ঢাকা ০৭:৩২ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২২ অগাস্ট ২০২৬, ৭ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
Logo গ্যাস সংকট আগের সরকারের পাপের ফল: ডা. জাহেদ Logo ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে এআই-নির্ভর ‘অটো ফাইন সিস্টেম’ চালু Logo প্রধানমন্ত্রীকে সৌদি আরব সফরের আমন্ত্রণ জানিয়েছেন যুবরাজ বিন সালমান Logo ছয় মাসে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির দৃশ্যমান উন্নতি হয়েছে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী Logo সরকারের ১৮০ দিনের সালতামামি: ধ্বংসস্তূপ থেকে পরিকল্পিত পুনর্গঠনের পথে বাংলাদেশ Logo শিগগিরই জনপ্রশাসন সংস্কার কমিশন গঠন করবে সরকার : নজরুল ইসলাম খান Logo রাষ্ট্র ও মানুষের মর্যাদা প্রতিষ্ঠাই সরকারের বড় সাফল্য:সালেহ শিবলী Logo শেখ হাসিনার কোন স্ট্যাটাসে ভারতে আছেন জানা নেই: চিফ প্রসিকিউটর Logo ১০ বছরের জ্বালানি পরিকল্পনা সংসদে উপস্থাপনের ঘোষণা প্রধানমন্ত্রীর Logo আগামীকাল কিশোরগঞ্জ সফর করবেন প্রধানমন্ত্রী

আ’লীগের দুই গ্রুপের সংর্ঘষে উপজেলা চেয়ারম্যান আহত

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ১২:৪৮:৫৭ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২ মে ২০১৯ ২১৩ বার পড়া হয়েছে

বিরামপুর (দিনাজপুর) প্রতিনিধি;

দিনাজপুরের নবাবগঞ্জে নদী খনন করাকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের সংঘর্ষে উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান মো. আতাউর রহমানসহ অন্তত ১০ জন আহত হয়েছেন।

বুধবার বিকালে উপজেলার ৮নং মাহমুদপুর ইউনিয়নের মোগরপাড়া নামক স্থানে এ ঘটনা ঘটে। প্রতক্ষদর্শীরা জানান- গত মঙ্গলবার উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান মো. আতাউর রহমান বাংলাদেশের ৬৪ জেলায় জেলার অভ্যন্তরস্থ ছোট নদী খাল এবং জলাশয় পুনঃখনন শীর্ষক প্রকল্পের আওতায় মাইলা নামক নদীর পুনঃখনন কাজের উদ্বোধন করেন।

বুধবার বিকালে ছাত্রলীগ ও যুবলীগের কয়েকজন কর্মী ঐ নদীর মোগরপাড়া নামক স্থানে গিয়ে খনন কাজে বাধা সৃষ্টি করলে সেখানে থাকা উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যানের ছেলে শাফিউল ইসলাম পিলুর সঙ্গে বাতবিতণ্ডা হয়।

খবর পেয়ে উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান সেখানে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করার চেষ্টা করলে ছাত্রলীগ ও যুবলীগের কর্মীরা তার ওপর অতর্কিত হামলা চালায়। এতে উভয় পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষে উপজেলা চেয়ারম্যান ও তার দুই ছেলে ইউপি চেয়ারম্যান আব্দুল্লাহেল আজিম সোহাগ ও সাকিউল ইসলাম পিলুসহ উভয় পক্ষের অন্তত ১০ জন আহত হন।

পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে গেলে উপজেলা চেয়ারম্যান আত্মরক্ষার্থে তার সঙ্গে থাকা আগ্নেয়অস্ত্র দিয়ে গুলি ছুড়লে ছাত্রলীগ ও যুবলীগের কর্মীরা ছদ্রভঙ্গ হয়ে পালিয়ে যায়।

পরে উপজেলা চেয়ারম্যান সমর্থকরা ছাত্রলীগ ও যুবলীগের কর্মীদের কয়েকটি মোটরসাইকেল ভাঙচুর করে বলে স্থানীয়রা জানান। খবর পেয়ে থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।

এ বিষয়ে নবাবগঞ্জ থানার ওসি সুব্রত কুমার সরকার বলেন, এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত কোনো অভিযোগ পাই নাই। অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. মশিউর রহমান বলেন, ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছি, বর্তমানে পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :
error: Content is protected !!

আ’লীগের দুই গ্রুপের সংর্ঘষে উপজেলা চেয়ারম্যান আহত

আপডেট সময় : ১২:৪৮:৫৭ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২ মে ২০১৯

বিরামপুর (দিনাজপুর) প্রতিনিধি;

দিনাজপুরের নবাবগঞ্জে নদী খনন করাকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের সংঘর্ষে উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান মো. আতাউর রহমানসহ অন্তত ১০ জন আহত হয়েছেন।

বুধবার বিকালে উপজেলার ৮নং মাহমুদপুর ইউনিয়নের মোগরপাড়া নামক স্থানে এ ঘটনা ঘটে। প্রতক্ষদর্শীরা জানান- গত মঙ্গলবার উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান মো. আতাউর রহমান বাংলাদেশের ৬৪ জেলায় জেলার অভ্যন্তরস্থ ছোট নদী খাল এবং জলাশয় পুনঃখনন শীর্ষক প্রকল্পের আওতায় মাইলা নামক নদীর পুনঃখনন কাজের উদ্বোধন করেন।

বুধবার বিকালে ছাত্রলীগ ও যুবলীগের কয়েকজন কর্মী ঐ নদীর মোগরপাড়া নামক স্থানে গিয়ে খনন কাজে বাধা সৃষ্টি করলে সেখানে থাকা উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যানের ছেলে শাফিউল ইসলাম পিলুর সঙ্গে বাতবিতণ্ডা হয়।

খবর পেয়ে উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান সেখানে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করার চেষ্টা করলে ছাত্রলীগ ও যুবলীগের কর্মীরা তার ওপর অতর্কিত হামলা চালায়। এতে উভয় পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষে উপজেলা চেয়ারম্যান ও তার দুই ছেলে ইউপি চেয়ারম্যান আব্দুল্লাহেল আজিম সোহাগ ও সাকিউল ইসলাম পিলুসহ উভয় পক্ষের অন্তত ১০ জন আহত হন।

পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে গেলে উপজেলা চেয়ারম্যান আত্মরক্ষার্থে তার সঙ্গে থাকা আগ্নেয়অস্ত্র দিয়ে গুলি ছুড়লে ছাত্রলীগ ও যুবলীগের কর্মীরা ছদ্রভঙ্গ হয়ে পালিয়ে যায়।

পরে উপজেলা চেয়ারম্যান সমর্থকরা ছাত্রলীগ ও যুবলীগের কর্মীদের কয়েকটি মোটরসাইকেল ভাঙচুর করে বলে স্থানীয়রা জানান। খবর পেয়ে থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।

এ বিষয়ে নবাবগঞ্জ থানার ওসি সুব্রত কুমার সরকার বলেন, এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত কোনো অভিযোগ পাই নাই। অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. মশিউর রহমান বলেন, ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছি, বর্তমানে পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে।