ঢাকা ০৫:১১ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ০৯ অক্টোবর ২০২৬, ২৪ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
Logo কুকুর উদ্ধারে ফায়ার সার্ভিসের গাড়ি পাঠাতে জ্বালানি খরচের দাবি, ৩ ঘণ্টা পর জীবিত উদ্ধার Logo সরকারি কর্মচারীদের ‘গোলামি’ ও অঢেল সম্পদের পাহাড়: বেরিয়ে আসছে সদ্য বিদায়ী ডিজি জায়েদ কামালের থলের বিড়াল  Logo ফায়ার সার্ভিসের বদলি নীতিমালায় বড় পরিবর্তন: কর্মীরা পাবেন নিজ জেলায় কাজের সুযোগ Logo তৈরি পোশাকশ্রমিকদের জন্য মজুরি বোর্ড গঠনের নীতিগত সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার Logo সিডিবিএল চালু করবে মোবাইল অ্যাপ Logo দেশবিরোধী চক্রান্তের কাছে জাতীয়তাবাদী শক্তি আত্মসমর্পণ করবে না : রিজভী Logo গঙ্গা চুক্তি নবায়ন নয়, নতুন চুক্তি চায় এনসিপি: নাহিদ ইসলাম Logo ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সব নাগরিকের কল্যাণে কাজ করছে সরকার: প্রধানমন্ত্রী Logo ফের মা হতে চলেছেন কিয়ারা Logo মানবতাবিরোধী অপরাধ : হানিফসহ ৪ আ. লীগ নেতার রায় যেকোনো দিন

আওয়ামী দোসর ফজলুল হক (মধু) শত কোটি টাকার মালিক: তবুও ধরাছোঁয়ার বাইরে

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৫:২৫:০৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ২০ অগাস্ট ২০২৫ ৭১৬ বার পড়া হয়েছে

{"remix_data":[],"remix_entry_point":"challenges","source_tags":[],"origin":"unknown","total_draw_time":0,"total_draw_actions":0,"layers_used":0,"brushes_used":0,"photos_added":0,"total_editor_actions":{},"tools_used":{},"is_sticker":false,"edited_since_last_sticker_save":false,"containsFTESticker":false}

নিজস্ব প্রতিবেদক: গণপূর্ত অধিদপ্তর মানেই যেন অনিয়ম আর দুর্নীতির আখড়া—এ অভিযোগ নতুন নয়। পিওন থেকে শুরু করে প্রকৌশলী, সবার নামই এসেছে নানা কেলেঙ্কারিতে। কিন্তু আশ্চর্য বিষয় হলো, অদৃশ্য ক্ষমতার জোরে অধিকাংশ কর্মকর্তাই থেকে গেছেন ধরাছোঁয়ার বাইরে।

তেমনই এক নাম মো. ফজলুল হক (মধু), বর্তমানে তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী (উন্নয়ন)। নির্বাহী প্রকৌশলী থাকা অবস্থায় ভূয়া বিল উত্তোলন, টেন্ডার বাণিজ্য, কমিশনের বিনিময়ে অগ্রিম বিল প্রদানসহ অসংখ্য অনিয়মে জড়িয়ে পড়েন তিনি। এমনকি কাজ না করেও ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানকে বিল দেওয়ার মতো দুর্নীতি তার নেতৃত্বেই চলেছে দীর্ঘদিন।

জিকে শামীমসহ প্রভাবশালী ঠিকাদারি সিন্ডিকেটের সঙ্গে সখ্য গড়ে তোলেন ফজলুল হক। আগারগাঁও নিউরোসায়েন্স হাসপাতাল প্রকল্পে তার বিরুদ্ধে অতিরিক্ত ১০ কোটির বিল প্রদানের অভিযোগ উঠে। দুদকের অনুসন্ধান শুরু হলেও পরে রহস্যজনকভাবে তা ধামাচাপা পড়ে যায়।

সব অভিযোগ সত্ত্বেও তাকে পদোন্নতি দিয়ে গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বে বসানো হয়। ফলে দুর্নীতির উৎসব আরও বেপরোয়া হয়ে ওঠে গণপূর্তের উন্নয়ন শাখায়। অভিযোগ রয়েছে, রাজধানীর গুলশান, মিরপুর, বনশ্রীসহ বিভিন্ন স্থানে জমি, ফ্ল্যাট আর প্লটের মালিক হয়েছেন তিনি। শুধু তাই নয়, পরিবারের সদস্যদের নামে প্রায় ৩০ কোটি টাকার এফডিআরও রয়েছে তার।

কর্মকর্তাদের মতে, ফজলুল হক মধুর মতো দুর্নীতিবাজদের কারণে সৎ কর্মকর্তা-কর্মচারীরা উপেক্ষিত আর অবহেলিত হয়ে পড়েছেন।
তার সম্পদের বিস্তারিত হিসাব দ্বিতীয় পর্বে প্রকাশ করা হবে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :
error: Content is protected !!

আওয়ামী দোসর ফজলুল হক (মধু) শত কোটি টাকার মালিক: তবুও ধরাছোঁয়ার বাইরে

আপডেট সময় : ০৫:২৫:০৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ২০ অগাস্ট ২০২৫

নিজস্ব প্রতিবেদক: গণপূর্ত অধিদপ্তর মানেই যেন অনিয়ম আর দুর্নীতির আখড়া—এ অভিযোগ নতুন নয়। পিওন থেকে শুরু করে প্রকৌশলী, সবার নামই এসেছে নানা কেলেঙ্কারিতে। কিন্তু আশ্চর্য বিষয় হলো, অদৃশ্য ক্ষমতার জোরে অধিকাংশ কর্মকর্তাই থেকে গেছেন ধরাছোঁয়ার বাইরে।

তেমনই এক নাম মো. ফজলুল হক (মধু), বর্তমানে তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী (উন্নয়ন)। নির্বাহী প্রকৌশলী থাকা অবস্থায় ভূয়া বিল উত্তোলন, টেন্ডার বাণিজ্য, কমিশনের বিনিময়ে অগ্রিম বিল প্রদানসহ অসংখ্য অনিয়মে জড়িয়ে পড়েন তিনি। এমনকি কাজ না করেও ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানকে বিল দেওয়ার মতো দুর্নীতি তার নেতৃত্বেই চলেছে দীর্ঘদিন।

জিকে শামীমসহ প্রভাবশালী ঠিকাদারি সিন্ডিকেটের সঙ্গে সখ্য গড়ে তোলেন ফজলুল হক। আগারগাঁও নিউরোসায়েন্স হাসপাতাল প্রকল্পে তার বিরুদ্ধে অতিরিক্ত ১০ কোটির বিল প্রদানের অভিযোগ উঠে। দুদকের অনুসন্ধান শুরু হলেও পরে রহস্যজনকভাবে তা ধামাচাপা পড়ে যায়।

সব অভিযোগ সত্ত্বেও তাকে পদোন্নতি দিয়ে গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বে বসানো হয়। ফলে দুর্নীতির উৎসব আরও বেপরোয়া হয়ে ওঠে গণপূর্তের উন্নয়ন শাখায়। অভিযোগ রয়েছে, রাজধানীর গুলশান, মিরপুর, বনশ্রীসহ বিভিন্ন স্থানে জমি, ফ্ল্যাট আর প্লটের মালিক হয়েছেন তিনি। শুধু তাই নয়, পরিবারের সদস্যদের নামে প্রায় ৩০ কোটি টাকার এফডিআরও রয়েছে তার।

কর্মকর্তাদের মতে, ফজলুল হক মধুর মতো দুর্নীতিবাজদের কারণে সৎ কর্মকর্তা-কর্মচারীরা উপেক্ষিত আর অবহেলিত হয়ে পড়েছেন।
তার সম্পদের বিস্তারিত হিসাব দ্বিতীয় পর্বে প্রকাশ করা হবে।