ঢাকা ১১:৪৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৩ এপ্রিল ২০২৬, ৩০ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
Logo ‘৬ বছরে ৮৬৫০ কোটি লুটপাট : সওজে নতুন করে সক্রিয় সেই ‘ডন’ রায়হান মুস্তাফিজ!’ Logo ৮০ কোটির জালিয়াতি: শিল্পগোষ্ঠীকে ফাঁকি দিয়ে আত্মগোপনে বৃষ্টি–মেসবাহ দম্পতি লাপাত্তা  Logo রাজউকের কানুনগো আব্দুল মোমিন: দুর্নীতি ও প্লট বাণিজ্যের মাধ্যমে অঢেল সম্পদের মালিক  Logo রূপগঞ্জে সংবাদ সংগ্রহে গিয়ে সাংবাদিকদের ওপর ‘খারা মোশাররফ বাহিনীর হামলা: ১৮ লাখ টাকার সরঞ্জাম লুট Logo কেরানীগঞ্জে কারখানায় আগুনে মৃত্যুর ঘটনায় হত্যা মামলা, একজন কারাগারে Logo যাত্রীদের কল্যাণের নামে নিজে টাকার পাহাড় গড়েছেন মোজাম্মেল Logo “২৮ শিশুমৃত্যু সহ ঘুষ বাণিজ্যের অভিযোগ—তবুও পদে বহাল ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তরের শফিকুল-নাঈম!” Logo পাওনা টাকা চাইতে গিয়ে হামলা, মাদক কারবারিদের বিরুদ্ধে অভিযোগে দুইজন আহত Logo রাজ এগ্রোর তরমুজ বীজে মাঠ কাঁপাচ্ছে কৃষক: উচ্চ ফলনে নতুন সম্ভাবনা Logo ত্রাণের বিস্কুট ও জ্বালানি তেল চুরিতে অভিযুক্ত মিজানুর এখন ফায়ার সার্ভিসের দণ্ডমুন্ডের কর্তা! পর্ব -১

স্বাধীনতা দিবস প্যারেড: রাষ্ট্রপতির অভিবাদন গ্রহণ, প্রধানমন্ত্রীর কুচকাওয়াজ পরিদর্শন

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০২:৫৩:৩৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৬ মার্চ ২০২৬ ৭৮ বার পড়া হয়েছে

সকালের সংবাদ ডেস্ক: দীর্ঘ দেড় যুগ পর স্বাধীনতা দিবসে অনুষ্ঠিত হল সশস্ত্র বাহিনীর বর্ণাঢ্য কুচকাওয়াজ ও দেশের সামরিক সক্ষমতা প্রদর্শনী।

আজ বৃহস্পতিবার সকাল ৯টায় রাজধানী ঢাকার তেজগাঁওয়ে পুরাতন বিমানবন্দরের জাতীয় প্যারেড গ্রাউন্ডে কুচকাওয়াজ শুরু হয়। অভিবাদন মঞ্চ থেকে সালাম গ্রহণ করেন রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন।

সুসজ্জিত মোটর শোভাযাত্রাসহ ১০টার দিকে প্যারেড গ্রাউন্ডে উপস্থিত হন রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন। তাকে অভ্যর্থনা জানান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান, মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রী আহমেদ আযম খান, প্রতিমন্ত্রী ইশরাক হোসেন, সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান, নৌ বাহিনী প্রধান অ্যাডমিরাল মোহাম্মদ নাজমুল হাসান, বিমান বাহিনী প্রধান এয়ার চিফ মার্শাল হাসান মাহমুদ খাঁন ও মুক্তিযুদ্ধ মন্ত্রণালয়ের সচিব ইসরাত চৌধুরী।

এর আগে সকাল ৯টা ৫৫ মিনিটে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান প্যারেড গ্রাউন্ডে পৌঁছালে তাকে স্বাগত জানান মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী এবং তিন বাহিনীর প্রধানগণ।

অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন মন্ত্রিপরিষদের সদস্য, সরকারের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা ও বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্রদূতসহ দেশি-বিদেশি অতিথিবৃন্দ।

জাতীয় সংগীত পরিবেশনের পর সশস্ত্র বাহিনীর সর্বাধিনায়ক মো. সাহাবুদ্দিনকে গার্ড অব অনার প্রদান করা হয়। খোলা জিপে প্যারেড পরিদর্শন করেন তিনি।

পরে মার্চপাস্ট শুরু হয়। এতে প্রথমে থাকে বিভিন্ন পতাকাবাহী তিনটি দল বা কন্টিনজেন্ট। এরপর পর্যায়ক্রমে রাষ্ট্রপতিকে সালাম দিতে এগিয়ে যেতে থাকে সেনাবাহিনীর বিশেষায়িত ইউনিট প্রেসিডেন্ট গার্ড রেজিমেন্ট, সাজোয়া রেজিমেন্ট কন্টিনজেন্ট, ইস্ট বেঙ্গল কন্টিনজেন্ট, বাংলাদেশ ইনফ্যান্টারি রেজিমেন্ট, আর্টিলারি কন্টিনজেন্ট, এয়ার ডিফেন্স কন্টিনজেন্ট, ইঞ্জিনিয়ারস কন্টিনজেন্ট, সিগনালস কন্টিনজেন্ট, সার্ভিসেস কন্টিনজেন্ট।

এরপর জাতীয় পতাকাবাহী কন্টিজেন্টের সদস্যরা রাষ্ট্রপতিকে সালাম জানান। এরপর পর্যায়ক্রমে আসে প্যারাকমান্ডো কন্টিনজেন্ট, নৌবাহিনী, বিমানবাহিনী, বিজিবি, কোস্ট গার্ড, পুলিশ, আনসার ও ভিডিপি, ন্যাশনাল ক্যাডেট কোর, কারা পুলিশ, সম্মিলিত নারী কন্টিনজেন্ট ও মডারনাইজড ইনফ্যান্টারি কন্টিনজেন্টগুলো সালাম প্রদর্শন করে মার্চপাস্ট করে বেরিয়ে যায়।

সেনা ও বিজিপির ডগ স্কোয়াড ও অশ্বারোহী কন্টিনজেন্টের পর খোলা গাড়িতে বহনকারী মুক্তিযোদ্ধাদের কন্টিনজেন্ট এগিয়ে যায়।

এরপরই ১০ হাজার ফুট উপর থেকে মূল মঞ্চের দুদিকে ২৬ জন প্যারাট্রুপার প্যারেড গ্রাউন্ডে নামেন, যারা জাতীয় পতাকাসহ বিভিন্ন বাহিনীর পতাকা বহন করেন।

এরপর প্যারাকমান্ডো টিমের প্যারাট্রুপার দল রাষ্ট্রপতিকে সালাম প্রদর্শন করেন। এরমধ্যেই মাথার উপরে উড়ে যায় আর্মি অ্যাভিয়েশনের বিমান।

পর্যায়ক্রমে আর্মি অ্যাভিয়েশনের বিমান ও হেলিকপ্টার, বিজিবি এয়ার উইংয়ের হেলিকপ্টার, র‌্যাব এয়ার উইংয়ের হেলিকপ্টার, নেভাল অ্যাভিয়েশনের বিমান ও হেলিকপ্টার উড়ে যায়।

এরপর প্যারেড গ্রাউন্ডে একে একে এগিয়ে আসে বিভিন্ন বাহিনীর যান্ত্রিক বহরগুলো; যেখানে ট্যাংক, কামানের মতো ভারী যুদ্ধাস্ত্র ও প্রযুক্তিসহ নানা সরঞ্জাম প্রদর্শিত হয়।

এরপর প্যারাকমান্ডো টিমের প্যারাট্রুপার দল রাষ্ট্রপতিকে সালাম প্রদর্শন করে। এরমধ্যেই মাথার উপরে উড়ে যায় আর্মি অ্যাভিয়েশনের বিমান।

পর্যায়ক্রমে আর্মি অ্যাভিয়েশনের বিমান ও হেলিকপ্টার, বিজিবি এয়ার উইংয়ের হেলিকপ্টার, র‌্যাব এয়ার উইংয়ের হেলিকপ্টার, নেভাল অ্যাভিয়েশনের বিমান ও হেলিকপ্টার উড়ে যায়।

এরপর প্যারেড গ্রাউন্ডে একে একে এগিয়ে আসে বিভিন্ন বাহিনীর যান্ত্রিক বহরগুলো; যেখানে ট্যাংক, কামানের মতো ভারী যুদ্ধাস্ত্র ও প্রযুক্তিসহ নানা সরঞ্জাম প্রদর্শিত হয়।

এরপরে শুরু হয় কুচকাওয়াজের এবারের অন্যতম আকর্ষণ বিমান বাহিনীর ‘অ্যারোবেটিক শো’র মহড়া। ‘বাংলার আকাশ রাখিব মুক্ত’ এই প্রতিপাদ্যে বিমানবাহিনীর যুদ্ধ বিমানসহ প্রশিক্ষণ বিমান ও হেলিকপ্টারগুলো বিভিন্ন ফরম্যাশনে উড্ডয়ন কৌশল প্রদর্শিত হয়।

পাঁচটি এফ-সেভেন যুদ্ধবিমান বর্ণিল রং ছাড়তে ছাড়তে প্যারেড গ্রাউন্ড প্রদক্ষিণ করে। ‘লো লেভেল’ ফ্লাইং বিমান প্রদর্শনীর পর যোগ দেয় মিগ-২৯ যুদ্ধবিমান।

এই আধুনিক যুদ্ধবিমানটি রাষ্ট্রপতিকে ‘ফ্লাইং স্যালুট’ প্রদর্শন করে। এরপর কয়েক দফা টার্ন পারফরম্যান্স, লো লেভেল ফ্লাইংও প্রদর্শিত হয়। শেষে মূল মঞ্চের পেছন দিক থেকে এসে ‘ভিক্টোরি রোল’ প্রদর্শন করে উপরের দিকে মেঘের আড়ালে চলে যায় মিগ-২৯, যেটিকে ‘চূড়ান্ত প্রদর্শনী’ হিসেবে ঘোষণা করা হয়।

কুচকাওয়াজের আনুষ্ঠানিকতা শেষ হয় ১১টা ৫৯ মিনিটে। এরপর রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন প্রদর্শনীতে নেতৃত্ব দেওয়া বিভিন্ন বাহিনীর কর্মকর্তাদের সামনে গিয়ে তাদের সঙ্গে হাত মেলান।

রাষ্ট্রপতিকে বিদায় জানায় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। এ সময় তিন বাহিনীর প্রধানগণ সঙ্গে ছিলেন।

এরপর প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান কর্মকর্তাদের সঙ্গে কুশল বিনিময় করেন এবং হাত মেলান।

মনোজ্ঞ এ আয়োজন প্রধানমন্ত্রীর পাশে বসে উপভোগ করেন তার কন্যা জাইমা রহমান

কুচকাওয়াজ প্রদর্শনী উপভোগ করতে শিশু-কিশোরসহ নানান বয়সী হাজারো দর্শণার্থী জাতীয় প্যারেড স্কয়ারে জড়ো হন। দর্শনার্থীদের অনেকের হাতে ও মাথায় শোভা পায় লাল-সবুজের জাতীয় পতাকা।

২০০৮ সালের পর অর্থাৎ ১৮ বছর পরে এবার ২৬ মার্চের আনুষ্ঠানিকতায় যুক্ত হল এ প্রদর্শনী।

তারেক রহমানের নেতৃত্বাধীন বিএনপি সরকার ক্ষমতায় আসার পর এবার স্বাধীনতা দিবসে জাঁকজমকভাবে এ আয়োজন করতে রোজার শুরু থেকে প্যারেড স্কয়ার মাঠে প্রস্তুতি শুরু হয়, মঙ্গলবার ‘চূড়ান্ত রিহার্সেলের’ মাধ্যমে এর প্রস্তুতি সম্পন্ন করা হয়।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :
error: Content is protected !!

স্বাধীনতা দিবস প্যারেড: রাষ্ট্রপতির অভিবাদন গ্রহণ, প্রধানমন্ত্রীর কুচকাওয়াজ পরিদর্শন

আপডেট সময় : ০২:৫৩:৩৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৬ মার্চ ২০২৬

সকালের সংবাদ ডেস্ক: দীর্ঘ দেড় যুগ পর স্বাধীনতা দিবসে অনুষ্ঠিত হল সশস্ত্র বাহিনীর বর্ণাঢ্য কুচকাওয়াজ ও দেশের সামরিক সক্ষমতা প্রদর্শনী।

আজ বৃহস্পতিবার সকাল ৯টায় রাজধানী ঢাকার তেজগাঁওয়ে পুরাতন বিমানবন্দরের জাতীয় প্যারেড গ্রাউন্ডে কুচকাওয়াজ শুরু হয়। অভিবাদন মঞ্চ থেকে সালাম গ্রহণ করেন রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন।

সুসজ্জিত মোটর শোভাযাত্রাসহ ১০টার দিকে প্যারেড গ্রাউন্ডে উপস্থিত হন রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন। তাকে অভ্যর্থনা জানান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান, মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রী আহমেদ আযম খান, প্রতিমন্ত্রী ইশরাক হোসেন, সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান, নৌ বাহিনী প্রধান অ্যাডমিরাল মোহাম্মদ নাজমুল হাসান, বিমান বাহিনী প্রধান এয়ার চিফ মার্শাল হাসান মাহমুদ খাঁন ও মুক্তিযুদ্ধ মন্ত্রণালয়ের সচিব ইসরাত চৌধুরী।

এর আগে সকাল ৯টা ৫৫ মিনিটে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান প্যারেড গ্রাউন্ডে পৌঁছালে তাকে স্বাগত জানান মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী এবং তিন বাহিনীর প্রধানগণ।

অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন মন্ত্রিপরিষদের সদস্য, সরকারের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা ও বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্রদূতসহ দেশি-বিদেশি অতিথিবৃন্দ।

জাতীয় সংগীত পরিবেশনের পর সশস্ত্র বাহিনীর সর্বাধিনায়ক মো. সাহাবুদ্দিনকে গার্ড অব অনার প্রদান করা হয়। খোলা জিপে প্যারেড পরিদর্শন করেন তিনি।

পরে মার্চপাস্ট শুরু হয়। এতে প্রথমে থাকে বিভিন্ন পতাকাবাহী তিনটি দল বা কন্টিনজেন্ট। এরপর পর্যায়ক্রমে রাষ্ট্রপতিকে সালাম দিতে এগিয়ে যেতে থাকে সেনাবাহিনীর বিশেষায়িত ইউনিট প্রেসিডেন্ট গার্ড রেজিমেন্ট, সাজোয়া রেজিমেন্ট কন্টিনজেন্ট, ইস্ট বেঙ্গল কন্টিনজেন্ট, বাংলাদেশ ইনফ্যান্টারি রেজিমেন্ট, আর্টিলারি কন্টিনজেন্ট, এয়ার ডিফেন্স কন্টিনজেন্ট, ইঞ্জিনিয়ারস কন্টিনজেন্ট, সিগনালস কন্টিনজেন্ট, সার্ভিসেস কন্টিনজেন্ট।

এরপর জাতীয় পতাকাবাহী কন্টিজেন্টের সদস্যরা রাষ্ট্রপতিকে সালাম জানান। এরপর পর্যায়ক্রমে আসে প্যারাকমান্ডো কন্টিনজেন্ট, নৌবাহিনী, বিমানবাহিনী, বিজিবি, কোস্ট গার্ড, পুলিশ, আনসার ও ভিডিপি, ন্যাশনাল ক্যাডেট কোর, কারা পুলিশ, সম্মিলিত নারী কন্টিনজেন্ট ও মডারনাইজড ইনফ্যান্টারি কন্টিনজেন্টগুলো সালাম প্রদর্শন করে মার্চপাস্ট করে বেরিয়ে যায়।

সেনা ও বিজিপির ডগ স্কোয়াড ও অশ্বারোহী কন্টিনজেন্টের পর খোলা গাড়িতে বহনকারী মুক্তিযোদ্ধাদের কন্টিনজেন্ট এগিয়ে যায়।

এরপরই ১০ হাজার ফুট উপর থেকে মূল মঞ্চের দুদিকে ২৬ জন প্যারাট্রুপার প্যারেড গ্রাউন্ডে নামেন, যারা জাতীয় পতাকাসহ বিভিন্ন বাহিনীর পতাকা বহন করেন।

এরপর প্যারাকমান্ডো টিমের প্যারাট্রুপার দল রাষ্ট্রপতিকে সালাম প্রদর্শন করেন। এরমধ্যেই মাথার উপরে উড়ে যায় আর্মি অ্যাভিয়েশনের বিমান।

পর্যায়ক্রমে আর্মি অ্যাভিয়েশনের বিমান ও হেলিকপ্টার, বিজিবি এয়ার উইংয়ের হেলিকপ্টার, র‌্যাব এয়ার উইংয়ের হেলিকপ্টার, নেভাল অ্যাভিয়েশনের বিমান ও হেলিকপ্টার উড়ে যায়।

এরপর প্যারেড গ্রাউন্ডে একে একে এগিয়ে আসে বিভিন্ন বাহিনীর যান্ত্রিক বহরগুলো; যেখানে ট্যাংক, কামানের মতো ভারী যুদ্ধাস্ত্র ও প্রযুক্তিসহ নানা সরঞ্জাম প্রদর্শিত হয়।

এরপর প্যারাকমান্ডো টিমের প্যারাট্রুপার দল রাষ্ট্রপতিকে সালাম প্রদর্শন করে। এরমধ্যেই মাথার উপরে উড়ে যায় আর্মি অ্যাভিয়েশনের বিমান।

পর্যায়ক্রমে আর্মি অ্যাভিয়েশনের বিমান ও হেলিকপ্টার, বিজিবি এয়ার উইংয়ের হেলিকপ্টার, র‌্যাব এয়ার উইংয়ের হেলিকপ্টার, নেভাল অ্যাভিয়েশনের বিমান ও হেলিকপ্টার উড়ে যায়।

এরপর প্যারেড গ্রাউন্ডে একে একে এগিয়ে আসে বিভিন্ন বাহিনীর যান্ত্রিক বহরগুলো; যেখানে ট্যাংক, কামানের মতো ভারী যুদ্ধাস্ত্র ও প্রযুক্তিসহ নানা সরঞ্জাম প্রদর্শিত হয়।

এরপরে শুরু হয় কুচকাওয়াজের এবারের অন্যতম আকর্ষণ বিমান বাহিনীর ‘অ্যারোবেটিক শো’র মহড়া। ‘বাংলার আকাশ রাখিব মুক্ত’ এই প্রতিপাদ্যে বিমানবাহিনীর যুদ্ধ বিমানসহ প্রশিক্ষণ বিমান ও হেলিকপ্টারগুলো বিভিন্ন ফরম্যাশনে উড্ডয়ন কৌশল প্রদর্শিত হয়।

পাঁচটি এফ-সেভেন যুদ্ধবিমান বর্ণিল রং ছাড়তে ছাড়তে প্যারেড গ্রাউন্ড প্রদক্ষিণ করে। ‘লো লেভেল’ ফ্লাইং বিমান প্রদর্শনীর পর যোগ দেয় মিগ-২৯ যুদ্ধবিমান।

এই আধুনিক যুদ্ধবিমানটি রাষ্ট্রপতিকে ‘ফ্লাইং স্যালুট’ প্রদর্শন করে। এরপর কয়েক দফা টার্ন পারফরম্যান্স, লো লেভেল ফ্লাইংও প্রদর্শিত হয়। শেষে মূল মঞ্চের পেছন দিক থেকে এসে ‘ভিক্টোরি রোল’ প্রদর্শন করে উপরের দিকে মেঘের আড়ালে চলে যায় মিগ-২৯, যেটিকে ‘চূড়ান্ত প্রদর্শনী’ হিসেবে ঘোষণা করা হয়।

কুচকাওয়াজের আনুষ্ঠানিকতা শেষ হয় ১১টা ৫৯ মিনিটে। এরপর রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন প্রদর্শনীতে নেতৃত্ব দেওয়া বিভিন্ন বাহিনীর কর্মকর্তাদের সামনে গিয়ে তাদের সঙ্গে হাত মেলান।

রাষ্ট্রপতিকে বিদায় জানায় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। এ সময় তিন বাহিনীর প্রধানগণ সঙ্গে ছিলেন।

এরপর প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান কর্মকর্তাদের সঙ্গে কুশল বিনিময় করেন এবং হাত মেলান।

মনোজ্ঞ এ আয়োজন প্রধানমন্ত্রীর পাশে বসে উপভোগ করেন তার কন্যা জাইমা রহমান

কুচকাওয়াজ প্রদর্শনী উপভোগ করতে শিশু-কিশোরসহ নানান বয়সী হাজারো দর্শণার্থী জাতীয় প্যারেড স্কয়ারে জড়ো হন। দর্শনার্থীদের অনেকের হাতে ও মাথায় শোভা পায় লাল-সবুজের জাতীয় পতাকা।

২০০৮ সালের পর অর্থাৎ ১৮ বছর পরে এবার ২৬ মার্চের আনুষ্ঠানিকতায় যুক্ত হল এ প্রদর্শনী।

তারেক রহমানের নেতৃত্বাধীন বিএনপি সরকার ক্ষমতায় আসার পর এবার স্বাধীনতা দিবসে জাঁকজমকভাবে এ আয়োজন করতে রোজার শুরু থেকে প্যারেড স্কয়ার মাঠে প্রস্তুতি শুরু হয়, মঙ্গলবার ‘চূড়ান্ত রিহার্সেলের’ মাধ্যমে এর প্রস্তুতি সম্পন্ন করা হয়।