ঢাকা ১১:৫৪ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৭ এপ্রিল ২০২৬, ৪ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
Logo নিষিদ্ধ সংগঠনের ‘পুনর্গঠন’ বার্তা: ছাত্রলীগের নোটিশ ঘিরে প্রশ্ন ও শঙ্কা Logo দি কো-অপারেটিভ ক্রেডিট ইউনিয়নলীগ লুট করে আগষ্টিন শত কোটি টাকার মালিক Logo জিয়া শিশুকিশোর মেলার কেন্দ্রীয় কমিটির গণমাধ্যম বিষয়ক সম্পাদক হলেন হাফিজুর রহমান শফিক Logo জিয়া শিশু কিশোর মেলার নতুন কেন্দ্রীয় কমিটি ঘোষণা  Logo ভোলার জেলা রেজিস্ট্রার নুর নেওয়াজ ৫০ কোটি টাকার সম্পদের মালিক Logo প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরে শীর্ষ কর্মকর্তা আতিকুর পাহাড়সমান অভিযোগ নিয়েও বহাল Logo বদলি-বাণিজ্য ঘুষ বাণিজ্যে বেপরোয়া সাব-রেজিস্ট্রার মাইকেল মহিউদ্দিন সিন্ডিকেট Logo রাজউকে দুর্নীতিতে আলোচনার শীর্ষে পরিচালক জাকারিয়া: ‘সেফ জন’ দিয়েছে কর্তৃপক্ষ  Logo প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ ও প্রতিবেদকের বক্তব্য Logo নিয়োগ বাণিজ্য, বদলি নিয়ন্ত্রণ, বাজেট অপচয় ও প্রশাসনিক বিশৃঙ্খলায় ক্ষুব্ধ কর্মকর্তা-কর্মচারীরা

বরিশালে গণপূর্তে ঘুষ–চেক কেলেঙ্কারি!

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০১:৫৯:৪৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৮ জানুয়ারী ২০২৬ ১৪৫ বার পড়া হয়েছে

কালাম হোসেন: বরিশাল গণপূর্ত বিভাগে ঘুষ, চেক বাণিজ্য ও বিল জালিয়াতির অভিযোগ ধামাচাপা দিতে একটি সংঘবদ্ধ চক্র সক্রিয় বলে অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগের কেন্দ্রে রয়েছেন নির্বাহী প্রকৌশলী মোঃ ফয়সাল আলম, হিসাব শাখার কর্মকর্তারা এবং তাদের রক্ষাকবচ হয়ে ওঠা একাংশ তেলবাজ সাংবাদিক।

সূত্র জানায়, শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের শিশু ও কিডনি ডায়ালাইসিস ওয়ার্ড সংস্কার প্রকল্পের এ ব্লকের এসি কেবিনের কাজ বাস্তবে সম্পন্ন করেন মোঃ মাসুদুর রহমান মাসুদ। কিন্তু কাজের বিল ও চেক ইস্যু দেখানো হয় মেসার্স গাজী বিল্ডার্স-এর নামে। প্রতিষ্ঠানটির প্রোপাইটর মোঃ আল-মামুন পলাতক এবং নিষিদ্ধ সংগঠন ছাত্রলীগের সাবেক সহ-সভাপতি বলে অভিযোগ রয়েছে।

পলাতক প্রোপাইটরের নামে রহস্যজনকভাবে বিল অনুমোদন, এমবি যাচাই ও চেক ইস্যু করা হয়। পরে ক্ষমতার্পণপত্র দেখিয়ে সেই চেক অন্য ব্যক্তির হাতে তুলে দেওয়া হয়, যা পিপিআর ও সরকারি আর্থিক বিধির সরাসরি লঙ্ঘন বলে অভিযোগ।

আরও অভিযোগ রয়েছে, চেক ইস্যুর পর অর্থ কোথায় গেল, কে ভাঙাল এবং কীভাবে লেনদেন হলো—এসব প্রশ্ন তুললেই অভিযোগকারীদের বিরুদ্ধে মিথ্যা ও বিভ্রান্তিকর তথ্য ছড়ানো হচ্ছে। কয়েকটি অনলাইন পোর্টাল ও সাংবাদিককে ব্যবহার করে সাজানো সংবাদ প্রকাশ করে গণপূর্তের ভেতরের অনিয়ম আড়াল করার চেষ্টা চলছে।

স্থানীয়দের দাবি, হিসাব রক্ষক রুপক, নির্বাহী প্রকৌশলী মোঃ ফয়সাল আলমসহ আরও কয়েকজন কর্মকর্তা এই প্রক্রিয়ার সঙ্গে প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে জড়িত। তারা ফ্যাসিস্ট আমলের সুবিধাভোগী এবং সেই নেটওয়ার্ক টিকিয়ে রাখতেই এখনো সক্রিয়। দুর্নীতি ফাঁস হওয়ায় উল্টো প্রকৃত ঠিকাদারকে লাইসেন্স কালো তালিকাভুক্ত করার হুমকিও দেওয়া হচ্ছে বলে অভিযোগ।

প্রশ্ন উঠেছে, পলাতক ঠিকাদারের নামে কীভাবে বিল ও চেক অনুমোদন হয়? প্রকৃত কাজকারী ব্যক্তি থাকলেও কেন অন্য প্রতিষ্ঠানের নামে অর্থ ছাড়? আর কেন সাংবাদিকদের একাংশ গণপূর্ত কর্মকর্তাদের ঢাল হয়ে দাঁড়াচ্ছে?

সচেতন মহলের মতে, নিরপেক্ষ তদন্ত হলে বরিশাল গণপূর্ত বিভাগের চার ঘুষখোর ফ্যাসিস্ট মুখোশধারীর আসল চেহারা প্রকাশ পাবে।

পরবর্তী পর্বে থাকছে আরও চমক।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :
error: Content is protected !!

বরিশালে গণপূর্তে ঘুষ–চেক কেলেঙ্কারি!

আপডেট সময় : ০১:৫৯:৪৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৮ জানুয়ারী ২০২৬

কালাম হোসেন: বরিশাল গণপূর্ত বিভাগে ঘুষ, চেক বাণিজ্য ও বিল জালিয়াতির অভিযোগ ধামাচাপা দিতে একটি সংঘবদ্ধ চক্র সক্রিয় বলে অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগের কেন্দ্রে রয়েছেন নির্বাহী প্রকৌশলী মোঃ ফয়সাল আলম, হিসাব শাখার কর্মকর্তারা এবং তাদের রক্ষাকবচ হয়ে ওঠা একাংশ তেলবাজ সাংবাদিক।

সূত্র জানায়, শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের শিশু ও কিডনি ডায়ালাইসিস ওয়ার্ড সংস্কার প্রকল্পের এ ব্লকের এসি কেবিনের কাজ বাস্তবে সম্পন্ন করেন মোঃ মাসুদুর রহমান মাসুদ। কিন্তু কাজের বিল ও চেক ইস্যু দেখানো হয় মেসার্স গাজী বিল্ডার্স-এর নামে। প্রতিষ্ঠানটির প্রোপাইটর মোঃ আল-মামুন পলাতক এবং নিষিদ্ধ সংগঠন ছাত্রলীগের সাবেক সহ-সভাপতি বলে অভিযোগ রয়েছে।

পলাতক প্রোপাইটরের নামে রহস্যজনকভাবে বিল অনুমোদন, এমবি যাচাই ও চেক ইস্যু করা হয়। পরে ক্ষমতার্পণপত্র দেখিয়ে সেই চেক অন্য ব্যক্তির হাতে তুলে দেওয়া হয়, যা পিপিআর ও সরকারি আর্থিক বিধির সরাসরি লঙ্ঘন বলে অভিযোগ।

আরও অভিযোগ রয়েছে, চেক ইস্যুর পর অর্থ কোথায় গেল, কে ভাঙাল এবং কীভাবে লেনদেন হলো—এসব প্রশ্ন তুললেই অভিযোগকারীদের বিরুদ্ধে মিথ্যা ও বিভ্রান্তিকর তথ্য ছড়ানো হচ্ছে। কয়েকটি অনলাইন পোর্টাল ও সাংবাদিককে ব্যবহার করে সাজানো সংবাদ প্রকাশ করে গণপূর্তের ভেতরের অনিয়ম আড়াল করার চেষ্টা চলছে।

স্থানীয়দের দাবি, হিসাব রক্ষক রুপক, নির্বাহী প্রকৌশলী মোঃ ফয়সাল আলমসহ আরও কয়েকজন কর্মকর্তা এই প্রক্রিয়ার সঙ্গে প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে জড়িত। তারা ফ্যাসিস্ট আমলের সুবিধাভোগী এবং সেই নেটওয়ার্ক টিকিয়ে রাখতেই এখনো সক্রিয়। দুর্নীতি ফাঁস হওয়ায় উল্টো প্রকৃত ঠিকাদারকে লাইসেন্স কালো তালিকাভুক্ত করার হুমকিও দেওয়া হচ্ছে বলে অভিযোগ।

প্রশ্ন উঠেছে, পলাতক ঠিকাদারের নামে কীভাবে বিল ও চেক অনুমোদন হয়? প্রকৃত কাজকারী ব্যক্তি থাকলেও কেন অন্য প্রতিষ্ঠানের নামে অর্থ ছাড়? আর কেন সাংবাদিকদের একাংশ গণপূর্ত কর্মকর্তাদের ঢাল হয়ে দাঁড়াচ্ছে?

সচেতন মহলের মতে, নিরপেক্ষ তদন্ত হলে বরিশাল গণপূর্ত বিভাগের চার ঘুষখোর ফ্যাসিস্ট মুখোশধারীর আসল চেহারা প্রকাশ পাবে।

পরবর্তী পর্বে থাকছে আরও চমক।