ঢাকা ০৪:৪৯ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২১ অগাস্ট ২০২৬, ৫ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
Logo গ্যাস সংকট আগের সরকারের পাপের ফল: ডা. জাহেদ Logo ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে এআই-নির্ভর ‘অটো ফাইন সিস্টেম’ চালু Logo প্রধানমন্ত্রীকে সৌদি আরব সফরের আমন্ত্রণ জানিয়েছেন যুবরাজ বিন সালমান Logo ছয় মাসে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির দৃশ্যমান উন্নতি হয়েছে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী Logo সরকারের ১৮০ দিনের সালতামামি: ধ্বংসস্তূপ থেকে পরিকল্পিত পুনর্গঠনের পথে বাংলাদেশ Logo শিগগিরই জনপ্রশাসন সংস্কার কমিশন গঠন করবে সরকার : নজরুল ইসলাম খান Logo রাষ্ট্র ও মানুষের মর্যাদা প্রতিষ্ঠাই সরকারের বড় সাফল্য:সালেহ শিবলী Logo শেখ হাসিনার কোন স্ট্যাটাসে ভারতে আছেন জানা নেই: চিফ প্রসিকিউটর Logo ১০ বছরের জ্বালানি পরিকল্পনা সংসদে উপস্থাপনের ঘোষণা প্রধানমন্ত্রীর Logo আগামীকাল কিশোরগঞ্জ সফর করবেন প্রধানমন্ত্রী

শিক্ষার্থীদের তথ্য প্রযুক্তিতে দক্ষ হয়ে স্মার্ট বাংলাদেশ গড়ায় অবদান রাখতে হবেঃ ড. তৌফিক রহমান চৌধুরী

সিলেট প্রতিনিধি
  • আপডেট সময় : ০২:১৬:৩৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৫ জুলাই ২০২৪ ৫৫৬ বার পড়া হয়েছে

মেট্রোপলিটন ইউনিভার্সিটির প্রতিষ্ঠাতা ও বোর্ড অব স্ট্রাস্টিজের চেয়ারম্যান ড. তৌফিক রহমান চৌধুরী বলেছেন, “শিক্ষার্থীদের তথ্য প্রযুক্তিকে দক্ষ ও যোগ্য হয়ে দেশে বিদেশে প্রতিষ্ঠিত হয়ে স্মার্ট বাংলাদেশ গড়তে অবদান রাখতে হবে। বৃহত্তর সিলেট তথা বাংলাদেশে উচ্চশিক্ষার প্রসারের উদ্দেশ্য নিয়ে প্রতিষ্ঠা করা হয় মেট্রোপলিটন ইউনিভার্সিটি। প্রতিষ্ঠার শুরুতে শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের সহায়তা আমাদের অগ্রযাত্রাকে শানিত করেছে। এরই ধারাবাহিকতায় শাহজালাল বিশ্ববিদ্যালয় স্মার্ট বাংলাদেশ বিনির্মানে দক্ষ-জনবল গঠনের লক্ষ্যে এজ প্রকল্পের আওতায় ‘ডিজিটাল স্কিলস ফর স্টুডেন্টস’কর্মসূচির জন্য সিলেটের একমাত্র প্রাইভেট ইউনিভার্সিটি হিসেবে মেট্রোপলিটন ইউনিভার্সিটিকে নির্বাচন করায় আমরা গর্বিত। আমরা শাহজালাল বিশ্ববিদ্যালয় ও অত্র বিশ্ববিদ্যালয়ের আইআইসিটিকে আন্তরিক ধন্যবাদ জানাই। বছরব্যাপী এ প্রশিক্ষণ কর্মসূচী আমাদের শিক্ষার্থীদের যোগ্য ও দক্ষ করে গড়ে তুলবে বলে আমি আশাবাদি।”

গত ১৪ জুলাই বিকেলে প্রফেসর এম হাবিবুর রহমান হলে বিশ্বব্যাংকের অর্থায়নে এবং বাংলাদেশ সরকারের তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগের অধিনে বাংলাদেশ কম্পিউটার কাউন্সিলের এজ প্রকল্পের ‘ডিজিটাল স্কিলস ফর স্টুডেন্টস ট্রেনিং প্রোগ্রাম’এর ওরিয়েন্টশন ও প্রশিক্ষণ কর্মসূচির উদ্বোধনকালে ড. তৌফিক রহমান চৌধুরী এ কথাগুলো বলেন।

শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের ইন্সটিটিউট অব ইনফরমেশন এন্ড কমিউনিকেশন টেকনোলজির পরিচালক প্রফেসর ড. এম জহিরুল ইসলামের সভাপতিত্বে ও শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের সফটওয়ার ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. আহসান হাবিবের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন মেট্রোপলিটন ইউনিভার্সিটির ভাইস চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. মোহাম্মদ জহিরুল হক ও ট্রেজারার প্রফেসর ড. তাহের বিল্লাল খলিফা।

উল্লেখ্য, স্মার্ট বাংলাদেশ বিনির্মানের অংশ হিসেবে বাংলাদেশ সরকারের তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগের আওতাধীন প্রতিষ্ঠান বাংলাদেশ কম্পিউটার কাউন্সিলের অধীনে দেশব্যাপী ৮০ হাজার দক্ষ-জনবল গঠনের লক্ষ্যে এজ প্রকল্পের ‘ডিজিটাল স্কিলস ফর স্টুডেন্টস ট্রেনিং প্রোগ্রাম’ কর্মসূচি আয়োজন করেছে। এরই অংশ হিসেবে শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের আইআইসিটি মেট্রোপলিটন ইউনিভার্সিটিতে এ প্রোগ্রাম সম্পূর্ণ বিনা খরচে পরিচালনা করছে।

এতে ২শ’রও বেশি শিক্ষার্থীদের নিয়ে দুটি ওরিয়েন্টেশন (৮টি ব্যাচ) মাধ্যমে ট্রেনিং প্রোগ্রামটির শুভ সূচনা করা হয়েছে। বর্তমান তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তির এই যুগে কারিগরি দক্ষতার কোন বিকল্প নেই। তারই ধারাবাহিকতায় এই প্রশিক্ষণ কর্মসূচি শুরু হয়েছে। যেখানে শিক্ষার্থীরা যোগ্যতা ও দক্ষতা অর্জন করে কর্মজীবনে আরও একধাপ এগিয়ে যাবে। এতে একদিকে বেকারত্ব হ্রাস পাবে অন্যদিকে বিদেশে নিজেদের বিভিন্ন কর্মে নিয়োজিত করার পাশাপাশি উদ্যোক্তা হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করলে নতুন কর্মসংস্থান সৃষ্টি হবে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :
error: Content is protected !!

শিক্ষার্থীদের তথ্য প্রযুক্তিতে দক্ষ হয়ে স্মার্ট বাংলাদেশ গড়ায় অবদান রাখতে হবেঃ ড. তৌফিক রহমান চৌধুরী

আপডেট সময় : ০২:১৬:৩৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৫ জুলাই ২০২৪

মেট্রোপলিটন ইউনিভার্সিটির প্রতিষ্ঠাতা ও বোর্ড অব স্ট্রাস্টিজের চেয়ারম্যান ড. তৌফিক রহমান চৌধুরী বলেছেন, “শিক্ষার্থীদের তথ্য প্রযুক্তিকে দক্ষ ও যোগ্য হয়ে দেশে বিদেশে প্রতিষ্ঠিত হয়ে স্মার্ট বাংলাদেশ গড়তে অবদান রাখতে হবে। বৃহত্তর সিলেট তথা বাংলাদেশে উচ্চশিক্ষার প্রসারের উদ্দেশ্য নিয়ে প্রতিষ্ঠা করা হয় মেট্রোপলিটন ইউনিভার্সিটি। প্রতিষ্ঠার শুরুতে শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের সহায়তা আমাদের অগ্রযাত্রাকে শানিত করেছে। এরই ধারাবাহিকতায় শাহজালাল বিশ্ববিদ্যালয় স্মার্ট বাংলাদেশ বিনির্মানে দক্ষ-জনবল গঠনের লক্ষ্যে এজ প্রকল্পের আওতায় ‘ডিজিটাল স্কিলস ফর স্টুডেন্টস’কর্মসূচির জন্য সিলেটের একমাত্র প্রাইভেট ইউনিভার্সিটি হিসেবে মেট্রোপলিটন ইউনিভার্সিটিকে নির্বাচন করায় আমরা গর্বিত। আমরা শাহজালাল বিশ্ববিদ্যালয় ও অত্র বিশ্ববিদ্যালয়ের আইআইসিটিকে আন্তরিক ধন্যবাদ জানাই। বছরব্যাপী এ প্রশিক্ষণ কর্মসূচী আমাদের শিক্ষার্থীদের যোগ্য ও দক্ষ করে গড়ে তুলবে বলে আমি আশাবাদি।”

গত ১৪ জুলাই বিকেলে প্রফেসর এম হাবিবুর রহমান হলে বিশ্বব্যাংকের অর্থায়নে এবং বাংলাদেশ সরকারের তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগের অধিনে বাংলাদেশ কম্পিউটার কাউন্সিলের এজ প্রকল্পের ‘ডিজিটাল স্কিলস ফর স্টুডেন্টস ট্রেনিং প্রোগ্রাম’এর ওরিয়েন্টশন ও প্রশিক্ষণ কর্মসূচির উদ্বোধনকালে ড. তৌফিক রহমান চৌধুরী এ কথাগুলো বলেন।

শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের ইন্সটিটিউট অব ইনফরমেশন এন্ড কমিউনিকেশন টেকনোলজির পরিচালক প্রফেসর ড. এম জহিরুল ইসলামের সভাপতিত্বে ও শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের সফটওয়ার ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. আহসান হাবিবের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন মেট্রোপলিটন ইউনিভার্সিটির ভাইস চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. মোহাম্মদ জহিরুল হক ও ট্রেজারার প্রফেসর ড. তাহের বিল্লাল খলিফা।

উল্লেখ্য, স্মার্ট বাংলাদেশ বিনির্মানের অংশ হিসেবে বাংলাদেশ সরকারের তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগের আওতাধীন প্রতিষ্ঠান বাংলাদেশ কম্পিউটার কাউন্সিলের অধীনে দেশব্যাপী ৮০ হাজার দক্ষ-জনবল গঠনের লক্ষ্যে এজ প্রকল্পের ‘ডিজিটাল স্কিলস ফর স্টুডেন্টস ট্রেনিং প্রোগ্রাম’ কর্মসূচি আয়োজন করেছে। এরই অংশ হিসেবে শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের আইআইসিটি মেট্রোপলিটন ইউনিভার্সিটিতে এ প্রোগ্রাম সম্পূর্ণ বিনা খরচে পরিচালনা করছে।

এতে ২শ’রও বেশি শিক্ষার্থীদের নিয়ে দুটি ওরিয়েন্টেশন (৮টি ব্যাচ) মাধ্যমে ট্রেনিং প্রোগ্রামটির শুভ সূচনা করা হয়েছে। বর্তমান তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তির এই যুগে কারিগরি দক্ষতার কোন বিকল্প নেই। তারই ধারাবাহিকতায় এই প্রশিক্ষণ কর্মসূচি শুরু হয়েছে। যেখানে শিক্ষার্থীরা যোগ্যতা ও দক্ষতা অর্জন করে কর্মজীবনে আরও একধাপ এগিয়ে যাবে। এতে একদিকে বেকারত্ব হ্রাস পাবে অন্যদিকে বিদেশে নিজেদের বিভিন্ন কর্মে নিয়োজিত করার পাশাপাশি উদ্যোক্তা হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করলে নতুন কর্মসংস্থান সৃষ্টি হবে।