ঢাকা ০২:৩০ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২১ অগাস্ট ২০২৬, ৫ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
Logo গ্যাস সংকট আগের সরকারের পাপের ফল: ডা. জাহেদ Logo ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে এআই-নির্ভর ‘অটো ফাইন সিস্টেম’ চালু Logo প্রধানমন্ত্রীকে সৌদি আরব সফরের আমন্ত্রণ জানিয়েছেন যুবরাজ বিন সালমান Logo ছয় মাসে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির দৃশ্যমান উন্নতি হয়েছে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী Logo সরকারের ১৮০ দিনের সালতামামি: ধ্বংসস্তূপ থেকে পরিকল্পিত পুনর্গঠনের পথে বাংলাদেশ Logo শিগগিরই জনপ্রশাসন সংস্কার কমিশন গঠন করবে সরকার : নজরুল ইসলাম খান Logo রাষ্ট্র ও মানুষের মর্যাদা প্রতিষ্ঠাই সরকারের বড় সাফল্য:সালেহ শিবলী Logo শেখ হাসিনার কোন স্ট্যাটাসে ভারতে আছেন জানা নেই: চিফ প্রসিকিউটর Logo ১০ বছরের জ্বালানি পরিকল্পনা সংসদে উপস্থাপনের ঘোষণা প্রধানমন্ত্রীর Logo আগামীকাল কিশোরগঞ্জ সফর করবেন প্রধানমন্ত্রী

গুলশান সাব-রেজিস্ট্রি অফিসে ত্রাসের রাজত্ব! নকল নবীশ মাহবুব আলমের বিরুদ্ধে রাজস্ব ফাঁকি ও দূর্নীতির অভিযোগ

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৩:৫৪:১৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ৬ মে ২০২৬ ৩৪৯ বার পড়া হয়েছে

সকালের সংবাদ, ঢাকা: রাজধানীর গুলশান সাব-রেজিস্ট্রি অফিসে কর্মপরিবেশ ভেঙে পড়ার অভিযোগ উঠেছে নকল নবীশ মাহবুব আলমের বিরুদ্ধে। সহকর্মীদের সাথে অসদাচরণ, ভয়ভীতি প্রদর্শন, জোরপূর্বক দলিল রেজিস্ট্রি করানোসহ একাধিক গুরুতর অভিযোগ এনে আইন মন্ত্রণালয়ে লিখিত আবেদন করেছেন একই অফিসের নকল নবীশ মোঃ শাহীন দেওয়ান।

অভিযোগপত্রে উল্লেখ করা হয়, মাহবুব আলম দীর্ঘদিন ধরে অফিসে অশোভন আচরণ করে আসছেন এবং সহকর্মীদের সাথে নিয়মিত দুর্ব্যবহার করছেন। গত ২৯ আগস্ট ২০২৬ তারিখে এক ঘটনায় তিনি শাহীন দেওয়ানের কাছে এসে অশালীন ভাষায় গালিগালাজ করেন, শারীরিকভাবে আক্রমণের হুমকি দেন এবং জোরপূর্বক আসন ছাড়তে বাধ্য করার চেষ্টা করেন।

শুধু তাই নয়, তিনি অফিসে প্রায়ই বিশৃঙ্খল পরিস্থিতি সৃষ্টি করেন বলে অভিযোগে বলা হয়েছে। এতে করে দাপ্তরিক কার্যক্রম ব্যাহত হচ্ছে এবং কর্মকর্তা-কর্মচারীদের মধ্যে নিরাপত্তাহীনতা তৈরি হয়েছে।

আরও গুরুতর অভিযোগ হিসেবে বলা হয়েছে, মাহবুব আলম সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের ভয়ভীতি দেখিয়ে জোরপূর্বক দলিল রেজিস্ট্রি করাতে বাধ্য করেন। কেউ তার নির্দেশনা মানতে অস্বীকৃতি জানালে তাদের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা দেওয়ার হুমকি দেওয়া হয়।

অভিযোগে আরও উল্লেখ করা হয়, মাহবুব আলমের বিরুদ্ধে দেশের বিভিন্ন থানায় একাধিক মামলা রয়েছে। এর মধ্যে তেজগাঁও শিল্পাঞ্চল থানায় দায়ের করা একটি মামলার কথাও তুলে ধরা হয়েছে, যা তার অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডের ইঙ্গিত বহন করে।

এ পরিস্থিতিতে, গুলশান সাব-রেজিস্ট্রি অফিসের স্বাভাবিক পরিবেশ মারাত্মকভাবে বিঘ্নিত হচ্ছে এবং সাধারণ সেবাগ্রহীতারাও ভোগান্তিতে পড়ছেন বলে দাবি করা হয়েছে।

এ বিষয়ে দ্রুত তদন্ত করে অভিযুক্তের বিরুদ্ধে আইনগত ও প্রশাসনিক ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন অভিযোগকারী।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :
error: Content is protected !!

গুলশান সাব-রেজিস্ট্রি অফিসে ত্রাসের রাজত্ব! নকল নবীশ মাহবুব আলমের বিরুদ্ধে রাজস্ব ফাঁকি ও দূর্নীতির অভিযোগ

আপডেট সময় : ০৩:৫৪:১৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ৬ মে ২০২৬

সকালের সংবাদ, ঢাকা: রাজধানীর গুলশান সাব-রেজিস্ট্রি অফিসে কর্মপরিবেশ ভেঙে পড়ার অভিযোগ উঠেছে নকল নবীশ মাহবুব আলমের বিরুদ্ধে। সহকর্মীদের সাথে অসদাচরণ, ভয়ভীতি প্রদর্শন, জোরপূর্বক দলিল রেজিস্ট্রি করানোসহ একাধিক গুরুতর অভিযোগ এনে আইন মন্ত্রণালয়ে লিখিত আবেদন করেছেন একই অফিসের নকল নবীশ মোঃ শাহীন দেওয়ান।

অভিযোগপত্রে উল্লেখ করা হয়, মাহবুব আলম দীর্ঘদিন ধরে অফিসে অশোভন আচরণ করে আসছেন এবং সহকর্মীদের সাথে নিয়মিত দুর্ব্যবহার করছেন। গত ২৯ আগস্ট ২০২৬ তারিখে এক ঘটনায় তিনি শাহীন দেওয়ানের কাছে এসে অশালীন ভাষায় গালিগালাজ করেন, শারীরিকভাবে আক্রমণের হুমকি দেন এবং জোরপূর্বক আসন ছাড়তে বাধ্য করার চেষ্টা করেন।

শুধু তাই নয়, তিনি অফিসে প্রায়ই বিশৃঙ্খল পরিস্থিতি সৃষ্টি করেন বলে অভিযোগে বলা হয়েছে। এতে করে দাপ্তরিক কার্যক্রম ব্যাহত হচ্ছে এবং কর্মকর্তা-কর্মচারীদের মধ্যে নিরাপত্তাহীনতা তৈরি হয়েছে।

আরও গুরুতর অভিযোগ হিসেবে বলা হয়েছে, মাহবুব আলম সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের ভয়ভীতি দেখিয়ে জোরপূর্বক দলিল রেজিস্ট্রি করাতে বাধ্য করেন। কেউ তার নির্দেশনা মানতে অস্বীকৃতি জানালে তাদের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা দেওয়ার হুমকি দেওয়া হয়।

অভিযোগে আরও উল্লেখ করা হয়, মাহবুব আলমের বিরুদ্ধে দেশের বিভিন্ন থানায় একাধিক মামলা রয়েছে। এর মধ্যে তেজগাঁও শিল্পাঞ্চল থানায় দায়ের করা একটি মামলার কথাও তুলে ধরা হয়েছে, যা তার অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডের ইঙ্গিত বহন করে।

এ পরিস্থিতিতে, গুলশান সাব-রেজিস্ট্রি অফিসের স্বাভাবিক পরিবেশ মারাত্মকভাবে বিঘ্নিত হচ্ছে এবং সাধারণ সেবাগ্রহীতারাও ভোগান্তিতে পড়ছেন বলে দাবি করা হয়েছে।

এ বিষয়ে দ্রুত তদন্ত করে অভিযুক্তের বিরুদ্ধে আইনগত ও প্রশাসনিক ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন অভিযোগকারী।