ঢাকা ০৫:১৪ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৯ জানুয়ারী ২০২৬, ৫ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
Logo শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তরের প্রধান প্রকৌশলীকে ঘিরে সমালোচনার ঝড় Logo বরিশালে গণপূর্তে ঘুষ–চেক কেলেঙ্কারি! Logo ওয়ার্ল্ড হিউম্যান রাইটস্ ক্রাইম রিপোর্টাস সোসাইটির কম্বল ও খাবার বিতরন Logo বাংলাদেশে ৫৬ জন দীর্ঘমেয়াদি নির্বাচন পর্যবেক্ষক মোতায়েন করল ইউরোপীয় ইউনিয়ন Logo নাগরিক শোকসভা কাল: সঙ্গে আনতে হবে আমন্ত্রণপত্র Logo উত্তরায় হোটেলে চাঁদা চাওয়ায় সাংবাদিককে গণধোলাই Logo ৩০ লক্ষ টাকায় বনানী ক্লাবের সদস্য হওয়া দুর্নীতিবাজ কাস্টমস কমিশনার জাকিরের পুনর্বাসন Logo চমেকে বিনামূল্যে বিশুদ্ধ খাবার পানির প্ল্যান্ট স্থাপন করল দূর্বার তারুণ্য ফাউন্ডেশন Logo তারেক রহমানের সঙ্গে সম্পাদক-সাংবাদিকদের শুভেচ্ছা বিনিময় অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত Logo শেখ হাসিনার স্নেহধন্য দোলনের দাপট: হত্যা মামলার আসামি হয়েও সংসদ নির্বাচনে প্রার্থীতা বহাল

আওয়ামী দোসর ফজলুল হক (মধু) শত কোটি টাকার মালিক: তবুও ধরাছোঁয়ার বাইরে

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৫:২৫:০৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ২০ অগাস্ট ২০২৫ ৫৮২ বার পড়া হয়েছে

{"remix_data":[],"remix_entry_point":"challenges","source_tags":[],"origin":"unknown","total_draw_time":0,"total_draw_actions":0,"layers_used":0,"brushes_used":0,"photos_added":0,"total_editor_actions":{},"tools_used":{},"is_sticker":false,"edited_since_last_sticker_save":false,"containsFTESticker":false}

নিজস্ব প্রতিবেদক: গণপূর্ত অধিদপ্তর মানেই যেন অনিয়ম আর দুর্নীতির আখড়া—এ অভিযোগ নতুন নয়। পিওন থেকে শুরু করে প্রকৌশলী, সবার নামই এসেছে নানা কেলেঙ্কারিতে। কিন্তু আশ্চর্য বিষয় হলো, অদৃশ্য ক্ষমতার জোরে অধিকাংশ কর্মকর্তাই থেকে গেছেন ধরাছোঁয়ার বাইরে।

তেমনই এক নাম মো. ফজলুল হক (মধু), বর্তমানে তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী (উন্নয়ন)। নির্বাহী প্রকৌশলী থাকা অবস্থায় ভূয়া বিল উত্তোলন, টেন্ডার বাণিজ্য, কমিশনের বিনিময়ে অগ্রিম বিল প্রদানসহ অসংখ্য অনিয়মে জড়িয়ে পড়েন তিনি। এমনকি কাজ না করেও ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানকে বিল দেওয়ার মতো দুর্নীতি তার নেতৃত্বেই চলেছে দীর্ঘদিন।

জিকে শামীমসহ প্রভাবশালী ঠিকাদারি সিন্ডিকেটের সঙ্গে সখ্য গড়ে তোলেন ফজলুল হক। আগারগাঁও নিউরোসায়েন্স হাসপাতাল প্রকল্পে তার বিরুদ্ধে অতিরিক্ত ১০ কোটির বিল প্রদানের অভিযোগ উঠে। দুদকের অনুসন্ধান শুরু হলেও পরে রহস্যজনকভাবে তা ধামাচাপা পড়ে যায়।

সব অভিযোগ সত্ত্বেও তাকে পদোন্নতি দিয়ে গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বে বসানো হয়। ফলে দুর্নীতির উৎসব আরও বেপরোয়া হয়ে ওঠে গণপূর্তের উন্নয়ন শাখায়। অভিযোগ রয়েছে, রাজধানীর গুলশান, মিরপুর, বনশ্রীসহ বিভিন্ন স্থানে জমি, ফ্ল্যাট আর প্লটের মালিক হয়েছেন তিনি। শুধু তাই নয়, পরিবারের সদস্যদের নামে প্রায় ৩০ কোটি টাকার এফডিআরও রয়েছে তার।

কর্মকর্তাদের মতে, ফজলুল হক মধুর মতো দুর্নীতিবাজদের কারণে সৎ কর্মকর্তা-কর্মচারীরা উপেক্ষিত আর অবহেলিত হয়ে পড়েছেন।
তার সম্পদের বিস্তারিত হিসাব দ্বিতীয় পর্বে প্রকাশ করা হবে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :
error: Content is protected !!

আওয়ামী দোসর ফজলুল হক (মধু) শত কোটি টাকার মালিক: তবুও ধরাছোঁয়ার বাইরে

আপডেট সময় : ০৫:২৫:০৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ২০ অগাস্ট ২০২৫

নিজস্ব প্রতিবেদক: গণপূর্ত অধিদপ্তর মানেই যেন অনিয়ম আর দুর্নীতির আখড়া—এ অভিযোগ নতুন নয়। পিওন থেকে শুরু করে প্রকৌশলী, সবার নামই এসেছে নানা কেলেঙ্কারিতে। কিন্তু আশ্চর্য বিষয় হলো, অদৃশ্য ক্ষমতার জোরে অধিকাংশ কর্মকর্তাই থেকে গেছেন ধরাছোঁয়ার বাইরে।

তেমনই এক নাম মো. ফজলুল হক (মধু), বর্তমানে তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী (উন্নয়ন)। নির্বাহী প্রকৌশলী থাকা অবস্থায় ভূয়া বিল উত্তোলন, টেন্ডার বাণিজ্য, কমিশনের বিনিময়ে অগ্রিম বিল প্রদানসহ অসংখ্য অনিয়মে জড়িয়ে পড়েন তিনি। এমনকি কাজ না করেও ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানকে বিল দেওয়ার মতো দুর্নীতি তার নেতৃত্বেই চলেছে দীর্ঘদিন।

জিকে শামীমসহ প্রভাবশালী ঠিকাদারি সিন্ডিকেটের সঙ্গে সখ্য গড়ে তোলেন ফজলুল হক। আগারগাঁও নিউরোসায়েন্স হাসপাতাল প্রকল্পে তার বিরুদ্ধে অতিরিক্ত ১০ কোটির বিল প্রদানের অভিযোগ উঠে। দুদকের অনুসন্ধান শুরু হলেও পরে রহস্যজনকভাবে তা ধামাচাপা পড়ে যায়।

সব অভিযোগ সত্ত্বেও তাকে পদোন্নতি দিয়ে গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বে বসানো হয়। ফলে দুর্নীতির উৎসব আরও বেপরোয়া হয়ে ওঠে গণপূর্তের উন্নয়ন শাখায়। অভিযোগ রয়েছে, রাজধানীর গুলশান, মিরপুর, বনশ্রীসহ বিভিন্ন স্থানে জমি, ফ্ল্যাট আর প্লটের মালিক হয়েছেন তিনি। শুধু তাই নয়, পরিবারের সদস্যদের নামে প্রায় ৩০ কোটি টাকার এফডিআরও রয়েছে তার।

কর্মকর্তাদের মতে, ফজলুল হক মধুর মতো দুর্নীতিবাজদের কারণে সৎ কর্মকর্তা-কর্মচারীরা উপেক্ষিত আর অবহেলিত হয়ে পড়েছেন।
তার সম্পদের বিস্তারিত হিসাব দ্বিতীয় পর্বে প্রকাশ করা হবে।