ঢাকা ০৯:০৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ১২ জুন ২০২৪, ২৯ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :




প্রজন্মের বিদ্রোহী কবি রফিক লিটনের _ দুর্বিষহ

কবি রফিক লিটন:
  • আপডেট সময় : ০৯:৩২:৪২ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৫ অক্টোবর ২০২৩ ২০০ বার পড়া হয়েছে

প্রজন্মের সাহসী ও চলমান সমাজের দুঃশাসনের বিরুদ্ধে বিদ্রোহী হিসেবে পরিচিত কবি রফিক লিটন। বর্তমান সমাজের একজন প্রতিবাদী কন্ঠস্বর। তিনি একাধারে রাজনীতিবিদ  সাংবাদিক ও সাহিত্যিক। বর্তমান দেশ ও জাতির হালহকিক -চালচিত্র নিয়ে তার প্রতিবাদী লেখা _ দুর্বিষহ

টেংরা পুঁটি রাঘব বোয়াল—
গোয়াল ঘরে বান্ধা গোয়াল।
চোয়ালবাজির দ্যাখো চোয়াল
ভুলুণ্ঠিত আজকে দো-আল।

কত কিছু দেখতে হবে—
রইছে বাকি এই না ভবে!
জানলে লোকে চক্ষুগোচর
পিলে চমকে খাবে মোচড়।

টালমাটালের বায়ু দেখে—
কেউবা লেখে কেউবা শেখে।
কেউবা আবার বাড়তে থাকে
বাড়ার পরে হারতে থাকে।

সবকিছু রয় পাছে পরে
গ্ৰন্থ-কিতাব নাইবা পড়ে।
বাহাছ করে কাটাই দিনটা
অমঙ্গলের খুশি জ্বিনটা।

পেশীবহুল ক্ষমতা তার—
দিল্লিমুলুক মমতা তার।
মুখে তালা খুললে জ্বালা
খুব ভয়ানক পান্থশালা।

পথ চলাতে গুমের ভয় —
কোথায় গেলো সূর্যোদয়।
অন্ধকারের বন্দিকারায়—
জীবন-যাপন সন্ধি হারায়।

লক্ষ লক্ষ মামলা নিয়ে
প্রাণের রসদ সব হারিয়ে।
দুর্বিষহ-মর্মান্তিক —
উদ্ভাবনের সকল দিক।

রাষ্ট্র খেয়ে রাষ্ট্র ক’রে—
ফ্যাসিবাদে ভূগোল নড়ে।
স্যাংশনে তাই বংশকুল
ফসকে গেলো ভিত্তিমূল।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :




প্রজন্মের বিদ্রোহী কবি রফিক লিটনের _ দুর্বিষহ

আপডেট সময় : ০৯:৩২:৪২ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৫ অক্টোবর ২০২৩

প্রজন্মের সাহসী ও চলমান সমাজের দুঃশাসনের বিরুদ্ধে বিদ্রোহী হিসেবে পরিচিত কবি রফিক লিটন। বর্তমান সমাজের একজন প্রতিবাদী কন্ঠস্বর। তিনি একাধারে রাজনীতিবিদ  সাংবাদিক ও সাহিত্যিক। বর্তমান দেশ ও জাতির হালহকিক -চালচিত্র নিয়ে তার প্রতিবাদী লেখা _ দুর্বিষহ

টেংরা পুঁটি রাঘব বোয়াল—
গোয়াল ঘরে বান্ধা গোয়াল।
চোয়ালবাজির দ্যাখো চোয়াল
ভুলুণ্ঠিত আজকে দো-আল।

কত কিছু দেখতে হবে—
রইছে বাকি এই না ভবে!
জানলে লোকে চক্ষুগোচর
পিলে চমকে খাবে মোচড়।

টালমাটালের বায়ু দেখে—
কেউবা লেখে কেউবা শেখে।
কেউবা আবার বাড়তে থাকে
বাড়ার পরে হারতে থাকে।

সবকিছু রয় পাছে পরে
গ্ৰন্থ-কিতাব নাইবা পড়ে।
বাহাছ করে কাটাই দিনটা
অমঙ্গলের খুশি জ্বিনটা।

পেশীবহুল ক্ষমতা তার—
দিল্লিমুলুক মমতা তার।
মুখে তালা খুললে জ্বালা
খুব ভয়ানক পান্থশালা।

পথ চলাতে গুমের ভয় —
কোথায় গেলো সূর্যোদয়।
অন্ধকারের বন্দিকারায়—
জীবন-যাপন সন্ধি হারায়।

লক্ষ লক্ষ মামলা নিয়ে
প্রাণের রসদ সব হারিয়ে।
দুর্বিষহ-মর্মান্তিক —
উদ্ভাবনের সকল দিক।

রাষ্ট্র খেয়ে রাষ্ট্র ক’রে—
ফ্যাসিবাদে ভূগোল নড়ে।
স্যাংশনে তাই বংশকুল
ফসকে গেলো ভিত্তিমূল।