ঢাকা ০৪:৪৭ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৯ জানুয়ারী ২০২৬, ৫ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
Logo শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তরের প্রধান প্রকৌশলীকে ঘিরে সমালোচনার ঝড় Logo বরিশালে গণপূর্তে ঘুষ–চেক কেলেঙ্কারি! Logo ওয়ার্ল্ড হিউম্যান রাইটস্ ক্রাইম রিপোর্টাস সোসাইটির কম্বল ও খাবার বিতরন Logo বাংলাদেশে ৫৬ জন দীর্ঘমেয়াদি নির্বাচন পর্যবেক্ষক মোতায়েন করল ইউরোপীয় ইউনিয়ন Logo নাগরিক শোকসভা কাল: সঙ্গে আনতে হবে আমন্ত্রণপত্র Logo উত্তরায় হোটেলে চাঁদা চাওয়ায় সাংবাদিককে গণধোলাই Logo ৩০ লক্ষ টাকায় বনানী ক্লাবের সদস্য হওয়া দুর্নীতিবাজ কাস্টমস কমিশনার জাকিরের পুনর্বাসন Logo চমেকে বিনামূল্যে বিশুদ্ধ খাবার পানির প্ল্যান্ট স্থাপন করল দূর্বার তারুণ্য ফাউন্ডেশন Logo তারেক রহমানের সঙ্গে সম্পাদক-সাংবাদিকদের শুভেচ্ছা বিনিময় অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত Logo শেখ হাসিনার স্নেহধন্য দোলনের দাপট: হত্যা মামলার আসামি হয়েও সংসদ নির্বাচনে প্রার্থীতা বহাল

ওয়েজ আনার্স কল্যাণ বোর্ড” মহাপরিচালকের বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৪:০১:২৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৩ ৬৪৩ বার পড়া হয়েছে

নিজস্ব প্রতিবেদক: প্রবাসীদের কল্যাণে কাজ করা ওয়েজ অনার্স কল্যাণ বোর্ড এর মহাপরিচালক হামিদুর রহমানের বিরুদ্ধে বিভিন্ন ধরনের অনিয়ম দুর্নীতি এবং কল্যান বোর্ডের সরকারি অর্থ বিভিন্ন ব্যাংকে জমা রেখে কমিশন গ্রহণের অভিযোগ উঠেছে।

বিভিন্ন সময়ে হামিদুর রহমানের বিরুদ্ধে এমন অভিযোগ উঠেছে এবং সংবাদ মাধ্যমে সংবাদ প্রচারিত হওয়ার পরেও বহাল তবিয়তে অনিয়মের রাজত্ব কায়েম করে যাচ্ছেন তিনি।

তার বিরুদ্ধে গুরুতর অভিযোগ ও দুর্নীতির ফিরিস্তি তুলে ধরে সম্প্রতি দুর্নীতি দমন কমিশন দুদকে একটি অভিযোগ দায়ের হয়েছে। যার কপি এসেছে সকালের সংবাদের হাতে।

উক্ত অভিযোগে উল্লেখিত বিষয় সূত্রে জানা যায়, সরকারী কর্মকর্তা জনাব মো: হামিদুর রহমান একজন বড় দুর্নীতিবাজ। তিনি ওয়েজ আনার্স কল্যাণ বোর্ডের মহাপরিচালক হিসেবে দায়িত্ব পাওয়ার সাথে সাথে ওয়েজ আনার্স কল্যাণ বোর্ডের ডিপোজিট বিভিন্ন প্রাইভেট ব্যাংকে এফডিআর হিসেবে জমা রাখেন। বিভিন্ন ব্যাংকে এফডিআর জমা রাখার বিপরীতে তিনি প্রতিটি এফডিআর এর অনুকূলে মোটা অঙ্কের কমিশন হাতিয়ে নেন। তার নিজস্ব কিছু সিন্ডিকেটের মাধ্যমে এই ধরনের অসাধু কাজ সম্পন্ন করেন। এর মাধ্যমে মহাপরিচালক হামিদুর রহমান সরকারের বিপুল পরিমাণ অর্থের ক্ষতি সাধন করে আসছেন। এক এক ব্যাংকে একেক ধরনের ইন্টারেষ্ট রেটের মাধ্যমে এই কাজগুলে করে আসছেন তার আকট্য প্রমান মিলেছে। এর সাথে জনাব শোয়াইব আহমেদ খান (যুগ্ম সচিব, পরিচালক) অর্থ ও কল্যাণ জড়িত রয়েছেন। তারা দুইজন নিজেদের সিন্ডিকেটের মাধ্যমে সরকারের বিপুল পরিমাণ অর্থ ক্ষতি সাধন করে আসছেন। তাদের কথার বাহিরে ওয়েজ আনার্স কল্যাণ বোর্ডের একটি কাজ ও হয়না। চাকুরী জীবনে জনাব মো: হামিদুর রহমান ঢাকা শহরের ধানমন্ডি এলাকায় ২টি আলিশান ফ্ল্যাটের মালিক হয়েছেন। যার প্রত্যেকটির মূল্য আনুমানিক ১.৫০ কোটি টাকা করে। এছাড়া তার নিজ এলাকায় ৫ তলা বিশিষ্ট ভবন আছে ২টি এবং শ্বশুর বাড়ির আত্মীয় স্বজনের নামে বেনামে বিপুল সম্পদ করেছেন।

অতএব জনাবের নিকট আমার আবেদন এই দুর্নীতিবাজ কর্মকর্তা জনাব মো: হামিদুর রহমান (অতিরিক্ত সচিব, মহাপরিচালক) ওয়েজ আনার্স কল্যাণ বোর্ড এর সম্পদের হিসেব নিখুঁতভাবে পর্যালোচনা করে তার বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হয়।

উক্ত অভিযোগের বিষয় জানতে মহাপরিচালকের মুঠোফোন নাম্বারে কথা বলার একাধিকবার চেষ্টা করে হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।

Loading

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :
error: Content is protected !!

ওয়েজ আনার্স কল্যাণ বোর্ড” মহাপরিচালকের বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ

আপডেট সময় : ০৪:০১:২৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৩

নিজস্ব প্রতিবেদক: প্রবাসীদের কল্যাণে কাজ করা ওয়েজ অনার্স কল্যাণ বোর্ড এর মহাপরিচালক হামিদুর রহমানের বিরুদ্ধে বিভিন্ন ধরনের অনিয়ম দুর্নীতি এবং কল্যান বোর্ডের সরকারি অর্থ বিভিন্ন ব্যাংকে জমা রেখে কমিশন গ্রহণের অভিযোগ উঠেছে।

বিভিন্ন সময়ে হামিদুর রহমানের বিরুদ্ধে এমন অভিযোগ উঠেছে এবং সংবাদ মাধ্যমে সংবাদ প্রচারিত হওয়ার পরেও বহাল তবিয়তে অনিয়মের রাজত্ব কায়েম করে যাচ্ছেন তিনি।

তার বিরুদ্ধে গুরুতর অভিযোগ ও দুর্নীতির ফিরিস্তি তুলে ধরে সম্প্রতি দুর্নীতি দমন কমিশন দুদকে একটি অভিযোগ দায়ের হয়েছে। যার কপি এসেছে সকালের সংবাদের হাতে।

উক্ত অভিযোগে উল্লেখিত বিষয় সূত্রে জানা যায়, সরকারী কর্মকর্তা জনাব মো: হামিদুর রহমান একজন বড় দুর্নীতিবাজ। তিনি ওয়েজ আনার্স কল্যাণ বোর্ডের মহাপরিচালক হিসেবে দায়িত্ব পাওয়ার সাথে সাথে ওয়েজ আনার্স কল্যাণ বোর্ডের ডিপোজিট বিভিন্ন প্রাইভেট ব্যাংকে এফডিআর হিসেবে জমা রাখেন। বিভিন্ন ব্যাংকে এফডিআর জমা রাখার বিপরীতে তিনি প্রতিটি এফডিআর এর অনুকূলে মোটা অঙ্কের কমিশন হাতিয়ে নেন। তার নিজস্ব কিছু সিন্ডিকেটের মাধ্যমে এই ধরনের অসাধু কাজ সম্পন্ন করেন। এর মাধ্যমে মহাপরিচালক হামিদুর রহমান সরকারের বিপুল পরিমাণ অর্থের ক্ষতি সাধন করে আসছেন। এক এক ব্যাংকে একেক ধরনের ইন্টারেষ্ট রেটের মাধ্যমে এই কাজগুলে করে আসছেন তার আকট্য প্রমান মিলেছে। এর সাথে জনাব শোয়াইব আহমেদ খান (যুগ্ম সচিব, পরিচালক) অর্থ ও কল্যাণ জড়িত রয়েছেন। তারা দুইজন নিজেদের সিন্ডিকেটের মাধ্যমে সরকারের বিপুল পরিমাণ অর্থ ক্ষতি সাধন করে আসছেন। তাদের কথার বাহিরে ওয়েজ আনার্স কল্যাণ বোর্ডের একটি কাজ ও হয়না। চাকুরী জীবনে জনাব মো: হামিদুর রহমান ঢাকা শহরের ধানমন্ডি এলাকায় ২টি আলিশান ফ্ল্যাটের মালিক হয়েছেন। যার প্রত্যেকটির মূল্য আনুমানিক ১.৫০ কোটি টাকা করে। এছাড়া তার নিজ এলাকায় ৫ তলা বিশিষ্ট ভবন আছে ২টি এবং শ্বশুর বাড়ির আত্মীয় স্বজনের নামে বেনামে বিপুল সম্পদ করেছেন।

অতএব জনাবের নিকট আমার আবেদন এই দুর্নীতিবাজ কর্মকর্তা জনাব মো: হামিদুর রহমান (অতিরিক্ত সচিব, মহাপরিচালক) ওয়েজ আনার্স কল্যাণ বোর্ড এর সম্পদের হিসেব নিখুঁতভাবে পর্যালোচনা করে তার বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হয়।

উক্ত অভিযোগের বিষয় জানতে মহাপরিচালকের মুঠোফোন নাম্বারে কথা বলার একাধিকবার চেষ্টা করে হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।

Loading