ঢাকা ১০:২৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ০৮ মার্চ ২০২৬, ২৪ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
Logo দৈনিক ‘প্রতিদিনের কাগজ’ প্রকাশনা নিয়ে আইনি জটিলতা: হাইকোর্টের রুল: মালিকানা ও সম্পাদনায় বিতর্ক Logo প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরে আউটসোর্সিং নিয়োগ ঘিরে ২৫ কোটি টাকার বাণিজ্যের পরিকল্পনা! Logo মৎস্য অধিদপ্তরের প্রকল্প পরিচালক জাহাঙ্গীরের বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগের পাহাড় Logo ডিএনসিসির প্রকৌশলী আহসান হাবিবের বিরুদ্ধে টেন্ডার অনিয়ম ও ঠিকাদার হয়রানির অভিযোগ Logo অভিযোগের পাহাড় পেরিয়েও বহাল তবিয়তে ফায়ার সার্ভিসের ডিজি Logo সওজে পরিচালক ও অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী আজাদ সিন্ডিকেটের দূর্নীতির সাম্রাজ্য Logo ঠিকাদারের মুখোশে ফরিদুল আলমের বিরুদ্ধে চাকরির প্রলোভনে কোটি টাকা লুটের অভিযোগ Logo জাতীয় প্রেসক্লাবে জিয়া শিশু কিশোর মেলার সাধারণ সভা ও ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত Logo গণতন্ত্র প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দিতে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে: সালাম Logo হাজার কোটি টাকার অবৈধ সম্পদের মালিক সাবেক কাস্টমস কমিশনার নুরুজ্জামান!

গণপূর্তের ইএম শাখা সার্কেল ৪: তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী তৈমুর আলমের দূর্নীতির কীর্তি!

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৭:৫০:৫৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৬ ১১৬ বার পড়া হয়েছে

নিজস্ব প্রতিবেদক:
গণপূর্ত অধিদপ্তরের ৪ নম্বর সার্কেল ই/এম শাখার তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী মোঃ তৈমুর আলমের বিরুদ্ধে নানা ধরনের দুর্নীতির অভিযোগ উঠেছে। বিগত সরকারের আমলে তিনি দীর্ঘ বছর ঢাকায় দায়িত্ব পালনকালে একটি প্রভাব বলয় তৈরি করেন এবং সেই প্রভাব ব্যবহার করে নির্দিষ্ট ঠিকাদারদের মাধ্যমে কাজ বণ্টন করতেন।

সূত্রের দাবি, দরপত্র প্রক্রিয়ায় প্রভাব খাটিয়ে পছন্দের কয়েকটি প্রতিষ্ঠানের পক্ষে কাজ পাইয়ে দেওয়া হতো। একই ঠিকাদার বারবার বড় অঙ্কের কাজ পাওয়ায় দপ্তরের ভেতরেই প্রশ্ন উঠেছে। কাজের ব্যয় বৃদ্ধি, অতিরিক্ত কাজ অনুমোদন, বিল পাশ এবং চূড়ান্ত ছাড়পত্রের বিভিন্ন ধাপে অনিয়মের অভিযোগ রয়েছে। ঠিকাদারদের কাছ থেকে কমিশন নেওয়ার বিষয়টিও আলোচনায় এসেছে।

সবচেয়ে বেশি আলোচিত বিষয় তার আপন ছোট ভাই অংকুরকে ঘিরে। অভিযোগ রয়েছে, অংকুর দীর্ঘদিন ধরে তার ভাইয়ের পদ ও প্রভাব ব্যবহার করে ঠিকাদারি কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছেন। বিভিন্ন নির্বাহী প্রকৌশলীর কাছে প্রভাব খাটিয়ে বড় কাজ বাগিয়ে নেওয়ার অভিযোগও রয়েছে। এতে স্বার্থের সংঘাতের প্রশ্ন সামনে এসেছে। সূত্রের দাবি, ভাইয়ের নামে তিনি নিজেই এসব ঠিকাদারি করে আসছিলেন।

সূত্র আরও জানায়, স্বৈরাচার সরকারের আমলে তিনি ক্ষমতাসীনদের প্রভাব ব্যবহার করে ঢাকার গুরুত্বপূর্ণ ডিভিশনগুলোতে দীর্ঘদিন দায়িত্ব পালন করেন। বছরের পর বছর একই এলাকায় কর্মরত থেকে তিনি একটি শক্ত অবস্থান তৈরি করেন, যা পরবর্তীতে কাজ বণ্টন ও প্রশাসনিক সিদ্ধান্তে প্রভাব ফেলেছে বলে অভিযোগ উঠেছে।

অভিযোগে যে খাতগুলোতে অনিয়মের কথা উঠে এসেছে তার মধ্যে রয়েছে দরপত্র শর্ত প্রভাবিত করা, নির্দিষ্ট ঠিকাদারকে সুবিধা দেওয়া, প্রকল্প ব্যয় অস্বাভাবিকভাবে বাড়ানো, বিল অনুমোদনে অনিয়ম এবং পারিবারিক সদস্যের মাধ্যমে পরোক্ষভাবে কাজ নিয়ন্ত্রণ।

অভিযোগের বিষয়ে তৈমুর আলমের বক্তব্য জানার চেষ্টা করা হয়েছে। তবে তার কোন প্রকার সাড়া পাওয়া যায়নি। তার প্রতিক্রিয়া পাওয়া গেলে তা পরবর্তী পর্বে প্রকাশ করা হবে।

সংশ্লিষ্ট মহলের দাবি, দীর্ঘদিনের দুর্নীতির সিন্ডিকেট ও ঢাকার মধ্যে চাকরির বলয় গড়ে উঠার বিষয়ে এই প্রকৌশলীর নানা ধরনের বিতর্কিত কর্মকাণ্ড নিয়ে অধিকতর তদন্ত হওয়া উচিত। সরকারি দায়িত্ব সঠিক ব্যবহার ও জবাবদিহি নিশ্চিত করতে এসব অভিযোগের নিরপেক্ষ তদন্ত সাপেক্ষে ব্যবস্থা গ্রহণ করা জরুরি।

চলবে…..

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :
error: Content is protected !!

গণপূর্তের ইএম শাখা সার্কেল ৪: তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী তৈমুর আলমের দূর্নীতির কীর্তি!

আপডেট সময় : ০৭:৫০:৫৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

নিজস্ব প্রতিবেদক:
গণপূর্ত অধিদপ্তরের ৪ নম্বর সার্কেল ই/এম শাখার তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী মোঃ তৈমুর আলমের বিরুদ্ধে নানা ধরনের দুর্নীতির অভিযোগ উঠেছে। বিগত সরকারের আমলে তিনি দীর্ঘ বছর ঢাকায় দায়িত্ব পালনকালে একটি প্রভাব বলয় তৈরি করেন এবং সেই প্রভাব ব্যবহার করে নির্দিষ্ট ঠিকাদারদের মাধ্যমে কাজ বণ্টন করতেন।

সূত্রের দাবি, দরপত্র প্রক্রিয়ায় প্রভাব খাটিয়ে পছন্দের কয়েকটি প্রতিষ্ঠানের পক্ষে কাজ পাইয়ে দেওয়া হতো। একই ঠিকাদার বারবার বড় অঙ্কের কাজ পাওয়ায় দপ্তরের ভেতরেই প্রশ্ন উঠেছে। কাজের ব্যয় বৃদ্ধি, অতিরিক্ত কাজ অনুমোদন, বিল পাশ এবং চূড়ান্ত ছাড়পত্রের বিভিন্ন ধাপে অনিয়মের অভিযোগ রয়েছে। ঠিকাদারদের কাছ থেকে কমিশন নেওয়ার বিষয়টিও আলোচনায় এসেছে।

সবচেয়ে বেশি আলোচিত বিষয় তার আপন ছোট ভাই অংকুরকে ঘিরে। অভিযোগ রয়েছে, অংকুর দীর্ঘদিন ধরে তার ভাইয়ের পদ ও প্রভাব ব্যবহার করে ঠিকাদারি কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছেন। বিভিন্ন নির্বাহী প্রকৌশলীর কাছে প্রভাব খাটিয়ে বড় কাজ বাগিয়ে নেওয়ার অভিযোগও রয়েছে। এতে স্বার্থের সংঘাতের প্রশ্ন সামনে এসেছে। সূত্রের দাবি, ভাইয়ের নামে তিনি নিজেই এসব ঠিকাদারি করে আসছিলেন।

সূত্র আরও জানায়, স্বৈরাচার সরকারের আমলে তিনি ক্ষমতাসীনদের প্রভাব ব্যবহার করে ঢাকার গুরুত্বপূর্ণ ডিভিশনগুলোতে দীর্ঘদিন দায়িত্ব পালন করেন। বছরের পর বছর একই এলাকায় কর্মরত থেকে তিনি একটি শক্ত অবস্থান তৈরি করেন, যা পরবর্তীতে কাজ বণ্টন ও প্রশাসনিক সিদ্ধান্তে প্রভাব ফেলেছে বলে অভিযোগ উঠেছে।

অভিযোগে যে খাতগুলোতে অনিয়মের কথা উঠে এসেছে তার মধ্যে রয়েছে দরপত্র শর্ত প্রভাবিত করা, নির্দিষ্ট ঠিকাদারকে সুবিধা দেওয়া, প্রকল্প ব্যয় অস্বাভাবিকভাবে বাড়ানো, বিল অনুমোদনে অনিয়ম এবং পারিবারিক সদস্যের মাধ্যমে পরোক্ষভাবে কাজ নিয়ন্ত্রণ।

অভিযোগের বিষয়ে তৈমুর আলমের বক্তব্য জানার চেষ্টা করা হয়েছে। তবে তার কোন প্রকার সাড়া পাওয়া যায়নি। তার প্রতিক্রিয়া পাওয়া গেলে তা পরবর্তী পর্বে প্রকাশ করা হবে।

সংশ্লিষ্ট মহলের দাবি, দীর্ঘদিনের দুর্নীতির সিন্ডিকেট ও ঢাকার মধ্যে চাকরির বলয় গড়ে উঠার বিষয়ে এই প্রকৌশলীর নানা ধরনের বিতর্কিত কর্মকাণ্ড নিয়ে অধিকতর তদন্ত হওয়া উচিত। সরকারি দায়িত্ব সঠিক ব্যবহার ও জবাবদিহি নিশ্চিত করতে এসব অভিযোগের নিরপেক্ষ তদন্ত সাপেক্ষে ব্যবস্থা গ্রহণ করা জরুরি।

চলবে…..