ঢাকা ০৪:০৩ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১০ অক্টোবর ২০২৬, ২৪ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
Logo কুকুর উদ্ধারে ফায়ার সার্ভিসের গাড়ি পাঠাতে জ্বালানি খরচের দাবি, ৩ ঘণ্টা পর জীবিত উদ্ধার Logo সরকারি কর্মচারীদের ‘গোলামি’ ও অঢেল সম্পদের পাহাড়: বেরিয়ে আসছে সদ্য বিদায়ী ডিজি জায়েদ কামালের থলের বিড়াল  Logo ফায়ার সার্ভিসের বদলি নীতিমালায় বড় পরিবর্তন: কর্মীরা পাবেন নিজ জেলায় কাজের সুযোগ Logo তৈরি পোশাকশ্রমিকদের জন্য মজুরি বোর্ড গঠনের নীতিগত সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার Logo সিডিবিএল চালু করবে মোবাইল অ্যাপ Logo দেশবিরোধী চক্রান্তের কাছে জাতীয়তাবাদী শক্তি আত্মসমর্পণ করবে না : রিজভী Logo গঙ্গা চুক্তি নবায়ন নয়, নতুন চুক্তি চায় এনসিপি: নাহিদ ইসলাম Logo ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সব নাগরিকের কল্যাণে কাজ করছে সরকার: প্রধানমন্ত্রী Logo ফের মা হতে চলেছেন কিয়ারা Logo মানবতাবিরোধী অপরাধ : হানিফসহ ৪ আ. লীগ নেতার রায় যেকোনো দিন

বরিশালে গণপূর্তে ঘুষ–চেক কেলেঙ্কারি!

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০১:৫৯:৪৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৮ জানুয়ারী ২০২৬ ২৮২ বার পড়া হয়েছে

কালাম হোসেন: বরিশাল গণপূর্ত বিভাগে ঘুষ, চেক বাণিজ্য ও বিল জালিয়াতির অভিযোগ ধামাচাপা দিতে একটি সংঘবদ্ধ চক্র সক্রিয় বলে অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগের কেন্দ্রে রয়েছেন নির্বাহী প্রকৌশলী মোঃ ফয়সাল আলম, হিসাব শাখার কর্মকর্তারা এবং তাদের রক্ষাকবচ হয়ে ওঠা একাংশ তেলবাজ সাংবাদিক।

সূত্র জানায়, শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের শিশু ও কিডনি ডায়ালাইসিস ওয়ার্ড সংস্কার প্রকল্পের এ ব্লকের এসি কেবিনের কাজ বাস্তবে সম্পন্ন করেন মোঃ মাসুদুর রহমান মাসুদ। কিন্তু কাজের বিল ও চেক ইস্যু দেখানো হয় মেসার্স গাজী বিল্ডার্স-এর নামে। প্রতিষ্ঠানটির প্রোপাইটর মোঃ আল-মামুন পলাতক এবং নিষিদ্ধ সংগঠন ছাত্রলীগের সাবেক সহ-সভাপতি বলে অভিযোগ রয়েছে।

পলাতক প্রোপাইটরের নামে রহস্যজনকভাবে বিল অনুমোদন, এমবি যাচাই ও চেক ইস্যু করা হয়। পরে ক্ষমতার্পণপত্র দেখিয়ে সেই চেক অন্য ব্যক্তির হাতে তুলে দেওয়া হয়, যা পিপিআর ও সরকারি আর্থিক বিধির সরাসরি লঙ্ঘন বলে অভিযোগ।

আরও অভিযোগ রয়েছে, চেক ইস্যুর পর অর্থ কোথায় গেল, কে ভাঙাল এবং কীভাবে লেনদেন হলো—এসব প্রশ্ন তুললেই অভিযোগকারীদের বিরুদ্ধে মিথ্যা ও বিভ্রান্তিকর তথ্য ছড়ানো হচ্ছে। কয়েকটি অনলাইন পোর্টাল ও সাংবাদিককে ব্যবহার করে সাজানো সংবাদ প্রকাশ করে গণপূর্তের ভেতরের অনিয়ম আড়াল করার চেষ্টা চলছে।

স্থানীয়দের দাবি, হিসাব রক্ষক রুপক, নির্বাহী প্রকৌশলী মোঃ ফয়সাল আলমসহ আরও কয়েকজন কর্মকর্তা এই প্রক্রিয়ার সঙ্গে প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে জড়িত। তারা ফ্যাসিস্ট আমলের সুবিধাভোগী এবং সেই নেটওয়ার্ক টিকিয়ে রাখতেই এখনো সক্রিয়। দুর্নীতি ফাঁস হওয়ায় উল্টো প্রকৃত ঠিকাদারকে লাইসেন্স কালো তালিকাভুক্ত করার হুমকিও দেওয়া হচ্ছে বলে অভিযোগ।

প্রশ্ন উঠেছে, পলাতক ঠিকাদারের নামে কীভাবে বিল ও চেক অনুমোদন হয়? প্রকৃত কাজকারী ব্যক্তি থাকলেও কেন অন্য প্রতিষ্ঠানের নামে অর্থ ছাড়? আর কেন সাংবাদিকদের একাংশ গণপূর্ত কর্মকর্তাদের ঢাল হয়ে দাঁড়াচ্ছে?

সচেতন মহলের মতে, নিরপেক্ষ তদন্ত হলে বরিশাল গণপূর্ত বিভাগের চার ঘুষখোর ফ্যাসিস্ট মুখোশধারীর আসল চেহারা প্রকাশ পাবে।

পরবর্তী পর্বে থাকছে আরও চমক।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :
error: Content is protected !!

বরিশালে গণপূর্তে ঘুষ–চেক কেলেঙ্কারি!

আপডেট সময় : ০১:৫৯:৪৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৮ জানুয়ারী ২০২৬

কালাম হোসেন: বরিশাল গণপূর্ত বিভাগে ঘুষ, চেক বাণিজ্য ও বিল জালিয়াতির অভিযোগ ধামাচাপা দিতে একটি সংঘবদ্ধ চক্র সক্রিয় বলে অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগের কেন্দ্রে রয়েছেন নির্বাহী প্রকৌশলী মোঃ ফয়সাল আলম, হিসাব শাখার কর্মকর্তারা এবং তাদের রক্ষাকবচ হয়ে ওঠা একাংশ তেলবাজ সাংবাদিক।

সূত্র জানায়, শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের শিশু ও কিডনি ডায়ালাইসিস ওয়ার্ড সংস্কার প্রকল্পের এ ব্লকের এসি কেবিনের কাজ বাস্তবে সম্পন্ন করেন মোঃ মাসুদুর রহমান মাসুদ। কিন্তু কাজের বিল ও চেক ইস্যু দেখানো হয় মেসার্স গাজী বিল্ডার্স-এর নামে। প্রতিষ্ঠানটির প্রোপাইটর মোঃ আল-মামুন পলাতক এবং নিষিদ্ধ সংগঠন ছাত্রলীগের সাবেক সহ-সভাপতি বলে অভিযোগ রয়েছে।

পলাতক প্রোপাইটরের নামে রহস্যজনকভাবে বিল অনুমোদন, এমবি যাচাই ও চেক ইস্যু করা হয়। পরে ক্ষমতার্পণপত্র দেখিয়ে সেই চেক অন্য ব্যক্তির হাতে তুলে দেওয়া হয়, যা পিপিআর ও সরকারি আর্থিক বিধির সরাসরি লঙ্ঘন বলে অভিযোগ।

আরও অভিযোগ রয়েছে, চেক ইস্যুর পর অর্থ কোথায় গেল, কে ভাঙাল এবং কীভাবে লেনদেন হলো—এসব প্রশ্ন তুললেই অভিযোগকারীদের বিরুদ্ধে মিথ্যা ও বিভ্রান্তিকর তথ্য ছড়ানো হচ্ছে। কয়েকটি অনলাইন পোর্টাল ও সাংবাদিককে ব্যবহার করে সাজানো সংবাদ প্রকাশ করে গণপূর্তের ভেতরের অনিয়ম আড়াল করার চেষ্টা চলছে।

স্থানীয়দের দাবি, হিসাব রক্ষক রুপক, নির্বাহী প্রকৌশলী মোঃ ফয়সাল আলমসহ আরও কয়েকজন কর্মকর্তা এই প্রক্রিয়ার সঙ্গে প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে জড়িত। তারা ফ্যাসিস্ট আমলের সুবিধাভোগী এবং সেই নেটওয়ার্ক টিকিয়ে রাখতেই এখনো সক্রিয়। দুর্নীতি ফাঁস হওয়ায় উল্টো প্রকৃত ঠিকাদারকে লাইসেন্স কালো তালিকাভুক্ত করার হুমকিও দেওয়া হচ্ছে বলে অভিযোগ।

প্রশ্ন উঠেছে, পলাতক ঠিকাদারের নামে কীভাবে বিল ও চেক অনুমোদন হয়? প্রকৃত কাজকারী ব্যক্তি থাকলেও কেন অন্য প্রতিষ্ঠানের নামে অর্থ ছাড়? আর কেন সাংবাদিকদের একাংশ গণপূর্ত কর্মকর্তাদের ঢাল হয়ে দাঁড়াচ্ছে?

সচেতন মহলের মতে, নিরপেক্ষ তদন্ত হলে বরিশাল গণপূর্ত বিভাগের চার ঘুষখোর ফ্যাসিস্ট মুখোশধারীর আসল চেহারা প্রকাশ পাবে।

পরবর্তী পর্বে থাকছে আরও চমক।