ঢাকা ১১:৫৭ অপরাহ্ন, রবিবার, ০৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৩, ২৩ মাঘ ১৪২৯ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
Logo ঐতিহ্যবাহী সোহরাওয়ার্দী কলেজ সাংবাদিক সমিতির কমিটি গঠন Logo চেয়ারম্যানের আহ্লাদে বেপরোয়া বিআইডব্লিউটিএ‘র কর্মচারি পান্না বিশ্বাস! Logo রাজউকে বদলী ও পদায়নে ভয়ংকর দুর্নীতি ফাঁস: নেপথ্য নায়ক প্রধান প্রকৌশলী  Logo কুবির শেখ হাসিনা হলের গ্যাস লিক, আতঙ্কে শিক্ষার্থীরা Logo ইন্টার্ন চিকিৎসকের হাত-পা ভেঙে দিলেন সহকর্মীরা Logo ঐতিহ্যবাহী শহীদ সোহরাওয়ার্দী কলেজে অফিসার্স কাউন্সিল নির্বাচন অনুষ্ঠিত  Logo একজন মমতাময়ী মায়ের উদাহরণ শাবির প্রাধ্যক্ষ জোবেদা কনক Logo বাংলা বিভাগের নতুন চেয়ারম্যান ড. শামসুজ্জামান মিলকী Logo মেট্রোপলিটন ইউনিভার্সিটি শিক্ষার্থীদের দক্ষ জনশক্তি ও উদ্যোক্তা তৈরীতে ভূমিকা রাখবেঃ ভাইস চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. মোহাম্মদ জহিরুল হক  Logo কুবিতে প্রক্টরের সামনে সহকারী প্রক্টরকে মারতে তেড়ে গেলেন ২ নেতা




মানিকগঞ্জ সওজ অধিদপ্তরে ১১ প্রকৌশলীর হাতে জাদু আছে?

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৯:৪৪:১৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ২ জানুয়ারী ২০২৩ ১০৩ বার পড়া হয়েছে

কি এমন গুপ্ত রহস্য লুকিয়ে আছে মানিকগঞ্জ সওজ অধিদপ্তরে। কোন জাদুর কাঠি আছে ১১ প্রকৌশলীর হাতে। মানিকগঞ্জ সড়ক ও জনপথ বিভাগে যেন এক অলৌকিক গুপ্তধনের গুহা। এরাবিয়ান ড্রামা সিরিজ আলিফ লায়লার আলাদিনের আশ্চর্য প্রদীপকেও হার মানাবে এখানে কর্মরত ১১ জন প্রকৌশলীর অবৈধ অর্থের পাহাড় ও আমলনামার সামনে। সওজের মানিকগঞ্জ জেলার ১১ পদে থাকা প্রকৌশলী প্রত্যেকেই সরকারি অর্থ আত্মসাৎ ও দুর্নীতির মাধ্যমে গড়েছেন সম্পদের পাহাড়।

তাহারা ১১ জন:

✓প্রধান প্রকৌশলী মারুফ সরকারি ঢাকা আত্মসাৎ করে গড়েছেন বিলাসবহন জীবন।
✓উপবিভাগীয় প্রকৌশলী আনিসুর রহমান ও আরাফাত সাকলাইন তার উপস্থিত কর্মকর্তা ও সহজতাদের চেয়ে কম যান না।
✓আরেক সহকারী প্রকৌশলী শাহজাদা ফিরোজ অর্থ সম্পদের ছাড়িয়ে গেছেন প্রধান প্রকৌশলী কেউ। মানিকগঞ্জ সড়ক ও জনপদ বিভাগের ওয়েবসাইটের তথ্য অনুযায়ী তিনি একাই রয়েছেন দুটি দায়িত্বে। উপ-বিভাগীয় প্রকৌশলী (অ. দা.), সওজ এবং ১ম সারি কারখানা উপ-বিভাগীয় সহ সহকারী প্রকৌশলী (সিভিল)।
✓ মোঃ আলমগীর হোসেন সহকারী প্রকৌশলী সিভিল।
✓মোঃ ফারুক হোসেন উপসহকারী প্রকৌশলী সওজ, সহকর্মীদের সঙ্গে তাল মিলিয়ে চলতে প্রচেষ্টা অব্যাহত রেখেছে।
✓মোঃ আনোয়ার হোসেন উপ-সহকারী প্রকৌশলী সওজ। সাভার ও ঢাকায় রয়েছে বেশ কয়েকটি অট্টলিকা, প্লট, ফ্লাট ও নিজস্ব ব্যবসা।
✓ এছাড়াও উপসহকারী প্রকৌশলী মোহাম্মদ অভি আহমেদ সুজন, আওলাদ হোসেন, সাইদুল ইসলাম সহকর্মী ও উত্তরসূরিদের সাথে সমান তাল মিলিয়ে য়ে নিজেদের অবস্থান গোছানোর চেষ্টায় অব্যাহত রয়েছে।

মানিকগঞ্জ সড়ক ও জনপথ বিভাগের ১১ পদে কর্মরত থাক প্রায় সকলেই হিসাব বহির্ভূত অস্বাভাবিক সম্পদের মালিক। অধিকাংশ প্রকৌশলীর বিরুদ্ধে দুদুকে রয়েছে অভিযোগ ও তদন্ত চলমান। কিন্তু তারা অদৃশ্য শক্তির বলেই যেন মানিকগঞ্জ সওজে নিজেদেরকে আঁকড়ে রেখেছেন।

তাদের সকলের অবৈধ সম্পদ ও দুর্নীতির আমলনামা নিয়ে বিস্তারিত থাকছে পরবর্তী সংবাদে…. চলবে..

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :




মানিকগঞ্জ সওজ অধিদপ্তরে ১১ প্রকৌশলীর হাতে জাদু আছে?

আপডেট সময় : ০৯:৪৪:১৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ২ জানুয়ারী ২০২৩

কি এমন গুপ্ত রহস্য লুকিয়ে আছে মানিকগঞ্জ সওজ অধিদপ্তরে। কোন জাদুর কাঠি আছে ১১ প্রকৌশলীর হাতে। মানিকগঞ্জ সড়ক ও জনপথ বিভাগে যেন এক অলৌকিক গুপ্তধনের গুহা। এরাবিয়ান ড্রামা সিরিজ আলিফ লায়লার আলাদিনের আশ্চর্য প্রদীপকেও হার মানাবে এখানে কর্মরত ১১ জন প্রকৌশলীর অবৈধ অর্থের পাহাড় ও আমলনামার সামনে। সওজের মানিকগঞ্জ জেলার ১১ পদে থাকা প্রকৌশলী প্রত্যেকেই সরকারি অর্থ আত্মসাৎ ও দুর্নীতির মাধ্যমে গড়েছেন সম্পদের পাহাড়।

তাহারা ১১ জন:

✓প্রধান প্রকৌশলী মারুফ সরকারি ঢাকা আত্মসাৎ করে গড়েছেন বিলাসবহন জীবন।
✓উপবিভাগীয় প্রকৌশলী আনিসুর রহমান ও আরাফাত সাকলাইন তার উপস্থিত কর্মকর্তা ও সহজতাদের চেয়ে কম যান না।
✓আরেক সহকারী প্রকৌশলী শাহজাদা ফিরোজ অর্থ সম্পদের ছাড়িয়ে গেছেন প্রধান প্রকৌশলী কেউ। মানিকগঞ্জ সড়ক ও জনপদ বিভাগের ওয়েবসাইটের তথ্য অনুযায়ী তিনি একাই রয়েছেন দুটি দায়িত্বে। উপ-বিভাগীয় প্রকৌশলী (অ. দা.), সওজ এবং ১ম সারি কারখানা উপ-বিভাগীয় সহ সহকারী প্রকৌশলী (সিভিল)।
✓ মোঃ আলমগীর হোসেন সহকারী প্রকৌশলী সিভিল।
✓মোঃ ফারুক হোসেন উপসহকারী প্রকৌশলী সওজ, সহকর্মীদের সঙ্গে তাল মিলিয়ে চলতে প্রচেষ্টা অব্যাহত রেখেছে।
✓মোঃ আনোয়ার হোসেন উপ-সহকারী প্রকৌশলী সওজ। সাভার ও ঢাকায় রয়েছে বেশ কয়েকটি অট্টলিকা, প্লট, ফ্লাট ও নিজস্ব ব্যবসা।
✓ এছাড়াও উপসহকারী প্রকৌশলী মোহাম্মদ অভি আহমেদ সুজন, আওলাদ হোসেন, সাইদুল ইসলাম সহকর্মী ও উত্তরসূরিদের সাথে সমান তাল মিলিয়ে য়ে নিজেদের অবস্থান গোছানোর চেষ্টায় অব্যাহত রয়েছে।

মানিকগঞ্জ সড়ক ও জনপথ বিভাগের ১১ পদে কর্মরত থাক প্রায় সকলেই হিসাব বহির্ভূত অস্বাভাবিক সম্পদের মালিক। অধিকাংশ প্রকৌশলীর বিরুদ্ধে দুদুকে রয়েছে অভিযোগ ও তদন্ত চলমান। কিন্তু তারা অদৃশ্য শক্তির বলেই যেন মানিকগঞ্জ সওজে নিজেদেরকে আঁকড়ে রেখেছেন।

তাদের সকলের অবৈধ সম্পদ ও দুর্নীতির আমলনামা নিয়ে বিস্তারিত থাকছে পরবর্তী সংবাদে…. চলবে..