ঢাকা ০৮:৫৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৬ এপ্রিল ২০২৬, ৩ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
Logo জিয়া শিশু কিশোর মেলার নতুন কেন্দ্রীয় কমিটি ঘোষণা  Logo ভোলার জেলা রেজিস্ট্রার নুর নেওয়াজ ৫০ কোটি টাকার সম্পদের মালিক Logo প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরে শীর্ষ কর্মকর্তা আতিকুর পাহাড়সমান অভিযোগ নিয়েও বহাল Logo বদলি-বাণিজ্য ঘুষ বাণিজ্যে বেপরোয়া সাব-রেজিস্ট্রার মাইকেল মহিউদ্দিন সিন্ডিকেট Logo রাজউকে দুর্নীতিতে আলোচনার শীর্ষে পরিচালক জাকারিয়া: ‘সেফ জন’ দিয়েছে কর্তৃপক্ষ  Logo প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ ও প্রতিবেদকের বক্তব্য Logo ‘৬ বছরে ৮৬৫০ কোটি লুটপাট : সওজে নতুন করে সক্রিয় সেই ‘ডন’ রায়হান মুস্তাফিজ!’ Logo ৮০ কোটির জালিয়াতি: শিল্পগোষ্ঠীকে ফাঁকি দিয়ে আত্মগোপনে বৃষ্টি–মেসবাহ দম্পতি লাপাত্তা  Logo ৩০ লাখের প্রকল্পে প্রায় ৩ কোটি আত্মসাৎ: রাজউক চেয়ারম্যানের বাংলো সংস্কারে অনিয়মের বিস্ফোরণ Logo রাজউকের কানুনগো আব্দুল মোমিন: দুর্নীতি ও প্লট বাণিজ্যের মাধ্যমে অঢেল সম্পদের মালিক 

গ্রীন কার্ডের মতোই সৌদিতে মিলছে স্থায়ী বসবাসের সুযোগ

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৭:৪২:২৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৬ মে ২০১৯ ২৬৭ বার পড়া হয়েছে

মো মিজানুর রহমান, সৌদিআরব;

এবার সৌদির মন্ত্রিসভায় অনুমোদন পেল গ্রীন কার্ডের মতো বিশেষ রেসিডেন্সি পারমিট (ইকামা)। মঙ্গলবার এই বিশেষ রেসিডেন্সি পারমিটে অনুমোদন দেয়া হয়েছে। উদ্যোক্তা, বিনিয়োগকারী এবং দক্ষ প্রবাসীদের আকৃষ্ট করতে এই বিশেষ রেসিডেন্সি পারমিট (ইকামা) চালু করতে যাচ্ছে সৌদি।
এর আগে গত বুধবার দেশটির শুরা কাউন্সিলে এর অনুমোদন দেয়া হয়। গ্রিনকার্ডের মতো নতুন এই ইকামাটি ‘প্রিভিলেজড ইকামা’ (রেসিডেন্স পারমিট) হিসেবে গণ্য হবে। সৌদি প্রেস এজেন্সি এ তথ্য নিশ্চিত করেছে। তবে সৌদি প্রেস এজেন্সির প্রতিবেদনে এ বিষয়ে বিস্তারিত কোন তথ্য প্রকাশ করা হয়নি। স্থানীয় গণমাধ্যমের খবরে বলা হয়েছে, এই পরিকল্পনার আওতায় মোটা ফি দিয়ে সৌদি আরবে স্থায়ীভাবে বসবাসের অনুমতি পাবেন ধনী এবং দক্ষ প্রবাসীরা। পাশাপাশি সেখানে অবাধে যাতায়াত, ব্যবসা এবং সম্পত্তির মালিক হওয়ারও সুযোগ থাকবে।
এই রেসিডেন্সি পারমিটে পারিবারিক অবস্থাও অন্তর্ভূক্ত থাকবে যেন এই কার্ডধারী ব্যক্তি তার স্বজনদের জন্য ভ্রমণ ভিসা ইস্যু করতে পারেন।
রেসিডেন্সি পারমিটটি দুই পদ্ধতিতে হবে। এর মধ্যে একটি হচ্ছে একবারে দেয়া হবে যা আর নবায়ন করতে হবে না এবং অন্য পদ্ধতি হচ্ছে প্রতি বছর এটি নবায়ন করতে হবে।
নতুন প্রিভিলেজড ইকামা পারমিটের জন্য প্রবাসীদের একটি বৈধ পাসপোর্ট, ভালো ক্রেডিট রিপোর্ট, স্বাস্থ্য প্রতিবেদন এবং পুলিশ ক্লিয়ারেন্স রিপোর্টের প্রয়োজন হবে।

সৌদিতে কাজ করছেন এবং সেখানে বসবাস করছেন প্রায় ১ কোটি বিদেশি নাগরিক। বর্তমানে স্পন্সরশিপভিত্তিক যে ব্যবস্থা চালু আছে তাতে একজন সৌদি চাকরিদাতা স্পন্সর হতে রাজি হলে তবেই সৌদি আরবে ওয়ার্ক পারমিট নিয়ে বসবাসের সুযোগ হয় বা সৌদি ছাড়ার অনুমতি পাওয়া যায়। কিন্তু নতুন এই প্রক্রিয়ায় স্পন্সরের অনুমতি ছাড়াই সৌদিতে যাওয়া আসার সুবিধা ভোগ করতে পারবেন দক্ষ প্রবাসীরা।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :
error: Content is protected !!

গ্রীন কার্ডের মতোই সৌদিতে মিলছে স্থায়ী বসবাসের সুযোগ

আপডেট সময় : ০৭:৪২:২৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৬ মে ২০১৯

মো মিজানুর রহমান, সৌদিআরব;

এবার সৌদির মন্ত্রিসভায় অনুমোদন পেল গ্রীন কার্ডের মতো বিশেষ রেসিডেন্সি পারমিট (ইকামা)। মঙ্গলবার এই বিশেষ রেসিডেন্সি পারমিটে অনুমোদন দেয়া হয়েছে। উদ্যোক্তা, বিনিয়োগকারী এবং দক্ষ প্রবাসীদের আকৃষ্ট করতে এই বিশেষ রেসিডেন্সি পারমিট (ইকামা) চালু করতে যাচ্ছে সৌদি।
এর আগে গত বুধবার দেশটির শুরা কাউন্সিলে এর অনুমোদন দেয়া হয়। গ্রিনকার্ডের মতো নতুন এই ইকামাটি ‘প্রিভিলেজড ইকামা’ (রেসিডেন্স পারমিট) হিসেবে গণ্য হবে। সৌদি প্রেস এজেন্সি এ তথ্য নিশ্চিত করেছে। তবে সৌদি প্রেস এজেন্সির প্রতিবেদনে এ বিষয়ে বিস্তারিত কোন তথ্য প্রকাশ করা হয়নি। স্থানীয় গণমাধ্যমের খবরে বলা হয়েছে, এই পরিকল্পনার আওতায় মোটা ফি দিয়ে সৌদি আরবে স্থায়ীভাবে বসবাসের অনুমতি পাবেন ধনী এবং দক্ষ প্রবাসীরা। পাশাপাশি সেখানে অবাধে যাতায়াত, ব্যবসা এবং সম্পত্তির মালিক হওয়ারও সুযোগ থাকবে।
এই রেসিডেন্সি পারমিটে পারিবারিক অবস্থাও অন্তর্ভূক্ত থাকবে যেন এই কার্ডধারী ব্যক্তি তার স্বজনদের জন্য ভ্রমণ ভিসা ইস্যু করতে পারেন।
রেসিডেন্সি পারমিটটি দুই পদ্ধতিতে হবে। এর মধ্যে একটি হচ্ছে একবারে দেয়া হবে যা আর নবায়ন করতে হবে না এবং অন্য পদ্ধতি হচ্ছে প্রতি বছর এটি নবায়ন করতে হবে।
নতুন প্রিভিলেজড ইকামা পারমিটের জন্য প্রবাসীদের একটি বৈধ পাসপোর্ট, ভালো ক্রেডিট রিপোর্ট, স্বাস্থ্য প্রতিবেদন এবং পুলিশ ক্লিয়ারেন্স রিপোর্টের প্রয়োজন হবে।

সৌদিতে কাজ করছেন এবং সেখানে বসবাস করছেন প্রায় ১ কোটি বিদেশি নাগরিক। বর্তমানে স্পন্সরশিপভিত্তিক যে ব্যবস্থা চালু আছে তাতে একজন সৌদি চাকরিদাতা স্পন্সর হতে রাজি হলে তবেই সৌদি আরবে ওয়ার্ক পারমিট নিয়ে বসবাসের সুযোগ হয় বা সৌদি ছাড়ার অনুমতি পাওয়া যায়। কিন্তু নতুন এই প্রক্রিয়ায় স্পন্সরের অনুমতি ছাড়াই সৌদিতে যাওয়া আসার সুবিধা ভোগ করতে পারবেন দক্ষ প্রবাসীরা।