ঢাকা ০৯:১৫ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৪, ১৭ ফাল্গুন ১৪৩০ বঙ্গাব্দ




মিরপুর বিআরটিএ দালালমুক্ত করতে বদ্ধপরিকর আনসার কমান্ডার হাশেম

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৪:৪০:০৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৮ ডিসেম্বর ২০২৩ ৮১ বার পড়া হয়েছে

মাহমুদুল হাসান: মিরপুর বিআরটিএ নানা রকম দালাল ও প্রতারক চক্রের দেখা মেলে। এতে সাধারন জনগনের চরম ভোগান্তি পরতে হয় গাড়ি সংক্রান্ত কোন কাজে গেলে, দরবেশ বাবাদের সাথে দেখা না করলে কোন ভাবেই বিআরটিএর কাজ সম্পর্ন হয়না। চরম এই দূর্ভোগ চলে আসছে বহু দিন ধরে। তাই নিরাপত্তা বাহিনীর সদ্য আনসার কমান্ডার হাশেম অল্প কিছু দিন হলো মিরপুর বিআরটিএ এর নিরাপত্তার দ্বায়িত্ব পালন করছে।

তার আগে ২৭/১২/২৩ ইং তারিখে কে বা কারা কমান্ডার হাশেমের বিরুদ্ধে মিথ্যা এবং ভূয়া অভিযোগ করে। যেখানে বলা হয়েছে রাজধানীর মিরপুর এলাকার বিআরটিএ বর্তমান আনসার কমান্ডার মাত্র ১৫ দিনে কর্মরত অবস্থায় এমন কোন দুর্নীতি নেই যে তিনি করছেন না। মিরপুর বিআরটিএ কেহ ড্রাইভিং লাইসেন্স,গাড়ির কাগজ সহ বিভিন্ন কার্যক্রম করতে গেলে আনসার কমান্ডার হাশেমের সাথে যোগাযোগ করে সেবা নিতে হয়। কমান্ডার হাশেমের সাথে যদি যোগাযোগ না করে তাহলে সেভাবে প্রত্যাশীদের ভোগান্তির শেষ নেই। উপ-পরিচালকের দুর্নীতির ও টাকা কালেকশনের একমাত্র এজেন্ট হিসেবে কাজ করছেন কমান্ডার হাশেম। অল্প কয়েক দিনের ভিতরে তার সকল দুর্নীতির কার্যক্রম সাজিয়ে গুছিয়ে নিয়ে হাতিয়ে নিচ্ছে লক্ষাধিক টাকা। উল্লেখ্য বিষয়ে গণমাধ্যম কর্মীরা তথ্য জানতে চাইলে তাদেরকে বলেন আপনারা যা পারেন লিখেন এতে আমার কিছু আসে যায় না। সেবা প্রত্যাশীদের অভিযোগ এই কমান্ডার হাশিমের সাথে যোগাযোগ না করলে কোন প্রকারে কোন সেবা পাচ্ছিনা আমরা তাই অনতিবিলম্বে তাকে এখান থেকে প্রত্যাহার করা সহ তার বিরুদ্ধে প্রযোজনীয় ব্যবস্থা নেয়ার জন্য বিনীত অনুরোধ জানাচ্ছি উদ্বোধন কর্মকর্তার কাছে।
সরেজমিনে ঘুরে দেখা যায় উপরের সকল কথা মিথ্যা ও বিভ্রান্তকর। তাই এমন মিথ্যা ও অবঞ্চিত লেখায় ও সংবাদকর্মীদের নাম ব্যবহার করে যারা অভিযোগ করেছেন তাদের দ্রুত আইনের আওতায় আনা হোক।

এ বিষয় নিয়ে আনসার কমান্ডার হাশেমের সাথে কথা বললে তিনি জানান আমি আমার উপর অর্পিত দ্বায়িত্ব সৎ ও নিষ্ঠার সাথে পালন করে আসছি এবং ভবিষ্যতেও করব।
সাধারন জনগণের এসে যাতে নিজেদের কাজ নিজেরাই করে নিতে পারে সে ব্যাপারে আমরা প্রতিটা আনসার দায়িত্ব সহকারে কাজ করবো বলে সাংবাদিকদের আসস্ত করেন।
তিনি আরো বলেন মিরপুর বিআরটিএ ভিতরে কোন রকম প্রতারক চক্রকে অফিস চলাকালীন সময়ে ডোকতে দেয়া হয়না,তারপরেও যদি কোন দালাল কে পাওয়া যায়, তাকে নির্বাহী বিচার আওতাধীন করে জেল ও জরিমানা করা হয়। আজ ২৯/১২/২০২৩ ইং রোজ বৃহস্পতিবার নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট তাসমীয়া জায়গীরদার আদালত ৯ এর নেতৃত্বে, মিরপুর বিআরটি এ অভিযান চালিয়ে ২ জন দালাল কে আটক করে। তাদের মধ্যে একজন নারী একজন পুরুষ। তাদেরকে এক মাসের সাজা দেয়া হয়।
সাজাকৃত আসামী হলো:
মোসাঃ শাহাজাদি,স্বামীঃ হোসেন আলি (৪৮) মিঠুন,পিতাঃ আলমাছ আলী (২৩)। তিনি আরো জানান সাজা প্রাপ্ত দালালরা সাধারণ মানুষের কাজ থেকে কাজের কথা বলে মানুষকে হয়রানি ও টাকা -পয়সা নিয়ে গায়েব হয়ে যায়। এই অভিযানের সময় বিআরটিএ আনসার কমান্ডার হাশেমের নেতৃত্বে আনসার সদস্যরা সহযোগিতা করেন।
এব্যাপারে আনসার কমান্ডার হাশেমকে জিজ্ঞাসা করা হলে তিনি বলেন ২ জনকে আটক করে এক মাসের মেয়াদে সাজা দিয়ে কাফরুল থানার পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়। আনসার বাহিনী জনগনের সেবক। জনগনকে সেবা দেয়াই তাদের মূল লক্ষ্য।
এর বাহিরে যদি কোন আনসার দূর্নীতির সাথে জরিয়ে পরে আর তা যদি তদন্ত কালীন সময়ে আমার কাছে আসে আমি কঠিন ব্যবস্হা নিতে বাধ্য থাকিব।

Loading

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :




মিরপুর বিআরটিএ দালালমুক্ত করতে বদ্ধপরিকর আনসার কমান্ডার হাশেম

আপডেট সময় : ০৪:৪০:০৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৮ ডিসেম্বর ২০২৩

মাহমুদুল হাসান: মিরপুর বিআরটিএ নানা রকম দালাল ও প্রতারক চক্রের দেখা মেলে। এতে সাধারন জনগনের চরম ভোগান্তি পরতে হয় গাড়ি সংক্রান্ত কোন কাজে গেলে, দরবেশ বাবাদের সাথে দেখা না করলে কোন ভাবেই বিআরটিএর কাজ সম্পর্ন হয়না। চরম এই দূর্ভোগ চলে আসছে বহু দিন ধরে। তাই নিরাপত্তা বাহিনীর সদ্য আনসার কমান্ডার হাশেম অল্প কিছু দিন হলো মিরপুর বিআরটিএ এর নিরাপত্তার দ্বায়িত্ব পালন করছে।

তার আগে ২৭/১২/২৩ ইং তারিখে কে বা কারা কমান্ডার হাশেমের বিরুদ্ধে মিথ্যা এবং ভূয়া অভিযোগ করে। যেখানে বলা হয়েছে রাজধানীর মিরপুর এলাকার বিআরটিএ বর্তমান আনসার কমান্ডার মাত্র ১৫ দিনে কর্মরত অবস্থায় এমন কোন দুর্নীতি নেই যে তিনি করছেন না। মিরপুর বিআরটিএ কেহ ড্রাইভিং লাইসেন্স,গাড়ির কাগজ সহ বিভিন্ন কার্যক্রম করতে গেলে আনসার কমান্ডার হাশেমের সাথে যোগাযোগ করে সেবা নিতে হয়। কমান্ডার হাশেমের সাথে যদি যোগাযোগ না করে তাহলে সেভাবে প্রত্যাশীদের ভোগান্তির শেষ নেই। উপ-পরিচালকের দুর্নীতির ও টাকা কালেকশনের একমাত্র এজেন্ট হিসেবে কাজ করছেন কমান্ডার হাশেম। অল্প কয়েক দিনের ভিতরে তার সকল দুর্নীতির কার্যক্রম সাজিয়ে গুছিয়ে নিয়ে হাতিয়ে নিচ্ছে লক্ষাধিক টাকা। উল্লেখ্য বিষয়ে গণমাধ্যম কর্মীরা তথ্য জানতে চাইলে তাদেরকে বলেন আপনারা যা পারেন লিখেন এতে আমার কিছু আসে যায় না। সেবা প্রত্যাশীদের অভিযোগ এই কমান্ডার হাশিমের সাথে যোগাযোগ না করলে কোন প্রকারে কোন সেবা পাচ্ছিনা আমরা তাই অনতিবিলম্বে তাকে এখান থেকে প্রত্যাহার করা সহ তার বিরুদ্ধে প্রযোজনীয় ব্যবস্থা নেয়ার জন্য বিনীত অনুরোধ জানাচ্ছি উদ্বোধন কর্মকর্তার কাছে।
সরেজমিনে ঘুরে দেখা যায় উপরের সকল কথা মিথ্যা ও বিভ্রান্তকর। তাই এমন মিথ্যা ও অবঞ্চিত লেখায় ও সংবাদকর্মীদের নাম ব্যবহার করে যারা অভিযোগ করেছেন তাদের দ্রুত আইনের আওতায় আনা হোক।

এ বিষয় নিয়ে আনসার কমান্ডার হাশেমের সাথে কথা বললে তিনি জানান আমি আমার উপর অর্পিত দ্বায়িত্ব সৎ ও নিষ্ঠার সাথে পালন করে আসছি এবং ভবিষ্যতেও করব।
সাধারন জনগণের এসে যাতে নিজেদের কাজ নিজেরাই করে নিতে পারে সে ব্যাপারে আমরা প্রতিটা আনসার দায়িত্ব সহকারে কাজ করবো বলে সাংবাদিকদের আসস্ত করেন।
তিনি আরো বলেন মিরপুর বিআরটিএ ভিতরে কোন রকম প্রতারক চক্রকে অফিস চলাকালীন সময়ে ডোকতে দেয়া হয়না,তারপরেও যদি কোন দালাল কে পাওয়া যায়, তাকে নির্বাহী বিচার আওতাধীন করে জেল ও জরিমানা করা হয়। আজ ২৯/১২/২০২৩ ইং রোজ বৃহস্পতিবার নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট তাসমীয়া জায়গীরদার আদালত ৯ এর নেতৃত্বে, মিরপুর বিআরটি এ অভিযান চালিয়ে ২ জন দালাল কে আটক করে। তাদের মধ্যে একজন নারী একজন পুরুষ। তাদেরকে এক মাসের সাজা দেয়া হয়।
সাজাকৃত আসামী হলো:
মোসাঃ শাহাজাদি,স্বামীঃ হোসেন আলি (৪৮) মিঠুন,পিতাঃ আলমাছ আলী (২৩)। তিনি আরো জানান সাজা প্রাপ্ত দালালরা সাধারণ মানুষের কাজ থেকে কাজের কথা বলে মানুষকে হয়রানি ও টাকা -পয়সা নিয়ে গায়েব হয়ে যায়। এই অভিযানের সময় বিআরটিএ আনসার কমান্ডার হাশেমের নেতৃত্বে আনসার সদস্যরা সহযোগিতা করেন।
এব্যাপারে আনসার কমান্ডার হাশেমকে জিজ্ঞাসা করা হলে তিনি বলেন ২ জনকে আটক করে এক মাসের মেয়াদে সাজা দিয়ে কাফরুল থানার পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়। আনসার বাহিনী জনগনের সেবক। জনগনকে সেবা দেয়াই তাদের মূল লক্ষ্য।
এর বাহিরে যদি কোন আনসার দূর্নীতির সাথে জরিয়ে পরে আর তা যদি তদন্ত কালীন সময়ে আমার কাছে আসে আমি কঠিন ব্যবস্হা নিতে বাধ্য থাকিব।

Loading