ঢাকা ০৫:৫০ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ৪ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
Logo প্রকল্প বণ্টনে অনিয়ম ও রাজনৈতিক প্রভাবের অভিযোগে গণপূর্ত সচিব নজরুলকে নিয়ে বিতর্কের ঝড়! Logo শিক্ষা প্রকৌশলে দুর্নীতির অভিযোগ: কোটি টাকার চুক্তিতে তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী শাহজাহান আলী Logo কক্সবাজার উত্তর বন বিভাগে সীমাহীন ঘুষ–দুর্নীতির অভিযোগ Logo বটিয়াঘাটায় বিএনপি প্রার্থীর উঠান বৈঠক: সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের নিরবিচ্ছিন্ন নিরাপত্তার আশ্বাস Logo গণপূর্তের নির্বাহী প্রকৌশলী কায়সার কবির ও ক্যাশিয়ার এনামুল হকের বিরুদ্ধে কোটি টাকার লুটপাটের অভিযোগ|| পর্ব – Logo বহুজাতিক প্রতিষ্ঠানের অর্থ অপব্যবহার: এশিয়াটিক থ্রি সিক্সটি ইস্যুতে হাইকোর্টে যাচ্ছে আইনজীদের সংগঠন  Logo বঙ্গবন্ধু প্রকৌশল পরিষদের জ্যেষ্ঠ নেতার পদোন্নতি সহ পিআরএল: রয়েছে শত কোটি টাকার লুটপাটের অভিযোগ! Logo দৈনিক সবুজ বাংলাদেশের সম্পাদক মোহাম্মদ মাসুদ এর জন্মদিন আজ Logo উন্নয়নের নামে লুটপাট: ডিএসসিসি এডিবি প্রকল্পে ‘১২ টেবিল’ ভাগাভাগি হয় ঘুষের টাকা  Logo বাংলাদেশ ভারত কোস্টগার্ডের তত্ত্বাবধানে ১৫১ জেলের মুক্তিতে বন্দি বিনিময়ে স্বস্তির নিঃশ্বাস

‘আওয়ামী প্রেতাত্মা’ পিডিপির নির্বাহী প্রকৌশলী মাইন উদ্দিন: ফতেহাবাদ সাবস্টেশনে চুরির ঘটনায় রহস্য!

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ১১:০৭:৪৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৯ জানুয়ারী ২০২৬ ১৬৫ বার পড়া হয়েছে

বিশেষ প্রতিবেদন:
বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডের (পিডিবি) হাটহাজারী ডিভিশনের অধীন ফতেহাবাদ সাবস্টেশন (সাপ্লাই) এলাকায় একেরপর এক রাজস্ব সম্পদ চুরির ঘটনা ঘটেছে। সর্বশেষ বুধবার (২৮ তারিখ) দিবাগত রাতে সাবস্টেশনের একটি ট্রান্সফরমারের কপার কোয়েল চুরি হয় বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে।


স্থানীয়দের অভিযোগ, ফতেহাবাদ এলাকায় এটি প্রথম ঘটনা নয়। এর আগেও একাধিকবার বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডের মূল্যবান যন্ত্রাংশ চুরির ঘটনা ঘটলেও হাটহাজারী ডিভিশনের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. মাইন উদ্দিন জুয়েল কার্যকর কোনো ব্যবস্থা নেননি। ফলে চুরি যেন নিয়মিত ঘটনায় পরিণত হয়েছে। তবে বুধবারের চুরির ঘটনাকে কেন্দ্র করে নির্বাহী প্রকৌশলীর নেওয়া রহস্যজনক পদক্ষেপ নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।

অভিযোগ রয়েছে, চুরির সময় যাদের ডিউটি ছিল, তাদের বিরুদ্ধে কোনো ব্যবস্থা না নিয়ে ‘তিনি দায়িত্বে না থাকা কয়েকজন কর্মচারীর বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক বদলী ব্যবস্থা গ্রহণ করেন। এই সিদ্ধান্তকে অনেকেই “হাস্যকর ও রহস্যজনক” বলে মন্তব্য করেছেন।

আরও অভিযোগ রয়েছে, চুরি হওয়ার সময় মালামাল দেখভালের দায়িত্বে থাকা আনসার সদস্য ও সংশ্লিষ্ট কর্মচারীদের কার্যত সুরক্ষা দেওয়া হয়েছে। অথচ নির্দোষ কর্মচারীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ায় বিদ্যুৎ বিভাগে অসন্তোষ তৈরি হয়েছে।

অনেকের ধারণা, পূর্ববর্তী চুরির ঘটনাগুলোতেও প্রভাবশালী মহলের মদদ ছিল কি না, তা খতিয়ে দেখা জরুরি। অনেকের কাছেই কৌতূহল এমনটা নাহলে দায়িত্বের থাকা কর্মচারীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হয়নি কেনো! এই পরিস্থিতিতে নির্বাহী প্রকৌশলী মাইন উদ্দিন জুয়েলের ভূমিকা নিয়ে বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডের ভেতরে-বাইরে নানা প্রশ্ন ঘুরপাক খাচ্ছে।

অভিযোগ রয়েছে বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে বিদ্যুৎ প্রতিমন্ত্রীর ঘনিষ্ঠজন হওয়ার সুবাদে তিনি তার ঊর্ধ্বতন ও কর্মকর্তাদেরও পরোয়া করতেন না। মন্ত্রীর ক্ষমতায় করেছেন নানা রকম দুর্নীতি ও অনিয়ম। তিনি ছিলেন বঙ্গবন্ধু প্রকৌশল পরিষদের অন্যতম নেতা। জুলাই আন্দোলন ঠেকাতে অর্থ বিনিয়োগকারী।

জুলাই বিরোধী বঙ্গবন্ধু পরিষদের অন্যতম নেতা এই নির্বাহী প্রকৌশলী বর্তমানেও বিভিন্ন সার্ভিসে জনগণের নিকট থেকে নানা রকম টালবাহানায় অতিরিক্ত অর্থ আত্মসাৎ করেছেন বলে অভিযোগ রয়েছে।

নির্বাহী প্রকৌশলী মাইনুদ্দিনের আরও বিস্তারিত নিয়ে থাকছে আগামী পর্বে…..

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :
error: Content is protected !!

‘আওয়ামী প্রেতাত্মা’ পিডিপির নির্বাহী প্রকৌশলী মাইন উদ্দিন: ফতেহাবাদ সাবস্টেশনে চুরির ঘটনায় রহস্য!

আপডেট সময় : ১১:০৭:৪৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৯ জানুয়ারী ২০২৬

বিশেষ প্রতিবেদন:
বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডের (পিডিবি) হাটহাজারী ডিভিশনের অধীন ফতেহাবাদ সাবস্টেশন (সাপ্লাই) এলাকায় একেরপর এক রাজস্ব সম্পদ চুরির ঘটনা ঘটেছে। সর্বশেষ বুধবার (২৮ তারিখ) দিবাগত রাতে সাবস্টেশনের একটি ট্রান্সফরমারের কপার কোয়েল চুরি হয় বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে।


স্থানীয়দের অভিযোগ, ফতেহাবাদ এলাকায় এটি প্রথম ঘটনা নয়। এর আগেও একাধিকবার বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডের মূল্যবান যন্ত্রাংশ চুরির ঘটনা ঘটলেও হাটহাজারী ডিভিশনের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. মাইন উদ্দিন জুয়েল কার্যকর কোনো ব্যবস্থা নেননি। ফলে চুরি যেন নিয়মিত ঘটনায় পরিণত হয়েছে। তবে বুধবারের চুরির ঘটনাকে কেন্দ্র করে নির্বাহী প্রকৌশলীর নেওয়া রহস্যজনক পদক্ষেপ নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।

অভিযোগ রয়েছে, চুরির সময় যাদের ডিউটি ছিল, তাদের বিরুদ্ধে কোনো ব্যবস্থা না নিয়ে ‘তিনি দায়িত্বে না থাকা কয়েকজন কর্মচারীর বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক বদলী ব্যবস্থা গ্রহণ করেন। এই সিদ্ধান্তকে অনেকেই “হাস্যকর ও রহস্যজনক” বলে মন্তব্য করেছেন।

আরও অভিযোগ রয়েছে, চুরি হওয়ার সময় মালামাল দেখভালের দায়িত্বে থাকা আনসার সদস্য ও সংশ্লিষ্ট কর্মচারীদের কার্যত সুরক্ষা দেওয়া হয়েছে। অথচ নির্দোষ কর্মচারীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ায় বিদ্যুৎ বিভাগে অসন্তোষ তৈরি হয়েছে।

অনেকের ধারণা, পূর্ববর্তী চুরির ঘটনাগুলোতেও প্রভাবশালী মহলের মদদ ছিল কি না, তা খতিয়ে দেখা জরুরি। অনেকের কাছেই কৌতূহল এমনটা নাহলে দায়িত্বের থাকা কর্মচারীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হয়নি কেনো! এই পরিস্থিতিতে নির্বাহী প্রকৌশলী মাইন উদ্দিন জুয়েলের ভূমিকা নিয়ে বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডের ভেতরে-বাইরে নানা প্রশ্ন ঘুরপাক খাচ্ছে।

অভিযোগ রয়েছে বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে বিদ্যুৎ প্রতিমন্ত্রীর ঘনিষ্ঠজন হওয়ার সুবাদে তিনি তার ঊর্ধ্বতন ও কর্মকর্তাদেরও পরোয়া করতেন না। মন্ত্রীর ক্ষমতায় করেছেন নানা রকম দুর্নীতি ও অনিয়ম। তিনি ছিলেন বঙ্গবন্ধু প্রকৌশল পরিষদের অন্যতম নেতা। জুলাই আন্দোলন ঠেকাতে অর্থ বিনিয়োগকারী।

জুলাই বিরোধী বঙ্গবন্ধু পরিষদের অন্যতম নেতা এই নির্বাহী প্রকৌশলী বর্তমানেও বিভিন্ন সার্ভিসে জনগণের নিকট থেকে নানা রকম টালবাহানায় অতিরিক্ত অর্থ আত্মসাৎ করেছেন বলে অভিযোগ রয়েছে।

নির্বাহী প্রকৌশলী মাইনুদ্দিনের আরও বিস্তারিত নিয়ে থাকছে আগামী পর্বে…..