ঢাকা ১০:৫২ অপরাহ্ন, রবিবার, ০৮ মার্চ ২০২৬, ২৪ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
Logo দৈনিক ‘প্রতিদিনের কাগজ’ প্রকাশনা নিয়ে আইনি জটিলতা: হাইকোর্টের রুল: মালিকানা ও সম্পাদনায় বিতর্ক Logo প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরে আউটসোর্সিং নিয়োগ ঘিরে ২৫ কোটি টাকার বাণিজ্যের পরিকল্পনা! Logo মৎস্য অধিদপ্তরের প্রকল্প পরিচালক জাহাঙ্গীরের বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগের পাহাড় Logo ডিএনসিসির প্রকৌশলী আহসান হাবিবের বিরুদ্ধে টেন্ডার অনিয়ম ও ঠিকাদার হয়রানির অভিযোগ Logo অভিযোগের পাহাড় পেরিয়েও বহাল তবিয়তে ফায়ার সার্ভিসের ডিজি Logo সওজে পরিচালক ও অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী আজাদ সিন্ডিকেটের দূর্নীতির সাম্রাজ্য Logo ঠিকাদারের মুখোশে ফরিদুল আলমের বিরুদ্ধে চাকরির প্রলোভনে কোটি টাকা লুটের অভিযোগ Logo জাতীয় প্রেসক্লাবে জিয়া শিশু কিশোর মেলার সাধারণ সভা ও ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত Logo গণতন্ত্র প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দিতে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে: সালাম Logo হাজার কোটি টাকার অবৈধ সম্পদের মালিক সাবেক কাস্টমস কমিশনার নুরুজ্জামান!

কক্সবাজার উত্তর বন বিভাগে সীমাহীন ঘুষ–দুর্নীতির অভিযোগ

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৪:৫০:০৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৬ ১১১ বার পড়া হয়েছে

{"remix_data":[],"remix_entry_point":"challenges","source_tags":["local"],"origin":"unknown","total_draw_time":0,"total_draw_actions":0,"layers_used":0,"brushes_used":0,"photos_added":0,"total_editor_actions":{},"tools_used":{"square_fit":1},"is_sticker":false,"edited_since_last_sticker_save":true,"containsFTESticker":false}

কক্সবাজার প্রতিনিধি:

কক্সবাজার উত্তর বন বিভাগে ঘুষ, দুর্নীতি ও বনজ সম্পদ লুটপাটের গুরুতর অভিযোগ উঠেছে বিভাগীয় বন কর্মকর্তা (ডিএফও) মারুফ হোসেনসহ একাধিক বন কর্মকর্তার বিরুদ্ধে। অভিযোগে ফরেস্ট রেঞ্জার ও রেঞ্জ কর্মকর্তা জাকারিয়া ফেরদৌস, পিএমখালী রেঞ্জ কর্মকর্তা, কক্সবাজার শহর রেঞ্জ কর্মকর্তা মনিরুল জামান, ফাঁসিয়াখালী রেঞ্জ কর্মকর্তা খসরু আমিনসহ সংশ্লিষ্টদের নাম উঠে এসেছে।

অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, অবৈধ চোরাই কাঠ জব্দের পর তা ব্যক্তিগত ব্যবহারের জন্য রেখে দেওয়া, জরিমানার নামে আটক গাড়ির মালিকদের কাছ থেকে অর্থ আদায় এবং মামলা দেওয়ার হুমকিতে অর্থ বাণিজ্যের অভিযোগ রয়েছে কক্সবাজার শহর রেঞ্জ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে। পাচারের সময় জব্দ করা কাঠের বড় অংশ আত্মসাৎ করা হয়েছে বলেও অভিযোগ করা হয়েছে।

বন বিভাগে এ ধরনের অনিয়ম নতুন নয় বলে দাবি করেন সংশ্লিষ্টরা। রাতের আঁধারে জব্দকৃত কাঠ সরিয়ে ফেলা, ব্যক্তিগত ফার্নিচার তৈরিতে কাঠ ব্যবহার এবং বেপরোয়া ঘুষ বাণিজ্যের অভিযোগ দীর্ঘদিনের।

এদিকে একের পর এক দখল ও বন্দোবস্তের কারণে কক্সবাজারের পাহাড় ও বনভূমি দ্রুত হারিয়ে যাচ্ছে। পরিবেশবিদদের মতে, বর্তমান হারে দখল চলতে থাকলে অদূর ভবিষ্যতে কক্সবাজারে বনভূমি টিকিয়ে রাখা কঠিন হবে। বন বিভাগের হিসাব অনুযায়ী, এখানকার মোট বনভূমির প্রায় এক-চতুর্থাংশ ইতোমধ্যে দখল হয়ে গেছে এবং দখলদারের সংখ্যা ৪৪ হাজারের বেশি।

অভিযোগে আরও বলা হয়, মারুফ হোসেন দায়িত্ব নেওয়ার পর বিভিন্ন রেঞ্জ, বিট ও চেক পোস্ট কর্মকর্তাদের কাছ থেকে মোটা অঙ্কের অর্থ দাবি করেন। রেঞ্জ কর্মকর্তা, বিট কর্মকর্তা ও চেক পোস্ট কর্মকর্তাদের কাছ থেকে এককালীন এবং মাসিক ভাগ আদায়ের অভিযোগও করা হয়েছে। এসব অর্থ তুলতে গিয়ে বন উজাড়, অবৈধ করাতকল, পাহাড় কাটা, মাটি ও বালু পাচার, সংরক্ষিত বনাঞ্চলে স্থাপনা নির্মাণসহ নানা অনিয়ম বেড়েছে বলে অভিযোগকারীদের দাবি।

গ্রিনবেল্ট ও সুফল প্রকল্পেও বড় ধরনের অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। প্রকল্পের বরাদ্দকৃত অর্থের একটি বড় অংশ ঘুষ ও আত্মসাতের কারণে বাগান কার্যক্রম সঠিকভাবে বাস্তবায়ন হয়নি বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়।

এছাড়া বন উজাড় ও বিভিন্ন প্রকল্পে দুর্নীতির মাধ্যমে শত কোটি টাকার অবৈধ আয় করে বেনামে সম্পদ গড়ে তোলার অভিযোগও আনা হয়েছে ডিএফও মারুফ হোসেনের বিরুদ্ধে। এসব অভিযোগ তদন্তে একাধিকবার কমিটি গঠিত হলেও তদন্ত প্রভাবিত করার অভিযোগও উঠেছে।

অভিযোগগুলোর বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের নিরপেক্ষ তদন্ত দাবি করেছেন স্থানীয় সচেতন মহল।

 

বিস্তারিত থাকছে পরবর্তী পর্বে…..

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :
error: Content is protected !!

কক্সবাজার উত্তর বন বিভাগে সীমাহীন ঘুষ–দুর্নীতির অভিযোগ

আপডেট সময় : ০৪:৫০:০৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

কক্সবাজার প্রতিনিধি:

কক্সবাজার উত্তর বন বিভাগে ঘুষ, দুর্নীতি ও বনজ সম্পদ লুটপাটের গুরুতর অভিযোগ উঠেছে বিভাগীয় বন কর্মকর্তা (ডিএফও) মারুফ হোসেনসহ একাধিক বন কর্মকর্তার বিরুদ্ধে। অভিযোগে ফরেস্ট রেঞ্জার ও রেঞ্জ কর্মকর্তা জাকারিয়া ফেরদৌস, পিএমখালী রেঞ্জ কর্মকর্তা, কক্সবাজার শহর রেঞ্জ কর্মকর্তা মনিরুল জামান, ফাঁসিয়াখালী রেঞ্জ কর্মকর্তা খসরু আমিনসহ সংশ্লিষ্টদের নাম উঠে এসেছে।

অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, অবৈধ চোরাই কাঠ জব্দের পর তা ব্যক্তিগত ব্যবহারের জন্য রেখে দেওয়া, জরিমানার নামে আটক গাড়ির মালিকদের কাছ থেকে অর্থ আদায় এবং মামলা দেওয়ার হুমকিতে অর্থ বাণিজ্যের অভিযোগ রয়েছে কক্সবাজার শহর রেঞ্জ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে। পাচারের সময় জব্দ করা কাঠের বড় অংশ আত্মসাৎ করা হয়েছে বলেও অভিযোগ করা হয়েছে।

বন বিভাগে এ ধরনের অনিয়ম নতুন নয় বলে দাবি করেন সংশ্লিষ্টরা। রাতের আঁধারে জব্দকৃত কাঠ সরিয়ে ফেলা, ব্যক্তিগত ফার্নিচার তৈরিতে কাঠ ব্যবহার এবং বেপরোয়া ঘুষ বাণিজ্যের অভিযোগ দীর্ঘদিনের।

এদিকে একের পর এক দখল ও বন্দোবস্তের কারণে কক্সবাজারের পাহাড় ও বনভূমি দ্রুত হারিয়ে যাচ্ছে। পরিবেশবিদদের মতে, বর্তমান হারে দখল চলতে থাকলে অদূর ভবিষ্যতে কক্সবাজারে বনভূমি টিকিয়ে রাখা কঠিন হবে। বন বিভাগের হিসাব অনুযায়ী, এখানকার মোট বনভূমির প্রায় এক-চতুর্থাংশ ইতোমধ্যে দখল হয়ে গেছে এবং দখলদারের সংখ্যা ৪৪ হাজারের বেশি।

অভিযোগে আরও বলা হয়, মারুফ হোসেন দায়িত্ব নেওয়ার পর বিভিন্ন রেঞ্জ, বিট ও চেক পোস্ট কর্মকর্তাদের কাছ থেকে মোটা অঙ্কের অর্থ দাবি করেন। রেঞ্জ কর্মকর্তা, বিট কর্মকর্তা ও চেক পোস্ট কর্মকর্তাদের কাছ থেকে এককালীন এবং মাসিক ভাগ আদায়ের অভিযোগও করা হয়েছে। এসব অর্থ তুলতে গিয়ে বন উজাড়, অবৈধ করাতকল, পাহাড় কাটা, মাটি ও বালু পাচার, সংরক্ষিত বনাঞ্চলে স্থাপনা নির্মাণসহ নানা অনিয়ম বেড়েছে বলে অভিযোগকারীদের দাবি।

গ্রিনবেল্ট ও সুফল প্রকল্পেও বড় ধরনের অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। প্রকল্পের বরাদ্দকৃত অর্থের একটি বড় অংশ ঘুষ ও আত্মসাতের কারণে বাগান কার্যক্রম সঠিকভাবে বাস্তবায়ন হয়নি বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়।

এছাড়া বন উজাড় ও বিভিন্ন প্রকল্পে দুর্নীতির মাধ্যমে শত কোটি টাকার অবৈধ আয় করে বেনামে সম্পদ গড়ে তোলার অভিযোগও আনা হয়েছে ডিএফও মারুফ হোসেনের বিরুদ্ধে। এসব অভিযোগ তদন্তে একাধিকবার কমিটি গঠিত হলেও তদন্ত প্রভাবিত করার অভিযোগও উঠেছে।

অভিযোগগুলোর বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের নিরপেক্ষ তদন্ত দাবি করেছেন স্থানীয় সচেতন মহল।

 

বিস্তারিত থাকছে পরবর্তী পর্বে…..