ঢাকা ০৮:৫০ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০১ ডিসেম্বর ২০২২, ১৭ অগ্রহায়ণ ১৪২৯ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :




যাত্রাবাড়ী থানার ওসির বিরুদ্ধে ধর্ষণ মামলা

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ১০:৫৭:৩৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৪ এপ্রিল ২০১৯ ১৫ বার পড়া হয়েছে

নিজস্ব প্রতিবেদক; রাজধানীর যাত্রাবাড়ী থানার ওসি কাজী ওয়াজেদ আলী মিয়াসহ ১১ জনের বিরুদ্ধে অপহরণ, ধর্ষণ এবং ধর্ষণে সহযোগিতার অভিযোগে মামলা করেছেন এক গার্মেন্ট কর্মী। বৃহস্পতিবার (৪ এপ্রিল) ঢাকার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-৩ এর বিচারক জয়শ্রী সমাদ্দারের আদালতে এ মামলা করা হয়।

কেরানীগঞ্জের স্থানীয় এক গার্মেন্ট কর্মী মামলাটি করার পর আদালত বিচার বিভাগীয় তদন্তের নির্দেশ দেন। মামলার বাদী বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

মামলার অন্য আসামিরা হলেন- যাত্রাবাড়ী থানার উপ-পরিদর্শক আ স ম মাহমুদুল হাসান, মোছা. লাইজু, মো. শফিকুল ইসলাম রনি, মো. সাগর, মো. শামীম, মো. আলাউদ্দিন, দেলোয়ার হোসেন, মো. হানিফ, মো. স্বপন, বিলকিস আক্তার শিলা ও ফারজানা আক্তার শশী।

মামলার বাদী বলেন, মামলার আসামি শফিকুল ইসলাম রনি আমার পূর্বপরিচিত। গত ১২ মার্চ যাত্রাবাড়ী এলাকায় একটি বাসায় আমাকে নিয়ে যায়। সেখানে তিন-চারজন আমাকে জোর করে ধর্ষণ করে। আমি কোনো রকম সেখান থেকে বের হয়ে যাত্রাবাড়ী থানায় যাই। থানার ওসিকে সব কিছু খুলে বলি।

তিনি আরও বলেন, থানার ওসি এসআই আ স ম মাহমুদুল হাসান ও মোছা. লাইজুকে এ বিষয় দায়িত্বে দেন। তাদের ঘটনাস্থলে নিয়ে গেলে তারা আমার কাছে এক লাখ টাকা দাবি করেন। টাকা না দিলে আমাকে মামলায় ফাঁসিয়ে দেবে বলে। পরে তারা আমাকে মামলা দিয়ে চালান করে দেয়। আমি মামলা থেকে জামিন নিয়ে আদালতে আজ মামলাটি করি।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :




যাত্রাবাড়ী থানার ওসির বিরুদ্ধে ধর্ষণ মামলা

আপডেট সময় : ১০:৫৭:৩৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৪ এপ্রিল ২০১৯

নিজস্ব প্রতিবেদক; রাজধানীর যাত্রাবাড়ী থানার ওসি কাজী ওয়াজেদ আলী মিয়াসহ ১১ জনের বিরুদ্ধে অপহরণ, ধর্ষণ এবং ধর্ষণে সহযোগিতার অভিযোগে মামলা করেছেন এক গার্মেন্ট কর্মী। বৃহস্পতিবার (৪ এপ্রিল) ঢাকার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-৩ এর বিচারক জয়শ্রী সমাদ্দারের আদালতে এ মামলা করা হয়।

কেরানীগঞ্জের স্থানীয় এক গার্মেন্ট কর্মী মামলাটি করার পর আদালত বিচার বিভাগীয় তদন্তের নির্দেশ দেন। মামলার বাদী বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

মামলার অন্য আসামিরা হলেন- যাত্রাবাড়ী থানার উপ-পরিদর্শক আ স ম মাহমুদুল হাসান, মোছা. লাইজু, মো. শফিকুল ইসলাম রনি, মো. সাগর, মো. শামীম, মো. আলাউদ্দিন, দেলোয়ার হোসেন, মো. হানিফ, মো. স্বপন, বিলকিস আক্তার শিলা ও ফারজানা আক্তার শশী।

মামলার বাদী বলেন, মামলার আসামি শফিকুল ইসলাম রনি আমার পূর্বপরিচিত। গত ১২ মার্চ যাত্রাবাড়ী এলাকায় একটি বাসায় আমাকে নিয়ে যায়। সেখানে তিন-চারজন আমাকে জোর করে ধর্ষণ করে। আমি কোনো রকম সেখান থেকে বের হয়ে যাত্রাবাড়ী থানায় যাই। থানার ওসিকে সব কিছু খুলে বলি।

তিনি আরও বলেন, থানার ওসি এসআই আ স ম মাহমুদুল হাসান ও মোছা. লাইজুকে এ বিষয় দায়িত্বে দেন। তাদের ঘটনাস্থলে নিয়ে গেলে তারা আমার কাছে এক লাখ টাকা দাবি করেন। টাকা না দিলে আমাকে মামলায় ফাঁসিয়ে দেবে বলে। পরে তারা আমাকে মামলা দিয়ে চালান করে দেয়। আমি মামলা থেকে জামিন নিয়ে আদালতে আজ মামলাটি করি।