ঢাকা ১০:২৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ০৮ মার্চ ২০২৬, ২৪ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
Logo দৈনিক ‘প্রতিদিনের কাগজ’ প্রকাশনা নিয়ে আইনি জটিলতা: হাইকোর্টের রুল: মালিকানা ও সম্পাদনায় বিতর্ক Logo প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরে আউটসোর্সিং নিয়োগ ঘিরে ২৫ কোটি টাকার বাণিজ্যের পরিকল্পনা! Logo মৎস্য অধিদপ্তরের প্রকল্প পরিচালক জাহাঙ্গীরের বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগের পাহাড় Logo ডিএনসিসির প্রকৌশলী আহসান হাবিবের বিরুদ্ধে টেন্ডার অনিয়ম ও ঠিকাদার হয়রানির অভিযোগ Logo অভিযোগের পাহাড় পেরিয়েও বহাল তবিয়তে ফায়ার সার্ভিসের ডিজি Logo সওজে পরিচালক ও অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী আজাদ সিন্ডিকেটের দূর্নীতির সাম্রাজ্য Logo ঠিকাদারের মুখোশে ফরিদুল আলমের বিরুদ্ধে চাকরির প্রলোভনে কোটি টাকা লুটের অভিযোগ Logo জাতীয় প্রেসক্লাবে জিয়া শিশু কিশোর মেলার সাধারণ সভা ও ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত Logo গণতন্ত্র প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দিতে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে: সালাম Logo হাজার কোটি টাকার অবৈধ সম্পদের মালিক সাবেক কাস্টমস কমিশনার নুরুজ্জামান!

সরকারি চাকরিতে প্রবেশের বয়স বাড়ানোর প্রস্তাব সংসদে নাকচ

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ১০:৫৮:১৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৫ এপ্রিল ২০১৯ ২১৪ বার পড়া হয়েছে

নিজস্ব প্রতিবেদক;
সরকারি চাকরিতে প্রবেশের বয়সসীমা ৩৫ বছর পর্যন্ত বাড়ানোর জন্য সংসদে আনীত সিদ্ধান্ত প্রস্তাবটি কণ্ঠ ভোটে নাকচ হয়ে গেছে। ‘সরকারি চাকরিতে ঢোকার বয়সসীমা ৩৫ বছরে উন্নীত করা হোক’- প্রস্তাবটি আনেন বগুড়া-৭ থেকে নির্বাচিত স্বতন্ত্র সংসদ সদস্য মো. রেজাউল করিম বাবলু। প্রস্তাবটি সমর্থন করে সরকারি ও বিরোধী দলের ১০ জন সদস্য সংশোধনী প্রস্তাবও দেন।

কিন্তু জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন প্রস্তাবটি প্রত্যাহারের আহ্বান জানিয়ে বলেন, আমাদের সংবিধান ও চাকরির বিধিমালায় আছে চাকরিতে নুন্যতম ২৫ বছর চাকরি না করলে পূর্ণ পেনশন পাবেন না। সুতরাং কেউ যদি ৩৭ বছরে চাকরিতে যোগ দেন। ২৫ বছর পূর্ণ করতে হলে তাকে ৬২ অথবা ৬৩ বছর বয়সে অবসরে যেতে হবে। কিন্তু বর্তমানে আমাদের অবসরে যাওয়ার সময় ৫৯ বছর । সুতরাং তাকে আরও তিন/চার বছর চাকরি করতে হবে। কিন্তু আইন অনুযায়ী সেই সুযোগ নেই। সে কারণে সরকার আপাতত চাকরিতে বাড়ানোর কোন সুযোগ নেই। তবে প্রস্তাবটি প্রত্যাহার করে নিতে অস্বীকার করলে তা ভোটে দেওয়া হয় এবং তা নাকচ হয়ে যায়।

ডেপুটি স্পিকার ফজলে রাব্বি মিয়ার সভাপতিত্বে বৃহস্পতিবার সংসদের দ্বিতীয় অধিবেশনের বৈঠকে নাকচ হয়। এর আগে নিজ নিজ সিদ্ধান্ত প্রস্তাবের পক্ষে সমর্থন দিয়ে আনা সংশোধনীর ওপর বক্তব্য দেন, রুস্তম আলী ফরাজী (পিরোজপুর-৩), শহিদুজ্জামান সরকার (নওগাঁ-২), ছলিম উদ্দিন তরফদার (নওগাঁ-৩), ইসরাফিল আলম (নওগাঁ-৬) মহিলা এমপি রওশনারা মান্নান, ডা. সামিল উদ্দিন আহমেদ শিমুল (চাঁপাইনবাবগঞ্জ-১), মহিলা এমপি মোসাম্মৎ খালেদা খানম, মোহাম্মদ এবাদুল করিম (ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৫), মোহাম্মদ শহিদুজ্জামান (মেহেরপুর-২) ও মোজাফফর হোসেন (জামালপুর-৫)।
জবাবে জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন বলেন, বাংলাদেশের রাজনীতির পরিস্থিতি এখন ভাল। এখন কলেজ বিশ্ববিদ্যালয়গুলো নিয়মিত পড়ালেখা হচ্ছে। তেমন জট হচ্ছে না। এজন্য একজন শিক্ষার্থী শিক্ষাজীবন শেষার পর ৬ থেকে ৭ বছর পান। এই সময় তারা বহু চাকরির পরীক্ষার অংশ নিতে পারে। তাছাড়াও আমাদের সংবিধান ও চাকরির বিধিমালায় আছে চাকরিতে নুন্যতম ২৫ বছর চাকরি না করলে পূর্ণ পেনশন পাবেন না। সুতরাং কেউ যদি ৩৭ বছরে চাকরিতে যোগ দেন। ২৫ বছর পূর্ণ করতে হলে তাকে ৬২ অথবা ৬৩ বছর বয়সে অবসরে যেতে হবে। কিন্তু বর্তমানে আমাদের অবসরে যাওয়ার সময় ৫৯ বছর । সুতরাং তাকে আরও তিন/চার বছর চাকরি করতে হবে। কিন্তু আইন অনুযায়ী সেই সুযোগ নেই। এর ফলে পূর্ণ পেনশন তিনি পাবেন না। পেনশন পাওয়ার সময় নানা ধরনের জটিলতা দেখে দিবে তাছাড়া প্রতিবছর কলেজ বিশ্ব বিদ্যালয় বহু শিক্ষার্থী বের হয় তাদেরও চাকরি সুযোগ দেয়া দরকার। তাই অবসরের সময় যদি বাড়ানো হয় তাহলে নতুরা চাকরি থেকে বঞ্চিত হবে। সে কারণে সরকার আপাতত চাকরিতে বাড়ানোর কোনো সুযোগ নেই। এরপর তিনি প্রস্তবটি প্রত্যাহারের অনুরোধ করেন। কিন্তু প্রস্তাবকারী প্রস্তাব প্রত্যাহার করে নিতে অস্বীকৃতি জানালে পরে ভোটে নাকচ হয়ে যায়।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :
error: Content is protected !!

সরকারি চাকরিতে প্রবেশের বয়স বাড়ানোর প্রস্তাব সংসদে নাকচ

আপডেট সময় : ১০:৫৮:১৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৫ এপ্রিল ২০১৯

নিজস্ব প্রতিবেদক;
সরকারি চাকরিতে প্রবেশের বয়সসীমা ৩৫ বছর পর্যন্ত বাড়ানোর জন্য সংসদে আনীত সিদ্ধান্ত প্রস্তাবটি কণ্ঠ ভোটে নাকচ হয়ে গেছে। ‘সরকারি চাকরিতে ঢোকার বয়সসীমা ৩৫ বছরে উন্নীত করা হোক’- প্রস্তাবটি আনেন বগুড়া-৭ থেকে নির্বাচিত স্বতন্ত্র সংসদ সদস্য মো. রেজাউল করিম বাবলু। প্রস্তাবটি সমর্থন করে সরকারি ও বিরোধী দলের ১০ জন সদস্য সংশোধনী প্রস্তাবও দেন।

কিন্তু জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন প্রস্তাবটি প্রত্যাহারের আহ্বান জানিয়ে বলেন, আমাদের সংবিধান ও চাকরির বিধিমালায় আছে চাকরিতে নুন্যতম ২৫ বছর চাকরি না করলে পূর্ণ পেনশন পাবেন না। সুতরাং কেউ যদি ৩৭ বছরে চাকরিতে যোগ দেন। ২৫ বছর পূর্ণ করতে হলে তাকে ৬২ অথবা ৬৩ বছর বয়সে অবসরে যেতে হবে। কিন্তু বর্তমানে আমাদের অবসরে যাওয়ার সময় ৫৯ বছর । সুতরাং তাকে আরও তিন/চার বছর চাকরি করতে হবে। কিন্তু আইন অনুযায়ী সেই সুযোগ নেই। সে কারণে সরকার আপাতত চাকরিতে বাড়ানোর কোন সুযোগ নেই। তবে প্রস্তাবটি প্রত্যাহার করে নিতে অস্বীকার করলে তা ভোটে দেওয়া হয় এবং তা নাকচ হয়ে যায়।

ডেপুটি স্পিকার ফজলে রাব্বি মিয়ার সভাপতিত্বে বৃহস্পতিবার সংসদের দ্বিতীয় অধিবেশনের বৈঠকে নাকচ হয়। এর আগে নিজ নিজ সিদ্ধান্ত প্রস্তাবের পক্ষে সমর্থন দিয়ে আনা সংশোধনীর ওপর বক্তব্য দেন, রুস্তম আলী ফরাজী (পিরোজপুর-৩), শহিদুজ্জামান সরকার (নওগাঁ-২), ছলিম উদ্দিন তরফদার (নওগাঁ-৩), ইসরাফিল আলম (নওগাঁ-৬) মহিলা এমপি রওশনারা মান্নান, ডা. সামিল উদ্দিন আহমেদ শিমুল (চাঁপাইনবাবগঞ্জ-১), মহিলা এমপি মোসাম্মৎ খালেদা খানম, মোহাম্মদ এবাদুল করিম (ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৫), মোহাম্মদ শহিদুজ্জামান (মেহেরপুর-২) ও মোজাফফর হোসেন (জামালপুর-৫)।
জবাবে জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন বলেন, বাংলাদেশের রাজনীতির পরিস্থিতি এখন ভাল। এখন কলেজ বিশ্ববিদ্যালয়গুলো নিয়মিত পড়ালেখা হচ্ছে। তেমন জট হচ্ছে না। এজন্য একজন শিক্ষার্থী শিক্ষাজীবন শেষার পর ৬ থেকে ৭ বছর পান। এই সময় তারা বহু চাকরির পরীক্ষার অংশ নিতে পারে। তাছাড়াও আমাদের সংবিধান ও চাকরির বিধিমালায় আছে চাকরিতে নুন্যতম ২৫ বছর চাকরি না করলে পূর্ণ পেনশন পাবেন না। সুতরাং কেউ যদি ৩৭ বছরে চাকরিতে যোগ দেন। ২৫ বছর পূর্ণ করতে হলে তাকে ৬২ অথবা ৬৩ বছর বয়সে অবসরে যেতে হবে। কিন্তু বর্তমানে আমাদের অবসরে যাওয়ার সময় ৫৯ বছর । সুতরাং তাকে আরও তিন/চার বছর চাকরি করতে হবে। কিন্তু আইন অনুযায়ী সেই সুযোগ নেই। এর ফলে পূর্ণ পেনশন তিনি পাবেন না। পেনশন পাওয়ার সময় নানা ধরনের জটিলতা দেখে দিবে তাছাড়া প্রতিবছর কলেজ বিশ্ব বিদ্যালয় বহু শিক্ষার্থী বের হয় তাদেরও চাকরি সুযোগ দেয়া দরকার। তাই অবসরের সময় যদি বাড়ানো হয় তাহলে নতুরা চাকরি থেকে বঞ্চিত হবে। সে কারণে সরকার আপাতত চাকরিতে বাড়ানোর কোনো সুযোগ নেই। এরপর তিনি প্রস্তবটি প্রত্যাহারের অনুরোধ করেন। কিন্তু প্রস্তাবকারী প্রস্তাব প্রত্যাহার করে নিতে অস্বীকৃতি জানালে পরে ভোটে নাকচ হয়ে যায়।