ঢাকা ০৬:১৫ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৪ জুলাই ২০২৪, ৯ শ্রাবণ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
Logo শাবি ক্যাম্পাসে আন্দোলনকারীদের ছড়ানো গুজবে সয়লাব Logo সিলেট-সুনামগঞ্জ মহাসড়কে আন্দোলনকারীরা পুলিশের উপর হামলা চালালে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে Logo জবিতে আজীবন ছাত্ররাজনীতি নিষিদ্ধ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ Logo শাবিতে হল প্রশাসনকে ভয়-ভীতি দেখিয়ে নোটিসে জোর পূর্বক সাইন আদায় Logo এবার সামনে আসছে ছাত্রলীগ কর্তৃক আন্দোলনকারীদের মারধরের আরো ঘটনা Logo আবাসিক হল ছাড়ছে শাবি শিক্ষার্থীরা Logo নিরাপত্তার স্বার্থে শাবি শিক্ষার্থীদের আইডিকার্ড সাথে রাখার আহবান বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের Logo জনস্বাস্থ্যের প্রধান সাধুর যত অসাধু কর্ম: দুর্নীতি ও অর্থ পাচারের অভিযোগ! Logo বিআইডব্লিউটিএ বন্দর শাখা যুগ্ম পরিচালক আলমগীরের দুর্নীতি ও ঘুষ বাণিজ্য  Logo রাজশাহীতে এটিএন বাংলার সাংবাদিক সুজাউদ্দিন ছোটনকে হয়রানিমূলক মামলায় বএিমইউজরে নিন্দা ও প্রতিবাদ




তবুও তিনি বহাল তবিয়তে!

একজন যৌন নিপীড়নকারী ও দুর্নীতিবাজের দখলে ফায়ার সার্ভিসের ডিডি পদ

নিজস্ব প্রতিবেদক;
  • আপডেট সময় : ১১:৩৯:০৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩ অক্টোবর ২০২৩ ৫৯২ বার পড়া হয়েছে

নিজস্ব প্রতিবেদক: ফায়ার সার্ভিসের উপ-পরিচালক অর্থ ও প্রশাসন জসীমউদ্দীনের বিরুদ্ধে অফিস সহায়ক নারীকে নির্যাতন, যৌন হয়রানি ও সীমাহীন দুর্নীতির অভিযোগ উঠেছে। এ বিষয় বিভিন্ন গণমাধ্যমে তার বিরুদ্ধে সংবাদ প্রচার করা হলেও অদৃশ্য শক্তির বলে বহাল তবিয়তে রয়েছেন জসিম উদ্দিন। তার অপকর্ম ও যৌন হয়রানীর সংবাদ প্রচার করার পর সংবাদ বন্ধ করতে দৌড়ঝাঁপ শুরু করে যাচ্ছেন তিনি।

ডিডি জসিম এতটাই বেপরোয়া যে, নিজের মনগড়া ইচ্ছা শক্তিতে অর্থ প্রশাসন বিভাগ পরিচালিত করেন তিনি। সম্প্রতি স্টেশন অফিসার মেহেদী বদলি হলেও তাকে অনৈতিকভাবে নিজের কব্জা করে রেখেছেন। খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, এই মেহেদীকে দিয়েই তিনি সকল অপকর্ম প্রতিষ্ঠা করেন তাই তার বদলির আদেশ হওয়ার পরেও ছাড়ছেন না জসিম।

যৌন হয়রানি ঘোষ দুর্নীতি ও আত্মহত্যা প্ররোচনার মত গুরুতর অভিযোগ থাকার পরেও কর্তৃপক্ষের উদাসীনতার কারণে জসীমউদ্দীনের বিরুদ্ধে কোন প্রকার ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে না।

নাম প্রকাশ না করার শর্তে ফায়ার সার্ভিসের একটি সূত্র জানায়, ডিডি জসিমের নিকট প্রতিনিয়ত অসংখ্য বহিরাগত ব্যক্তিদের আনাগোনা রয়েছে, তাদের মধ্যে দালাল শ্রেণীর ব্যক্তি, কথিত রাজনৈতিক পরিচয়ধারী নেতা সহ অন্যান্য। তারা অফিস টাইমের অধিকাংশ সময়ই জসীমউদ্দীনের সাথে গোপন বৈঠক করে থাকেন। আগত ওইসব ব্যক্তিদের মধ্যে কেউ কেউ সশস্ত্র (রিভলবার) নিয়েও ফায়ার সার্ভিস এর সদর দপ্তরের ভিতরে প্রবেশ করেন বলে জানান তিনি।

এছাড়াও যৌন হয়রানীর অভিযোগ করা ওই নারীকে মানসিক যন্ত্রণার মাধ্যমে আত্মহত্যার প্ররোচনা করেছেন জসিম উদ্দীন। ভুক্তভোগী নারী সুইটি বলেন, জসিম স্যারের অত্যাচার সইতে না পেরে আমি আত্মহত্যা করার সিদ্ধান্ত নেই এবং মহাপরিচালক স্যারের বরাবর জসিমের বিরুদ্ধে একটি অভিযোগ লিখে তৎকালীন মিরপুর ট্রেনিং সেন্টারের প্রিন্সিপাল সালেহ উদ্দিন স্যারের নিকট জমা দেয় কিন্তু আমার দেয়া ওই লিখিত অভিযোগটি প্রিন্সিপাল স্যার জসিমকে বাঁচানোর উদ্দেশ্যে গায়েব করে ফেলেন যা অধিদপ্তরে প্রেরন করেন নাই।

নাম প্রকাশ না করার শর্তে ফায়ার সার্ভিসের একজন কর্মকর্তা জানায়, ডিডি জসিম উদ্দিন ফায়ার সার্ভিসের নিয়োগ ও বদলি বাণিজ্যের মাধ্যমে কোটি কোটি টাকার আয়ের বহির্ভূত সম্পদ গড়েছেন। একজন নারী কর্মচারী কে যৌন হয়রানির মাধ্যমে ফায়ার সার্ভিসের মত সেবা প্রদানকারী একটি সুশৃঙ্খল বাহিনীকে কলুষিত করেছেন তিনি। এমন ঘৃণিত অপরাধের বিষয় তদন্ত সাপেক্ষে কঠিন শাস্তির ব্যবস্থা করা না হলে এই বাহিনীর শৃঙ্খলায় বিঘ্নিত হবে।

ডিডি জসীমউদ্দীনের বিরুদ্ধে ঘৃণিত এমন সব অপরাধ থাকার পরেও কোন ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে না কেন এ বিষয়ে ডিরেক্টর এডমিন মোহাম্মদ ওয়াহিদুল ইসলাম এর বক্তব্য জানতে তার দুটি মুঠোফোন নাম্বারে ফোন করা হলে তিনি রিসিভ করেননি।

এসব অভিযোগের বিষয়ে ডিডি জসীমউদ্দীনের বক্তব্য জানতে তার মুঠোফোনে একাধিকবার যোগাযোগ করলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।

Loading

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :




তবুও তিনি বহাল তবিয়তে!

একজন যৌন নিপীড়নকারী ও দুর্নীতিবাজের দখলে ফায়ার সার্ভিসের ডিডি পদ

আপডেট সময় : ১১:৩৯:০৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩ অক্টোবর ২০২৩

নিজস্ব প্রতিবেদক: ফায়ার সার্ভিসের উপ-পরিচালক অর্থ ও প্রশাসন জসীমউদ্দীনের বিরুদ্ধে অফিস সহায়ক নারীকে নির্যাতন, যৌন হয়রানি ও সীমাহীন দুর্নীতির অভিযোগ উঠেছে। এ বিষয় বিভিন্ন গণমাধ্যমে তার বিরুদ্ধে সংবাদ প্রচার করা হলেও অদৃশ্য শক্তির বলে বহাল তবিয়তে রয়েছেন জসিম উদ্দিন। তার অপকর্ম ও যৌন হয়রানীর সংবাদ প্রচার করার পর সংবাদ বন্ধ করতে দৌড়ঝাঁপ শুরু করে যাচ্ছেন তিনি।

ডিডি জসিম এতটাই বেপরোয়া যে, নিজের মনগড়া ইচ্ছা শক্তিতে অর্থ প্রশাসন বিভাগ পরিচালিত করেন তিনি। সম্প্রতি স্টেশন অফিসার মেহেদী বদলি হলেও তাকে অনৈতিকভাবে নিজের কব্জা করে রেখেছেন। খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, এই মেহেদীকে দিয়েই তিনি সকল অপকর্ম প্রতিষ্ঠা করেন তাই তার বদলির আদেশ হওয়ার পরেও ছাড়ছেন না জসিম।

যৌন হয়রানি ঘোষ দুর্নীতি ও আত্মহত্যা প্ররোচনার মত গুরুতর অভিযোগ থাকার পরেও কর্তৃপক্ষের উদাসীনতার কারণে জসীমউদ্দীনের বিরুদ্ধে কোন প্রকার ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে না।

নাম প্রকাশ না করার শর্তে ফায়ার সার্ভিসের একটি সূত্র জানায়, ডিডি জসিমের নিকট প্রতিনিয়ত অসংখ্য বহিরাগত ব্যক্তিদের আনাগোনা রয়েছে, তাদের মধ্যে দালাল শ্রেণীর ব্যক্তি, কথিত রাজনৈতিক পরিচয়ধারী নেতা সহ অন্যান্য। তারা অফিস টাইমের অধিকাংশ সময়ই জসীমউদ্দীনের সাথে গোপন বৈঠক করে থাকেন। আগত ওইসব ব্যক্তিদের মধ্যে কেউ কেউ সশস্ত্র (রিভলবার) নিয়েও ফায়ার সার্ভিস এর সদর দপ্তরের ভিতরে প্রবেশ করেন বলে জানান তিনি।

এছাড়াও যৌন হয়রানীর অভিযোগ করা ওই নারীকে মানসিক যন্ত্রণার মাধ্যমে আত্মহত্যার প্ররোচনা করেছেন জসিম উদ্দীন। ভুক্তভোগী নারী সুইটি বলেন, জসিম স্যারের অত্যাচার সইতে না পেরে আমি আত্মহত্যা করার সিদ্ধান্ত নেই এবং মহাপরিচালক স্যারের বরাবর জসিমের বিরুদ্ধে একটি অভিযোগ লিখে তৎকালীন মিরপুর ট্রেনিং সেন্টারের প্রিন্সিপাল সালেহ উদ্দিন স্যারের নিকট জমা দেয় কিন্তু আমার দেয়া ওই লিখিত অভিযোগটি প্রিন্সিপাল স্যার জসিমকে বাঁচানোর উদ্দেশ্যে গায়েব করে ফেলেন যা অধিদপ্তরে প্রেরন করেন নাই।

নাম প্রকাশ না করার শর্তে ফায়ার সার্ভিসের একজন কর্মকর্তা জানায়, ডিডি জসিম উদ্দিন ফায়ার সার্ভিসের নিয়োগ ও বদলি বাণিজ্যের মাধ্যমে কোটি কোটি টাকার আয়ের বহির্ভূত সম্পদ গড়েছেন। একজন নারী কর্মচারী কে যৌন হয়রানির মাধ্যমে ফায়ার সার্ভিসের মত সেবা প্রদানকারী একটি সুশৃঙ্খল বাহিনীকে কলুষিত করেছেন তিনি। এমন ঘৃণিত অপরাধের বিষয় তদন্ত সাপেক্ষে কঠিন শাস্তির ব্যবস্থা করা না হলে এই বাহিনীর শৃঙ্খলায় বিঘ্নিত হবে।

ডিডি জসীমউদ্দীনের বিরুদ্ধে ঘৃণিত এমন সব অপরাধ থাকার পরেও কোন ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে না কেন এ বিষয়ে ডিরেক্টর এডমিন মোহাম্মদ ওয়াহিদুল ইসলাম এর বক্তব্য জানতে তার দুটি মুঠোফোন নাম্বারে ফোন করা হলে তিনি রিসিভ করেননি।

এসব অভিযোগের বিষয়ে ডিডি জসীমউদ্দীনের বক্তব্য জানতে তার মুঠোফোনে একাধিকবার যোগাযোগ করলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।

Loading