আমরা আমাদের শ্রমিকদের স্বাস্থ্যের নিরাপত্তাটি দেব। এটি প্রথম। দ্বিতীয়টি হলো মার্চ মাসের বেতন নিয়ে কোনোরকম অনীহা অনাগ্রহ কোনোকিছুর অবকাশ নেই। মার্চ মাসের বেতন আমাদের শ্রমিকরা পাবেনই। এটি আমরা নিশ্চিত করতে চাই। এটি আমাদের যত কষ্ট হোক, যাই হোক আমরা মার্চ মাসের বেতন দেব।’
প্রসঙ্গত, কারখানা চালু রাখার ব্যাপারে শুরু থেকেই অনড় ছিল বিজিএমইএ। এ নিয়ে আজ একাধিকবার সাংবাদিকদের মুখোমুখি হন বিজিএমইএ সভাপতি। শনিবার রাত সাড়ে ৯টা পর্যন্ত অনড় থাকলেও পরে অডিও বার্তায় কারখানা বন্ধ রাখার আহ্বান জানান।